জ্ঞহ
এই লেখার উপলক্ষ্য লীনা দিলরুবা, শওকত হোসেন মাসুম ভাই আর আহমেদ মোস্তফা কামাল ভাই যারা এখনও স্নেহান্ধতায় রাংতাকে রূপা ভাবছেন।
কবিতা নিয়ে অনেক ধরণের আদিখ্যেতা আছে মানুষের, তবেঅধিকাংশ কবিতাপ্রচেষ্টাই আমার কাছে স্থুল মনে হয়। গতকাল একজন লিখেছে বৃষ্টি হলে গ্রামে মাটি ফুঁড়ে কেঁচো বের হয় আর ফেসবুকে কবি বের হয়। আমার মনে হয় ফেসবুকের জমিন ফুঁড়ে কবি বের হয় না, আজকাল তারা একে-তাকে ধরে একটা কবিতা সংগ্রহও ছাপিয়ে ফেলে। শিল্প হিসেবে কবিতা অনেক বেশী স্থুল। বিশেষত প্রকাশিত হতে ব্যাকুল মানুষের কবিতাগুলো, বেশীরভাগ সময়ই তাদের শব্দের জোড়াতালি আর ক্লেশদায়ক চমকের চেষ্টা তাদের ব্যক্তিগত ভাবনা কিংবা অনুভুতিগুলোকে উপস্থাপন করে না। প্রাণহীন কবিতার বুনট ভেঙে শব্দের জ্যামিতিক নক্সা নির্মাণের প্রয়াসটা ভাবনার অগভীরতা স্পষ্ট করে ফেলে।
"সেই তো তুমি কাঁদছো আবার
সবাই যেমন কাঁদে
এমন কষ্ট হয় না ছাপা
স্থানীয় সংবাদে
ঐতো আঘাত একলাটি ছাদ
মিশকালো সমঝোতা
পাতায় পাতায় ওল্টানো রঙ
অমর চিত্রকথা"
হয়তো সুরের ছোঁয়া না থাকলে এই অংশটা নিতান্তই ম্যাড়ম্যাড়ে মনে হতো।





মন্তব্য করুন