বন্ধু বিনে
আমার পাঁচ বছরের প্রবাস জীবনে যে ব্যপারটি বুঝেছি তা হচ্ছে বন্ধুর উপস্থিতির চাইতে তার অনুপস্থিতি বেশি উপলব্ধি করা যায়। আমাদের দেশের সামাজিক প্রেক্ষাপটে বন্ধু, সহপাঠী বা সহকর্মীর যেরকম একটি স্থান আছে আমাদের জীবনে, জার্মানীতে গিয়ে বুঝলাম যে সেখানকার সমাজ ভিন্ন। দুই মাস একসাথে যাদের সাথে ইন্টার্নশিপ করেছি, কফি ও লান্চের সময় কাটিয়েছি অনেক গল্প করে, ঘুণাক্ষরেও কি ভেবেছি তাদের সাথে কোনও যোগাযোগ থাকবে না পরবর্তীতে? বিদায় নেবার সময় সবাই ফোন নম্বর, ইমেইল বিনিময় করলাম। সেটাই ছিল শেষ যোগাযোগ। পিটার আসত দেড়শত কিলোমিটার দুরে পোলিশ বর্ডারে অবস্থিত ফ্রান্কফুর্ট (ওডার) থেকে। পরে একবার সে শহরে যখন গেলাম, তাকে ফোন দিলাম। ভেবেছিলাম, তার সাথে সম্ভব হলে দেখা করব। কিন্তু ফোনে কথা বলার পর তার আগ্রহ দেখিনি। হয়ত আমার আগেই জানানো উচিৎ ছিল - কারণ কাজের সময় ছুটি নেয়ার ব্যাপার আছে - অথবা হয়ত আমিই কারণ। এরপর নিজেকেই গুটিয়ে নিয়েছি।
কিন্তু বন্ধু বিনে জীবন কি পরিপূর্ণ হয়? তাই প্রবাসে ভরসা ছিল ফোন। ঢাকার যে বন্ধুর সাথে একদিন দেখা বা কথা না হলে মনে হত কি যেন অপূর্ণ রয়ে গেছে সে বন্ধুর সাথে কথা বলা হতো প্রথমদিকে মাসে- দুইমাসে একবার করে। তারপর একসময় দুরত্ব বাড়তে লাগল সমস্ত বন্ধুদের সাথে। ততদিনে ব্লগের মাধ্যমে অনেক পরিচিতি বাড়ল। অনেকের সাথে অনলাইনে ভাল সখ্যতাও হল। এখনতো এমন হয় কোন নতুন শহরে গেলে আগে পরিচিত ব্লগার খুঁজি। দুরের আত্মীয় স্বজনের সাথে দেখা হবার বদলে তাদের সাথে দেখা করাটাকেই গুরুত্ব দেই। কারণ মনে হয় যে বন্ধুত্বের জন্যে মনটি হাহাকার করে।
এখন ফেসবুকের কল্যাণে বন্ধু কথাটার মানে পাল্টে যাচ্ছে। ফেসবুকে বন্ধুর সংখ্যা এখন স্ট্যাটাস সিম্বলে পরিণত হয়েছে। আমরা সগর্বে ঘোষণা দেই আমাদের বন্ধু সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে এবং মুখিয়ে থাকি ওবামা, তসলিমার মত নামি দামীদের (আসল বা নকলের ধার ধারি না) বন্ধুর তালিকায় যোগ করতে। কারো সাথে এভাবে পরিচিত হতে যাই: জানেন আমি না আপনার ফেসবুক ফ্রেন্ড, আপনার ওই স্ট্যাটাসটা না চমৎকার! -ওহ! তাই নাকি (চূড়ান্ত বিস্ময়)!
বন্ধুত্ব একটি খুব সহজ কথা, সহজেই ব্যবহার করা যায়। প্রতিদিন আমরা হরে দরে এই শব্দটি ব্যবহার করি। তবে বন্ধুত্বের আসল মানে, আসল গভীরতা এই শব্দটিতে ধরা দেয় না। আমাদের জীবনে অনেকের সাথেই মেলামেশা হয়। কিন্তু আসল বন্ধু হয় কজন?
আরেকটি ব্যপার হল বন্ধুত্ব আসলে শিল্প বা দার্শনিকতার মত নির্দিষ্ট কোন বিষয় নয়। আপনি একে কোন সংজ্ঞায় ফেলতে পারবে না বা এর নেই কোন নির্দিষ্ট পরিমাপযোগ্য সার্থকতা। অথচ জীবনকে সার্থক করতে একটি ভাল বন্ধুত্বই যথেষ্ট। বন্ধুত্বের আসল পরীক্ষা হল যে বন্ধুত্বের কোন বাহ্যিক প্রদর্শন ছাড়া একসাথে থাকতে পারা - কারণ জীবনের ছোটখাট বিষয়ও তাদের সাথে উপভোগ করা যায়। আসল বন্ধুত্ব তড়িৎ যোগাযোগ বা স্বল্প পরিচয়ের কোন ব্যাপার নয়, একে অনেক চড়াই উৎরাই পার হয়ে পোক্ত হতে হয়। আমাদের পরিচিতদের মধ্যে থেকে অনেকের নামই আমরা স্মরণ করতে পারি না। আবার অনেকে আমাদের জীবনে গভীরভাবে দাগ কাটে - তাদের সাথে কথা বলতে - একসাথে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি - সেটাই বন্ধুত্ব।
ফেসবুক সম্পর্কে অনেকেই সন্দিহান হলেও আমি কিন্তু একে খুবই উপযোগী একটি টুল হিসেবে দেখি। ফেসবুকের কল্যাণে আমি আমার দুরে সরে যাওয়া অনেক বন্ধুদের সাথে পুন:যোগাযোগ করতে পেরেছি। আমার নিত্য যোগাযোগের যেই বন্ধুটির কথা আগে বললাম সে কম্পুকানা হওয়ায় অনেকদিন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার পর এখন সে আইফোনে ফেসবুকে ঢুকে - তাই প্রায়ই টুকটাক কথা হয়। ছবি দেখে মাপা হয় কার কত ভূরি বেড়েছে। ফেসবুক তোমাকে সালাম।
আমাদের সাংস্কৃতিক দলটির কাজের খবর পাই ইয়াহু মেইলিং লিস্ট থেকে। আমি দুরে থেকেও সব সংবাদ পাই বন্ধুদের - বিয়ে-সন্তান-মৃত্যু। প্রযুক্তি আমাদের সাহায্য করে সেই পুরোনো বন্ধুত্বের ছোঁয়া দিতে।
সম্প্রতি দেশে গিয়েছিলাম এবং কিছু পুরোনো বন্ধুদের সাথে আবার অনেক অনেক দিন পরে দেখা হল টিএসসিতে। নব্বুই দশকের মাঝামাঝি সময়ে আমরা যখন টিএসসি দাপিয়ে বেড়াতাম সে সময়ের সাথে এখন কতটুকু পরিবর্তন এসেছে সেটি দেখার আগ্রহ ছিল সবার। এখন টিএসসির প্রবেশ পথে ল্যাপটপ নিয়ে বসে থাকে তরুণেরা (কারণ বিনামূল্যে ওয়াইফাই ইন্টারনেট) - তবে ভেতরে সেই চিরচেনা জড় হয়ে বসা আড্ডা - কারও সাংস্কৃতিক চর্চা। আমাদের জীবনে এতদিনে অনেক পরিবর্তন এসেছে। আমাদের দুই বন্ধুর বিয়ে হয়ে বাচ্চা হবার পর তাদের ছাড়াছাড়িও হয়ে গেল। অনেকদিন পরে আবার তারা একসাথে একই আড্ডায়। ফিরে গিয়েছিলাম সেইসব দিনগুলোতে। চাকুরী- বিয়ে- বাচ্চা সহ নানা বিষয় নিয়ে আলাপের মধ্যে সেইসব দিনের স্মৃতি রোমন্থন - কিভাবে আমরা রোজার সময় রাত করে রিহার্সেল শেষ করে শাঁখারীবাজারে সোমদার বাসায় সারারাত কির্তন শুনে ভোরবেলায় হোটেলে সেহেরি খেয়েছিলাম। মাস্টারকার্ডের বিজ্ঞাপনের মত করে বলি - প্রাইসলেস।
প্রবাস জীবনে এই সুখ নেই। দেশে অনেকদিন থেকে যাদের জীবনের পরবর্তী সময় প্রবাসে কাটে, তাদের সেখানে অনেক চেনামুখ জোটে, বন্ধু জোটে না। বন্ধুদের জন্যেই ফিরে আসতে হয় স্বদেশ।





ফেসবুকের বন্ধুত্ব হতে যতোক্ষন ভাংতে তারচেয়ে কম সময় নেয়।
লেখাটা ভালো লেগেছে
ফেসবুকে যাদের চিনি না বা যাদের সাথে সামনা সামনি পরিচিত হবার সম্ভাবনা নেই বা আদৌ বন্ধুতা হবার সম্ভাবনা নেই তাদের যোগ করি না। আবার হয়তো ব্লগের মাধ্যমে অনেকের নাম শুনেছি কিন্তু ব্যক্তিগত বা আদর্শিক অপছন্দ কাজ করে তাদের যোগ করারও আগ্রহ দেখাই না বা যোগও করি না আগ বাড়িয়ে ( বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তারাও করে না )। ফেসবুকে বন্ধুসংখ্যা বাড়ানোতে আগ্রহ নেই।
প্রবাসে বন্ধুত্বটা অনেকটুকুই স্বার্থ সংশ্লিস্ট বা কাজ সংশ্লিস্ট হয়ে যায়। সেখানে আন্তরিকতার চাইতে কাজটাই মুখ্য হয়ে যায়। দেশী যেসব প্রবাসীর সাথে দেখা সাক্ষাত হয় নিয়মিত সেখানেও ঘনিস্টতায় গড়াতে সময় নেয় অনেক। বিচিত্র ও ভিন্ন সব পরিবেশ ও ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে আসা মানুষগুলোর সাথে বন্ধুত্ব গড়াতেও সময় নেয় অনেক, বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে তাও হয়ে উঠে না।
ফেসবুকের মাধ্যমে বহু যুগ আগে হাড়িয়ে যাওয়া বন্ধুদের সাথে আবার যোগাযোগ হচ্ছে ভেবে ফেসবুককে বুকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে হয়। হয়তো বছরের পর বছর যোগাযোগ না থাকায় কেমন যেনো একটা ফাঁক তৈড়ি হয়েছে কিন্তু সামান্য কিছু সময় পর সেটাও কেটে যায়। আমার সব সময়ই মনে হয় স্কুলে বা কলেজে পড়বার সময় এবং ছোট বেলা যে নিস্বার্থ বন্ধুত্ব গড়ে উঠে সেটা সময়ের কষাঘাতে সাময়িকভাবে আবছা হয়ে গেলেও সামান্য আলাপেই সেটা আবার সেই শৈশব বা কৈশরের মতো জ্বলজ্বলে হয়ে উঠে।
প্রবাসে অনেক চেনা মুখ তৈড়ি হয়, পরিচিতি তৈড়ি হয় কিন্তু বন্ধু্ত্ব তৈড়ি হয় না।
এতো গেলো দেশী মানুষদের কথা। সাদা বা বিদেশী !! ?? সেটা হয়তো অফিসে বা কাজে অনেক আন্তরিকতা, কিন্তু সেটা অফিস বা কাজের ফাঁকে ক্যাফের আড্ডার বাহিরে আসে না। এজন্যই মনে হয় বিদেশীদের চাইতে দেশী মানুষের সাথেই স্বাচ্ছন্দ বোধ করি। এজন্য ঈদে তাদের দাওয়াত দেয়া হয় না, তারাও ক্রিসমাস পার্টিতে আমাদের দেয় না।
পোস্ট এবং মাহবুব সুমনের মন্তব্য পড়ে মনটা ক্ষাণিকটা বিষন্ন হলো। আসলেই তো, বিদেশে হয়তো অর্থনৈতিক স্বাবলম্ভীতা আছে, প্রাচুর্য আছে... কিন্তু আমাদের মত কাজ শেষে বন্ধুদের নিয়ে স্টারে, বসুন্ধরায় বা ফুচকার দোকানে আড্ডা দেবার মত বন্ধূ, সময়, সুযোগের বড় অভাব আমাদের প্রবাসী ভাই-বন্ধুদের।
সেক্ষেত্রে আমরা যারা দেশে আছি, তারা অনেক ভাগ্যবান। মা-বা-ভাই-বোন-আত্মীয়-পরিজন-চেনা পরিবেশ-বন্ধুদের নিয়ে একসাথে আছি।
স্বাগতম রেজওয়ান ভাই
এই গানটার আবেদনটা দিন দিন বাড়ে আমাদের কাছে। কর্মক্ষেত্র, সংসার, সামাজিকতার আড়ালে সময়ের বড় একটা অংশ চলে যায়। এতেই আমাদের মনে হয় "কত দিন দেখা হয়নি..."। যারা দেশ থেকে অনেক দুরে... তাদের অবস্থা ভাবতেই কষ্ট লাগে।
অনেক গুলো বিষয় ছুঁয়ে গেছে লেখাটি । কোনটা রেখে কোনটা নিয়ে বলি?!
জানেন আমি না আপনার ফেসবুক ফ্রেন্ড, আপনার ওই স্ট্যাটাসটা না চমৎকার! -ওহ! তাই নাকি (চূড়ান্ত বিস্ময়)!
ঘটনা সত্য!!
এবিতে স্বাগতম ভাইয়া
হ... প্রবাসে গেলেই কেবল দেশের কথা মনে পরে। তার আগে ফাউল দেশ, বিরক্তিকর অবস্থা.. হেন-তেন!!!
তবে, এটা ঠিক, দূরত্ব না বাড়লে টান বোঝা যায় না, তাই "দূরত্ব যতই হোক, কাছে থাকুন!!"
লেখাটা মন দিয়ে পড়লাম। মন ছুঁয়ে গেলো।হুট করে কাউকে আমি বন্ধু বলতে পারি না। ফেসবুকে কত সহজে বন্ধু(!) হয় এখন! কিন্তু সত্যিকার বন্ধুত্বটা গড়ে উঠে না সবসময়। হঠাৎ করেই অনেকে হারিয়ে যায়। কিন্তু যারা স্কুল/ইউনিভার্সিটির বন্ধু তারা অনেক দূরে খাকলেও যেনো কাছেই আছে।কত মধুর স্মৃতি তাদের ঘিরে, সেই সময়গুলোকে ঘিরে। অনেকদিন পর দেখা হলেও সেই আগের সময়টা ফিরে আসে।তেবে ব্লগ থেকেও দারুণ, অসাধারণ কিছু বন্ধু পেয়েছি ।বন্ধুত্বের জয় হোক।
এই লেখাটার সকল দাড়ি কমার সাথে একমত।
পাঁচমাসের প্রবাস জীবনে একটা দারুন উপলব্ধি হইয়েছে এরা যতই আধুনিক আর যতই উন্নত হোক এদের মন মানসিকতা খুব নীচু। সারাদিন পাশে বসে কাজ করে কিন্তু কোনদিন শুনলাম না আগে কোন কথা বললো।কিছু জিজ্ঞাসা করলে উত্তর দেয় না হলে না।খাওয়ার সময় এক সাথে বের হই কিন্তু কোনদিন বলবেনা চল এক সাথে যাই।মাঝে মাঝে অসহ্য লাগে তখন ব্যালকনীতে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকি।আর দেশের বন্ধুদের কথা মনে করি।

লেখা টাচি হইসে, টাচ করসেও। রাসেল ভাই এই লেখার সকল দাড়ি কমার সাথে একমত হয়েছেন। আমি এই লেখার শব্দ-বাক্যগুলোর সঙ্গেও একমত হচ্ছি। এই ব্লগে স্বাগতম রেজওয়ান ভাই। এরকম লেখা আরো চাই।
স্বাগতম রেজওয়ান ভাই
একটা ঝামেলায় পড়ে এবার আপনার সঙ্গে দেখা হলো না।
ধ্যাৎ
লেখাটা চমৎকার লাগলো।
ফেসবুক আমার খুব প্রিয়। সবার সঙ্গে প্রতিদিন যোগাযোগ হচ্ছে, এরচেয়ে বড় আর কী হতে পারে? ফেসবুক না থাকলে এই মানুষগুলোর অনেক খবরই রাখা হতো না...
বন্ধুত্ব বানানোর ফর্মূলা আমার জানা নাই। দেশে থাকতেও তো অনেক পুরান অথচ যাদের ছাড়া জীবন চলবে না ভাবতাম, তাদের সাথে দেখাই হয় না। তারপরেও কিন্তু মনে হয় বন্ধুত্বটা আছে। ঢাকায় থাকি অথচ তাদের সাথেও যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক।
আবার ভার্চুয়াল বন্ধু একেবারেই তো দুর্লভ না। ব্লগের কারণে কতো ভাল ভাল বন্ধু পেলাম। এই যে মন খারাপ মন্তব্য করলো মাহবুব সুমন, ওর সাথে দেখা হয়নি কখনো, খুব কথা হয় তাও না, কিন্তু অষ্ট্রেলিয়া গেলে মাহবুব সুমনের কথাই আমি প্রথমে ভাববো হয়তো।
কোরিয়া আসলে আমারে খবর দিবেন মাসুম ভাই।
আমি বাবুল না মাসুম ভাই আমি রাসেল অথবা আশরাফ

হুমমম , আসলেই ফেসবুকে কত সহজেই বন্ধু হয়ে যায় !!!
এক সময় আমার বন্ধুদের জ্বালায় আমার বড় বোন বিরক্ত হয়ে গেছিল, আমারে বলতো - তোরে তো তোর বন্ধুরা জিম্মি করে রেখেছে !!!
সেই বন্ধুদের সাথে ২০/২৫ বছর বন্ধুত্বের পর ফেসবুকে এ্যড করার পর যখন বলে we are now friends , আজিব লাগে , কষ্টও লাগে, হাসিও পায়।
সেই বন্ধুদের কারণেই অনলাইনে তেমন বন্ধুত্ব হয়ে উঠেনি , অনলাইন কোন গ্রুপেও যাওয়া হয়নাই, কারণ বাস্তব জীবনেই বিশাল বন্ধুর বহর। অফিস থেকে এসে সোজা আড্ডায়।
তবে ব্লগিং এর সুবাদেও অনেক বন্ধু গড়ে উঠেছে । অনেকের সাথে দেখা হয়নাই শুধু লেখার কারণেই খুব কাছের , আপনার লোক মনে হয়, ফেসবুকে ADD করার পর সেই বন্ধুত্বের টান আরো গাঢ় হয়েছে।
ধন্যবাদ সবার মন্তব্যের জন্যে।
আমাদের এক বন্ধুর মা আমাদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, ওর (তার ছেলে, আমাদের বন্ধুকে উদ্দেশ্য করে) জন্ম তো আমার পেটে নয়, তোমাদের পেটে। সেজন্য সারাদিন তোমাদের সাথেই থাকে, রাতেও বাড়ি ফিরে না! হায়! সেইসব বন্ধুরা আজ কোথায়, এলোমেলো। কারো কারো সাথে কথাও হয় না অনেককাল। তবে, যেদিন ফোনে কথা হয়, ঠিকই আঁচ করা যায় বন্ধুত্বের উত্তাপ।
Is he SOMNATH SUR ?
মন্তব্য করুন