পুরানো সেই দিনের কথা-১
দেশ লেজেহোমো এরশাদ থেকে রক্ষা পায়ছে আর আমি পাইছি নজরুল স্যার এর অকারনে বেতের বাড়ি থেকে নাজিমুদ্দিন স্যার এর নীলডাউন থেকে প্রাইমারী থেকে ক্লাস সিক্স এ উঠেছি আমার বাড়ির আমিই এক মাত্র ফাইভ পাস পোলা।ভাবে মাটিতে পা পড়েনা।হাইস্কুলে যাই সারাদিন ক্লাসে টিচার দের জালাই স্কুলে স্যারের টেবিলে পেন খেলি।এই করতে করতে ১ম সাময়িকী পরীক্ষা চলে আসলো পড়াশুনা শুরু করলাম মনোযোগ দিয়ে।প্রথম কয়টা দিলাম ভালোই হলো কিন্তু সমস্যাই পরলাম অংক পরীক্ষা দিতে গিয়ে।
আমাদের ওই সময় পরীক্ষা হতো ২৫ মার্কের এমসিকিউ আর ২৫ মার্কের রচনামুলক।প্রশ্নে যা আসছে কোন অংক পারি না।সব উলটা পালটা করে দিছে অনেকটা এই যুগের সৃজনশীল প্রশ্নের মতো। এমসিকিউ দাগালাম আন্দাজে আর রচনামুলুক এ অংক সব করলাম কিন্তু আমি জানি একটাও হয়নি আর জ্যামিতিতে সুক্ষকোন কাকে বলে এটা পারলাম। বাসায় আসার সময় মনে হলো ট্রেনের নিচে মাথা দেই কিন্তু যখন মনে হলো অতবড় ট্রেন আমার উপর দিয়ে গেলে আমি বাচবো না তাই পরিকল্পনা বাদ দিলাম।আল্লহ আল্লহ করতে বাসায় গেলাম।আম্মা জিজ্ঞাসা করলো পরীক্ষা কেমন হয়ছে কইলাম হয়ছে মোটামুটি.।
বিকালে আব্বা অফিস থেকে আসলো জিজ্ঞাসা করলো পরীক্ষা কেমন হয়ছে আবারো কইলাম মোটামুটি।আব্বা কইলো মোটামুটি আবার কি?অংক পরীক্ষা কখনো মোটামুটি দেয় তোর বাপ কোনদিন অংকে ৯০ এর নীচে পায়নি আর তার পোলা হইয়ে মোটামুটি প্রশ্ন নিয়ে আয়।গেলাম প্রশ্ন নিয়ে।।কয় ঠিক করে কি করছোস????আমি কইলাম এই কয়টা পারছি।কয় করে দেখা।করতে বসলাম।।কিছুক্ষন পর আমার বাপজান বুজতে পারলো আমার অবস্থা। কইলো আসো সোনার চান পিতলা ঘুঘূ তোমার ডানা কাইটে দেই খুব বাড়ছো হাইস্কুলে উঠে পাখা গজায়ছে।বলে কি মাইরটা যে দিলো আহাঃ রে এখনো সেই সন্ধার কথা মনে পড়ে মাগরিবের আযান দিছে দাদী নামাজ পড়তেছে আর আমার বাপ আমারে গরুপেটা করতেছে আর আমার আম্মা দর্শক হিসাবে আর মাঝে মাঝে প্রভাবক হিসাবে বিক্রিয়া বাড়াচ্ছে।।
আমি মাইর খাচ্ছি দাদী নামাজ পড়ে এসে আব্বাকে বললেন ওরে ছাড়।আমার বাপজান কয় না মা আমি আজ ওরে মাইরে ফেলামু।বংশেরমুখে চুনকালি মাখাবো এই রকম পোলা আমার দরকার নাই। দাদী আবার আমি কইতেছি ওরে ছাড়।আব্বা তাও আমারে মারে।এই সময় একটা চটাশ করে আওয়াজ পাইলাম এই আওয়াজ এর চোটে আমার গগনবিদারী কান্নাকাটি থেমে গেল আর আব্বা আমারে ছেড়ে দিয়ে গালে হাত বুলাতে বুলাতে চলে গেল।।
সেইযাত্রায় দাদীর কল্যানে বেচে গেলাম আর স্কুলের কোন অংক পরীক্ষায় ৯০ এর নীচেও পেলাম না।।
আর সেবার আমাদের ক্লাসে মনে হয় ১০-১২ জন বাদে সবাই ফেল করেছিল।আর আমাদের চাইতে কম নাম্বার পেয়ে ১ম ২য় হয়ছিলো পোলাপাইন।আর আমি পাইছিলাম আনলাকি ১৩।১২ পায়ছিলাম এমসিকিউ আর রচনামূলুক পায়ছিলাম ১ তাও সেই সুক্ষকোন এর কল্যানে.।
জীবনে আরেকবার ফেল করেছিলাম কলেজে.।.।.।.।।





নির্মম! আমার মা-বাবা কখনো আমাদের মারেন নি
মাইর বাদে বড় হ্য়লেন কেমনে????যে মাইর খায়নাই তার জীবনে আট আনা মিছা.।।
বড় হৈতে মাইর লাগে এই ওয়াজ কৈ থেইক্কা শিখলেন
আমার জীবনের কোন কিছুই মিছা না। খাঁটি হাছা। মাইর ছাড়াই বড় হৈয়া গেছি 
চলুক পুরোন দিনের কথা।
আমি ভালা পুলা ছিলাম তাই পড়া নিয়া মাইর খাই নাই কোনদিন।
আমার আব্বা শিডিউল করে মারতেন আমাদের দুই ভাইকে। সপ্তায় দুইদিন মাইর খাইতাম। বাড়ির সামনের পুকুরটাতে কমপক্ষে দুই ঘন্টা ধইরা গোসল করাটা ছিলো প্রতি সপ্তার নিয়মিত অপরাধ। এই জন্যই মাইর বেশি খাওয়া হতো।
পুকুরের গোসল করা নিয়ে মাইর দিতো আম্মা।কারন আব্বা এইসব ছোট খাট বিষয়ে মেরে হাত গন্ধ করতো না।আহা রে দুইদিনের কথা মনে আছে একদিন স্কুল থেকে এসে ঘণ্টা তিনেক ডুবাইছি বাসায় আসছি আম্মা সেদিন দরজা লাগায় দিয়ে ফুকনী দিয়ে মাইর দিয়ে বাসা থেকে বের করে দিয়েছিলো।গেটের সামনে খালি গায়ে ভিজা প্যান্ট নিয়ে বসে আছি আর আমার ছোট ভাই সাধু বাবার মতো জানালা দিয়ে আমার দিকে কেলাচ্ছিল।শেষমেশ আব্বা এসে উদ্ধার করলেন।
আরেকদিন দপুকুরে ডুবাচ্ছি আম্মা পুকুরের কাছে এসে উঠতে বলছে আর আমি বলছি আরেকটু এই করতে করতে আম্মা রেগে গিয়ে বললো উঠ নাহলে ইট মারলাম আমি বললাম লাগাতে পারবানা ।আম্মা সত্যি সত্যি মেরে দিলো আর আমারও মাথা ফেটে গেলো আম্মা কিছুক্ষন পর দেখি পুকুর পাড়ে বসে কাদছে আর আমাকে উঠতে বলছে.।.।.।
মাথায় এখনো ফাটা দাগটা আছে চুল আচড়াতে গেলে দেখা যায়।
ছোটবেলায় একদিন সবাই মিলে খেতে বসেছি। আমি দুধ ভাত খাব। নিয়ে বসেই আছি। বারবার বলছে কিন্তু খাই না, এটা বলি, ওটা বলি, শেষে ফেলেই দিলাম প্লেট থেকে। আমার বাবা, টেবিলের পাশে একটা চিকন শোলা দিয়ে একটা বাড়ি দিলো খুবই আস্তে, বলে 'ফেললা কেনো'? আমি তো এমন কাঁদলাম যে আমাকে মেরেই ফেললো। আম্মা বলে 'তুমি আমার মেয়েকে মারলা কনে?কিছুই শিখ নাই?বাবা মেয়েকে মারে না।" আমার বাবা তো ভীষণ বিপদে পড়লো। দাদী বলে 'তোর এত সাহস? তুই কয়দিন থাকস? এত বিরক্ত কনে? পোলাপাইন। '। যাই হোক। আমি গাল ফুলাইছি। রাতে বাবা আদর করতে চাইলো, 'আম্মা বলে আমার মেয়েকে ধরবা না।' পরের দিন স্কুলে গেলো আমাকে আনতে। আমি তো এমন ভাব যে চিনিই না। একসাথে আসলাম কিন্তু কথা বলি না। আহারে। খুব মনে পড়ে এই ঘটনাটা। আপনার লেখা পড়ে আবার মনে পড়লো।আর কোনদিন আমার বাবা মারে নাই।রাগ করতো ।
সবার ছেলেবেলার কত স্মৃতি। মন টানে ছোটবেলার জন্য।
আমার বোনটাও একই রকম করতো।খুব ছোটবেলাতে ওকে আব্বা কি কারনে যেন ধমক দিছে এই খোটা আব্বাকে অনেকদিন শুনতে হয়ছে।আব্বা যদি বলতো মা আমার এই গালে একটা চুমা দাও তো ও বলতো দিবো না।আব্বা বলতো কেন?ও বলতো তুমি আমাকে ধমক দিয়েছো.।।
হাহাহা। খুব মজার বাবা-মেয়ের সম্পর্কটা।ছোটবেলায় আমার বাবা যেখানেই যেতো তার হাত ধরে আমি থাকতাম।সব আব্দার বাবার কাছে। একসময় মাথাভর্তি ছিলো কোকড়া চুল। আম্মার খুব রাগ যে মেয়ে চুল ও আচড়ায় না নিজে নিজে। একদিন সকালে বাবার সাথে বের হলাম। বাবা বলে, অনেক গরম না? চুলগুলি খুব জ্বালায়। চুল কাটবি? আমি তো মহাখুশি। বয়কাট করে খুশি মনে বাড়ি ফিরে গেলাম। আমম্মা কিছুক্ষণ স্তব্দ হয়ে তাকিয়ে রইলো। তারপর ঝাড়ি দিলো বাবাকে। তারপরও বাবা ধমক দিলেই পৃথিবীর সব রাগ অভিমান জমা হতো। কথা বলতাম না। এটা আমি কিছুদিন আগেও করতাম।বাবা বলতো মহা যন্ত্রণা কথা না শুনলেও কিছু বলতে পারব না। বাবারা কি সুইট হয়!
আমার মা বহুত মারছে, বাপে তেমন একটা না। তবে আমি আমার বাপের চাইতে মা'রে বেশি ভালা পাই
আম্মার হাতে ইউনি তে উঠেও মাইর খাইছি।তারপরেও আম্মা কেন জানি আমার খুব ভালো বন্ধু।দিনে কয়টা মেয়ে দেখছি কোনটা কেমন?এইসব নিয়ে আম্মার সাথে আড্ডা দিতাম।ইউনি তে ফাস্ট ইয়ারে কেমেষ্ট্রি লাস্ট ইয়ার এর এক আপুরে যে কি ভালো লাগতো বলার মতো না।তার ক্লাসের সামনে দাঁড়িয়ে থাক্তাম।আর বাসায় গিয়ে আম্মাকে বলতাম একদিন সাহেব বাজারে দেখি সেই আপু বাজার করছে আম্মাকে বললাম আম্মা এই সেই আপু।আম্মা কয় থাম আমি জিগায় আসি সে আমার ছেলের বউ হতে রাজী কিনা?আমি কই তুমি পাগল হয়ছো?উনি রাজী হবে কেন?সে বলে তাইলে তুই পাগল হয়ছোস কেন???
তারপরের দিন থেকে আমি পাগলামী ছেড়ে দিলাম
আমার মা বহুত মারছে, বাপে তেমন একটা না। তবে আমি আমার বাপের চাইতে মা'রে বেশি ভালা পাই
বাপ যেই পিটানি দিছে.. আমিও রেডি হইতাছি... উশিল করতে হপে না?
টুটল, তুমি এত খ্রাপ? বাবুটা আসতে না আসতেই মাইর উসুল করতে চাও?
ঠিকই আছে.ইট মারলে পাটকেল খেতে হয়.।আমি আপনার সাথে একমত টুটুল ভাই।
পড়ার লাইগা মারে নাই বাপে...। তয় একদিন এমুন মাইর দিছিলো... সেই আরেক কাহিনী... আসলে আমার জীবনটা কাহিনীময়... একদিন মুড ভালো থাকলে লেইখ্যা ফালামু...
সে কি আর যায়রে ভোলা বাবার ঔ পিটুনীগুলা।
বাবা কখনও মারে নাই তবে আমার মা জননী পারলে এখনও মারে
লেখা ভাল লাগছে। সবথিকা ভালো লাগছে এই লাইন টা -
বাপের হাতে যে কতরকমের মাইর খাইছি তা বইলা শেষ করা যাইবেনা। পড়া লেখা নিয়া তেমন খাই নাই। সাধারণত বাধাহীন পিটাইত। মানে বাপে একনাগারে পিটায় যাইত কেউ ডিস্টার্ব করতে আসতো না। তবে একবার তখন মনে হয় আমার সাত আট বছর বয়স। কী নিয়া জানি বাপে ধোলাই দিতেছিল ইচ্ছামত। আমার চার পাঁচ বছরের ছোট বোনে সহ্য করতে না পাইরা আমার নানিরে ধাক্কা দিয়া বাপ আর আমার মাঝখানে ঠেইলা দিল।
একবার মাইর খাইছিলাম ডিম ফুটা করার অপরাধে। বাপে পিটায়া বাড়ি থিকা বাইর কইরা দিসিল। এরম অনেক কাহিনী আছে ভুইলা যাইতে চাই। জন্মদাতা এখন নাই, মারা গেছে। মনে রাখার কী দরকার। তারপরো মাঝে মাঝে মনে পইড়া যায়।
রিমঝিমরে মারুম কি উলটা সেই মারে। ধমক দিলেও পরে মাপ চাইতে হয়।
ওই সময় মাইর খালে খালি মনে হতো এত মানুষ প্রতিদিন মরে আমি মরি না কেন?কিন্তু আজ সেই পুরান দিনের কথা মনে কইরা কত ভালো লাগতেছে।
বাপ মার মাইর খাওয়ার সৌভাগ্য হইলো না।
বাপে আরেকটু মারলে তো ১০০ই পাইতেন।
আমার অবস্থাও রায়হান ভাইয়ের মতো। ছেলে মেয়েরে বকা দিলেও মাফ চাইতে হয়। ঘোর কলিকাল। ছোটবেলায় অপেক্ষা করতাম কখন বাপে বাইরে যাবে। আর এহন পোলাপান অপেক্ষা করে কখন বাসায় আসবো।
ঘোর কলিকাল।
হ: ভাল কইছেন।অবশ্য ওইরকম মাইর খাওয়াতে একটা লাভ হয়ছে সেটা হচ্ছে কতটুকু মাইর দিলে ১০০ পাওয়া যায়।শিখে রাখছি পরে প্রয়োগ করুম।
আমার মাইরের রুটিন ছিল। প্রতি বছরের ২য় সাময়িক পরীক্ষার পর রেজাল্ট কার্ডে সাইন করানোর সময়।
১ম সাময়িকে অবস্থান থাক্তো ১২/১৪। বাপে দিতো ঝাড়ি, ভাব নিয়া কইতাম এইবার ভুল হইছে, আগামীবার আর হবে না, পরেরবার ঠিকই ১০-এর ভিতর থাকবো। গজ-গজ করতে করতে সাইন করে দিতো।
২য় সাময়িকে অবস্থান যাইতো গা ১৬/১৮ তে!! কোন কথা নাই, রেজাল্ট কার্ডটা হাতে নিয়াই ঠাস-ঠাস দুই গালে দুইটা থাবড়া।
বার্ষিক পরীক্ষায় আমি ৬/৮এর ভিত্রে!!!!
মাইরের উপ্রে আসলেই অসুধ নাই।

টুটুল ভাইঃ বাপ যেই পিটানি দিছে.. আমিও রেডি হইতাছি... উশিল করতে হপে না?
নাজ ভাবী*( বলবে)* আইসো চান্দু তোমার টাকের চুল একটাও থাকবনা কইলাম। শুধু গায়ে এক খান টুক্কা দিয়াই দেখ। তোমার খবর আছে।
টুটুল ভাই অযথা ঘরে অশান্তি করতে যাবেন কেন।? সবাই মিলা মিশা থাকেন। মারা মারি করা ভাল না।
একটা চটাশ করে আওয়াজ পাইলাম এই আওয়াজ এর চোটে আমার গগনবিদারী কান্নাকাটি থেমে গেল
আপনার দাদীর হাতে দেখি ভাল জোর ছিল
ফেইলর ইজ দ্যা পিলার অব সাক্সেস
হাহাহা, লেখা ভালো লাগছে।
বাপের হাতে মাইর কত খাইছি, সাথে আম্মার হাতের চুলটানা। পড়ালেখা নিয়া, দুষ্টুমি করার লাইগা। হায়রে মাইর। পিকনিকে গিয়া বেত কিনতে চাইলে আব্বা না করতো না, সেইটা পরে আমাদের পিঠের উপর ভাংতো। তবে শুনছিলাম বাপ-মা শৈলের যে জায়গায় মারে সে জায়গা বেহেশত যায়। সেক্ষেত্রে আমার প্রায় পুরা দেহখান নিয়া বেহেশত যাওয়া প্রায় নিশ্চিত।
বাসায় বাপের আর স্কুলে স্যারগো মাইর খাওয়া ফরজ ও সংবিধানসম্মত।
বাপ-মা এর মাইর তো আছেই সাথে এখন যোগ হয়ছে ইমান-আমান ধরে রাখার পরীক্ষা।।এই পরদেশে বেগানা আওরাতদের সামনে থাইকাও ইমান ধরে রাখছি এই জন্য আল্লাহ এমনিতেই বেহেশতে পাঠায় দিবো।।
কেন দেশে কি বেগানা আওরাত ছিলো না?
মাইর খাওনের লেখা এতো আনন্দ কইরা লেখলেন আর আদর খাওনেরটা জানি ক্যামনে লেখবেন
ওইটা লিখতে পারুম না মনে হইলে চোখ ঝাপসা হইয়ে আসে.।
পড়ে গেলাম..... আমি আব্বা-আম্মার হাতে খুব কম মাইর খাইছি... তবে মাস্টারদের মাইর কলেজেও শেষ হয়নি।
(
sobai khub darun likhchen.ekhon khub afsos hochhe keno abba -amma marenai.Amar abba jibone kokhono ekta domok i denni amare.jodi onek onnay kore feltam kemon kore jeno takato,tatei onek kharap lagto.tobe amar boro bonke marte dekhchi,apa pora bhule jeto tay.protidin onek rate asto abba,apa eto rat porjonto jagteo partona.ghum theke utheye abba jokhon pora jigges korto tokhon hoyto sob bhule jeto.ekdin to hater kache electric cable chilo,tai diye mair dilo.r amar forsa apar gaye sob dag lal hoye bose gelo.ami tokhon onek kadchi,kintu apa kono din o mair khaiya kadto na.ekhon abba onek osustho,kharap lage.r ma to sotti i onek bhalo bondhu.
Russel bhai,university r golpota beshi pochondo hoiche.
Ami amar jebone ak bar mar keasi mone ase ar a mar kaoer karon pora_sona na kora. .date of 2003 baba mashe modde bolto aj porte bosone dekhse boltam agamikal theke porbo kesudin por abar jigghasa korlen porte bosoni ager moto bollam agamikal theke porbo . kesu din por ma babar kase nalish koresen tomer sele porte bosena .ami sokale vat kassilam baba jiggasha korlen porte bosesile aj bollam na tar por buste parsan moja .
মন্তব্য করুন