পাহাড়ে উঠার গল্প
এই দেশে আসার আগে পাহাড় দেখছি খুব কম।তাই আসার আগে খালি মনে হতো পাহাড়ের মাঝে হারিয়ে যাবো। কিন্তু সেই হারিয়ে যাওয়ার সাধ আমার দুইদিনের মাথায় শেষ হইয়ে গিয়েছিলো।একটা ক্লাস করতে আমাকে আমাদের মেইন ক্যাম্পাসে যেতো হতো বাস থেকে নেমে দৌড়াতে হতো ক্লাস শুরু হয়ে যাওয়ার কারনে।ক্লাসে বসে মিনিট দশেক হাপাঁতাম।
কিছুদিন আগে সুপারম্যান প্রস্তাব দিলো হাইকিংয়ে যাবে।আমি অনেক চিন্তা করে পেলাম না পাহাড় বেয়ে উঠার মধ্যে কি এমন আছে??আমার ল্যাবমেট বরাবরের মতো হাইকিং নিয়ে একটা বিরাট বড় লেকচার দিয়ে দিলো আর বললো সুপারম্যান যেহেতু যেতে বলেছে সেহেতু আমাদের সবারই যাওয়া উচিত।বললাম যাবো কিন্তু আমার কিছু হয়লে ব্যাটা তোরা আমারে কাধেঁ করে নামাবি ওরা বলে নো প্রবলেম।
ম্যালাক্ষন ধানভানতে হাংগুকগীত গাইলাম।এবার আসল কথায় আসি।কিছু ছবি দিলাম সেই দিনের হাইকিংযের।
যাত্রা হবে শুরু তার আগে ফটোসেশন।
এই পথে যেতে হবে
হলুদ পাতাতে ভরপুর।
মন্দির পাহাড়া দেয় দৈত্য
লাল পাতার গাছ
সবুজের হলুদ ব্যাধি।
পাহাড়ের পাথর
পাহাড়ের পাশের কাশবন
পানি বহে.
শেষের আগে
উঠছি শেষ পর্যন্ত।কিন্তু নামার সময় বুঝছিলাম কত ইটে কত খোয়া হয়।আর ফলাফল হিসাবে দুইদিন ল্যাবে না গিয়ে রুমে ঘুম,নেটবাজি,ব্লগিং.।






বাহ। গাছ-পাতার ছবিগুলা দেখতে খুব ভালো লাগছে।
হ.....সবুজের হলুদ ব্যাধি---ছবিটা বেশী সুন্দর
আহা! বড়ই সৌন্দর্য।
তয় আপনার গুলার মতো না আরিফ ভাই।

প্রথম ছবির সর্ববামের জন কি রাসেল নাকী?
উজ্জ্বল ছবিগুলো ভালো লাগলো।
হ্যাঁ লীনা দি।
কুরিয়ান চান্তেক দেখা যাইতেসে। যাক, এই বিষয়ে বেশি কিছু বললাম না।
মীর, রাসের দু এক্টা ছবি তুলছে চান্তেকের থেকে দূরে দাঁড়িয়ে, সেগুলোই ব্লগে দিছে।
রাসের=রাসেল
খালি বাজে কথা
@জয়িতা
মানা করি নাই বলতে।বলো থামতেছো কেন??
হাফ প্যান্ট .. যাক, এই বিষয়ে বেশি কিছু বললাম না।
হাফ প্যান্ট কই পাইলেন বস???

শেষ ফটুকে আইসা নীল জ্যাকেটের পোলাটারে সরাইয়া খাড়াইতে পারলানা ?
ইয়াযিদ ভাই মেসেন্জারে আসেন, এট্টু গপসপ করি।
অফিসে ম্যাসেজ... নাই
ফোন করে কমেন্টটা দেখতে বলেন ।
কৈলাম না, অফিসে ম্যাসেঞ্জার নাই... আসেনা
ভালু না অফিস।
আমিও এটাই কইতে চাচ্ছিলাম, পোলাটা বুকা
কিডা বুকা?
আমি না মিনহো কিম??

বেশ বেশ । রাতে ছিলা নাকি ঐখানে ???
থাকলে কী, আর না থাকলে কী ? এক্সপ্লেইন প্লিজ !
আপনার কি পাহাড়ে গিয়ে এইরকম রাত কাটানোর কোন কাহিনী আছে নাকি? কি করছিলেন সারা রাত ম্যালেরিয়ার জীবানুবাহী মশা মারছিলেন??

কেন নীড় দাদার গল্প তে দেখোনাই, রাত কাটানোর কথা আছে
সাঈদ এরম পরিস্থিতিতে সাতার কাটে এইটা তো অনেক আগেই বলছে।
সাতাঁর!!!!!!!
সেদিন না কই যেন দেখলাম সাঈদ ভাই পানি দেখে ডরায়।আর অত বড় ছয়ফুট শরীরে আর্কিমিডিসের সুত্র কাজে কি লাগে????????
সাঈদ ভাইয়ের সাঁতার কাহিনীতে আর্কিমিডিসের সুত্র কাজ করে না
শেষের আগে ছবিটা অনেক কথা বলে
(
শেষের আগের ছবিটাতে চোখ আটকায় বারবার।
এইবার এইটাতে চোখ আটকান।

আপনার ছবিব্লগ তো পুরা, রঙ্গে রঙ্গে রঙ্গিন (সিনেমার বিজ্ঞাপনে বলতো যেমন, রঙ্গে রঙ্গিন নাচে গানে ভরপুর দেলোয়ার জাহান ঝন্টুর...) :) সুন্দর ছবিগুলা
হাংগুক গীত আবার কি জিনিস? "ধান বান্ধতে শীবের গীত" শুঞ্ছি
যান আপনের জন্য ববিতা-ফারুক অভিনীত একটা সাদাকালো টাইপের ছবি দিলাম।

শেষ ছবিটায় কী লেখা? এখানে প্র.......... করা নিষেধ?
হ।আপনে দেখি আপেল খাইয়া আর চেরী দেইখা সব পড়তে পারেন।

মজারু ! বাড়তি কিছু !
তাই নাকি দাদা ভাই??
কই পাইলেন বাড়তি কিছু??
বন্ধুদের পেচ্ছাপেচ্ছিতে ।
কুরিয়া থিক্কা আসার টাইমে ১ গ্যালান সুজু নিয়া আইসেন
১ গ্যালন সজু
করবেন কি তা দিয়া অজু??

চুপচাপ দেখে গেলাম।
দেখেন যত খুশি দেখেন।গান গাইতে গাইতে দেখেন তাও কিছু কমু না।

আমার কোন কিছুতেই উৎসাহ কমে না। সব কাজে উৎসাহ। আমার ওনি আমাকে নিয়া টায়ার্ড। বলে তোমার চ্যাংরামি কমে না এতো বয়স হইতেছে।
দিনান্ত গেলাম, কাসেলে হেটে উঠতেও পারো কিংবা ক্যাবল কারে উঠতে পারো। চার টাকা এনট্রী। আমিতো হেটেই উঠবো কিন্তু বাকিরা ক্যবল কারে। শেষে দুইজন হেটে বাকি সব গাড়িতে। হিমছড়ি গেলাম কেউ পাহাড়ে চড়বে না
। শেষে আমি আর ছোটবোন। বোটিং, ক্রিকেট, মারামারি, নাচানাচি কোনটাতেই আমার আগ্রহের কমতি হয় না। কি যে করি
ইষ্টার মানুষের বয়স বাড়ে না।এক জায়গায় স্থির থাকে।
দুলাভাই এখনো মানি লোকের মান দিতে শিখলো না আফসুস।

দুলাভাই এখনো মানি লোকের মান দিতে শিখলো না আফসুস।
যে শিখে না নয়ে, সে শিখে না নব্বুইতে, আফশোস

আমার কোন কিছুতেই উৎসাহ কমে না। সব কাজে উৎসাহ। সবাই যদি আপনার মত হতো! উৎসাহ আর উদ্যম না থাকলে আর জীবনে থাকলো কী ? আপনার উৎসাহ চিরজীবী হোক ।
ধন্যবাদ আপনাকে
গীটার না কি হাতে মুর্তিটার ছবি ..ঐটা ফেসবুকের প্রোফাইল পিকচার হিসেবে দিলাম। আমি আবার এমুন ই হাসিখুশি কি না!!!!
কাগুর মতো মামলা করুম কিন্তু.।

পাহাড়ের শীর্ষ নাকি সীমানা পিলারের গোড়া। কেমন সন্দ সন্দ লাগে।
জুলিয়ান নামের লোকজন খালি লিক খুঁজে বেড়ায়।
আমারও উঠার পর তাই মনে হয়ছিলো। চারকিলোমিটার হেটেঁ উঠার পর দেখি মাত্র ৮০০ মিটার উঠছি।মেজাজটা চরম বিলা হয়ে গেছিলো।ভাবলাম মুসা ভাইয়ের কাছাকাছি চলে গেছি কিন্তু উঠে মনটাই খারাপ হয়ে গেছিলো।
সমস্যাতো মুসার ঘটনা থাইক্যাই উৎপত্তি! বেচারার খাটনি কিছু ত্যাল্লাচোরার ফড়ফড়ানিতে বেগার হইতে বইছিলো।
৮০০মিটার অনেক! আমার তো ৮০ মিটার উপরে উঠবারও তাকৎ নাই। যে ৫০০মিটার উঠতে পারে তারেই সালাম জানাই। এইবার সে পলাইতে উঠুক আর সেখান থাইক্যা দুনিয়া দেখতে উঠুক।
মন্তব্য করুন