মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা - এইসব দরদ
...আযাদ সাহেব কে কমিটিতে নেয়া হবে কি হবেনা, সেইটা হচ্ছে এখন টেনশনের বিষয়। আযাদ সাহেব কে নিলে, তার রেফারেন্স ব্যাবহার করাটা সহজ হবে। কাজটাও হবে।.....অন্য কারো হাতে আপাতত এই ক্ষমতাটা নাই। কমিটিতে মফিজ আঙ্কেল আছে, ব্যাট'র আঙ্কেল আছে (আঙ্কেলের নামটা জেনে নিতে হবে, ভাবে শুভ)। আরো আছে অনেকেই। ছোটো মফ:স্বল শহরের ছোটো এলাকার গন্যবান্য যেই কয় জন সম্ভব।
আইডিয়াটা ফরিদের। ফরিদ এই "কলমা ইয়ং পাইওনিয়ার্স ক্লাবের" এক উৎসাহী নতুন সংযোজন। উপজেলা কলেজে ফরিদ আর শুভ একসাথেই পড়ে। ফরিদ আর শুভ'র বাড়িও কাছাকাছি, যদিও চেনা পরিচয় সাম্প্রতিক কালেই। তারপর শুভ'র মাধ্যমেই ক্লাবে যোগদান।
যোগ দেয়ার কয়দিনের মাঝেই তো মাসুম ভাইয়ের পেয়ারা লোক হৈয়া গেছে ফরিদ। হবেই বা না কেনো? নতুন নতুন সব ক্লাবীয় কর্মকান্ডের আবিষ্কারক ফরিদ।
আর এইবারের কর্মকান্ড তো তাদের ক্লাবটারে ফ্রন্ট লাইনে নিয়া আসতাছে।
ফরিদ একজন রিক্সাচালক খুঁজে পেয়েছেন,মো: মোয়াজ্জেম। যিনি ৭১ এ ছিলেন এজকন বীর মুক্তিযোদ্ধা । ফরিদ দের কলমা ইয়োং পাইওনিয়ার্স ক্লাব দায়িত্ব নিলো, এই মহান মুক্তি যোদ্ধাকে রিক্সাচালানোর হাত থেকে মুক্তি দিয়ে, একটি অফিস চাকরী ম্যানেজ করে দিবে।
এখন এজেন্ডা গুলা শেষ মুহূর্তের জন্য ঠিক করা হৈতাছে।
: কাজ কিন্তু দুইটাই ফোকাস করতে হবে আমাদের।
মাসুম ভাই বলতাছেন।
: মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেমকে সংবর্ধনা দেয়ার আগেই তার জন্য চাকরিটা ঠিক কইরা রাখতে হবে। শুভ, তোর বাপ কি কয়?
শুভ : বাবা তো আগেই কইছে, ঐসব কর্পোরেট অফিসে এইসব মুক্তিযোদ্ধা ইমোশন দিয়া চাকরী দেওয়া সম্ভব না। ওরা এইসব বুঝেনা ।
শুভ'র বাবা যে এইরকম রেফারেন্স দিয়া নিজের পজিশন নষ্ট করতে চায়না, সেইটা আর ভাঙ্লো না শুভ।
মাসুম ভাই ঘোঁৎ ঘোঁৎ কৈরা উঠলেন.."যত্তসব ব্যাবসায়ী দল, আইছে খালি লাভের গুড়টা খাইতে....হারুন, তুই কি করলি?
কাঁচুমাচু কইরা কথা বলা হারুনের স্বভাব। ভালো কিছু করলেও সে সাহস নিয়া নিজের ঢোল টা পিটাইতে পারেনা কোনো কালেই।
...: জ্বি, আমাদের মার্কেটের দুই তিন দোকানে পিয়ন কাম অফিস সহকারীর কাজ পাইতে পারে। পিয়ন টাইপ কাজ..এখন যদি আপনারা মনে করেন...
লাইনটা শেষ করেনা আর হারুন।
কিন্তু তাইতেই বাঘের মত হালুম কৈরা উঠে মাসুম ভাই আর রুবেল, সুমন হৈচৈ কৈরা উঠে...
" আরে, চাকরী একটা তো পাওয়া গেছে। রিক্সা চালানীর চাইতে এইটা কত ভালো কাজ। ইনাকম হয়তো একটু কম হৈবো, কিন্তু খাটনীও তো কম। একজন মুক্তিযোড্দ্ধা রিক্সা চালানের হাত থেইকা তো বাঁচলো!!"
অনেক চেনা-পরিচয়.."
আবারো খেঁকাইয়া উঠলে মাসুম ভাই।
রুবেল মুখ ব্যাকাঁইয়া অঙ্গভঙ্গী কৈরা কৈলো..
..."কেন, গেলোবার ব্যাডায় কেমন চামারের মত কথা কৈলো, মনে নাই? আমারা কৈলাম রিক্সাচালক মুক্তি যোদ্ধা, তার জন্য চাকরীর একটা ব্যবস্থার কথা। আর ব্যাডায় কয়, অশিক্ষিত মুক্তুযোদ্ধা, রিক্সা চালাবে নাতো কি এম এ পাস চাকরী করবে নাকি? যেই কাজ করতাছে সেই কাজই নাকি করতে থাক। ব্যাটা মহান মুক্তি যোদ্ধা সম্পর্কে কোনো সন্মান নিয়া কথা কয়না..আর এই ব্যাটার বাপেই নাকি পোলারে ৮ বছরের রাইখা যুদ্ধে গেছিলো। নিমখারাম কুনহানকার..."
বাকবিতন্ডা চলার মাঝখানে গলা খাঁকড়ী দিলেন মাসুম ভাই (নিজের বক্তব্য দেয়ার আগে, পরে, তার গুরুত্ব বোঝানের জন্য, বিভিন্ন রকম খাঁকড়ী আছে মাসুম ভাইয়ের)..
..." শোনো, শোনো, কথাতো ঐখানেই শেষ। আযাদ সাহেব কে অবশ্যই ডাক দেয়া হবে, কিন্তু কোনো সাহাজ্যের জন্য না, তারে ছাড়াও যে কাজ করতে পারছি আমরা, সেইটা দেখাইয়া দেয়ার জন্য।"
একটু বিরতি দিয়া দেখলেন আর কারো কিছু বলার আছে কিনা। কিন্তু সবাই আগে পুরাটা শুইনাই নিতে চায়..
..." আমাদের পরের কাজ হৈলো, মোয়াজ্জেমের(মাসুম ভাই নিজেই নিজের কথা রাখতে পার্লেননা, উনি বলছিলেন, কেউ মোয়াজ্জেমকে নাম ধৈরা ডাকবেনা, মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম বলতে হবে) রিক্সাটা আরেকজন গরীব কে বিক্রি কৈরা দেয়া, যেনো মোয়াজ্জেমের এইসব বিক্রি বাট্টায় বাটপারীর স্বীকার হৈতে না হয়। সেই ক্ষেত্রে আমরা..."
রুবেল হঠাৎ কইয়া উঠলো, " আমাদের বুয়ার জামাই রিক্সা চালায়, কিন্তু নিজের রিক্সা নাই..তারে দিলেই তো হয়"
..."অকে, ডান...তাইলে আসো, বাকী ডিটেইলস আলাপ গুলা সাইরা ফালাই"...
মোয়াজ্জেম :
..."ভাইজান, আমার জন্য এত কিছু করার কি দরকার ছিলো? আমি তো না খাইয়া নাই, দুইটা মাইয়ারে আর তাদের মায়রে নিয়া ভালোই আছি"
...ঘোঁৎ..
"..আরে ভাই, আপনেরা হৈলেন, বীর মুক্তি যোদ্ধা, আপনি রিক্সা চালাবেন , আর আমরা শিক্ষিত সমাজ বৈসা বৈসা দেখবো, তাই কি হয়।"
...হৈ হৈ কৈরা উঠলো রুবেলরাও
" আর আপনার রিক্সার জন্যও ভালো দাম নিয়া দিছি আমরা, আড়াই বছরের পুরানো রিক্সার জন্য ৪০০০ টাকা পাইলেন, কম নাকি ভাই"
"কম না ভাই, ভালোই"
কথার মাঝে উৎসাহের কোনো উত্তাপ না দেইখা একটু মনোক্ষুন্ন হৈলে ক্লাবের ছেলেপিল...
"কথা হৈলো, নিজের একটা সম্পদ ছিলো, ভরষা ছিলো একটা, এখন আপনারা চাকরী দিতাছেন, সেইটাই নাহয় করি।ভালোইতো, খারাপ কি?"..
........................................................................................
........................................................................................
সংবর্ধনার পর:
"আয়োজনটা ভালোই হৈছে নারে?"
"ভালো মানে? কাঁপাইয়া ফালাইলাম না?" একই অনুষ্ঠানে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা কে (বীর মুক্তি যোদ্ধা কওয়ায় হাসি পাইলো, সংবর্ধনায় যখন মোয়েজ্জেমরে জিগানো হৈছিলো, আপনি তো একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, রিক্সা চালানো নিয়া আপনার মনে কোনো কষ্ট নাই, তখন মোয়াজ্জেম উত্তরে কয়, আমিতো মুক্তিযোদ্ধা এইটুকুই জানি, আর সবার মতই যুদ্ধ করছি, এখন ক্যাম্নে কেউ বীর মুক্তিযোদ্ধা, কেউ শুধু মুক্তি যোদ্ধা ক্যাম্নে হয়, তাই তো জানিনা । ) সংবর্ধনা দিলাম, নতুন চাকরীর প্রতিশ্রুতি আর একজন গরীবকে রিক্সা অল্প দামে কিনে দেয়া।, এর চাইতে ভালো আর কি হৈতে পারে?"
চীয়ার্স ফর কলমা ইয়ং পাইওনিয়ার্স ক্লাব।..
সংবর্ধনার তিন মাস পর :
..."কিরে হারুন, তোদের মার্কেটের দোকানীরা নাকি এখনো কাজে বহাল করেনাই মোয়াজ্জেমরে ? মোয়াজ্জেমতো কয়েকবার কৈরা আইসা বৈলা গেলো আমারে। এখন সে খায় ক্যাম্নে? পরিবার আছে না তার?"
"...তা, মার্কেট নাকি ভাইঙ্গা বড় করার কথা চিন্তা করতাছে সবাই, তাই এখন নতুন কাউরে কাজে নেয়া একটু ঝামেলা কৈতেছিলো....."
হারুনের মিনমিন উত্তর...
আরো ৩ মাস পর :
...
যখন নিজের রিক্সা চালাবা, তখন দিনে রাইতে যখন খুশি চালাইও চাঁদ,
আরেকজনের রিক্সাডা সময়মত গ্যারেজে দিয়া যাইও....
"সেইডাতো ঠিকই ভাই, কিন্তু কালকা ক্ষেপ নিয়া একটু দূরে গেছিলাম গা তো, বুঝতে পারিনাই...আর হৈবোনা ভাই, তাও আপনের রিক্সাই চালাইতেন দিয়েন ভাই.."
....মোয়াজ্জেম কৈতেছিলো, রিক্সামালিকরে....
পাদটীকা : আমিও কখনো বুঝিনাই, যেই লোকটার চাকরীর যোগ্যতা নাই, সে যেইটা কৈরা ভালো আছে, তাই করুক না কেন?





মুক্তি যোদ্ধার তালিকা - সংবর্ধনা না কইরা রাজাকারটির তালিকা কইরা সাইজ করলেই দেশ একধাপে বেশ কানিকটা আগানোর পথ পায় এবং সাথে মোয়াজ্জেমরা(আমিও মাসুমভাইর কথা রাখতে পারলাম না) হয়তো একটু মানসিক শান্তি পায়
....আমরা বড় অনুষ্ঠান করতে পারি আর পুরাটাই কথা/বক্তব্য সর্বস্ব....কেউ একটু কাজ করি নাহয়...এইটাই কৈতে চাইছি আরকি...
রাজাকার আর কয়টা আছে একহন বাইচা? নয়া জন্ম নেয়াডা বন্ধ করলেই তো একদিন শেষ হৈয়া যাওয়ার কথা রাজাকার...
আমিও কখনো বুঝিনাই, যেই লোকটার চাকরীর যোগ্যতা নাই, সে যেইটা কৈরা ভালো আছে, তাই করুক না কেন?
****************************
আমিও তাই বলি!
সহমেতের জন্য ধন্যবাদ....
হুম
...মোবারক মামা হুমায়...
গল্পের প্যাটার্নটা ভাল্লাগ্ছে। এই ধরনের লেখায় যেটা হয় সাধারণত, এর-ওর বক্তব্য দিয়ে ভর্তি করে ফেলা হয়, তার মাঝে মূল লেখা খেই হারায়ে ফেলে, তার চাইতে ভিন্ন।
++
ধুরু, কৈয়ো না আর, যাই লিখতে চাই, পারিনা কিছুই, মূল বক্তব্যটাই ফুটাইতে পার্লাম্না...
ভালো লাগলো বেশ। আপনার গল্প লেখার হাত তো দারুণ!
...মামুন হক, অনেক ধন্যবাদ....আপনার ভ্রমন কাহিনী গুলা অসম্ভব লাগছে....
হ...
...এখন ক্যাম্নে "হ"ওয়াই?
চমৎকার একটা গল্প ।
মন খারাপ করা
মন খারাপ করা তো ভাই অকারন সময় নষ্ট...মন খারাপ করার চেয়ে কিছু করা ভালো...
গল্পের শেষ অংশঃ সারা বছর না খেয়ে দিন কাটানোর পর , নানান চিন্তা , অভাব অনটনের পর মৃত্যু। তারপর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ।
দর্কার নাই মর্যাদা'র ...মরার পরেতো দর্কার নাই ই, আগেও কি দর্কার? তবে্যেমন কৈছেন, তেমনই ঘটনা...
এক্টা ব্যাপার খেয়ালকর্লাম তোমার এই গল্পের চরিত্রগুলার নাম-আযাদ, মাসুম
...এক্কেরে সত্য কথা, ব্যাপারটা পয়লা খেয়ালই করিনাই, পরে শেষের দিকে খেয়াল হৈলো, আর মনে পড়লো মাসুম ভাইয়ের একটা পোষ্টে নাম নিয়া কৌতুক কওয়ার কথা...তখন তো আরো ফাঁপোড়....কিন্তু ভাবছিলাম কেউ খেয়াল করবো না, যেহেতু নামের বিষয়টার গুরত্ব নাই এইখানে...কিন্তু তুমি...
(জিনিষ বন্ধু বান্ধব মাঝে মাঝে ইকটু ডিস্টাবও দেয়)...আর আলসেমীর জন্য এডিটাইনাই...কেউ আপত্তি করলে বদলামু নে/না...
ধুর বদলাইবা কেন আমি বলতে চাইছি ব্লগ এন্ড ব্লগাররা মাথার কতটা দখল করলে গল্পের চরিত্রের নামও তারা দখল করে
ঠিকই রে দিদি, তুমারে অসংখ্য ধন্যবাদ, সাহস আর সব কিছু খেয়াল করার জন্য...এমন মনোযোগী বন্ধুই ভাল্লাগে...(বুইড়া আঙ্গুলের ইমো নাই কেন?)
শাওন... স্বপ্নের বাংলাদেশ নিয়ে একটা লেখা জরুরী... স্টিকি পোস্টে eপত্রের ঠিকানা আছে। সুময় নাই
শাওনের পোস্ট নিয়ে আমার অনেক ভাললাগা আছে.. কিভাবে যে লিখে ..
চমৎকৃত হলাম
সময়ের ব্যাপারটা অবিহিত হৈছি, চেষ্টায় আছি ভাই...
শাওনের গল্পের প্রতি আমার ভালো লাগা বলবৎ রইলো...
এমন একজন পাঠক পাওয়া আমার ভাগ্য...ধন্যবাদ দাদা...
ফ্রাংকলি কৈ?
এই লেখাডি আমারে টানে নাই। আরো কিছু লেখার অপশন ছিলো। কহুব তাড়াতাড়ি শেষ হৈয়া গেসে বৈলা মনে হৈলো।
আমিও সত্য কই? আমিও তোমার সাথে পুরাপুরি একমত....
কিন্তু একটা কাজ করতে চাইতাছি ইদানীং....পরিমিতি....একটা গল্পরে, মিনিমাম আকারে রাখার ট্রাই করতাছি, এইটাতে মনে হয় প্রয়োজনের চাইতেও বেশি মেদ ছাঁটা হৈয়া গেছে যে, কাহিনীই হারাইয়া গেছে...আফসুস...গল্প লেখা শিখতাছি, এই বয়সে...
আমি-ও বৃত্তের সাথে একমত। লেখাটার যথেষ্ট কাজ বাকি আছে বলে বোধকরি। শেষ হলে চমৎকার হবে, মনে হচ্ছে।
...ওরে পাগোল মোওওওন...
এডি আর শেষ হবার নয়, জাত অলস প্রতিযোগীতায় আমি অনারারী পার্টিসিপেন্ট, কুয়ালিফাই এক্সাম দেয়া লাগেনা...
হইসনা
মাসুমভাইরে দিয়া ঘোঁতঘোঁত খ্যাকখ্যাক ইত্যাদি করানোর তেব্র নেন্দা জানাই। য়াযাদ সাহেবের নামের বানান ঠিক করা হোক।
গল্পটা আরও গোছানোর সুযোগ আছে, শিরোনামটাও... (শুধু সংবর্ধনা হলে কেমন হতো?) । টাইপোর ধরণ দেখেও মনে হয় লেখায় তাড়াহুড়ো ছিলো। আইডিয়া ভালো লেগেছে। বর্ণনায় শাওনের দক্ষতা আগেই প্রমাণিত।
শুধু সংবর্ধনা হৈলেই মনে হয় ভালো হয়.....কিন্তু লেইকা ফেলা জিনিষ আর আমার পছন্দ হয়না, কোনোভাবেই আর কিছু ঠিক করতেও মন্চায়না....
য়াযাদ ভাই, মাসুম ভাইয়ের নাম নিতান্তই কাঁকতাল....আপনেও না বুঝলে, ক্যাম্নে কি?
এই গল্পটা গোছানের সুযোগ আছে ঠিক, কিন্তু বড় হৈয়া যায় যে?
আবারো খেঁকাইয়া উঠলে মাসুম ভাই।
আমি এরম করি না
হা হা হা, কথা সত্য বস.....নামডা নিছি মূলত আমাদের এক জিহ্বার কোনা ভাঙ্গা স্যারের কাছ থেইকা, উনার নামও মাসুম....
নির্মম বাস্তবতা।
..আপনারে শুরুর দিকে অনেক রেগুলার দেখতাম, এখন দেখিনা কেন?
মন্তব্য করুন