জল্লাদের চোখে একজন তাহের
আপনার জীবনের স্মরণীয়
ঘটনা কি?
কর্ণেল তাহেরের ফাঁসি
কেন?
মৃত্যুর কালো মুখোশ
ছুড়ে ফেলে নিঃশঙ্ক চিত্তে এগিয়ে গিয়ে
কেউ নিজে
ফাঁসির দড়ি গলায় পড়তে পারে
আমি কখনও দেখিনি , শুনিও নি
আমার জল্লাদি জীবনে,
তাহের
কর্ণেল তাহের,
দেশ প্রেমিক তাহের
বীর যোদ্ধা তাহের,
বীর মুক্তি যোদ্ধা তাহের
একজন ভাই তাহের,
যে বোনের ডাকে
১০২ ডিগ্রী জ্বর নিয়ে ছুঁটে যায়
বোনাইকে বাঁচাতে
সে বোনাই-ই ফাঁসি দেবার জন্য
আমার কাছে পাঠিয়ে ছিল।
আমি যে দেশ সেরা জল্লাদ।
তাঁকে ফাঁসি দেব
সে সাধ্য আমার কোথায়!
আমি পারিনি,আমি পারিনি
আমি কেন সাড়া পৃথিবীর
কার সাধ্য তাঁকে ফাঁসি দেয়।
সে যে যোদ্ধা, যোদ্ধার প্রতীক
১৯৬৫ র যুদ্ধ বিজয়ী বীর
মেরুন প্যারাসুট উইং খেতাব অর্জন কারী।
১৭৭১ এ ১১ নম্বর সেক্টরে পা হারিয়েও
মৃত্যুকে জয় করে হন বীর উত্তম।
১৯৭৬ সালের ২১জুলাই নিজেই
নিঃশঙ্ক চিত্তে মৃত্যুকে জয় করে হন
মৃতুঞ্জয়।
সাড়া দেশ,সাড়া পৃথিবী
তোমাকে জানে মৃত্যুহীন
ভয়হীন
একটি প্রাণের নাম
তাহের
কর্ণেল তাহের।।
তোমাকে নিয়ে লিখি
সে সাধ্য কি আমার
তাই তোমার বানী দিয়েই
তোমাকে জানাই লাল ছলালাম
-নিঃশঙ্ক চিত্তের চেয়ে জীবনে আর বড় সম্পদ নেই
আমি তার অধিকারী-
আমি আমার জাতিকে তা অর্জন করতে ডাক দিয়ে যাই-
(কর্ণেল তাহের)
২৪/০৫/২০১৩ইং





পড়লাম
আপনাকে ধন্যবাদ। একটা প্রশ্ন আমদের মত ক্ষুদে লেখকদের লেখাও আপনি ধৈর্য সহকারে মন দিয়ে পড়েন। আপনি এত ধৈর্য পান কেমনে?
আমিতো লেখকদের সাইজ দেখে লেখা পড়ি না। পড়তে ভাল লাগে তাই পড়ি
সে জন্যই আপনি এত বড় হয়েছেন।
শান্ত ভাই, যার মধ্যে আপনার বসবাস তার কষ্টে হাসলেন না বীরত্বে হাসলেন!
মন্তব্য করুন