নির্জনতায় বসবাস
১৬X১৪ ফুটের একটি কামরা
দুদিকের দেয়ালে
পিলার টু পিলার জানালা
পর্দা সহ খুলে দিলে
বাগানের পুরোটাই নজরে আসে।
অবাধ্য বাতাস
বিনে বাধায় এপাশ খেলা করে
এই রুমটি বাদে পুরো বাড়ীটাই
ভাড়া দেয়া। আজ ভাড়াটিয়ারাও নেই।
আমার পছন্দের এ ঘরটিতে
আমি একা, আমার একাকীত্বের
আমার নির্জনতা উপভোগের
এর চেয়ে উত্তম জায়গা আর নেই।
অমাবষ্যার নিকষ অন্ধকার,
পূর্ণিমায় চাঁদের আলো,
রাত জাগানিয়া পাখির মত
জেগে জেগে নির্জনতা
ঊপভোগ করি।
আজ ভর দুপুর...
বাইরে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি,
মৃদু মন্দ হিমেল হাওয়া।
খোলা জানালায়
এপাশ ওপাশ খেলা করতে
আপন মনে আমাকে ছুয়ে যাচ্ছে।
বাগানের গাছগুলো কৈশোর পেরিয়ে
যৌবনে পদার্পন করেছে।
পরিবেশের সাথে তারাও
প্রকৃতির আপন খেলায় মত্ত
কে কার উপর পড়ছে।
কে কাকে আদর করছে
বলা মুশকিল!
তবে অনেক কিছুই ঘটছে।
গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি, হিমেল হাওয়া,
বৃক্ষ রাজির প্রাকৃতিক খেলা,
একটি পরগাছা
কি যে মমতায় আশ্রিতকে জড়িয়ে।।
আমার মন প্রাণ নির্জন সত্তা
শিশ্ন সহসাই—
তারই কি দোষ দেব বল
বাগান বাড়ীর পিছনের অর্ধ উচু
প্রাচীরের উপর দিয়ে
সদ্য প্রস্ফুটিত কলার থোর,
ষোড়শীর বস্ত্রহীন আবক্ষ বুক যেন
চোখের মনিটরে ভেসে উঠে।
সাইলেন্ট করা সেল ফোনটি
তুললাম
ফোন করে ডাকব,
নাহ ওতো
হাসপাতালে রুগি দেখতে ব্যস্ত
তার চেয়ে প্রকৃতির
অপার এ নৈসর্গিক সৌন্দর্য
এ নির্জনতা
এ অনূভুতি
একাই অনুভব করি।
২৬০৫/২০১৩ইং





ধন্যবাদ আপু
মন্তব্য করুন