যদি লিখতে চাও
যদি লিখতে চাও লিখো,
উদয়াস্ত রবির বিচ্ছুরিত তৃনসম রবির কথা,
তাকে ছুঁতে গেলে জ্বলে যাব
তাই বেশী চাওয়ার আশা বৃথা।
নয়ত লেখো ঝাকড়া চুলের বাবরি দোলানো
বিদ্রোহী কবির বিদ্রোহের কথা,
নয়ত তার ললাটে জ্বলা রুদ্র ভগবানের কথা।
তুমি লিখো অনিদার, কেঊ কথা না রাখার ব্যথার কথা
আবার পাওয়ার আনন্দে পাপ না করার অঙ্গীকারের কথা।
তুমি লিখো দ্বিজেন্দ্রলালের
ওমা তোমার চরণ দু’টি বক্ষে আমার ধরি।
এই দেশেতে জন্ম যেন এই দেশেতে মরি।
তুমি লিখো হুমায়ুন ত্রয়ের হুরমত উপাখ্যান
লালনের লালিত হৃদয় বিদীর্ণ সকল গান
অথবা আব্দুল করিমের অসংখ্য গানের সাথে
স্মৃতিকাতরতার সুন্দর দিনগুলোর কথা।
তুমি লিখ, তোমার লাডলা লাডলির চলন ক্ষনে
পিছ থেকে দেখা তোমার মনের অনুভুতির কথা।
তুমি লিখো পদ্মা মেঘনা যমুনার কথা
তুমি লিখো হিমালয় হতে বঙ্গোপসাগর তক
সকল প্রকৃতির কথা।
লিখো রাস্তায় দাঁড়িয়ে আমাদের বিরক্তকারি
হাজারও বিকলাঙ্গ ভিক্ষুকের কথা।
তুমি লিখ নিশাচর সেই রমণীর কথা
যাকে আমারা ঘৃনা করি
কিন্তু রবির অন্তর্ধানে তাকেই খুঁজে ফিরি।
তুমি লিখো রানা প্লাজা, স্পেকট্রাম, বেনিন ও পিলখানায়
আমাদের প্রাণ প্রিয়
অফিসারদের শহীদ হবার কথা।
তুমি লিখো মুক্তি যুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধার কথা।
তুমি পড় বাংলায়, তুমি লিখো বাংলায়
লিখো বাংলা মায়ের কথা।
২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২০





হুম লিখতে চাই
তবে অনুকরণে নয়
নিজের অনূভুতিকে রং দিয়ে
চাই না হতে রবি ঠাকুর
চাই না হতে নজরুল
হতে চাই নিজের মতো
নিজের নামেই
শতভাগ একমত
ধন্যবাদ ভাইয়া
শান্ত ভাই, পড়াশুনা ভাল ভাবে করেন। আপনার ইচ্ছা কি জানি না তবে আপনি বি সি এস দিয়ে পাশ করুন এটা আমি চাই। আপনাদের মত সৎ মানসিকতার মানুষের যে ওখানে বড়ই অভাব। ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।
হুম
ওমা ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে-----
মরি হায়- হায়রে ওমা
অগ্রানে তোর ভরা খেতে কি দেখেছি
আমি কি দেখেছি মধুর হাসি
সোনার বাংলা।
আমি তোমায় ভালবাসি-----
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু।
মন্তব্য করুন