ইউজার লগইন

টুটুল ভাই, লিনা আপু ও আহমদ মোস্তফা কামাল ভাই এর জেমকন সাহিত্য পুরস্কার ’১৩ লাভ। (পর্ব-১)

আমরা বন্ধু ব্লগে সদস্য হবার জন্য যখন নিবন্ধন করি আমাকে বলা হয় আপনাকে কিছুদিন পর্যবেক্ষন করা হবে তারপর আপনার লেখা প্রকাশ করার মত হলে আপনাকে সদস্য করা হবে। তবে এতে হতাশ হবার কিছু নেই আপনি বিভিন্ন লেখকের লেখায় মন্তব্য করতে পারবেন। আমার/আপনার এক একটা মন্তব্যও অনেক মুল্যবান। এভাবে ব্লগকে মাতিয়ে রাখুন। একদিন হয়ত আপনার সদস্য হবার দ্বার উন্মোচন হবে। আমাকে খুব বেশীদিন অপেক্ষা করতে হয়নি কিছদিনের মধ্যেই আমি সদস্য পদ প্রাপ্তির সনদ পেয়ে যাই।
এর আগেও আমি ফেবুসহ কয়েকটি কয়েকটি সামাজিক মাধ্যমে লিখতাম। আমি প্রকৌশলীদের কয়েকটি সামাজিক মাধ্যমেও লিখি। তবে আমরা বন্ধু ব্লগে আসার পর আমার যা মনে হচ্ছে তা ছোট সময় আমার এক রশিক দুলাভাই এর একটি কথা মনে করিয়ে দেয়।
এই শালা ক্লাসে তোর রোল নম্বর কত রে?
এক।
তোর ক্লাসে ছাত্র কজন,
দুজন। ও আচ্ছা।
আর একজনকে একই প্রশ্ন করলে ,সে উত্তর দিল আমার ক্লাসে ছাত্র সংখ্যা ১৫০ আর আমার রোল ০৫। ও আচ্ছা।
আমার এ ব্লগে আসার আগে ও পরের অবস্থা ছিল এরকমেই। এ ব্লগে এসে আমার আরও একটি বিষয় পাকাপাকি ভাবে জানা হল, যে মানুষের শিখার কোন শেষ নাই, বয়সও নেই। আমার/আমাদের লেখায় ভাল মন্দ মন্তব্য শুধু নয়, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিষয়ের ভূল গুলো, বানান গুলো শুধরে দেয়া এখানে এটা বিনা স্বার্থে সবাই করে থাকে। প্রথম প্রথম এটা খুব খারাপ লাগত। সবচেয়ে খারাপ লেগেছিল আমার সবচেয়ে প্রিয় ও হিতাকাঙ্ক্ষী যেদিন আমাকে মন্তব্যের ঘরে টিপ সহি দিল। আমার মনটা এত খারাপ হল যে আমি মনে মনে ভাবলাম আর লেখবই না। বিকেল বেলা দেখলাম বিখ্যাত এক লেখকের মন্তব্যের ঘরে স্মাইলেজ টিপ সহি। যদি আজও আমি জানিনা কেমন লেখা হলে টিপ সই স্মাইলেজ পাওয়া যায়। তবে খারাপ কিছু না এটা বুঝেছি।
কেউ যদি প্রশ্ন করেন কেমনে? উত্তর হবে ট্রায়াল ও ইরোরের মাধ্যমে।
তবে সব সময় যে ভুল ধরা তাই শুধু নয় প্রশংসা ও উৎসাহের সংখ্যা অনেক অনেক বেশী।আর তাতেই আমরা এগিয়ে যাই দীপ্ত পদক্ষেপে।
এতই কাজের চাপ যে অফিস গেলাম কাজের চাপে মনস্তাত্ত্বিক ভাবে মেরুদণ্ড বাঁকা অবস্থায়। তবুও মাঝে মাঝে প্রিয় ব্লগের স্ট্যাটাস না দেখলে কি চলে। তবে ফেবুর স্ট্যাটাস আমি ইদানিং দেখি না। আমার দৃষ্টিতে এর মান অনেক নীচে নেমে গেছে। যেমনটা সেদিন বন্ধু টোকাই বলেছিলেন।
যাক, এক ফাঁকে ব্লগে ঢুকে টুটুল ভাইয়ের সুসংবাদ মাখা খবর, “ জেমকন সাহিত্য পুরস্কার ’১৩ পাচ্ছেন আহমাদ মোস্তফা কামাল : অভিনন্দন কামাল ভাইকে”

টুটুল ভাই আপনার লেখা থেকে একটু কোড করছি।
ভাললাগার এই ভাবনায় মোহিত হই, যখন মনে হয় কামাল ভাইয়ের সাথে ব্লগিং করি। যেখানে এই সব গুণী শিল্পীদের সাথে পরিচয় থাকাটাই অনেক উচ্ছাসের, আনন্দের। অনেক ভাল লাগছে কামাল ভাই। আপনাকে অনেক অনেক অভিনন্দন। মানুষের ভালবাসায় সিক্ত হোক আপনার জীবন। প্রতিটা পুরষ্কার একজন লেখককে আরো উচ্চতায় আরোহনের পাশাপাশি আরো বেশী দায়িত্বশীলও করে। আশা করছি কামাল ভাই দেশের প্রতি এই দায়িত্ববোধকে ধারণ করে নতুন নতুন শিল্প নির্মানে নিজেকে বিলিয়ে দিবেন।
টুটুল ভাই, আপনার মত লেখকের যদি এমন উচ্ছাস হয় তবে আমাদের মত নবীন লেখকদের কেমন অনুভূতি হবে, সত্যি আমি বাকরুদ্ধ। তারপরও আহমদ মোস্তফা কামাল ভাইকে অভিনন্দন উনার “কান্নাপর্ব” উপন্যাসের জন্য জেমকন সাহিত্য পুরস্কার ’১৩ পাবার জন্য।
আমি এ ব্লগের একজন বিখ্যাত লেখককে প্রশ্ন করেছিলাম,আপনি আমার মত ক্ষুদ্র লেখকের লেখাগুলো এত নিবিষ্ট চিত্তে পড়েন কেন? আর ভুল ত্রুটি হলে ধরিয়ে দিয়ে শুধরে নিতে বলেন কেন? এমন কি আমার একই পোষ্টে একটি লেখা দুবার প্রকাশ হয়েছিল তাও বলতে ভুলেন নি।
উত্তরে তিনি বলেছিলেন আমি পড়তে ভালবাসি তাই পড়ি কখনো ভাবি না লেখক ছোট না বড়। আমার মনে হয় তাই এ ব্লগের লেখকরা এত বড় হয়।
এর পর আবার যখন স্ট্যাটাস দেখলাম পেলাম, “লীনা দিলরুবার” পোষ্ট
বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক "আহমাদ মোস্তফা কামাল" ভাই-এর টুপিতে আরেকটি পালক
আপু আপনার লেখা থেকে একটু কোড করছি,
"কান্নাপর্ব" উপন্যাসটি নিয়ে লিখে ২০১২ সালে রকমারি কর্তৃক আয়োজিত রিভিউ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করে আমি পুরস্কার লাভ করেছিলাম। দীর্ঘ রিভিউটি এখানে জুড়ে দিয়ে নিশ্চয়ই আপনাদের ধৈর্যচ্যুতি ঘটাচ্ছি না। "কান্নাপর্ব" নিয়ে পড়ুন, বইটি পাবেন প্রকাশনা সংস্থা " শুদ্ধস্বর"-এ।
সবাই ভালো থাকুন।
আপু আপনার রিভিউ আমার ধৈর্য চ্যুতি তো ঘটায় নি বরং এতে উপন্যাসটি না পড়েই তার সিংহ ভাগ আনন্দটা নিয়ে নিলাম। যাত্রা পালা নিয়ে উপন্যাসের বাস্তব ভিত্তিক বিষয় বস্তু, নায়িকার পরিণতি এখনকার সমাজেরই যেন প্রতিচ্ছবি। আপনি ঠিকই বলেছেন মৃদঙ্গ বাদক, প্রতিমা শিল্পী ও কীর্তন শিল্পী এদের কথা আজকাল আর কেউ ভাবে না। যা লেখক অবলীলায় ১২ বছরের সাধনায় তুলে এনেছেন।
টুটুল ভাই ও লিনা আপুর লেখা সুসংবাদটি পাবার পর আমার টুনটুনি পাখি, আমার কাঠ ঠুকরা পাখিটি আমাকে,
পরিচালক(প্রশাসন), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালী,ঢাকা, পি,এস সাহেবের সেল নম্বরটি দিয়ে বললেন, তুমি উনাকে তোমার মেইল এড্রেসটি দাও, উনি তোমাকে আমার বদলির আদেশ পত্রটি স্ক্যান করে পাঠাবেন। পরে তুমি আমাকে পাঠিয়ে দিও। এই টুনটুনি বা কাঠ ঠুকরা পাখিটি কে বলুন তো? হে হে হে পারলেন না তো!
আরে হে যে আপনাগো ভাবি? কিন্তু ভাববেন না আমি এই খুশিতে দেই দেই করে নাচবো। তা হবার নয়। কিল্লাই কন তো? আমার বন্ধুরা যে আমার কাছথন দুরে সইরা যাইব। তাই তো আমি খুশি হতে পারছি না। সেটা আবার কেমন? টাস্কি লাগার মতন তাই না? তাইলে হুনেন।(চলবে)

পোস্টটি ৭ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

লীনা দিলরুবা's picture


দীর্ঘ রিভিউ পড়ে পোস্ট সমেত অনুভূতি প্রকাশ ! ধাক্কা মত খেলাম। তবে, ধন্যবাদ অবশ্যই।

আহসান হাবীব's picture


উপন্যাসটা পড়তে না পারলেও আপনার রিভিউ পড়ে আমার উচ্ছল চঞ্চল ছেলেবেলায় ফিরে যাচ্ছিলাম। লেখাটা এক পর্বেই শেষ করতে পারতাম। আমার গ্রাম্য জীবনের কিছুটা শেয়ার করার মানষে তাই আর একটি পর্ব লিখব। আপা আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আমার লেখা পড়ার জন্য।

তানবীরা's picture


গলপটা পড়ার আশায় থাকলাম

শাশ্বত স্বপন's picture


ভাই, ভাবী কোন বিষয়ের ডাক্তার? কোন প্রতিষ্ঠানে বদলী হল?
বউরে খুব ভালোবাসেন। ভাবীরে ধন্যবাদ। আমার সালাম দিবেন।

শুদ্ধস্বর থেকে বইটা কিনে কাল পড়ব।

আহসান হাবীব's picture


কোন বিষয়ে স্পেশালিষ্ট নয়। শুধু এম, বি,বি,এস। কুর্মিটলা জেনারেল হাস্পাতালে

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

আহসান হাবীব's picture

নিজের সম্পর্কে

তোমার সৃষ্টি তোমারে পুজিতে সেজদায় পড়িছে লুটি
রক্তের বন্যায় প্রাণ বায়ু উবে যায় দেহ হয় কুটিকুটি।।
দেহ কোথা দেহ কোথা এ যে রক্ত মাংসের পুটলি
বাঘ ভাল্লুক নয়রে হতভাগা, ভাইয়ের পাপ মেটাতে
ভাই মেরেছে ভাইকে ছড়রা গুলি।।
মানব সৃষ্টি করেছ তুমি তব ইবাদতের আশে
তব দুনিয়ায় জায়গা নাহি তার সাগরে সাগরে ভাসে।
অনিদ্রা অনাহার দিন যায় মাস যায় সাগরে চলে ফেরাফেরি
যেমন বেড়াল ঈদুর ধরিছে মারব তো জানি, খানিক খেলা করি।।
যেথায় যার জোড় বেশী সেথায় সে ধর্ম বড়
হয় মান, নয়ত দেখেছ দা ছুড়ি তলোয়ার জাহান্নামের পথ ধর।
কেউ গনিমতের মাল, কেউ রাজ্যহীনা এই কি অপরাধ
স্বামী সন্তান সমুখে ইজ্জত নেয় লুটে, লুটেরা অট্টহাসিতে উন্মাদ।
তব সৃষ্টির সেরা জীবে এই যে হানাহানি চলিবে কতকাল।
কে ধরিবে হাল হানিবে সে বান হয়ে মহাকাল।।