ত্রিকালদর্শী, দুর্গতী নাশিণী মা
গতকাল ১৪ই অক্টোবর ২০১৩ খ্রীঃ বৃষ্টি মাথায় নিয়ে ঢাকা থেকে দিনাজপুর এলাম ঈদের ছুটিতে। দুই ঈদে ঢাকা থেকে দেশের যে কোন যায়গায় যাওয়া যে কত কষ্টকর তা তো আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আজ ১৫ই অক্টোবর কখনও বৃষ্টি থেমেছে বলে মনে হয় না। অঝোর ও অবিরাম বৃষ্টি থামার কোন লক্ষণই দেখতে পাচ্ছি না।অনেকের বাড়ীর উঠোন এরই মাঝে বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। সবকিছুকে উপেক্ষা করে মা দূর্গাকে বিদায় দিচ্ছে ভক্তরা।মা তুমি কখন কোন বাহনে ধরাধামে তোমার চরণ রাখ আমি জানিনে তবে যতটুকু জানি তুমি সর্ব সময় অবনী-ভক্তের কাছে আস হাসি মুখে। কিন্তু ত্রিকাল দর্শী মা যাবার সময় ভক্তদের ভবিষ্যত সুখ দর্শণে হাস, দুঃখ দর্শণে কাঁদ। মাগো, তোমার বিদায়ে তোমার ভক্তরা অশ্রুসিক্ত হবে এটাই তো স্বাভাবিক, কিন্তু এবার ভক্তদের চেয়ে তোমার কান্না এত বেশি কেন মা? তবে কি ত্রিকালদর্শী মা তোমার ভক্তদের ভবিষ্যত অমঙ্গল দর্শণে অশ্রুসিক্ত হয়েছ ?
তাই যদি হয় তবে মাগো তোমার অশ্রু জলে ভেসে যাক সকল অকল্যাণ। ত্রিকালদর্শী, দুর্গতী নাশিণী মা তুমি তো জান কোন কর্মে বা কিভাবে সকল অশুভ দূর হয়, আর তাই তুমি করাও তোমার ভক্তদের দ্বারা।
মাগো তোমার ভক্তরা যখন পাপ সমুদ্রে অবগাহন করে তখন অহমিকায় ডুবে যায়। তুমিই শুধু পার নিমজ্জিত প্রায় ভক্তদের উদ্ধার করতে। আর তাই কর, মাগো তুমি তাই কর।
সিরাজগঞ্জ
অক্টোব্র,২০, ২০১৩খ্রীঃ





কল্যাণ হোক সবার

সবার কল্যাণ হউক।
আনন্দলোকে মঙলালোকে বিরাজ সত্য সুন্দর।
আনন্দলোকে মঙলালোকে

বিরাজে যে সত্য সুন্দরের রেশ।
বিহারী সকল অমানিশার কালো মেঘ
অবনী পরেও ঘটুক সত্য ও সুন্দরের আবেশ।
আনন্দলোকে মঙলালোকে বিরাজ সত্য সুন্দর।
মন্তব্য করুন