ভ্রান্তি নাহি ঘোচে
ভ্রান্তি নাহি ঘোচে
হায়রে অবুজ হৃদয় ভ্রান্তি কিছুতেই ঘোচে না। এ ধরার সকল যুক্তি তর্ক পিছনে ফেলে যার যা কাম্য তার আগমনের পথে তৃষার্ত চাতক সম শ্যেন দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। কিন্তু যে না আসার সেকি কখনও ফিরে আসে??
এই যেমন আমি, মধ্য রাতের কিছু আগে দরজা জানালা বন্ধ করে, ভিতর এবং বাহিরের নিকষ কালো আন্ধকারকে আরো অন্ধকার করার চেষ্টা করছি। অক্ষি নেত্রযুগলকে চেপে ধরে তার মাত্রাকে আরও বাড়িয়ে নিলাম।
মাঝে নাঝেই আমি এই অন্ধকার বিলাস করি।এই বিলাসীতার মাঝে আরও একটি জিনিস অনুধাবন করার চেষ্টা করি। তা হল, কবরের অন্ধকার। আচ্ছা কবরের অন্ধকার কি এর চেয়েও বেশী। তা হলে এই আমি মাঝে মাঝে অন্ধকার বিলাস করে যে সুখ পাই। সেখানেও কি এমন সুখ পাব??
দয়াল চাইলে লইব জোড়া
মুরশিদ চাইলে লইব জোড়া
এমন দয়াল কে আছে??
রশিক আমার মন বান্ধিয়া পিঞ্জর বানাইছে।
কেন জানি এ গানটি মনে পড়ল। তবে হ্যাঁ মহান আল্লাহ্র রহমত ও ক্ষমা হতে নিরাশ হতে আল্লাহ্ই বারণ করেছেন, তাই কখনো নিরাশ হই না। তিনি কারও মনের আশা অপূর্ণ রাখেন না।
আরম্ভ করেছিলাম কোথায় আর চলে এলাম কোথায়। আমি কিছুদিন থেকে কারো প্রতিক্ষায় আছি। দিবস ও রজনী, নিদ্রা ও জাগরনে তার আগমন, তার আহবানের অপেক্ষায় আছি। না সে আসে না। সর্বদা সেল ফোন খোলা রেখে প্রতিক্ষায় থাকি, এই বুঝি তার কল এল।
কোন কল এলে ত্রস্ত পদে ছুটে যাই ক্ষিপ্র হস্তে ধারন করি। ব্যকুলও হৃদয়ে নয়ন ফেলি। না আশা ভংগ হবার বেদনা চেপে রেখে আহবান কারির আহবানে সাড়া দেই।
বিলাসী অন্ধকার তৃপ্তির শেষ অর্ঘ দিয়্রে আমাকে তৃপ্ত করছে। তবুও হঠাত টিকটিকির অযাচিত দৌড়, পাখির আচমকা কিইই কিইই ডাক বা বাতাসে পত্র পল্লবের সি সি শব্দ মিথ্যা আশার শেকলে বাধতে চাচ্ছে।
ডিসেম্বর, ২০, ২০১৪ খ্রীঃ
উত্তরা, ঢাকা





আর এই গানটাও শুনতে পারেন এমন তৃপ্তিময় অন্ধকারে।
ক্রিং ক্রিং ক্রিং মধুর ধ্বনি হটাৎ করে বাজতেও তো পারে।
https://www.youtube.com/watch?v=mpHfTiIaF9Q
এসব ভাবময়তা এড়িয়ে চলি, গান গুলোও। মৃত্যু এক চরম সত্য, তাই বলে এত বাড়াবাড়ির কিছু দেখি না। মানুষের মত মানুষ হতে পারলে এরকম মৃত্যু খুব একটা কষ্টদায়ক হতে পারার কথা না।
মৃত্যু ভয় বা ধর্ম দিয়ে কখনোই কাউকে মানুষ করা যায় না
ভালো থাকুন, হাসি খুশী থাকুন
মন্তব্য করুন