অমিত চৌধুরী'এর ব্লগ
এ সব কি জানে চাঁদ
চাঁদ ডুবে গেলে আকাশে..
দুয়ারে ধ্রুবতারা কাঁদে দীর্ঘশাস
চাঁদের সঙ্গে ধ্রুবতারার অভ্র স্বভাব ৷
চাঁদ তার মুখের বুনন পরশে উজ্জ্বল
ধরে রাখে ধ্রুবতারা অনন্ত সুখ
মুখের আদলে যেন চাঁদ
হাসি লেগে থাকে ধ্রুবতারা একরাশ ৷
চাঁদ ডুবে গেলে..
চাঁদ ভালবাসা ঘিরে আকাশ
বেয়ে নাবে আসে দগ্ধ সুখ
চাঁদ ডুবে গেলে কি বিষন্ন ঝড়
ওঠে ধ্রুবতারা মনে
এ সব কি জানে চাঁদ !
শোলার মুকুট পরে সকালে সূর্য্য
জেগে উঠে আসে
রোমশ শুভ্র শরীর নিয়ে তার রোদ আসে
ধ্রুবতারাকে জড়ায়........
উড়ন্ত রোমন্থনে সুগন্ধ লোমশ শরীর
অন্ধকারে
দৃষ্টি আরো অন্ধ হয়ে নিকশে কালো হয়
ধ্রুবতারা
সে হারিয়ে যায়..অসহ্য যন্ত্রনায় সমস্ত
দিনভর ...
এ সব কি জানে চাঁদ !
আকাশ পাড়ায় নাবে শুন্যতা
ধ্রুবতারা কোথায় .......!!
শোনো....অদেখা ধ্রুবর ম্রিয়মান খুশিতে
সুখভঙ্গের ডায়েরী নিয়ে ঘুরে বেড়ায়
রঙিন পাখি.. সবুজ মাছি.. গন্ধ ফলেরা
এ সব কি জানে চাঁদ !
.খবরে প্রকাশ....ধ্রুবতারা আজ চাঁদ
ভালবাসা ছেড়ে নেবেছে পৃথিবীর পথে
মেঘ থেকে মহিলা আঁচল
উড়ে আসে ..ঘিরে নেয় ধ্রুবতারাকে
বজ্র থেকে পুষ্প বৃষ্টি হয়
মহিলা সংগঠনের দরজাতে সমস্ত সুখ
দীর্ঘশ্বাস
আমার কবিতার
খাতা হারিয়ে গেছে কোথাও। অনেকদিন
কিছু লেখা হয় না। সাদা পাতাগুলোর
দিকে তাকালে মায়া হয় নিজেরই। তাই
গল্প খুঁজতে বসি প্রতিদিন। রাস্তার
পাতায়, শহরের খাতায়। গল্প
জমা হয়ে আছে অনেকগুলো। সকালের গল্প,
বিকেলের গল্প,অনেকগুলো গল্প রাতেরও।
সব গল্পের মাঝে দাঁড়িয়ে আমি ভাবি কোন
গল্পটাকে নিয়ে ভাববো। আর সব
গুলিয়ে যায়। বিলুর ঘুড়ি ওড়ানো থেকে শুরু
করে লতা মাসির কাজ করা- গোটা দিনটাই
তো গল্প। শুধু বাঁধুনি নেই শব্দের। তাই
শেষ অবধি পড়া হয় নাহ। পড়া না হওয়ার
দরুণ শেষটা খুঁজতে আমরা দৌড়ই অকারণ।
শেষটা পাই নাহ। আকাদেমি অফ ফাইন
আর্টসের বন্ধ গ্যালারির সামনের রাস্তায়
দাঁড়িয়ে আকণ্ঠ ভিজি। আর ঠিক বিপরীত
মুখে কোনও এক আলোর শেডের উপর
বসে থাকা কাক সঙ্গী হয় আমার। আকণ্ঠ
ভেজে সেও। আমারই মতন। অথবা আমার
চেয়ে বেশি। বৃষ্টি থামার
মুহূর্তে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায় নাহ।
শুধু গল্পটা থাকে। ট্রাফিক পুলিশের
সিগন্যাল
পেয়ে ডোরাকাটা ক্রসিং পেরোনোর মত
গল্প। যে গল্পে অল্প দূর দিয়েই হাত
ধরে দুজন হেঁটে যায় আর নায়ক একা থাকে।
বোধয় নরম বিকেলের হাত ধরতে। রোদ
এসে নরম ভাবটা মুছিয়ে দেওয়ায় নায়ক