এলোমেলো অনূভুতি
অনেকদিন হলো লেখা লেখিতে তেমন একটা সময় দিই
না। আসলে দিই না বল্লে কিছুটা ভুল হবে ,সময়
আজকাল হয়েও ওঠেনা .যেন সমুদ্রের ঢেউ এর
মতো ব্যাস্ততার এক বোঝা এসে পড়েছে আমার উপর .
যদিও ভালোই
লাগছে আলসেমিতে জং লেগে যাওয়া জীবনটা নতুন
ভাবে তার নতুনত্ব খুজে পেয়েছে বলে।
ঘরে একটা নতুন অনুষ্ঠান হবে আগামী বৃহস্পতিবার
তা নিয়ে মানষিক ভাবে প্রস্তুত হলেও শারীরিক
ভাবে এখনো নিতে পারিনি।মানুষ মরলেও
নাকি অনুষ্ঠান করতে হয়। আসলে সবি বদ্ধ সমাজের
আবদ্ধ রীতিনীতি .
আমার মনে হয় জন্মের পর থেকে মা বাবা ভাত
খাওয়ানো শিখিয়েছেন বলেই আজ ভাত খাচ্ছি।
যদি তারা আমাদের জন্মের পর থেকে খর -
খুটো খাওয়ানো শিখাতো আমরা হইতো তাই ই খেতাম।
তাদের দোষ দিয়েও লাভ নেই কারণ তারাও
যে একি চক্রে ঘুরছে .
আজ রাতটা যেন ঘন কফিতে দু-তিন ফোটা দুধের মতো . নিজের
চেহেরা নিজের ছায়াতে খুজে পাচ্ছি অস্তিত্ব
হিসেবে।। কেমন একঘেয়েমি সভাব ওই চাঁদের ,,
এতো মেঘ আসছে তবুও যেন নিজের
পাতানো জাইগা সে ছাড়বেইনা। বিরক্ত
হয়ে দেখি শেষে মেঘটাই সরে যাচ্ছে।চাঁদের
মদ্ধে আমাদের রাজনীতিবিধদের কেমন যেন মিল
খুঁজে পাচ্ছি .যাক সেসব কথা, আমার
মাথা এখনো অতটা হয়ে উঠেনি যে তাদের নিয়ে কমেন্ট
করব।
তবে মুখ বলে কথা,
কোন সময়
কবে কি কথা স্লিপ খেয়ে উপচে পড়ে তা বুঝা দায়।:)
রাত সবে বারোটা বাজে বাজে অবস্থায় ,আর হয়তো কয়েক
মিনিট পরেই আজ টাকে অতীতের ঝুরিতে ফেলে দিব।
কি আজব দুনিয়া রাত যাচ্ছে সকাল হচ্ছে আর তারই
মাঝে সংগঠিত হচ্ছে কত কি!!!
আমার মনে হয় যারা মরেছে তারাও হয়তো সৃষ্টিকর্তা/
কর্তীর সাথে পৃথিবীতে চলা সেই ফ্রি সিনেমা দেখার
সুযোগ পাই। কে জানে এসব কথা! ! যদিও কেও
জেনে থাকে তাহলে নিশ্চয়ই তাকে পাগল বলে মনোনয়ন
করা হবে।
আজ কেমন জানি নিজেকে অচেনা লাগছে ব্রেইন আর মনটা ঠিক মেচিংদিতে পারছিনা।
আজ এখানেই অফ গেলাম।
শুভ রাত্রি .





মন্তব্য করুন