সুন্দরবন
চিরাচরিত নিয়ম অনুসারে সুন্দরবনে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পক্ষে বিপক্ষে অনেক মতামত বিভাজন তৈরি হইছে। বাঙ্গালিরা নিজের ভালো কোনও দিন বুঝল না। দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা দিল না।
যারা এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পক্ষে তাদের দাবি এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের ব্যাপক উন্নতি সাধন করিবে, বহু লোকের কর্মসংস্থান করিবে। আমরা তর তর করে উন্নতির মগডালে উঠিয়া যাইব। তাহাদের যুক্তি হইলো সাভারে তো অনেক শিল্প কারখানা আছে কই তাতে তো ঢাকার কারো দম নিতে আর রমনা পার্কে ঘুরিতে সমস্যা হচ্ছে না, তাইলে বাঘের এত প্রবলেম কি? বিদ্যুতের সুবিধা বঞ্চিত বাঘেরা এখন আধুনিক যুগে প্রবেশ করিবে, তারা ফেবু ইউজ করিবে, টিভিতে হিন্দি সিরিয়াল দেখিবে। মাননীয় স্পিকার আমি চোদনা হয়ে গেলাম।
কিন্তু ঘটনা ভিন্ন হে মহাশয়, এই সুন্দরবন আমাদের প্রত্যক্ষ পরোক্ষ ভাবে যত উপকার করে আসছে আর যত মানুষের কর্ম সংস্থান করছে টা এই ১৩০০ মেগা ওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোনদিন ই পারবে না। দেশের উত্তরাঞ্চলে অনেক অনাবাদী জায়গা আছে, সেখানে কারো চোখ যায় না। সেখানের মানুষের কর্মসংস্থানের কথা কেউ ভাবে না। ঘূর্ণি ঝড় সিডরের আঘাত অনেক কমিয়েছে এই সুন্দরবন, এটা মাত্র একটা উদাহরণ দিলাম। এমন হাজারও উদাহরণ দেয়া সম্ভব।
বিরোধী দল হিসেবে বিএনপি যে ব্যর্থ এটা তারা আবারও প্রমান করলো। খালেদার ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি, তত্ত্বাবধায়ক সরকার আর জামাত রক্ষার দাবি ছাড়া দেশের প্রয়োজনে কোনও হরতাল- অবরোধ কিংবা লংমার্চ দেখলাম না। সুন্দরবন ইস্যুতে প্রতিবারের মত ব্লগাররাই সোচ্চার। দেশের সো কল্ড বুদ্ধিজীবীরা মুখে কুলূপ দিয়েছে। চুতিয়া চুশিল সমাজ আজ একটা পাওয়ার প্লান্ট দিয়া দেশের সব সমস্যার সমাধান দেখছেন। মাননীয় স্পিকার আমি আবারও চোদনা হয়ে গেলাম।
এই প্লান্টের ক্ষতিকারক দিকগুলি ব্লগার দিনমজুর খুব সুন্দর ভাবে তুলে এনেছেন। লিঙ্কঃ http://www.somewhereinblog.net/blog/dinmojurblog/29821400





খুব গুরুত্বপূর্ন একটা বিষয়।
ব্লগে এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত আলোচনা প্রয়োজন।
এবি তে সুস্বাগত।
পড়তে থাকুন। লিখতে থাকুন।
ভালো থাকুন।
আপনাকেও ধন্যবাদ।
উক্ত কারনে আপনার লেখাটি ব্লগ প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে আপনার পাতায় রাখা হইলো! নীতিমালা মেনে পোস্ট করার অনুরোধ থাকল!
মন্তব্য করুন