বৃষ্টির দিন...............
আষাড় মাস বৃষ্টি ঝরছে সারাদিন।ঘরে বসে শুয়ে আছি।কোন কাজ নাই তাই লিখছি।আর পুরনো সৃতি মনে করতেছি আগে গ্রামে থাকতে এই সময় কি করতাম।হয়তবা মাঠে খেলতে যেতাম।সবাই মিলে মজা করে ফুটবল খেলতাম।তারপর পুকুরে এসে লাফ দিতাম। আর না হয় মাছ ধরতাম।এই দিনগুলো যে কি মজ়ার ছিলো তা বলে বুঝাতে পারবনা।এখন মনে হয় যদি শহরে বড় হতাম তাহলে এই শৈশব গুলো পেতাম না।এখন মনে হয় যদি আবার ফিরে যেতে পারতাম আমার শৈশবে তাহলে কি মজাই না হত।শহরের যান্তিক জীবনে আর ভালো লাগেনা কিন্তু বাধ্য হয়ে থাকতে হয়।আমরা যে সময়টা এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে ঘুরছি মজা করছি,পাখি ধরছি,ঢিলে আম পারছি, শহরের বাচারা সে সময়টা কম্পিউটার এ গেম খেলে তা কাটিয়ে দেয়.।.।।আষাড় মাস বৃষ্টি ঝরছে সারাদিন।ঘরে বসে শুয়ে আছি।কোন কাজ নাই তাই লিখছি।আর পুরনো সৃতি মনে করতেছি আগে গ্রামে থাকতে এই সময় কি করতাম।হয়তবা মাঠে খেলতে যেতাম।সবাই মিলে মজা করে ফুটবল খেলতাম।তারপর পুকুরে এসে লাফ দিতাম। আর না হয় মাছ ধরতাম।এই দিনগুলো যে কি মজ়ার ছিলো তা বলে বুঝাতে পারবনা।এখন মনে হয় যদি শহরে বড় হতাম তাহলে এই শৈশব গুলো পেতাম না।এখন মনে হয় যদি আবার ফিরে যেতে পারতাম আমার শৈশবে তাহলে কি মজাই না হত।শহরের যান্তিক জীবনে আর ভালো লাগেনা কিন্তু বাধ্য হয়ে থাকতে হয়।আমরা যে সময়টা এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে ঘুরছি মজা করছি,পাখি ধরছি,ঢিলে আম পারছি, শহরের বাচারা সে সময়টা কম্পিউটার এ গেম খেলে তা কাটিয়ে দেয়.।.।।





হমমমম..
হুমম
গ্রামের বৃষ্টি কেমন হয় সে সম্পর্কে তেমন ধারনা নেই। ধন্যবাদ এরকম সুন্দর এটি চিত্র তুলে ধরবার জন্য। আমরা আসলেই এ সময়টা কম্পিউটারে গেম খেলে কাটিয়ে দেই।
ধন্যবাদ রিজয়ানা.........গ্রামের বৃস্টি কত সুন্দর হয় তা আসলে লিখে বুঝানো যাবেনা।যারা গ্রামের আবহাওয়ায় বড় হয়েছে তারাই বুঝতে পারে
'বৃষ্টি' বানানটা ঠিক করে দিন, শিরোনামে বানান বিভ্রাট চোখে লাগছে।
আপনার কথার সাথে একমত, যে গ্রামে বৃষ্টি দেখেনি সে বৃষ্টির আসল রূপই দেখে নি। টিনের চালে বৃষ্টির রিনরিন শব্দ, জানলায় মুখ বাড়িয়ে চুপচুপে ভিজে যাওয়া, ভেজা উঠোনে গড়িয়ে চলা বৃষ্টির ফোঁটা, বাঁশঝাড়ে শো-শো শব্দ, বাড়ির পাশের পুকুরের কালো জলে বৃষ্টির ভারী ভারী ফোঁটা, সে জলেরই মৃদু ঢেউ আর চারদিকে মাতাল বাতাস...
আহা! কতদিন দেখি না... মনে হচ্ছে গতজন্মে চলে গেলাম
হমমমম..
মন্তব্য করুন