হুরুতার হুরুকাল - দ্য প্রি-বাফড়া ডেইঝ
আজকে ব্লগে ঢুইকা অনেকের ব্লগাব্লগি দেখতে দেখতে আমার নিজের ছোটবেলার কথা মনে পইড়া গেল ... বিশেষ কইরা মুক্তবয়ানের বর্ণমালায় ঘেরা শৈশবের কথা পইড়া আমার ভেতরের পাঠক টা ব্লগারটারে খোচা দিয়া কইল ''যা ব্যাটা তুইও খানিক ব্লগা, এইরকম উচাটন-মন-টপিক কয়টাই বা আছে'' 
সবাই খালি চান্স পাইলেই ডায়লগ মারে - আহা যদি শৈশবে যাওয়া যেত
!!!! ''পাগল নাকি?
'' এই কথাই ভাবি।
শৈশব টাই গেল দৌড়ের উপরে- সবসময় কিছু একটা শিখা নিয়া দৌড়ের উপর রাখছে মায়-বাপে ... কখনো পড়া শেখা , কখনো সাতার শেখা, কখনো জুতার ফিতা বাধা শিখা, কখনো ভদ্রতা শেখা ... সবগুলারই শেষ হত মারপিটের মাধ্যমে
...
সিলেটীতে একটা কথা আছে, একটু খারাপ শোনাইতে পারে অনভ্যস্ত কানে, - '' বাল ছিড়ার বা-গ (যোগ্যতা) নাই, দেড় টাকা মাস'' - তো পড়াশোনা কইরা যে আমার ভিতর কোন কিছু ছিড়ার বা-গ আইসা যাইব সেই আশা আমি ছোটবেলায়ও করিনাই, এখনোও করিনা ...
কিন্তু কথা হইলো পুলাপানরা এই বা-গ এর অভাব বিষয়ক সত্য টা ছোট থাকতেই টের পায়া যায়, মাগার মা-বাপ এই সত্যটা ক্যান উপলব্ধি করতে পারে না
???!!! সম্ভ্যব্য কারণ একটাই - ঐ বয়েসে পুলাপানের বাল ওঠেনা তাই বোধহয় মা-বাপেরা ব্যাপারটা ধরতে পারেনা
...
যাউগ্গা আমার কথাই কই - ঘটনা- ১:- পড়াশুনা নিয়া পয়লা যেই তিক্ত স্মৃতি সেইটা হইল কোন এক সকালে ইংলিশে এক দুই তিন শিখতে গিয়া - আব্বা প্রবল পরিমাণ পিতৃস্নেহ নিয়া পড়াইতে বসছিলেন সেইসকালে - দুর্ঘটনার সূত্রপাত লাকি সেভেন নিয়া- আলাদা আলাদা কইরা ওয়ান থেকে টেন পর্যন্ত গুনতে পারি, কিন্তু একসাথে বলতে গেলে সিক্স বইলা এইটে চইলা যাই, মাঝখানের সেভেন টা স্কিপ করি... আব্বা ধৈর্য নিয়া আবার জিগ্যাস করে বলো ফাইভের পর কি? -সিক্স। এরপর? সেভেন। এরপর? এইট।
তাহলে ওয়ান থেকে বলে যাও- ওয়ান, টু ... ফাইভ, সিক্স, এইট ... এইরকম কয়েকবার করার পর লাভ হইল যেই লাঠি দিয়া পেটানো হচ্ছিল সেইটা আব্বা আমার মুখ দিয়া গলা পর্যন্ত ঢুকায়া আমার গলা পরিষ্কার করার চেষ্টা করল... আর আমি গলায় যাতে ব্যাথা না পাই সেই জন্য মুখ আকাশের দিকে তুইলা রাখছিলাম যেন লাঠিটা একটা সরল পথ পায় গলা পর্যন্ত পৌছার জন্য- তাতে ব্যাথা কম লাগে কি না তাই... ঐবার আব্বার হাত থিকা বাচানোর জন্য স্কুলের স্যার আসছিলেন বাড়ীতে... মাইরপিট শেষে গোসল করলাম, রেডী হলাম স্কুলে যাওয়ার জন্য তখন আব্বা ডাক দিয়া নিয়া আস্কাইলো ''ব্যাথা পাইছো নাকি?''
... তখনো পর্যন্ত বাংলাভাষায় ''আবার জিগায়'' কথাটার আগমন ঘটেনাই
...
এই শাস্তির ফলে সুবিধা হইছিল এই যে ক্লাস সিক্সে যখন এক কথায় প্রকাশ শিখি ''আকন্ঠ'' তখন খালি শিখাই হয়নি, রিদয়ংগম ও করা হয়েছিল সহজেই
... শাস্তি দেয়ার এইরকম উদ্ভাবনী ক্ষমতা এরপরে স্কুল লাইফে আরেক স্যারের মাঝেই দেখছিলাম শুধু ...
এখন ভাবি যেই মানুষটা ভালো কোন সিনেমা বাড়ীতে নিয়া আসলে আমাদেরে ডাইকা নিয়া একসাথে ছবি দেখতে বসত; যার প্রত্যেক কথা শুরু হয় একেকটা কৌতুক কয়া সে কেন এত অন্ধ হয়া যাইত পড়াশুনার প্রশ্নে??? এইটারও উত্তর পাইছি- উনি ছিলেন কুল্লে ইন্টারপাশ ... ফ্যামিলির দায়িত্ব পালনে গিয়া ছাত্রজীবনের অকাল সমাপ্তির ঠেলা টা আমার উপর দিয়া ছাড়ছিল। অবশ্য আমার মনে হয়না উনি চান্স পাইলেও খুব দুর যাইতে পারত- যা ফ্যাশান সচেতন ছিল
... এত ফ্যাশান কইরা কি পড়াশুনা হয় 
ঘটনা- ২:- - আমারই কপাল খারাপ- আরেক সকালে আব্বার মনে আবার প্রবল পিতৃস্নেহ জাইগা উঠল
- আমারে সাতার শিখানোর লিগা উনি পুকুরে নামলেন... সাতার শিখার মত এক্সইটিং ঘটনা সম্ভবত বাচ্চাদের জীবনে খুব কমই ঘটে... এইরকম এক্সইটিং ঘটনা আর দুইটাই আসে সাইকেল চালানো শিখা আর গাড়ী চালানো শিখা। স্নেহময় পিতৃদেবের দুইহাতের উপর পেটভর দিয়া আমি সাতার কাটতাছি আর প্রবল আনন্দে হাসতাছি... আব্বার একটাই কথা - হাসি বন্ধ কইরা সাতার শেখ মন দিয়া - কে শোনে কার কথা- আমার হাসি চলতেই আছে।
যা হওয়ার সেইটাই হইল- আব্বা আবার কানা হয়া গেল- আমারে এক ঢিলে মাঝপুকুরে, পুকুরটা রিঝনেবলি বিগ ছিল সাইজে; আক্ষরিক অর্থেই মাঝপুকুরে... হাবুডুবু হাবুডুবু হাবুডুবু ... আম্মার নেতৃত্বে উদ্বারকারী দল মাঠের পাশে আইসা খাড়াইলেও আব্বার কারনে পুকুরে নামতে পারছিল না কেউ
... ঘাটের পাশে চাচাতো ভাইরা আসলেই কড়া চটকানা
... জাতিসংঘ যে একটা ফাও সংস্হা এইটার একটা নিউক্লিয়াস লেভেলের ডেমনস্ট্রেশান আরকি; আমেরিকার প্রেসিডেন্টের সামনে সবাই বিলাই-সমান
... যাউগ্গা আম্মা এইবার কমান্ডো টিম পাঠাইলেন - তারা পুকুরের অন্যপাশ দিয়া কমান্ডো টিমরে মাঝপুকুরে পাঠাইলেন... আর আমি আইজকা ব্লগ লেখতাছি
... অভাগা যেদিকে চায় সাগর শুকায়ে যায়; শালার আমাদের বিপদের সময় পুকুরটাও শুকায় না 

ভাবি যেই আব্বা কাজের প্রয়োজনে বাইরে বেড়াইতে গেলে আমারে সাথে নিয়া যাইত যেন নতুন নতুন জায়গা দেখতে পারি; ঐসব নতুন নতুন রাস্তায় যার আংগুল ধইরা হাটছি পরম নির্ভরতায় সে কেন সাতার শিখাইতে গিয়া রাগে কানা হয়া যায়? আগেরবার নাহয় মানলাম সে ফ্যামিলির চাপে পড়াশোনা বাদ দিতে হইছিল তাই আমারে দৌড়ের উপরে রাখছে; কিন্তু এইবার কি উত্তর? তারে সাতার শিখতে তো আর ফ্যামিলির কেউ বাধা দেয় নাই
... নাকি বাপেরা এই টাইপেরই হয়- কোন লজিক ছাড়া? নাকি তাদের প্ল্যান সন্তানরে সব শিখায়া দিব? এইটা কি যোগ্য বানানোর চেষ্টা? নাকি এমনি এমনি? কে জানে? ইন্ডিয়ানা জোন্সের ছেলে নেসার আলী'র জন্মের পরই আসলে জানা যাবে উত্তর গুলান 
তবে আব্বা যে খালি পরাশুনার উপর জোর দিত তা না; যখন আরেকটু বড় হলাম তখন আব্বা একটা কথা প্রায় সময়ই বলত- পড়াশোনা টা খালি পাশ করার জন্য কইরো না, যা শিখবা তা ভিতরে গাইথা রাইখো; পাশ কইরা ভুইলো না, যা শিখবা তা জীবনে প্রয়োগ কইরো
... মাইরা-পিট্টা বড় কইরা অহন আবার ডায়লগ দেয়... হিন্দি ছবির ভীলেন কাদের খান যে ভালো ডায়লগ রাইটার তাতে আর সন্দেহ কি !!!
যাই হোক না কেন এইসব ঘটনায়, এইসব মারপিটে আমার মনে কোন বিদ্যাপ্রীতির জন্ম দেয় নাই, দিবেও না। একটা ছোট্ট শিশু যার পড়তে ভাল্লাগে, কিন্তু পড়াশুনা ভাল্লাগে না তারে ''মানুষ'' করার এইসব প্রচেষ্টা কতটা কাজের তা খোদাই জানে... আমি নিজে যেদিন মুক্তকচ্ছ হইছি সেইদিনই পড়াশুনারে ঠিংগা দেখাইছি
... মনের আনন্দে কলেজে গেছি, ক্লাস করা হয় নাই; কলেজের লাইব্রেরীতেই বসছি দিনের অর্ধেক; আড্ডাই হইছে খালি
তবে খুব যে মুক্তপুরুষ হইছি তাও না- যেইদিন মনে হইছে খায়া-পরা বাচার জন্য অ্যকাডেমিক ডিগ্রী দরকার; চারদিকে ছড়ায়ে ছিটায়ে থাকা গরু-ছাগলের সমান বুদ্বি নিয়া হাটা-চলা করা ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার দের সামনে সমান কাতারে দাড়ানোর জন্য একটা রাফ-টাফ ডিগ্রী নাহলেই হচ্ছেনা; যেদিন দেখলাম প্রেম করতে গেলে ডিগ্রী লাগে; যেদিন সোভানবাগের সামনে মাঝরাতে পুলিশের অফিসার আমার ফাউল ভার্সিটির নাম শুইনা আমারে ছাত্র স্বীকার করতে অস্বীকার করল সেইদিন নিজের ভিতরের ঐ পড়তে ভাল্লাগা শিশুটারে চুপ থাকতে কয়া পড়াশুনা-ভাল্লাগা ছেলেদের দলে যোগ দিলাম আর মনে মনে বল্লাম দুনিয়াতে শান্তিতে বাচতে দিলোনা শালার সিস্টেম, সেই ঘুইরা ফিইরা পড়াশুনা করা লাগলোই... বটম লাইন- ডিগ্রী নিছি মোটামুটি, কিন্তু অহনো বাল ছিড়তে পারি নাই; ছিড়তে ইচ্ছাও করেনা।
আরেকটা বটমলাইন:- বর্ণমালা কখনোও ভাল্লাগে নাই সেইটা বাংলা হোক, নাকি, ইংলিশ, নাকি আরবী... আর শৈশবে যাইতেও ইচ্ছা করে না... এই শখ মাথায় চাগার সুযোগ পায় নাই এখনো... আমার শৈশবটা বর্ণমুক্ত হইলে হয়তো আবার শৈশবে ফেরত যাওয়ার কথা একবার হলেও ভাবা যেত...
১টা বাই-দ্য-ওয়ে:- ব্লগে নুশেরা আপার কমেন্ট বা পোস্টে যখন উনার বাবার বর্ণনা পড়ি তখন আব্বার কথা মনে পড়ে সাথে সাথে... গড ব্লেস হার ড্যাড এন মাই ড্যাড
... শুধু হাড় গুলারে ব্লেস না করলেই বাচি 
১টা ক্ৃতগ্যতা- থ্যংস টু উয়িকিপিডিয়া, আজো যা কিছু জানতে ইচ্ছে করে উয়িকিতে খুজে পাই ... টাই পরার আগে টাইয়ের ইতিহাস জানার শখ উঠলে কিংবা হিক্কা উঠলে তার কারন জানার খায়েশ চাগলে উয়িকি জানায়া দেয় ... অনেক কিছুই শিখে যাচ্ছি প্রাণের উয়িকি থেকে...
শেষ টিটকারি:- ক্লাস সিক্স যখন উঠলাম তখন আব্বার ভেতরের সুপ্ত ছাত্র জাইগা উঠল আবার... আনফিনিশ্ট মিশন কমপ্লিট করতে হইব আবার- দিল বিএ পরীক্ষা আবার ... ডাব্বা খাইছিল
... তারপরের বার দিল ... এইবার ভাগ্য ভালো
... আবার ডাব্বা খাইলো
... হ ...। চাইছিলাম এইটা নিয়া হাসাহাসি করি কতক্ষন; মায়া লাগছিল তাই আর টিটকারি দেই নাই 
দুঃখপ্রকাশ:- সিরিয়াস পোস্ট লেখার মত ফাউলামি ;) আজকে হঠাত কইরা ফেললাম... আর হবেনা আশা করি





আমার যে খুব খারাপ কাটচে তা না, কিন্তু খুব আরামে কাটে নাই... আব্বার তরফের মাইর পিট বেশীরভাগই হইত পড়াশুনা কেন্দ্রিক
... অংক পরীক্ষায় ৫ টার জায়গায় ৪ টা পশ্ন আনসার করা হইছে ঐ কারনেই মাইর শুরু হয়া যাইত... আব্বার মাইর গুলা ছিল বাতসরিক মাইর - বছরে একবার, কদাচ দুই কি ৩ বার
আব্বার মাইর ছিল স্ট্রাটেীক লেভেলের মাইর- বছরে একবার... আর আম্মার মাইর ছিল অপারেশানাল লেভেলের মাইর- হপ্তায় দুই তিন বার
... কি কারনে মাইর সেইটা বাইর করতে পারি নাই 
খেল কুদ আমিও পাড়ছি... মাগার কন্ট্রোলে থাইকা
... এইটে উঠার পর বেশ ছাড়া পাইছিলাম... দুপুরে সাইকেল নিয়া চা বাগানে চইলা যাইতাম চক্কর দিতে 
এখন বুঝলাম বাফ্রা কি জিনিষ

এত্ত দৌড়ের উপ্রে রাখার পরও এই অবস্থা? আল্লাহর নামে ছাইরা দিলে না যানি কি হৈত
আরে নাহ... ছোটবেলা থেকেই আমি খুব শান্ত ছিলাম
... চুপাচাপ... দার্শনিক কিসিমের... আসলেই 
টুটুল ভাই


উড়ি উড়ি.. পোস্টে শুরতেই দেখি আমার নাম আছে।

যাক, তাইলে ঐ পোস্ট দেওয়াতে ভালৈ হইল, আপনের একটা পোস্ট পাওয়া গেল।
অ:ট: যেইদিন থেইকা রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সবার জন্য উন্মুক্ত হবে, সেদিনই কি "নেসার আলী" নিকের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হবে??

আরে ভাই নেচার আলীর বাপ ইন্ডিয়ানাই ব্লগে রেজি করার চান্স পায়না আর নেচার আলী তো পরের কথা
দেখি ব্লগের কা্উরে একদিন ধইরা মিষ্টি-নিমকি খিলায়া যদি ইন্ডিয়ানার একটা ব্যাবস্হা করা যায়
খেক খেক খেক। আমারে মিষ্টি-উষ্টি খাওয়াইয়েন.. যদি কোন গতি হয়..

গতি-দ্রুতির নিশ্চয়তা দিলে অবশ্যই কহিলানো-পিলানো হইবেক

একটা শিক্ষা নিলাম। বাফড়ারে কিছু শিখাইতে হইলে মাইর দিতে হয়। জাইনা রাখলাম।
লেখা অতি চমৎকার, হিংসিত হইলাম।
আমি কি বুঝাইলাম আর সে কি বুঝল
... ভাই মাইর ছাড়াও রোদের মইধ্যেও ভাইটামিন আছে... কিছু শিখাইতে চাইলে মাইর না দিয়া দুইটা মিষ্টি খাওয়ায়া যদি কন, তাইলেই শিখ্যা লমু ...
মাইনাস দিমু। কি সুনদর কইরা ছুডুবেলার কথা লিখছে। বাফ্রা যে বান্দর এইডা বুঝছি।
লেখাটা খু-------ব------ই জোশশশশশশশশশ হইছে।
থ্যংকু থ্যংকু..। তয় ছুটুকালে আমি খুবই শান্ত ছিলাম... তাদের মাইরপিটের শখ তাই মাইরপিট করত... এিটার মানে এই না যে আমি বান্দর ছিলাম
চরম লাগছে। পুরা উরা ধুরা। জোস।
তয় শুরুতে সাতার শিখা দেইখা কয়দিন আগের সাতার কাটার পোষ্টের কথা মনে পইড়া আতকা খাইছিলাম। 
ঐ সাতার কাটা
... ঐ সাতার কাউরে শিখান লাগেনা কইছিনা

কে বলে ডারউইনের মতবাদ ভুল??
বান্দর থিকা মানুষের আগমন হইলেও হইতারে, মাগার মানুষ তো আর বান্দর না রে, বান্দর
... তুমার কমেন্ট টাই মিয়া ভুল, খিকজ 
আমারেও মাঝপুকুরে থ্রো করছিল, ডুইবা ডুইবা জল খাইলাম, ভাসতে শিখলাম না
তুমারে তো পিতাজী সবচে কঠিন জিনিসটাই শিখায়া দিছে... আমাদের বাপ তো ডুইবা ডুইবা জল খাওয়া শিখাইলোই না, উল্টা যেইদিন নিজ চেষ্টায় ডুইবা ডুইবা জল খাইতে গিয়া ধরা খাইলাম সেইদিন দৌড়ানি দিল... সে কথা আর না বলি
...
আংকেলজির ''জয় হো''
একবার কৈছিলাম, আবারও কৈ- তোমারে দিয়া হৈবো বাফড়... আমি তোমারে লাইক করলাম, তোমার লেখারেতো আগেই করছি...
শহমাসুম বা নুশেরার প্রতিদ্বন্দী বাড়লো... বিয়াপক আনন্দ হৈতাছে
লজ্জা দেয়ার লিগা মেসবাহ ভাইরে থ্যংকু
.... কথা আর না বাড়াই... মোর নজ্জা নাগছে 
হুম
গুড়ুম ... নীচে নীড় সন্ধানীর কমেন্ট দেখছেন???!!! নেক্স বইমেলায় আপনেরে সামনে পাইলে খবর আছে
ইয়ে.. সরি ঐটা নীড় হারা পাখি ছিল
পোস্ট পইড়া ব্যাপক মজা পাইছি...বাফড়ার নিজের যেই লেখার ভঙ্গী সেইটা অনেক ইউনিক লাগে...
তয় বাপের লগে এইরম সম্পর্ক কোনদিন আছিলো না আমার...আমি ঘুম থেইকা উইঠা তারে দেখতাম বাইর হইতাছে বাড়ির থেইকা...আর ঘুমাইতে যাওনের আগে তারে দেখতাম বাড়ি ফিরতে। আর ছুটির দিনে তার লগে কথা কইতাম না...কেরম অপরিচিত লোক লাগতো...
য়াযাদ ভাই আমরা বন্ধুর মধ্যেও কি বন্ধু সভার মতোন কন্টেস্ট করতে চান নাকি?
থ্যংকু থ্যংকু ...
আামার সাথে আব্বার রিলেশান ছোট বেলায় স্বাভাবিক ই ছিল , আরো আট দশটা ফয়মিলিতে যেইরকম হয়... ফ্রেন্ড ও না, আবার অপরিচিত ও না... বড় হওয়ার পর যখন ইন্টার পড়ার জন্য বাড়ী ছাড়লাম তখন সম্পর্কটা সেমিফরমালের মত হয়া গেল। ...
আর আব্বারে বাড়ীতেই দেখা যাইত বেশীরভাগ সময়... দোকানদার ছিলেন পেশায়, আর দোকান টা দেখত আরেকজন, তাই উনার অঢেল সময় ছিল বাড়ীতে বসে থাকার জন্য ... বইসা মুভি দেখত, আর পছন্দের ডায়লগ গুলা খাতায় টুইকা রাখত
উনারে দেইখা আমি ডিসিশান নিছিলাম যে আমিও দোকানদার হমু আর ফ্যামিলিরে বেশী বেশী টাইম দিমু
... ওহ আর উনি আমার ইয়াং বয়েসের আইডল ও চিলেন
...
বড়ই মজা পাইলাম... নজরুল ভাই...অনেক দিন পর মনে হইলো ভাল কিছু পড়লাম..তোমার বাফে তোমারে এমন কইরা আগ্লাই রাখার পর তুমি এমন বান্দর হইছো নজরুল ভাই ... আর যদি ছাইরা রাখতো তাইলে খবর আছিল....তুমি যে কি বস্তু হইতা আমি সেটাই ভাবতাছি...যাউজ্ঞা...তয় কথা হইলো আমি তেমন কোন কিছু কইতে পারুম না আমার বাফের ব্যাপারে...খুব বেশি একটা মনেও নাই তার কথা..কেলাস ৩ কি ৪ এ থাকতে বাফটা মইরা গেল...তখন আমার ৮ কি ৯ বছর....দেখতে দেখতে কেমনে কইরা ২১ টা বছর পার হইলো..খবর ও নাই....শুধু মানুষের মুখে শুনি বড় ভালা মানুষ আছিল ...নামাজ , রোজা আর কাজ ...এই ছিল তার নিত্যদিন...তয় একটা কথা ভুলবার পারমু না ...যেই বছর মারা গেল...তার আগের বছর শীতে একদিন স্কুলে যামু ,তো তার কথা হইলো স্কুলে যাবি তো গোসল করে যাইতে হইবো...ভিলেনের মত দাড়াই রইছে। ল্যাংরাগো স্ক্রাচার আছিল একটা বাসায় ...তার কিছু দিন আগে পা মচকে যাওয়াতে ডাক্তার বেটা ওইটা তার হাতে ধরাই দিছিল...কিছু দিন ওইটাতে কইরা ভর দিয়া হাটতে হইবো... আর আমার ও জিদ আমি গোসল করুম না ...পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ইমানের অংগ... কি আর করা...এই কথা শোনার পর আমার বড় আপা যখন গেলেন আমারে গোসল করানোর জন্য আসলেন ...তার সাথে ধস্তা ধস্তি চলছে...যখন দেখলেন যে আপোষ এ কাজ হচ্ছে না ।।তখন পেছন থেকে বেশ জোরে কষে পাছায় আর পায়ে কয়েক টা দিলেন...আমি তো পুরা টাসকি খাইলাম আমার বইনের তো হাত খালি এমন অমানবিক কাজ টা কে করলো আমার সাথে...আমার মত মাসুম পোলাডারে এমন কইরা কোন অধম প্রহার করলো।।পরে চোখ মুছতে মুছতে পেছনে তাকাই দেখি ভিলেন বাপ তার হাতে সেই ডাক্তারের দেয়া অবলম্বন দিয়ে এই জালিমের মত কাজ টা করছে আমার সাথে... কি আর করা গোসল তো করলাম...মাইর ও খাইলাম আর কানলাম ফাও...জাতিসংঘে বিচার দেয়ার জন্য আমার মাকে খুঁজছিলাম, সেদিন তিনিও ছিলেন না ...তিনি গেছেন তার মাকে দেখতে....থাকলে ভিলেনের খবর ছিল আর স্কুল যাওয়া মাফ সেদিনের জন্য..কি আর করা...বলেন...ভাগ্য গুনেই মনে হয় আমাদের বাফড়া এমন ভিলেন হয়... ...
হ বাফেরা ইরাম জালিম ই হয়
... আপনার আব্বার বেহেশত নসীব হোক ...
জাতিসংঘের কথা কয়া লাভ নাই... জাতি সংঘ ও কম অত্যাচার করে নাই
ইয়ে আমি নজু ভাই না রে ভাই, আমি বাফড়া
আমার বাবাও আমার দুইভাইরে ঢিলা দিছিলো তারা সাঁতার শিখছিলো ; আমারে ঢিলা দিতে পারে নাই ঢিলা দিতে গেলেই কচ্ছপের মতন জরাইয়া ধরতাম; আমি সাতার ও শুখিনাই;
লাস্টের দুঃখপ্রকাশ না পড়লে বুঝতামই না এইটা সিরিকাস পোস্ট
আমার ছোট বোন সাতার শিখচিল নিজ চেষ্টায় ... তুমিও ট্রাই কইরা দেকহতারো...
ঐ দুঃখপকাশের কথা আর কয়ো না... বেশ কয়েকটা প্যাচ লাগছে... মাইরপিট বিসয়ক পোস্ট তাই আমি মনে মনে খুবই সিরিয়াস ছিলাম তাই সিরিয়াস পোস্ট কয়া দুঃখপকাশ করছিলাম... মাগার পরে পইড়া দেখি দুঃখের/সিরিয়াসনেসের কোন পকাশই ঘটে নাই পোস্টে
... কীবোর্ড চেইন্জ করতে হইবেক 
উফফফফ, বাফড়া যে কেম্নে লেখে... গ্রেট গ্রেট সিম্পলি গ্রেট!!!
প্রতিটা লাইনই মজার, তবে পুকুরের মধ্যে জাতিসংঘ টাইনা আনাটা অমানবিক হইছে
কেমন যেন সন্দো লাগতেছে, আমার বাপ আর বাফড়ার আব্বাহুজুর বোধহয় ছোটবেলায় মেলা দেখতে গিয়া নিখোঁজ হওয়া দুই ভাই...
বিশ্বাস করেন আমারো মাঝে মাঝে এই সন্দো হয় যখন আপনের পোস্ট বা কমেন্টে আংকুলের কর্মকান্ড পড়ি... উফফফফ আঝোলি গরদিশ...
...
নেসার আলী কী করবে জানি না, তবে আমার বাপ তার তিন নাতিনাতনীর হাতে ব্যাপক সাইজ হইতেছে। গতবার দেশে গিয়া একদিন জ্যামে আটকা পড়ছি, রাস্তার পাশে স্কুল ছুটির সময়ের ভীড়। হঠাৎ দেখি ফুটপাথে আমার ভাগ্নি তার নানারে দুই হাত দুই পা মাথা থুতনি-- এই ছয় অস্ত্র দিয়া রীতিমতো প্রহার করতেছে। আশেপাশে বাচ্চাদের মায়েদের মুখে মধুর হাসি। মাইরের ঠেলায় পিতাজী তাড়াতাড়ি নাতনীর ডিমান্ড পূরণ করতে পপকর্নের ঠেলাগাড়ির দিকে আগায় গেলেন। আমি রিকশায় বইসা হাসি আটকাইতে পারি নাই।
আর নেচার আলীর কথা ইন্ডিয়ানাই ভালো জানে
... তয় যদ্দুর জানি ভাংগু পেন্সিল আর জ্বিনের বাদশার কুপরামর্শে নেচার আলীর শিক্ষাজীবন ও বড় হওয়া ডেনমার্ক থিকা শুরু হইব... ঐদেশে নাকি নেচারের কোলে রাইখা নেচার থিকা পুলাপানরে শিক্ষা দেয় 
রখসে বিসমিলের সন্ধান দিছলাম... ঐখানে
গ্রেট !!!
আমিও শৈশবে যাইতে চাইনা।
হ... শৈশবে যাওনের কি দরকার ... হুদাই... আমার কাছে তো কলেজ লাইফ এর থিকাও ইন্ট্রেস্টিং লাগে
...
আহা সেই শৈশব... কাহিনী জব্বর হইছে... আমিও হুনামুনে একদিন।
জলদি লাগান... এইসব কাহানী শুনাইতে দেরী করার মানে নাই
নেচার আলী যদি বাপের পথে চলে তাইলে কি ঘটনা হবে চিন্তা করতেছি, আর তখন কি ইন্দিয়ানা জোন্স তার বাপের দেখানি পথে চলবে??...
নেচার আলীর কতা জানিনা তবে ইন্ডিয়ানা জোন্স পকেটের পিস্তল আর কোমরে রাখা চাবুকে বিশ্বাস করে
... নেচার আলীর কপাল খারাপ

এইসব লেখা পড়লে মন কয়, লেখালেখি কইরা সময় নষ্ট না করে এইসব পড়াপড়ি কর
থ্যংকিউ ... বিব্রত করার লিগা
... 
একটা শিক্ষা নিলাম। বাফড়ারে কিছু শিখাইতে হইলে মাইর দিতে হয়। জাইনা রাখলাম।
লেখা অতি চমৎকার, হিংসিত হইলাম।
এইতো উল্টা বুঝলেন ... মাইরে ভাইটামিন থাকলেও সেইটা মানবশরীরের জন্য তেমন পুষ্টিকর ভাইটামিন না
থ্যংকিউ... আপনের হিংসিত হওয়া আনন্দ দিল

ভাই, ও ভাই, ভাই গো
জ্বি ভাইটি, কন ?
ভাই আপনে কি আগের জনমে আমার আপুন ভাই আছিলেন। নাইলে এত মিল ক্যান?
ক্যান? আপনের উপর দিয়া কেমন চর থাপ্পড় গেছিল?
... নুশেরা আপার খোজ নেন? আপনের হুরুবেলার বইন ও হইত্যে পারে.. হের উপর দিয়া হুরুকালে গঝব গেছল কি না... খেক খেক খেক
ভাই-বুন কম নাই তাইলে। আহা এত বছর পর দিলটা এট্টু ঠান্ডা ঠান্ডা লাগতেসে
হ.। নির্ঘাত কম নাই.।
.। অনেকেই চক্ষু লজ্জায় কইতাছে না 
যাউক, আমরা দুই ভাই এখন থিকা আগের জনমের আপুন ভাই। উখে?
মন্তব্য করুন