ঝরাপাতা কথকতা # ০ # আমার বন্ধু, আমার ভালোবাসা..
গতকাল সকালের কথা।
ইদানিং প্রায় কোন রাতেই ঘুমানো হয় না। টিভি দেখি, গান শুনি, গেম খেলি। আর একটু আধটু পড়াশোনার চেষ্টা করি। মাসখানেক পরেই খুব সম্ভবত ডিগ্রি ফাইনাল, পড়তে না বসেও আর উপায় নেই। দিনে পড়ার অভ্যাস করতে পারিনি কোন কালেই, তাই রাতই ভরসা। যাই হোক, ইদানিং নতুন অভ্যাস হয়ে গেছে - ঘড়ির কাঁটা ছয়টা পেরুলেই বেশ খিদে পায়। ফার্মগেটের নিউ স্টার থেকে গরম গরম পরাটা নিয়ে আসি, টিভিতে সকালের নানা গান শুনতে শুনতে নাস্তা করেই ঘুম।
আজও তাই করছিলাম। তারা মিউজিকের একটা অনুষ্ঠান দেখি সুযোগ পেলেই, আজ সকালের আমন্ত্রনে। একেকদিন একেকজন শিল্পী আসে, আর গানের মাঝে মাঝেই চমৎকার আড্ডা চালিয়ে যায় উপস্থাপিকা আর ফোন মারফত দর্শকেরা।
কিছুক্ষণ ঘুরে ফিরে এখানেই থিতু হয়েছিলাম আজ। একজন মিউজিশিয়ান আর একজন শিল্পী এসেছিলেন আজ, দুই বন্ধু। ওঁরা আবার সবসময় একসাথেই পারফর্ম করেন। একি রাগের ভেতর মিশে যায় এমন নানা গান একসাথে মিশিয়ে গাইছিলেন, সাথে প্রায় প্রতি গানে শুরুতে চমৎকার উচ্চাঙ্গসঙ্গীত আলাপ। আর চমৎকার কম্পোজিশনের মিউজিক তো ছিলই। ঘুম ঘুম চোখে একরাশ মুগ্ধতা নিয়ে জেগে থাকা ছাড়া কিছুই করার ছিল না।
এরই মাঝে হঠাৎ উপস্থাপিকার একটা কথা শুনে রবিবুড়োর একটা লেখা মনে পড়ে গেল। নেট খুঁজে বের করে পড়লাম, বিবিধ প্রসঙ্গের 'বন্ধুত্ব ও ভালবাসা' ।
পুরো লেখাটাই এখানে না শেয়ার করে উপায় নেই, একটা লাইনও লেখেনি বুড়ো ফেলবার মত!
বন্ধুত্ব ও ভালোবাসায় অনেক তফাৎ
আছে, কিন্তু ঝট্ করিয়া সে তফাৎ ধরা যায় না। বন্ধুত্ব আটপৌরে,
ভালোবাসা পোশাকী। বন্ধুত্বের আটপৌরে কাপড়ের দুই-এক জায়গায়
ছেঁড়া থাকিলেও চলে, ঈষৎ ময়লা হইলেও হানি নাই, হাঁটুর
নীচে না পৌঁছিলেও পরিতে বারণ নাই। গায়ে দিয়া আরাম পাইলেই হইল। কিন্তু
ভালবাসার পোশাক একটু ছেঁড়া থাকিবে না, ময়লা হইবে না,
পরিপাটি হইবে। বন্ধুত্ব নাড়াচাড়া টানাছেঁড়া তোলাপাড়া সয়,
কিন্তু ভালবাসা তাহা সয় না। আমাদেরভালবাসার পাত্র হীন প্রমোদে লিপ্ত
হইলে আমাদের প্রাণে বাজে, কিন্তুবন্ধুর সম্বন্ধে তাহা খাটে না; এমন-
কি, আমরা যখন বিলাসপ্রমোদে মত্ত হইয়াছি তখন আমরা চাই যে, আমাদের
বন্ধুও তাহাতে যোগ দিক! প্রেমের পাত্র আমাদের সৌন্দর্য্যের আদর্শ
হইয়া থাক্ এই আমাদের ইচ্ছা— আর, বন্ধু আমাদেরই মত দোষে গুণে জড়িত
মর্ত্ত্যের মানুষ হইয়া থাক্ এই আমাদের আবশ্যক। আমাদের ডান হাতে বাম
হাতে বন্ধুত্ব। আমরা বন্ধুর নিকট হইতে মমতা চাই, সমবেদনা চাই,
সাহায্য চাই ও সেই জন্যই বন্ধুকে চাই। কিন্তু ভালোবাসার
স্থলে আমরা সর্ব্বপ্রথমে ভালোবাসার পাত্রকেই চাই ও
তাহাকে সর্ব্বতোভাবে পাইতে চাই বলিয়াই তাহার নিকট
হইতে মমতা চাই, সমবেদনা চাই, সঙ্গ চাই। কিছুই না পাই যদি, তবুও
তাহাকে ভালবাসি। ভালবাসায় তাহাকেই আমি চাই, বন্ধুত্বে তাহার
কিয়দংশ চাই। বন্ধুত্ব বলিতে তিনটি পদার্থ বুঝায়। দুই জন
ব্যক্তি ও একটি জগৎ। অর্থাৎ দুই জনে সহযোগী হইয়া জগতের কাজ সম্পন্ন
করা। আর, প্রেম বলিলে দুই জন ব্যক্তি মাত্র বুঝায়, আর জগৎ নাই। দুই
জনেই দুই জনের জগৎ। অতএব বন্ধুত্ব অর্থে দুই এবং তিন, প্রেম অর্থে এক
এবং দুই। অনেকে বলিয়া থাকেন বন্ধুত্ব ক্রমশঃ পরিবর্ত্তিত হইয়া ভালবাসায়
উপনীত হইতে পারে, কিন্তু ভালবাসা নামিয়া অবশেষে বন্ধুত্বে আসিয়া ঠেকিতে পারে না।একবার যাহাকে ভালবাসিয়াছি , হয় তাহাকে ভালবাসিব নয় ভালবাসিব না;কিন্তু একবার যাহার সঙ্গে বন্ধুত্ব হইয়াছে, ক্রমে তাহার
সঙ্গে ভালবাসার সম্পর্ক স্থাপিত হইতে আটক নাই। অর্থাৎ বন্ধুত্বের
উঠিবার নামিবার স্থান আছে। কারণ,সে সমস্ত স্থান আটক করিয়া থাকে না।
কিন্তু ভালবাসার উন্নতি অবনতির স্থান নাই। যখন সে থাকে তখন
সে সমস্ত স্থান জুড়িয়া থাকে, নয় সে থাকে না। যখন সে দেখে তাহার
অধিকার হ্রাস হইয়া আসিতেছে তখন সে বন্ধুত্বের ক্ষুদ্র স্থানটুকু অধিকার
করিয়া থাকিতে চায় না। যে রাজা ছিল সে ফকির
হইতে রাজি আছে, কিন্তু করদজায়গীরদার হইয়া থাকিবে কিরূপে?
হয় রাজত্ব নয় ফকিরী, ইহারমধ্যে তাহার দাঁড়াইবার স্থান নাই।
ইহা ছাড়া আর একটা কথা আছে— প্রেম মন্দির ও বন্ধুত্ব বাসস্থান। মন্দির
হইতে যখন দেবতা চলিয়া যায় তখন সে আর বাসস্থানের
কাজে লাগিতে পারে না, কিন্তু বাসস্থানে দেবতা প্রতিষ্ঠা করা যায়।
প্রায় প্রত্যেকটা লাইনই চমৎকার, আলাদা আলাদা করে কোট করার মত। ভাবনাগুলোও বেশ ভাবায়। আমাকে আচ্ছন্ন করে রেখেছিল প্রায় সারাদিন।
দুপুরের পর ঘুম থেকে উঠে আর কিছু লেখা হয়নি। এখন এই রাতদুপুরেরও অনেক পরে এসে আমাদের এফবি গ্রুপে জেবিন আপুর কথায় মনে হল নিজের ভাবনাগুলোকেও কিছু সময় দেওয়া উচিত, তাই নেট ঠিক করে ল্যাপি খুলে শোয়া কাম বসা!
লাইফের ৫ ভাগের ২ ভাগ পার করে দিলাম, এখনও পুরাই কনফিউজড যে দুইটা বিষয় নিয়ে তা হল বন্ধুত্ব আর ভালবাসা।
আমার জীবনে এখনও পর্যন্ত সবচাইতে প্রিয় বন্ধু ও ভালোবাসার মানুষ একইজন, আমার বায়া! আমার চার বছরের বড় পিঠাপিঠি ভাইয়া, আমার শৈশব আর ইস্কুলবেলার একমাত্র বন্ধু - এতটা পথ পার হয়ে এসে এখনও র্যঙ্কিং-এ সবার উপরেই!
আমি প্রায় সব বিষয়েই এক্সট্রিমিস্ট। যখন ভাল খুব ভাল, যখন খারাপ খুব খারাপ। মাঝামাঝি কিছু নেই। ছেলেবেলা থেকেই এই অবস্থা; যাকে ভাল লাগে আকাশ পাতাল সমান ভালো লাগে, যাকে ভাল লাগে না একদমই ভাল লাগে না। যার সাথে মিশি পুরোটা মন দিয়েই মিশি, আর নয়তো একদমই মিশি না।
বন্ধুত্ব বিষয়টা আমার কাছে ছিল ফেয়ারিটেল টাইপ স্বর্গীয় একটা কিছু অনুভুতি! ভাইয়ার সাথে বেড়ে উঠাটাই হয়তো আমার চোখে বন্ধুদের স্ট্যান্ডার্ড অনেক বেশি হাই করে দিয়েছিল। অনেকটা চুজিও!
বাসার বাইরে আমার প্রথম বন্ধু হয় ইস্কুলের টেস্ট পরীক্ষার পর। কলেজে উঠে মিলে আরও কয়েকজন। ওই সময়টা আসলেই অন্যরকম ভালোলাগায় কেটেছে আমার জীবন। পড়ে ভার্চুয়াল দুনিয়া থেকে কপাল গুনে পেয়ে গেছি আরও দুয়েকজন।
খুব বেশি বন্ধু পাইনি জীবনে, চাইওনি হয়তো। কোয়ানটিটির চাইতে কোয়ালিটির মুল্য বরাবরই আমার কাছে বেশি। যে কয়জনের লাইফের অংশ হতে পেরেছি, প্রত্যেকেই নিজ নিজ গুনে আমার চোখে অসাধারণ।
আমার কাছে বন্ধু ব্যাপারটা ছিল অনেকটা এরকম যে; যার কোন কিছুতেই আমার কিছু যায় আসে না - যার কোন কাজে বা কথায় আমার ভালোবাসা কমবে বাড়বে না - সেই আমার বন্ধু। এমনটাই বিশ্বাস করতাম যে, আমার কোন বন্ধু যদি আমাকে কোন কারনে মেরেও ফেলে তখনও আমার এমনটাই মনে হবে যে এ না হলে নিশ্চয়ই আমার খারাপ বৈ ভাল কিছু হত না! আমার কাছে বন্ধু মানে বরাবরই আমার ফ্যামিলির বাইরে সেকেন্ড ফ্যামিলি। আমার মতে ফ্যামিলির বাইরে শুধুমাত্র বন্ধুদের কাছেই কোন কারন ছাড়া অযৌক্তিক সব আবদার করা চলে এবং তা পাওয়ার আশা ও বিশ্বাসও হান্ড্রেড পারসেন্ট কাজ করে!
ইন্টার লাইফ আর তার পরের দুয়েক বছরেও আমার বন্ধুরা এর বাইরে কিছু ভাববার অবকাশও অবশ্য দেয়নি। স্কাই ওয়াজ আওয়ার লিমিট।
আমি ঝোঁকের মাথায় চলতে খুব ভালবাসি, যখন যা মন চাইল তাই করতে হবে। হুটহাট প্ল্যান হবে, তাতেই তো মজা। আমার যত পাগলামিতে বন্ধুদের কখনই একবারের বেশি দুইবার ডাকতে হয় নি, কিছু বলার আগেই আমার কথায় রাজি। আমি যা বলব, তাই। যেখানে ইচ্ছা যখন ইচ্ছা যাব, কেও না কেও মিলে গেছে সবসময়ই। আমার কাছে কখনই আমার কোন বন্ধুর কোন দোষ ছিল না, সবগুলা একেকটা ছোটখাট গার্জিয়ান এঞ্জেল!
কিছু না থাকলেই তার মুল্য বেশি করে বোঝা যায়। জীবনের বড় একটা অংশ কোন বন্ধু ছাড়া কাটিয়েছি বলেই হয়তো, বন্ধুদের সাথে পাওয়া প্রত্যেকটা মুহূর্তের মুল্য আমার কাছে বড় বেশি ছিল। বন্ধুদের সাথে কখনও কোন ঝামেলা হলে নিজেই লাফ দিয়ে গিয়ে তা মিটিয়ে ফেলতাম। দোষ যার ই থাক তা নিজের কাঁধে নিয়ে স্যরি বলে সবকিছু ঠিকঠাক করে ফেলাটাই ছিল আমার অভ্যাস! এমনিতেই বন্ধু মিলেছে অনেক দেরিতে, ঝগড়াঝাঁটিতে তাই সময় নষ্ট করার মত সময় ছিল না হাতে - কখনই।
আমার নিজের মতে আমার সবচাইতে বড় দোষ হল;
দেখা যায় অনেক বড় কিছুও সময়ে ছাড় দিয়ে ফেলি,
কিন্তু অসময়ে খুব ছোটখাট ব্যাপারেও বিশাল কষ্ট পেয়ে বসে থাকি।
আরও অনেক দোষের সাথে আমার বড় আরেকটা দোষ -
আই ক্যান্ট স্ট্যান্ড লাইস; প্রিটেনশন এন্ড ইগনোরেন্স।
তাতেই কিছু বন্ধু হারিয়ে যায়, কিছু বন্ধু ক্রমেই দূরে সরে যায়।
কাউকে কাউকে নিজেই দূরে ঠেলে দেই, আমার জন্য কোন বন্ধুর জীবনে কোন সমস্যা আসবে এমনটা সহ্য করার শক্তি সৃষ্টিকর্তা আমাকে দেয় নি।
এতসব কিছুর পরেও কিছু বন্ধু যেমন ছিল ঠিক তেমনি থেকে যায়, এজন্যই হয়তো এই পথচলা।
এবার আসি ভালবাসায়। গল্প উপন্যাস পড়ে পড়ে কেবলই নিজের করে ভালোবাসার কোন একজনকে পাওয়ার ইচ্ছে যে হয় নি, তা বললে নিজের কাছেই মিথ্যে বলা হবে। কখনও যে কাউকে এমনভাবে ভাবে ভাল লাগে নি তাও নয়। কিন্তু নিয়তির ঘড়ির কাটায় সময় আর সুযোগ একসাথেও আসে না আর বলে কয়েও আসে না। তাই হওয়ার ছিল বা ছিল না, তা হয় না। বাদ দেই এসব কথা; যখন হবার তখন আসলে হয়েই যায় - এত কিছু বলার থাকে না। যখন সময় হবে; হবে, তখনই দেখা যাবে নে কি হয়!
সময়ে অনেক কিছুই বদলে যাচ্ছে, মন ; মানুষ সবই।
ভালোবাসার ধরন পালটে যাচ্ছে, বন্ধুত্বের সংজ্ঞা বদলে যাচ্ছে।
এখন অনেক রকম হিসাব নিকাশের সুতোয় বন্ধুত্ব ঝুলে থাকে।
নিজের জন্য 'নিজস্ব স্পেস', 'নিজস্ব টাইম','পারস্পরিক সমঝোতা','আলোচনা' আর 'যথাযত বোঝাপড়া'র মত কঠিন সব শব্দও বন্ধুদের মাঝে ঢুকে পড়েছে। 'ফেইথ' আর 'ট্রাস্ট' বলতেও যে কিছু আছে কয়েকদিন পর তা হয়তো কেবল ডিকশনারির পাতাতেই দেখতে পাওয়া যাবে। অবাকই হতে হয়!
আজকাল মাঝে মাঝে ঘুম ভেঙ্গে গেলে নিজেকে রিপ ভ্যান উইঙ্কেল বলে মনে হয়!
সারা দুনিয়াটাই বুঝি কত্ত দূরে এগিয়ে গেছে, কেবলমাত্র চিরপুরাতন ব্যাকডেটেড এই আমিই পিছনে পড়ে থাকলাম। এভাবে আর কতদিন চললে সত্যিকার অর্থেই এক্কেবারে হারিয়ে যেতে পারি সেটাই এখন ভাববার বিষয়!
হাবিজাবি কত্ত কিছু লিখে ফেললাম! আর ভাল্লাগতাছে না। হাইইইইম!
ভাল থাকেন সবাই। অনেক ভাল, সবসময়। প্রতিটি দিন, প্রতিটি ক্ষণ।
ও..শেষ আরেকটা কথা।
আমার সবচাইতে বড় ভুল টা মনে হয় ধরতে পেরেছি -
আমার বন্ধুই আমার ভালোবাসা!
ভালোবাসার মানুষকে যেমনটা কেবলই নিজের করে পেতে ইচ্ছে করে,
আজকালকার জমানায় বন্ধুদের ভালোবেসে ভুল করে এই অধিকার পেতে চাইলেই - বাস্টেড!!
তবুও;
নো ম্যাটার হোয়াট ,
আমার এই পথ চলাতেই আনন্দ..।।





পোলাপানগুলা এত ভারী ভারী কথা শিখে কইত্থিকা? আম্রা বুড়া হইয়া যাইতেছি, তারপরো এত গভীর ভাবে ভাবিনা। নাহ্ এই জেপন আর রাইখা কি হপে???
সেটাই! দুইদিনের দুনিয়া, কি আছে জেপনে!
আপ্নার লেখার হাত ও চিন্তার ব্যাপকতায় মুগ্ধ!
এই কমেন্টে কিছু বলার মত ভাষা আমার জানা নাই।
বেশ গোছানো লেখা।
জীবন নিয়ে অনেক ভাবেন আপনি !
ভাল থাকুন।
পড়া ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আপনিও ভাল থাকুন।
এই লেখাটা কেন এত ভাল লাগলো বুঝলামনা। খুবই বিরক্তি লাগে এরকম সময়ে।
হাঃ হাঃ
ভাল লাগলো আপনার কমেন্ট। ভাল থাকুন।
দারুন লেখা। জীবন এখন অনেক ব্যস্ত ভাববার সময় অনেক কম, কিন্তু এ লেখাটি পড়ে কিছুক্ষণ গভীর এক ভাবনায় ডুবে ছিলাম। লেখককে
। ভালো থাকবেন। 
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনার চমৎকার মন্তব্যের জন্য। ভাল থাকুন।
ইশশশশ
তোমার হাতটা আমারে দিবা?
এইটাই আসল কথা
বেশ গোছানো লেখা।
হ! আমিও বেশ অবাক হইছি লেখা শেষ হবার পর!
সব পালটে যাক, সময়ের সাথে এই আমিটাও, কিন্তু চেষ্টা করা উচিত, নিজের জন্যেই না হয় মন আর হুশের সমন্বয়ে যে 'মানুষ' গড়ে উঠে তাতে যেন বিকৃতি না আসে, নিজের কাছে ছোট হবার চেয়ে কদর্য, বিশ্রি কি আদৌ কিছু আছে?
মনে হয় না!
তবে আমি কিন্তু এই আমি কে নিয়েই আমার মত থাকার পক্ষপাতি!
আপ্নে না বললে হয়তো এই কথাগুলা কখনই লেখা হত না।
আপ্নের জন্য ইস্পিশাল গিফট, এই যে নেন!
মন্তব্য করুন