প্রকৃত ধর্ম অবমাননাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।
পবিত্র কাবা শরীফের গিলাফ একটি বস্ত্রখন্ড যা দিয়ে কাবা শরীফকে আচ্ছাদিত করে রাখা হয়। বর্তমানে গিলাফ কালো রেশমী কাপড় নির্মিত, যার ওপর স্বর্ণ দিয়ে লেখা থাকে "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলাল্লাহ", "আল্লাহু জাল্লে জালালুহু", "সুবহানাল্লাহু ওয়া বেহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আযিম" এবং "ইয়া হান্নান, ইয়া মান্নান"। ১৪ মিটার দীর্ঘ এবং ৯৫ সেমি প্রস্থ ৪১ খণ্ড বস্ত্রখণ্ড জোড়া দিয়ে গিলাফ তৈরি করা হয়। চার কোণায় সুরা ইখলাস স্বর্ণসূত্রে বৃত্তাকারে উৎকীর্ণ করা হয়।
পবিত্র কাবা শরীফের যে গিলাফে মহান আল্লাহ-রাব্বুল আল-আমিনের বাণী লেখা থাকে সেই লেখাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিকৃত করে উপস্থাপন করে, প্রচার করে, প্রকাশ করে ধর্মপ্রান মানুষকে যারা বিভ্রান্ত করে তারা কি ইসলামের অবমাননাকারী নয়? তারা কি পবিত্র কোরআন অবমাননাকারী নয়?
একজন মুসলমান হিসেবে আমি আমার ধর্মের অবমাননাকারী, পবিত্র কা’বা শরীফ অবমাননাকারী, পবিত্র কোরআন অবমাননাকারী তথাকথিত সাংবাদিক, মিথ্যুক, প্রতারক মাহমুদুর রহমানের কঠোর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই ।
আজকে নিজেকে মুসলমান দাবি করে যে বা যারা এই মিথ্যুক, প্রতারক, ইসলাম ধর্মের অবমাননাকারী, পবিত্র কা’বা শরীফের অবমাননাকারী, পবিত্র কোরআন অবমাননাকারী মাহমুদুর রহমানের মুক্তি দাবি করছেন তারা যে কতবড় ইসলাম প্রেমিক, কত বড় খোদা ভীড়ু তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা।
ব্যাক্তির আজ্ঞাবহ হয়ে বিবেকহীন অন্ধ রাজনীতি করলে তাদের কাছে ধর্ম কখনো বড় হয়না হবেনা। এর প্রমান বিএনপি নেতৃত্বাধীন তথাকথিত নামসর্বস্ব ১৮ দলীয় জোট ইসলাম অবমাননাকারী মাহমুদুর রহমানের মুক্তি দাবি। অথচ কি নির্লজ্য ভাবে তারা নিজেদেরকে ইসলামের রক্ষক হিসেবে পরিচয় দিয়ে শান্তির ধর্ম ইসলামকে নিজেদের স্বার্থে ব্যাবহার করে অশান্তি সৃষ্টি করে চলেছে।
আজকে যখন তথাকথিত হেফজতে (জামায়েতে) ইসলামের আলেমওলামারা স্বঘোষিত নাস্তিক বরবাদ মজহারকে নিয়ে ইসলাম রক্ষার মিছিল করে, বৈঠক করে, যখন বিশ্ববেহায়া, ব্যাভিচারকারী এরশাদের সাহায্য প্রার্থনা করে, যখন ইসলাম কায়েমের নামে প্রকাশ্য দিবালোকে একজন নারীর উপর মধ্যযুগীয় কায়দায় হামলা করে তখন আর বুঝতে বাকি থাকেনা তারা যে দাজ্জাল এর ভুমিকায় অবতীর্ন হয়েছে।
হেফজতে (জামায়েতে) ইসলাম যে ইসলাম রক্ষার নাম করে ৭১এর মানবতা বিরোধী ঘৃণ্য যুদ্বাপরাধীদের রক্ষায় তাদের তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে তা আজ পরিষ্কার। ধর্মকে ব্যাবহার করে তারা ফিতনা সৃষ্টি করে ধর্মপ্রান মানুষের ধর্মানুভুতি নিয়ে প্রতারনা, মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। দাজ্জালের কপালে কাফির লেখা থাকবে যা ঈমানদার মুমিন মুসলমান ছাড়া কেউ দেখতে পারবেনা। জামায়েত-শিবির কি সেই দাজ্জাল না? যেভাবে তারা হত্যায় মেতেছে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে এটাই তো দাজ্জালের কাজ, দাজ্জাল তো মিথ্যা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করবে, ফিতনা সৃষ্টি করবে জামাত-শিবির তো এই কাজটি করছে এখন।
তাদের অপকর্ম থেকে পবিত্র মসজিদও বাদ যায়নি। তারা পবিত্র মসজিদের ভেতরে আগুন দিয়ে জায়নামাজ পুড়িয়েছে, মসজিদের মেঝে ভেঙ্গেছে। গতকাল এই ধর্ম ব্যাবসায়ীরা মসজিদের মাইকে মিথ্যা গুজব উড়িয়ে চট্রগ্রামের ফটিকছড়িতে আওয়ামী লীগের হরতাল বিরোধী মিছিলে হামলা করে যে ন্যাক্কারজনক হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে তা কোন ধর্মপ্রান মুসলমানের কাজ হতে পারেনা। সময় এসেছে ইসলামের প্রকৃত অবমাননাকারী এই ভন্ডদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার। ইসলাম অবমাননাকারী, পবিত্র কা’বা শরীফ অবমাননাকারী, পবিত্র কোরআন শরীফ অবমাননাকারী, ধর্মের অপব্যাখা করে ফিতনা সৃষ্টিকারী এইসব ধর্মবিরোধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
জয়বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।





মন্তব্য করুন