চৈতন্যের ছায়া-প্রচ্ছায়া
একটু বুঝতে শেখার পর থেকেই আবিষ্কার করি মনের মধ্যে চরম অবাধ্য আর ঘাউড়া এক কাঠ ঠোকরার বসবাস। হের কোন কাম নাই, কাজ নাই, খালি সময়ে-অসময়ে আজাইরা সব বিষয় নিয়া ঠোকরাইতে থাকে। হেরে দানা-পানি দিলেও ঠাণ্ডা হয়না, ধুনফুন বুঝাইয়াও শান্ত করন যায়না, সরল-গরল-তরল সব কিসিমের প্রশ্ন জিগাইয়া, দায়-দায়িত্ব মনে করাইয়া বেকায়দায় ফালাইয়া দেয়। আমি কই বাপধন অফ যা, শান্তিতে একটু ঘুমাইতে দে, আরে কে শোনে কার কথা!
চিলির রাজধানী সান্টিয়াগো গেছিলাম ২০০৪ সালে। তাইওয়ান থেকে হংকং, হংকং থেকে জোহানেসবার্গ... কেপটাউন...বুয়েনেস আইরেস হইয়া সান্টিয়াগো। সাউথ আফ্রিকা আর সাউথ আম্রিকা মিলাইয়া আড়াই সপ্তাহের এক জমজমাট সফর। কতো মজার ঘটনা, নতুন অভিজ্ঞতা এক যাত্রাতেই। বহুদিন যাবৎ ভাবতেছিলাম সেই কাচা-পাকা সিন-সিনারিগুলান নিয়ে কিছু একটা লিখুম। লেখি লেখলাম কইরা আর লেখা হয়না। সেইদিন অনেকটা জোর কইরাই নিজেরে কম্পুর সামনে বসাইয়া দিলাম। হঠাৎ কী ভাইবা ইন্টারনেটের জানালা খুলতেই দেখি চিলিতে ভূমিকম্পের খবর।
দেখি অল্পদিনেই চিন-পরিচয় কইরা নেয়া সান্টিয়াগো শহরে ভূমিকম্পের ধ্বংসলীলা। চেনা এয়ারপোর্ট, চেনা পথঘাট, শপিং সেন্টার, সিনামা হল, উচা উচা কারবারী দালানকোঠা—ভুইলা যাইতে বসা অনেক কিছুই মনে পইড়া গেল সেই ধাক্কায়। ঐ দেশের ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী ভূমিকম্প। কিছুদিন আগেই হাইতিতে এর চেয়েও কম মাত্রার ভুমিকম্পে মারা গেলে লাখ লাখ মানুষ, পুরা দেশটা চোখের নিমেষ ধ্বংসস্তুপের চেহারা নিল। ডরে ডরে জান-মালের ক্ষয়ক্ষতির হিসাবের দিকে তাকাইলাম। দেখি , নাঃ তেমন বেশি লোকজন মরে নাই। লেখালেখির শিকায় উঠাইয়া ঘুমাইতে গেলাম, এই সময় আনন্দময় ভ্রমণকাহিনী পিটাইলেও মাথা থিকা নামবোনা। আর মনে অশান্তি, দুশ্চিন্তা ইত্যাদি নিয়া লেখার এলেম আমার এখনও জানা হয় নাই।
কিন্তু হারামজাদা কাঠঠোকরা ঘুমাইতে দিলে তো। ঠাস কইরা ঠোক্কর দিয়া জিগায়—কী মিয়া চক্ষু মুইঞ্জা থাকলেই কী দুনিয়া চলে চমৎকার? একবারও ভাবলানা এর থিকা কম মাত্রার কাঁপাকাঁপিতে হাইতি তামা হইয়া গেল, কাউলা মানুষগুলা সব পথে বইসা গেল, কিন্তু সেই হিসাবে চিলির ক্ষয়-ক্ষতি এত কম ক্যান?
আমি কই, অফ যা কাউঠা কোথাকার, চিলিতে দেখছি দালান কোঠা সব শক্ত পোক্ত কইরা বানানো। বড় শহরের প্রতিডা আবাসিক, বানিজ্যিক দালানেই বাধ্যতামূলক ভূমিকম্প প্রতিরোধক ফাউন্ডেশন থাকন লাগে। এই জন্যই ক্ষয়ক্ষতি কম হইসে। আর কম হইসে তো ভালো হইসে, মানুষ মরলে তাতে কার কী লাভ?
কাউঠা তবুও ঠোকরানি থামায়না, কড়া মতোন একতা ঠোক্কর দিয়া জিগায়—তাইলে হাইতিওয়ালারা তাগো দালান-কোঠার তলে সেরম ভিত্তি দিলনা ক্যান?
ঘুমে চোখ বুইজা আসে, তবুও জবাব দেই—আরে হাইতির লোকেরা পান্তা খাইতে নুন পায়না, হেরা দালানের তলে এত্ত মজবুত ভিত্তি দেওনের পাত্তি পাইবো কই?
বেয়াদব কাঠঠোকরার প্রশ্নের তবুও কূলকিনারা হয়না। কয়- আইচ্ছা আর একটা কথা জিগামু, এইটার জবাব দিলেই আমি অফ যামু, আপ্নেও শান্তিতে ঘুম দিতারবেন।
চরম বিরক্ত স্বরে কই, জিগা দেহি কী জিগাবি।
-আইচ্ছা কন দেহি, এককালে ক্যারিবিয়ান সাগরে অন্যতম ধনী দেশ আছিল হাইতি। আজকে হেগো অবস্থা এমুন ফকিন্নীর পুতেগো মতোন ক্যান? আর ত্রিশ চল্লিশ বছর আগেও চিলির হালত খুব খারাপ আছিল, হেরা কেমতে তর তর কইরা এত উন্নত হইয়া গেল, ক্যামনে তারা দক্ষিন আম্রিকার সবচে চাল্লু অর্থনীতি আইজকা।
দড়াম করে উইঠা বসি। হারামজাদা এমন মাইনকা চিপায় ফালাইসে, এখন এই কথার জবাব দিলেও ঘুম হইবোনা, না দিলেও না। বারিন্দায় গিয়ে একটা বিড়ি ধরাই। আসমানে জ্বলজ্বল করে হাজার হাজার তারা, নীচে কোটি কোটি ভুখা মানুষ, নাঙ্গা মানুষ, গলায় বেড়ি পড়ানো গোলামের ঘরের গোলাম সব—এই ঘোর আধুনিক কালেও।
হাইতির অপরাধ তারা দাসত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করছিল, দখলদার ফরাসীগোরে লাত্থি দিয়া বাইর কইরা দিসিলো নিজেগো দেশ থিকা । পৃথিবীর প্রথম কাউলা দাসগো মুক্ত দেশ হইলো হাইতি। তারা আর গোলামী করতে চায় নাই, আর সাদাগো নির্বিচার গুল্লি-চাক্কুর আঘাতে মরতে চায় নাই, সকাল বিকাল লাত্থি-গুতা খাইয়া বাচতে চায় নাই, তাদের মা বইনদের ইউরোপিয়ানগো যখন ইচ্ছা ভোগের বস্তু হইতে দিতে চায় নাই, তারা একটা স্বাভাবিক জীবন চাইছিল, স্বাধীনভাবে বাচতে চাইছিল—কত্ত বড় সাহস গোলামের বাচ্চাগো! সেই গুনাহের কারণে আম্রিকা আর ফ্রান্স মিলা তাগো ঘাট-বন্দর, ব্যবসা-বানিজ্য সব বন্ধ কইরা দিল। পরে নেপোলিয়ন হালারপো হাজার হাজার সৈন্য পাঠাইয়া বিপ্লবী নেতার বাইন্ধা নিয়া আইলো ফ্রান্সে। সেইখানে জেলখানায় তারে না খাওয়াইয়া তিলে তিলে মারলো। আর খোদার বিরুদ্ধে খোদকারী করার শাস্তি হিসাবে হাইতির গলায় ঝুলাইয়া দিল বিশাল এক জরিমানা। আইজকার হিসাবে প্রায় দুই হাজার কোটি ডলার। গোলামের গুষ্টি এত্ত টাকা পাইবো কই? এদিকে না মানলেও তাগো জান চলেনা, তাই বাধ্য হইয়া দাসখত লেইখা দিল। কিস্তিতে শোধ করব ঔপনেশিক প্রভুগো বিরুদ্ধে যাওয়ার জরিমানা। হায়রে, সেই দেনা শোধ করতে হেগো ১২২ বছর লাইগা গেলো। হাইতি আর কোনদিন মাজা শক্ত কইরা খাড়াইতে পারলোনা। সাইড ইফেক্ট হিসাবে হেগো সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি, অরাজকতা, লোভ-লালসা, রোগ-বালাই আরও কতো কী হান্দাইয়া গেল। কোন আক্কেলে যে তারা নিজেগোরে মানুষ ভাবার মতো একটা ভুদাই ভাবনারে আশ্রয় দিছিল?
ওদিকে ৭০ এর দশকে চিলিতে বামপন্থীগো উত্থান দেইখা আম্রিকার ডাইরিয়া শুরু হইয়া গেল। তারা প্রথমে নানা ছলে বলে চিলির অর্থনীতিতে মন্দা লাগাইলো, তারপর সি আই এর ডাইরেক্ট ব্যাকিং এ হারামখোর উর্দিওয়ালা পিনোশে একটা নির্বাচিত, জনগণের প্রতিনিধি সরকাররে উৎখাত করলো । আম পাব্লিকের পছন্দের নেতা আলেন্দেরে মাইরা ফালাইয়া তার লাশের উপ্রে আত্মহত্যার অপবাদ লাগাইয়া দিল। হারামীপনার এই মাত্র শুরু। পরের পনের-বিশ বছরের ইতিহাস চিলিতে আম্রিকান সামাজ্য পত্তনের ইতিহাস। স্বৈরাচারী পিনোশে সারা দেশে যত বিরোধী লোক পাইলো সবাইরে ধইরা জেলে ঢুকাইলো, অত্যাচার করলো, যারা ভাঙবো কিন্তু মচকাইবোনা এমন হাজার হাজার মানুষরে জানে মারলো। আড়ালে বইসা কলকাঠি নাড়লো শাদা দালানের আব্বারা। গরু মাইরা জুতা দানের মতো তার বদলায় তারা চিলিরে টেকা দিল, প্রযুক্তি দিল, বানিজ্যের দুয়ার খুইলা দিল, দালান কোঠা, মিল ফ্যাক্টরী বানাইয়া দিল। টাকা। বানিজ্য লক্ষী। পুজির পুঁজ। মিছামিছি ভালো থাকা। মানুষ কালে কালে অনেক কিছুই ভুইলা গেল, ভুললোনা শুধু স্বজন হারানো পরিবারগুলান। ভুললোনা চিলির মাটি, যার ভিত্রে সারি সারি লাশ, আর উপ্রে দগদগে ঘা, শুকনা রক্তের দাগ, তার উপ্রে আকাশ চুমানো বিরাট বিরাট দালান। নব্বই দশকের দুনিয়াব্যাপী বাউয়াগো ক্ষমতা কইমা আইলো, আম্রিকা চিলিরে তার মিস্ট্রেসগিরি থিকা রেহাই দিল। মানুষের জীবনে টেকা পয়সার দরকার আছে, কিন্তু নিজের আত্মা বিক্রি কইরা না, নিজের বাপ-ভাইয়ের গলায় ছুরি চালাইয়া না। উচ্ছিষ্টভোগী তাবেদারগো এই কথাগুলান কোনদিনই বুঝানো যায়না।
সব শুনশান ,ভাবলাম যাই গিয়া একটু ঘুমের অভিনয় করি। আমার তো আর কিছু বলার নাই, আর থাকলেও বা বইলা আর কী লাভ ? উঠতে যামু তখনই ঘাপটি মাইরা থাকা কাঠঠোকরা একটা রাম ঠোকর মাইরা ভিতরে একেবারে বেড়াছেড়া লাগাইয়া দিল। জিগায়...আচ্ছ কন দেহি এমন একটা ভূমিকম্প ঢাকা শহরে আঘাত করলে কী অবস্থা হইব? কত মানুষ মরব? কত ঘরবাড়ী, দালান কোঠা, মিল ফ্যাক্টরী ধ্বংস হইব? এই আঘাতের পর কোমর সোজা কইরা দেশটার খাড়াইতে কতযূগ সময় লাগবো? আপ্নেগো কী এই বিষয়ে কোন পূর্বপ্রস্তুতি আছে? পরিকল্পনা আছে? চিন্তা-ভাবনা আছে? আমি বলার মতো কিছু খুঁজে পাইনা। কাঠঠোকরা ঠুকরে ঠুকরে আমাকে রক্তাক্ত করে। আমি বসে বসে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে রক্তাক্ত হই।





রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গী আলা লেখালেখিতে যেইরম ভাষাভঙ্গী দরকার সেইটার খোঁজে আছিলাম সবসময়, এই লেখা পইড়া মনে হইলো আমার রাজনৈতিক লেখালেখি বন্ধ কইরা দেওন দরকার। ক্ষোভ আর চিন্তা প্রকাশের লেইগা এর চাইতে ভালো প্রকাশভঙ্গী আর কি হইতে পারে!?
হাইতির মতোন কিউবাও আমেরিকার কোপানলে আছে সেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী কাল থেইকাই...সেই কোপানলের লগে প্রচার মাধ্যমের অসহযোগিতা যে কতোটা প্রতিক্রিয়া তৈরী করতে পারে তাতো দেখতেছি...
অনেক সমকালীন আর প্রয়োজনীয় লেখা মামুন...ঢাকায় ৮.৮ রিখটার স্কেলের কাঁপুনি আইলে মিনিট পাঁচেক লাগেত পারে মনে হয় সব কিছু গুড়াইয়া ওয়ালি'র শহরে পরিনত হইতে...
ভাস্করদা আপ্নে লেখালেখি বন্ধ করবেন কোন দুঃখে? তারচেয়ে চলেন দুজনে মিলেমিশেই সমকালীন রাজনীতি নিয়া কিছু লিখি। আর কিছু না হোক সাময়িক ভারমুক্তির স্বাদটাতো পাওয়া যাবে।
কিউবা নিয়ে লেখুম একদিন, চিন্তা ভাবনা করতেছি।
ঢাকার কথা মনে হলে আত্মা শুকায়ে যায়, সবাইতো ঐ পোড়া শহরেই থাকে।
হাইতিয়ানদের সাহস এর প্রশংসা না করে পারা যাবে না!
হ, লাল সালাম ঐসব তেজী মানুষদের।
অসাধারন।
শরম পাইলাম।
দারুণ পোস্ট ।
।
ধন্যবাদ ভাই।
ভালো লাগলো; হাইতি এবং চিলির ইতিহাস জানিনা, সেই ইতিহাস নিয়া একটা পোস্ট দিলে খারাপ হয় না
ইতিহাস আমিও তেমন ভালো জানিনা। টুকটাক যা জানি সে নিয়েই লিখব আরেকদিন। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ
ঘাউড়া কাঠ থোকরা আরো একটু বেশী ঠোকাঠুকি করুক; এরকম আরো সুখপাঠ্য কিছু লেখা আসুক!
ঘাউড়া কাঠ ঠোকরা আরো একটু বেশী ঠোকাঠুকি করুক; এরকম আরো সুখপাঠ্য কিছু লেখা আসুক!
তোমারে তো ধন্যবাদ দেয়া মানা, তাই আপাতত আর কিছু কইলাম না
কাঠঠোকরার ঠুকরানি তো বেশ কাজের
কিছু সম্পুরক তথ্য
১৯৬০ সালে চিলিতে এবারের মতোই কাছাকাছি মাত্রার বিশাল ভূমিকম্প হয়েছিলো, সেবারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিলো আরো বেশী ... ৮০ এর দশকের শুরু থেকে (ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হলো, এটা পিনোশের আমল) এরা বিল্ডিং কোড খুব কড়া করে ফেলে, ভূমিকম্প সহনীয়তার মাত্রা একটা লেভেলের উপরে না হলে বিল্ডিং বানানো নিষেধ ছিলো ... একই সাথে ভূমিকম্প-সহনশীলতার প্রযুক্তি আমদানী (জাপানের সাথে বেশ বড়সড় কিছু প্রজেক্ট ছিলো, হয়তো এখনও আছে)। ভূমিকম্পের চেয়েও বেশী প্রাণহানি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ৎসুনামীতে।
সেহিসেবে খুনী পিনোশেকে হয়তো এবারের ভূমিকম্পে কম ক্ষয়ক্ষতির জন্য চিলিবাসী কিছুটা হলেও ক্ষমা করবে। ;)
প্রসঙ্গক্রমে বলছি, আমার মনে হয়, সমাজতন্ত্রের দ্বিতীয় উত্থান হবে ল্যাটিন বেল্টকে ঘিরে, কিউবা, ভেনিজুয়েলা, বলিভিয়া, চিলি -- এদের হাত ধরেই হয়তো; সেটাও সোভিয়েত স্টাইলে মুখ থুবড়ে পড়বে কি পড়বেনা তা নির্ভর করবে সমাজতান্ত্রিক শুদ্ধতাবাদীদের সমালোচনা বা প্রতিক্রিয়ার সাপেক্ষে সহনশীলতার উপর
আজকের প্রথম আলোতে ফারুক ওয়াসিফের একটি লেখা আছে ... পড়ে কাছাকাছি অনুভূতি হলো
বাদশা ভাই, ঐটারেই আমি বলছিলাম গরু মেরে জুতা দান। চিলিয়ানদের বছরের পর বছর একনায়কতন্ত্রের ঘানি টানতে হইসে। মোসাহেবির পুরস্কার হিসেবে তারা পাইসে আমরিকান সাহায্য, প্রযুক্তি ইত্যাদি। আমি যেই দেশে আছি, তাইওয়ানেও একই দৃশ্য। সময় সুযোগ মিললে এখানকার রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের ঘটনাবলী নিয়েই লিখবো।
সাউথ আমেরিকা বিষয়ে আপনার সাথে আমি একমত। তবে ভেনেজুয়েলা, বলিভিয়ার আপার ক্লাসের লোকজন এখন থেকেই বেশ কঠোর সরকারবিরোধী অবস্থান নিয়ে বসে আছে। দেখা যাক কোথাকার পানি কোথায় গিয়ে গড়ায়।
ফারুক ভাইয়ের লেখাটার লিংক থাকলে দিয়েন, আমি খুঁজে পেলাম না।
http://eprothomalo.com/index.php?opt=view&page=12&date=2010-03-04
দুর্দান্ত, ফাটাফাটি, সেইরকম একটা লেখা।
সশ্রদ্ধ ধন্যবাদ ভাইজান ।
অসাধারন ...
অসংখ্য ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন
অসাধারন ...
ধন্যবাদ অমি
অসাধারণ একটা লেখা। দারুণ।
বছর দশেক আগে বিশ্বব্যাংক চিলির লোকজন বাংলাদেশে নিয়া আসছিল। চিলির অভিজ্ঞতা শিখাইতে। বেসরকারিকরণের দিক দিয়া তারা নাকি নমস্য। বিশ্বব্যাংক বহুদিন চিলিরে বিক্রি করছে এখানে। সেইটা মনে পড়লো।
আলেন্দের মৃত্যুর পরের ঘটনার উপর একটি সিনেমা আছে, মিসিং, দেখছেন?
ভাই, আপনার মন্তব্যের জবাবে বিরাট একটা প্রতিমন্তব্য লিখছিলাম। এখন দেখি নাই হয়ে গেল।
যাই হোক বলতে চাইছিলাম যে, বেসরকারীকরণ না কচু, চিলিতে সব তুলে দেয়া হয়েছে পুজিপতিদের হাতে। মনোপলির মতো করে। রাজনীতির মতো ব্যবসাকেও কঠিন করা হয়েছে সাধারণ মানুষদের জন্য। ট্রেড ইউনিয়নের অনুমতি ছিলনা বহুবছর। সব ধরনের লাভজনক ব্যবসাই গুটিকয়েক কর্পোরেটের হাতে বন্দী। নিজের দেখা অভিজ্ঞতা থেকে বলছি।
গরীব মানুষের ভালো-মন্দ নিয়ে বিশ্ব ব্যাংকের কোন মাথাব্যথা নেই। কিন্তু ঠিকই আসে আমাদের কাছে রদ্দি মাল গছিয়ে দিতে, আউল ফাউল বুঝাইতে, মাদবরী করতে।
অসাধারণ লেখছেন।
সরাসরি প্রিয়তে গিয়া স্থান করল।
অনেক ধন্যবাদ সোহেল ভাই।
এইডার মানে কী গো আফা?
"গুরু মানলাম"
বস... দূর্দান্ত হৈছে
ধন্যবাদ টুটুল ভাই
চরম লেখা। আরো আসুক এরকম লেখা। পড়ে পড়ে শিখি, জানি।
পাগলে কামড়াইছে এমন লেখা আরও লিখুম? ভূমিকম্প নিয়া লেখার পরদিনই আমাগো তাইওয়ান কাঁপাইয়া দিল ভূমিকম্পে। সামনে শুধু শান্ত-শিষ্ট বিষয় নিয়া লেখার ইচ্ছা
হে হে হে!!!

লেখেন লেখেন.. তাইলেই তো মামণিগুলা কান্না-কাটি থামায়ে নিজে নিজে ঘুমায়ে যাবে!!!
অসাধারণ, অসাধারণ!
প্রিয়তে নিয়া রাখলাম।
ও মামুন ভাই, আমার অন্যতম গুরুদেব, ফাডায়লাইছেন গো, অনেকদিন ধইরা এইখানে লেখা দিমু ভাবতেছি, কিন্তু দেওয়া হইতেছে না, এইবার কোমর বাইন্ধা একটা লেখা দেওন লাগব।
ভালো লাগল।
কাঠঠোকরা ঠুকরে ঠুকরে আমাকে রক্তাক্ত করে। আমি বসে বসে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে
রক্তাক্ত হই।
কথাটা যতোবার মনে পড়ে নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে হাত পা কাঁপতে থাকে
মন্তব্য করুন