তটিনী / মুহাম্মাদ আমানুল্লাহ
তটিনী কিশোরী রাঙ্গা- করে বার বার ভুল,
ভাঙ্গে কুল- রাখে এলোমেলো খোলা চুল,
টিকালো নাকের 'পরে জ্বেলেছে মুক্তোর দীপ –শ্বেত নাকফুল।
তটিনী মানেনা ব্যাকরণ -শুধু অকারণ কবিতা ও কথা লিখে-
চিকন সুচারু দেহ সুপুরি গাছের মতো একেবারে লিকলিকে।
তটিনী মেলছে ডানা হৃদয়ে বাঁধছে দানা রমণের বিষ,
উড়ু উড়ু মন যখন তখন বাজে মুঠোফোন অহর্নিশ।
সাজছে প্রথম নারী- তটিনী পরছে শাড়ি, বাড়ি বাড়ি পই পই করে ফিরে,
রঙের বারতা মেখে ছুটছে সে এঁকেবেঁকে নোঙর বসাবে বুঝি শবরের তীরে।
তটিনী উতলা বেশ - খুলছে হৃদয়দেশ, যাদুর সকল জানালা কপাট-
জাতমান ভুলে চড়বে রতির শূলে তালিম নেবে সে প্রেম-প্রণয়ের পাঠ।
২১.০৩.২০১২ইং
চট্টগ্রাম।





সুন্দর
কোন বিশেষ শব্দ,শব্দদযুগল ও পংক্তি ভাল বা খারাপ লাগলে বলুন। আপনার মতামতের জন্য ধন্যবাদ।
এটা কি আঙ্গুলের ছাপ?
বিকল্প স্বাক্ষর বা অটোগ্রাফ-বুঝিনি।
সরলভাবে সোজা কথায় বললেও এই অবোধের বুঝতে সময় লাগে,কষ্ট হয়।
এমন বিপদে আগে পড়িনি তো।
ভালো থাকুন।
মন্তব্য করুন