চলো হাতে হাত রেখে..
এবারের নির্বাচনে বিজয়ী-বিজিত নির্ধারণে একটা বড় নিয়ামক ছিল যুদ্ধাপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি হিসেবে পরিচিত আওয়ামী লীগ এই ব্যাপারটাকে পুঁজি করে তরুণ প্রজন্মের অধিকাংশের ভোটে নির্বাচিত হয়। কিন্তু, এখন অবস্থাদৃষ্টে যা দেখা যাচ্ছে, তাতে সরকার নিজের ঘর সামলাতে ব্যস্ত। আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠনকে সামলাতে গিয়েই নিজেদের হিমসিম খাওয়ার মত অবস্থা। তার উপর বিরোধী দলের সরকার বিরোধী আন্দোলন, সাথে পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা ইদানীংকার অভিযোগ, সব মিলিয়ে সরকার কিছুটা ব্যাকফুটে!!
সবদিক সামলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কবে শুরু হবে, সেটার কোন ইংগিত পাওয়া যাচ্ছে না। তার চাইতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ঠেকানোর পরিকল্পনা বরঞ্চ ভালো। নিজেদের অবস্থান প্রশ্নবোধক হওয়ায়, দেশের বাইরে নিজেরা আর দেশের ভেতরে নির্বাচনী সহযোদ্ধা বি.এন.পি.'র কাঁধে সওয়ার হওয়ার একটা প্রচেষ্টা। সরকারের সদিচ্ছা থাকলেও দেশের বাইরের চাপ সামলে কতদিনে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে সেটা দেখার বিষয়।
তাই, এখন সরকার যেন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রসঙ্গ ভুলে না যায়, বরং ব্যাপারটা যেন আরো ত্বরান্বিত হয়, সেজন্যে সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম আগামীকাল শনিবার(১০/৭/২০১০) ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটের সামনে বেলা ১১টা থেকে ১২টা ১ ঘন্টার একটি মানব-বন্ধনের আয়োজন করেছে। মানববন্ধনটি ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ পর্যন্ত বিস্তৃত হবে।
সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের অর্গানাইজিং সেক্ট্রেটারি মেজর জেনারেল(অব:) এম. মাসুদুর রহমান বলেন, "একটি দুষ্টচক্র রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে ঘোলাটে করে বিচার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্থ করতে চেষ্টা করছে।" কাজেই, সাধারণ জনগণের কাছে তার আহ্বান, "সবাই মিলে ঐ দুষ্টচক্রকে প্রতিহত করতে মানব-বন্ধনে অংশ নিন।"
আমার[আইডিয়া মূলত: রোহান ভাই'র, আমি বাহক মাত্র] প্রস্তাব, "আমরা বন্ধু" ব্যানারে যদি আমরা অংশ নেই, সেক্ষেত্রে কেমন হয়? ১ ঘন্টার একটি মানববন্ধনে একটু চেষ্টা করলেই অংশ নেওয়া যায়। শনিবার অনেকেরই বন্ধের দিন। একটু সময় করে, যারা ঢাকায় আছেন, তাদের অংশ নেবার অনুরোধ।
মানববন্ধন সফল হোক। চলো সবাই হাতে হাত রেখে, বিচারের দাবি তুলি উচ্চকন্ঠে...
সূত্র: ডেইলি স্টারে প্রকাশিত সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের সংবাদ সম্মেলন নিয়ে মূল প্রতিবেদন।
আগ্রহীরা রোহান ভাই'র সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। 





একাত্মতা ঘোষণা করলাম। দেখা হবে রাজপথে
ধন্যবাদ ভাইয়া। সবাইকে জানিয়ে দিন। সফল হোক মানববন্ধন।
চমৎকার আইডিয়া ... সমর্থন জানাই
দেড় বছরের বেশী হয়ে গেছে ... এখন আসলেই সরকারকে চাপ প্রয়োগের সময় চলে এসেছে ... জনগণের পক্ষ থেকে সিরিয়াস চাপ প্রয়োগ না হলে ইঁদুর-বিড়াল খেলাই চলবে
সেটাই ভাইয়া। অনেক দিন হয়ে গেছে, তেমন কোন সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছে না।
সেক্টর কমান্ডার্সদের পদক্ষেপ সময়োপযোগী।
সফল হোক মানববন্ধন।
আজকে আমাদের সময়তে দেখলাম আইন মন্ত্রী বলেছেন, এ সরকারের আমলেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে। আর খবরে পড়লাম, প্রচুর ইন্টোরেগশন করা হচ্ছে ত্রিরত্নকে এই নিয়ে। আশায় বুক বেধে আছি।
সাথে থাকবো।
সবাই মিলে আশা করি, সফল হবে সরকার।
সাথে থাকার অঙ্গিকার করায় ধন্যবাদ আপু।
মুক্ত'র প্রস্তাব চমৎকার। সমর্থন জানাচ্ছি।
ধন্যবাদ ভাইয়া।
দেশে আছেন?? থাকলে কাল রাজপথে থাকার আমন্ত্রণ রইল।
২০০৮ সালের নির্বাচনে ভোট দেইনি কিন্তু সেই সময় এই ইস্যুটাকে সমর্থন দিয়েছিলাম।আজও সমর্থন দিলাম এই আয়োজন।
সফল হোক মানববন্ধন।
সমর্থন দিলাম এই আয়োজন।
সফল হোক মানববন্ধন।
dhoinya, vaiya...
আরও ফটুক আছে, সময় কইরা দিমুনে...
chipa diya "inu saheb"-k dekha jay mone hoy..

দেরিতে চোখে পড়লো পোস্টটা। সময়ের দাবী, অনিবার্য দাবী, এবির ব্যানারে হতেই পারে।
অ:ট:
১. রোহানকে পোস্টের আইডিয়া আর ছবির জন্য বিশেষ ধন্যবাদ। তাকে দেখা যায় না ম্যালাদিন। তার পিচ্চিটার খবর কী?
২. মুক্ত কি চিটাগাঙ আসবা সহসা? ১৭ তারিখ (শনিবার) বিকালবেলা বীর চট্টলার সংগ্রামী জনতা কিঞ্চিত আড্ডাইতে চায়
হাজিরা দিয়া গেলাম নুশেরাপু... ব্লগিং ছাইড়া দিছি প্রায়... তাই দেখেন কম
পিচ্চি মহা বান্দর হইছে.... নিজেও সারদিন দৌড়ের উপ্রে আছে আর সাথে সাথে বাসার সবাইরে দৌড়ের উপ্রে রাখছে... 
sorry apu, net-r baire. kaje-e bangla nai, uttor dite late.

chottola-basi addaite chai, r, ami thakbo na!!! eita kemne hoy?? obossoi chole asbo.
saturday-te dekha hobe.
kin2 kothay?? r, koytay??
আমিও এটা দেরিতে পড়লাম।
osubidha nai, vaiya.

agamite sathe thakun.
তাড়াতাড়ি মেইল দাও আমাকে। নইলে টুটুলদাকে জিজ্ঞেস করো। আমি উনাকে জানিয়ে রাখছি এখনই। ব্লগে বলছি না কারণ ষাঁড়ভাঁড় বা তাদের চামচা কিছিমের কারো উপস্থিতি কাম্য নয়।
সত্যিই যদি আসো তো চট্টগ্রামে থাকে, তোমার এমন পরিচিত ব্লগারদের নিয়ে এসো।
মন্তব্য করুন