রুটি ও রবীন্দ্রনাথ -

রবীন্দ্রনাথকে চিনতে হলে আমাদের রুটি সেঁকতে হবে... আমাদের আটার দলা মাখতে হবে... বর্ষার অমোঘ মেঘে ঝরা প্রথম বৃষ্টির পানিতে ভাজতে হবে... রুটি!
হ্যাঁ... কবিগুরুও রুটি ভেজেছেন... না বউকে খুশি করতে বা তার রাগ দমাতে নয়, ভেজেছেন জীবনকে জানতে... রুটির ফুটো দিয়ে চেষ্টা করেছেন বিশ্বকে দেখতে...
আজ জোছনা রাতে সবাই গেছে বনে...
কবিগুরুর এই অদম্য ইচ্ছের মূলেও রুটি...
শুধু বিশ্ব লয়ে নয়... কবিগুরু খেলেছেন রুটি লয়েও...
তবে রুটিকে আমরা যেভাবে চিনি, বা যেভাবে চিনতে চাই, কবিগুরু কখনোই চাননি সেভাবে রুটিকে আমাদের সামনে তুলে ধরতে। অবশ্যই! তাহলে আর বিশ্বকবি আলাদা হলেন কিভাবে। রুটিকে রবীন্দ্রনাথ ভেলা বানিয়েছেন। না ভেলা নয়! সোনার তরী!
অনেকেই জানেন না, কিন্তু সোনার তরী লেখার প্রেরণা কবিগুরু পেয়েছিলেন রুটির আটায় বেজে থাকা এক টুকরো কঙ্কর থেকে...
... দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে...
বিশ্বকবির কাছে রুটি শাশ্বত, স্বমহিমায় উজ্জল... তুলতুলে। আর পাঠককূলের কাছে? অমৃত। ঠিক যেনো সুইসের ব্রেড। আচ্ছা কি রুটি খেতেন বিশ্বকবি। কিইবা ছিলো তার ধরণ? আর কি ছিলো সে রুটির উপকরণ। এ সবই আমরা জানবো... তবে ধীরে ধীরে...





আগে নাফিসকে স্বাগত জানাই
তারপর অন্যকথা।
হাহাহাহ। পুরা নাফিসীয় লেখা বটে
সেদিন ভাবছিলাম, আমাদের সেরকম কোনো টেকি পোস্ট দেবার মানুষ নেই। যাক্ সে আক্ষেপ দূর হয়েছে আপনাকে দেখে।
ওয়েলকাম টু এবি ব্রো, উইশ টু সী ইয়' ইন ফুল সু্ইং।
রুটির ওপর রবীন্দ্রনাথের ছবি
দাড়ি দারুন এঁকেছেন
এর বেশি কিছু বুঝি নাই তবে বোঝার অপেক্ষায় আছি
স্বাগতম এবিতে
ওরে নাফিস যে....
শুভেচ্ছা স্বাগতম
এবিতে স্বাগতম নাফিস ভাই
এবিতে স্বাগতম আপনাকে।
রুটি দেখে ক্ষুধা বেড়ে গেলো, রুটি ডাল টা পেলে সকালের নাস্তাটা খাওয়া হয়ে যেতো। 
রুটির উপরে এত সুন্দর ছবিটা আঁকলেন কেম্নে?
আরে নাফিস ব্রাদার যে? আমার অত্যন্ত পছন্দের ব্লগার। স্বাগতম। স্বাগতম। আবার কই স্বাগতম।
ছবিটা মারাত্বক।
স্বাগতম নাফিস ভাই কে ।
আমরা বন্ধু'তে স্বাগতম নাফিস...
স্বাগতম ও শুভেচ্ছা।
আপনি!
ওরেরে ............
মন্তব্য করুন