কথা না রাখলেও যদি ভালো থাকা যায় তাইলে রাখার দরকার কি?
আগেই বলে দেই বিশাল বড় শিরোনামের রহস্য, পোষ্টে আসলে কিছু নেই, স্রেফ হাতের লেখার প্র্যাক্টিস করি। সোলায়মানলিপিতে হাতের লেখা ভালো হয়।
তো পোষ্টের শিরোনাম দেখে বুঝা যায় এই পোষ্টে প্রতিজ্ঞা না রাখা বিষয়ক হতাশা বিষয়ে আলোচনা হবে। এই প্রতিজ্ঞা করা ও ভাংগা বিষয়ে অনেক কবিতা (কেউ কথা রাখেনি: সুনীল কাকাবাবু), গান (মনে পড়তেছে না), নাটক (মনে পড়তেছে না), গল্প (মনে পড়তেছে না), উপন্যাস (মনে পড়তেছে না), চিঠি (না বলি) লেখা হয়েছে। তবে প্রতিজ্ঞা করা যেহেতু থেমে নেই, তাই প্রতিজ্ঞা ভাংগা বা বেমালুম ভুলে যাওয়াও থেমে নেই। সো এই বিষয়ে আলাপ করা অর্থহীন।
বাবা-মা রাখেনা সন্তানকে দেয়া প্রতিজ্ঞা, "তুমি আরেক লোকমা ভাত খেলে ঐটা কিনে দেবো.." রাখা হয় না, কারন তাতে প্রতি লোকমার দাম বেড়ে যাবে। আরও লেখা যায় এই নিয়ে, ভাই-বোন, প্রেমিক-প্রেমিকা, জামাই-শ্বশুর এর মধ্যকার প্রতিজ্ঞা না রাখা বিষয়ে। কিন্তু টারগেট কম পরিশ্রমে একটা পোষ্ট নামানো। সো এই প্যারা এখানেই শেষ।
যদি মনে করে থাকেন এই লেখাটারে টনে হিচড়ে রাজনীতির দিকে নিয়ে যাবো তাইলে ভুল। কারন রাজনীতির দিকে যাওয়া মাত্র এইটা একটা বড় লেখা হয়ে যাবে, শেষ না হওয়ারও সম্ভাবনা আছে। আমার হাতে সময় কম। রাজনীতি করবে আর এই নিয়ে কথা বলবে যাদের হাতে সময় অনেক। আমরা শুধু ভোটকেন্দ্রে ৫ বছর পর পর যাবো ইনশাল্লাহ। আল্লাহর অশেষ কুদরতে দেশটা ঠিকই চলবে। আর যেই ধারায় চলতেছে, ইনশাল্লাহ সেই ধারাতেই চলবে। কারন চেন্জ হওয়ার কোন এলিমেন্ট চোখে পড়তেছে না। শেষ ভরসা ইমাম মাহদি, উনি এসে এখচোখা দাজ্জালের বিরুদ্ধে জেহাদ করে একটা সুখের রাজত্ব স্থাপন করবেন, সেই আশাতেই দিন গুনি। এইখানেই রাজনীতি শেষ।
বাজেট আসতেছে, সব কিছুর দাম আরেকদফা অযথতাই বাড়বে, আরও আছে সামনে রোজা। এই বাড়াবাড়িটঅ কেমনে কেমনে যেন আমরা সব মেনে নেবো। আগামী বছর দেশে ফিরবো ইনশাল্লাহ। ফিরেই কিসের মধ্যে পড়ি সেইটা নিয়ে চিন্তায় এখনি মাথার চুল সাদা হচ্ছে। জানি লাভ নাই চিন্তা করে। যেটা সবার হবে সেটা আমারও হবে। ফি আমানিল্লাহ। সো এই আলাপও এইখানে শেষ।
বাকি থাকলো কি? তিন গোয়েন্দার কিশোরের মত ঠোটে চিমটি দিয়ে বের করলাম "বৃষ্টি সংখ্যা"। এরকমি তো নাম তাই না? ঐ যে রাসেল আশরাফ সাব পোষ্টের পর পোষ্ট দিয়েছিলো.... লেখা চাই চাইই..........। ই-বুকটা কৈ রাসেল সাব? সচিবালয়ে এপ্রুভ করানোর জন্য পাঠাইছেন নাকি?
মাসি-খালারে তো কিছু করতে পারবো না, এই রাসেলরে ধরে কিছু করা দরকার। কত বড় সাহস, প্রতিজ্ঞা ভুলে যায়........ধর ব্যাটারে.......





ঠান্ডা কি বেশি পড়ছে বড় ভাই??
জৈষ্ঠ্যমাসে বর্ষার ইবুক চান।



ই-বুক আসিতেছে আগামী পহেলা আষাঢ়।


হ! আমি ঠান্ডা-বৃষ্টির উপরই আছি।
এই পহেলা আষাঢ় কবে জানি?
১৫ই জুন মনে হয়।


আপনার ইমোগুলাত জোস। ১ম ইমোটা দেখে প্রথমে ভয় পাইয়া গেসি।
ইমো গুলো আসলেই জোস। আপনার ঝাড়িটাও জোস হইসে।
আর্দশ ব্লগ হইছে ভাইজান
লাইন দু'টা পাশাপাশি পড়ছে পোষ্টে!!
সবুরে মেওয়া ফলে... কুন কুপি যেন কইছিলো... ভুইলা গেছি...
হপায় ২৮শে জৈষ্ঠ্য ... বর্ষা না আইলে ক্যাম্নে বর্ষার বই পাইবেন... বৃষ্টিতে রাস্তায় পানি জমপে... সেই পানিতে নৌকা নামানো হপে... সেই নৌকায় কৈরা ইপুস্তক বিলি বন্টন হপে...
ওয়াইট ... অপেক্ষা... সপুরে মেওয়া ফলে... (আইচ্ছা মেওয়া ফল কি জিনিষ?)
মেওয়ার কথা শুধু শুনেই গেলাম দেখালাম না কুনুদিন, বন্টনের তরিকা শুনে ডরাইছি!
মন্তব্য করুন