বন্ধুত্বের টানে, বন্ধুদের পানে
প্রায় দু'বছর আগে ব্লগ খুলে আজ প্রথম পোস্ট দিচ্ছি। লেখালেখি থেকে বিচ্ছিন্ন অনেকদিন। সামু দিয়ে ব্লগিং শুরু করলেও পরিচিত, প্রিয় বন্ধুদের টানে এখানে আবার আবির্ভূত হলাম। আশা করি প্রাণময় ব্লগারদের লেখা পড়ে নিজেকে আবারো ঋদ্ধ করবো আর ছাইপাশ লিখে সবাইকে বিরক্ত করে যাবো
পেশাগত কাজের তাগিদে সাম্প্রতিককালে পড়াশোনা করছি শিশু-কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে। আর নিরন্তর ভেবে যাচ্ছি আমাদের দেশের শিশু-কিশোরসহ পূর্ণবয়স্ক মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার কী সুযোগই বা আছে? দুশ্চিন্তা, হতাশার মত মানসিক সমস্যাগুলো নিয়ে বাচ্চারা স্কুল-কলেজে কারই-বা শরণাপন্ন হতে পারে? পরিবারের সদস্য বা আত্মীয়-বন্ধুসমাজের কারো, কিংবা নিজের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আমরা ঠিক কতটুকু সচেতন? প্রতিটি স্কুলে 'স্কুল সাইকোলজিস্ট' নিয়োগ দেবার সরকারি পরিকল্পনাটি ঠিক কি অবস্থায় আছে কেউ জানেন?
সবার জন্য শুভকামনা।





এবি তে সুস্বাগত।
পড়তে থাকুন, লিখতে থাকুন।
ভালো থাকুন।
হ্যাপি ব্লগিং।
তাজীন, কেমন আছো ? অনেকদিন পরে...
স্বাগতম, লিখতে থাকুন
পুরাতন মানুষদের অনেকদিন পরে দেখলেও পুরাতন লাগে না!
ওয়েলকাম টু আউর ব্লগ!
আরে ছোটাপ্পি নাকি। স্বাগতম
আরে... পুরানা লোক দেখি

কত্তদিন পর
ক্যামন আছেন?
আমি কি লিখুম। আমি তো নতুন। তয় আমার কাছে ত নতুনই তাই আই বেজায় খুশি।
প্রতিটি স্কুলে সাইকোলজিস্ট এর ব্যাপারটা প্রথম শুনলাম।
এখানে অনেক বাচচার বাবা মা ব্লগিং করে। আপনি মনের সুখে আপনার কাজ এখানে শেয়ার করেন, তারাও কিছু শিখুক।
সুস্বাগতম
মন্তব্য করুন