সঞ্জীব রায়'এর ব্লগ
ফাসিঁর দাবি নিয়ে এসেছি...
আমি উন্মুক্ত প্রাঙ্গনে ঐ অমানুষ শিক্ষকের ফাসিঁ দাবি করছি। আমি তার মৃত্যদন্ড চাইছি। কোন সুযোগ নেই ছলচাতুরির। এ ধরনের অপকর্ম করে আইনের সীমাবদ্ধতার সুযোগে কোনভাবেই বেঁচে থাকতে পারেনা পরিমলের মত পশুরা।
আসুন নারী-পুরুষের সমতার সমাজ গড়ি, যেখানে নারীকে শুধু জৈবিক কারণে নীপিড়নের শিকার হতে হবেনা। আসুন আওয়াজ তুলি, এইসব পরিমলদের নির্মমভাবে মৃত্যুর শাস্তি নিশ্চিত করার। আসুন এক হই, মানুষ-মানবতা-সততার পৃথিবী গড়ে তুলতে।
এ মূহুর্তে কিছুই বলার শক্তি নেই, শুধু পরাজিত হবার বেদনা...
জানোয়ারের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষকে দেয়া ছোট বোনের অভিযোগপত্রটি :
চিঠি: আত্বার সাথে বেঈমানী
...করোনা তুমি, দোহাই লাগে তোমার... আর যাই করো বেঈমানী করোনা, তোমার আত্বার সাথে। তোমার মন কি চায়, আগে জিজ্ঞেস করো, খুব ঠান্ডা মাথায় ভেবে তুমি ঠিক করো। যা তুমি করছো, তা কি তুমি চাও? তোমার আত্বা যেটা চায়, সেটা যদি করো, তাহলে তুমি ঠিকই আছো। আর যদি তোমার আত্বা যা চাইছে, তুমি নানা অজুহাতে, বিভ্রান্তি কিংবা শংকায় ভুগে করতে পারছো না, করছো না; তাহলে প্লিজ তুমি এখনই নতুন করে ভাবো, সাহস সঞ্চার করো। তোমার চারপাশের সবাই তোমাকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেবে। দোহাই লাগে, ছলনা করোনা, ছলচাতুরী করোনা, মিথ্যার আশ্রয় নিওনা। এই জগতের আর কেউ না হোক, তোমার নিজের কাছে তো জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা থাকা চাই। যদি আমি সেই স্বচ্ছতা তোমার কাছ থেকে আশা করে থাকি কিংবা দাবি, আর তা যদি আমার ভুল হয়, আমি ক্ষমাপ্রার্থী।
গল্প ছিল, গল্প নেই
গল্প ছিল আকাশেতে,গল্প ছিল বাতাশে তাই
গল্প ছিল তিরতিরানো,নদীর জলে ঢেউ খেলানো…
সেই গল্প শুনতে আমার প্রাণের সেকি আহাজারি। আমার আহাজারি সকলের আহাজারির সাথে একাকার হয়ে গুমরে কেঁদে ওঠে.........সেই কান্না কখনো গানে কখনো বা কথার খেলায় খেলতে থাকে.............
গল্প ছিল মাঠের শেষে,দুরের রেখায় হালকা ছাই!
গল্প ছিল যখন ছিল, এখন কোনো গল্প নাই, অন্য কোনো গল্প নাই ...
মাঠ, ক্ষেত, প্রান্তর! যে মাঠে গোল্লাছুট খেলতো নাঙ্গা গায়ে ছেলে-মেয়েরা........বাতাবিনেবু দিয়ে ফুটবলের সম্ভাবনাময় পারদর্শীতা প্রদর্শন করে মাঠ মাতাতো কিশোর-যুবকেরা। কোথায় সেই প্রিয় মাঠ? ধানের ক্ষেতে সোনালী ফসলের সুখে মুখে হাসি আসতে যেনো অনেক কষ্ট হয় আমার কৃষক পড়শীর। সেই শিশুকালে ইয়া বড় মহিষের পিঠে চেপে গোধুলি দেখা আর তো হয়না এখন..... কিসের গল্প বলবো.........
গল্প ছিল মেঘের ডানায়, কানায় কানায় বৃষ্টি তাই
বলবো না কাউকে
না বলা কত কথা! না বলা ব্যাথা! কখনো বলার চেষ্টা করে আবার নিজেকে থমকে দেয়া। কোথায় বলো....বলবো, কার কাছে?
আমার কিছু বলার ছিল....
তোমায় বলার কেবল তোমায়......
যেই না আমি ঠোট মেলেছি, সেই কথাটা বলবো বলে......
মৃত্যু আলিঙ্গন
খুব অত্যাচারিতভাবে বাঁচা আর মরে যাওয়ার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। অতএব না মরে গিয়ে যে আমি বেঁচে আছি এটা আমার কাছে বেঁচে থাকা নয়। শুধু কিছু মানুষের কাছে......কিছু দায়িত্ব........কিছু দায়.........কিছু কাজ.........
এখন এই বেঁচে থাকাটা যেন আমার প্রিয় মৃত্যুর চেয়েও অনেক অনেক আনন্দের! সত্যিই আমি এমন অদ্ভুত জীবনকে ধারণ করে বেচেঁ থাকায় বিমোহিত......এখন যে কোনভাবে যদি পার হয়ে যায় আর কয়েকটা দিন। এইতো, কতগুলো দিন কেটে গেল না! যাবে তো যাবেই.....যেতে হবে এমন করে। এমন করে যায় যদি দিন যাক না”....
সময় যেমন চলছে নদীর দ্রুত বেগের মতন, তখন আমি খুবই কাতর, খুবই নিরব, স্তব্ধ, খুবই নির্বিকার..............দাদার মত বলতে ইচ্ছে করছে...................
কথা বলব না ....আগের মত কিছু নেই,
পিছু ডাকব না....পিছু ডাকার কিছু নেই,
সর্বনাশী ঝড় বুকে উড়ে যাবার কিছু নেই।
আগুনে পুড়েছি এ হাত বাড়িয়ে
তব মুখ সদা মনে...
গানটি সবাই পছন্দ করে না হয়তো, জানি রবি ঠাকুরের গানগুলি সবাই শুনতেও চায়না আর আজকাল। যাকেই বলি, দেখি পাশকাটানো ভাব। তাদেরকে বোঝাতে পারিনা, সব অবস্থার, সব ধরনের পরিস্থিতির ও মূহুর্তের গান আছে কবিগুরুর.................
একজনের কাছে সারা পেয়েছি, আমার মত আনন্দচিত্তে তাকেও শুনতে দেখেছি, পুলকিত হতে দেখেছি..............
আপনি আনন্দে আছেন! কষ্টে বেদনাবিধূর! চমকিত! পুলকিত! শুভেচ্ছা জানাবেন! আমন্ত্রণ-আগমন অথবা বিদায়....জানাবেন ভালোবাসা....মরবেন প্রেমে.............
তবে, কান দিয়ে নয়, মন দিয়ে হৃদয় পেতে শুনুন.........................
..........তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা,
এ সমুদ্রে আর কভু হব নাকো পথহারা ।।
যেথা আমি যাই নাকো তুমি প্রকাশিত থাকো,
আকুল নয়নজলে ঢালো গো কিরণধারা ।।
তব মুখ সদা মনে জাগিতেছে সংগোপনে
কে?
অন্য কারো নয়, নিজের ব্যাপারেই জানতে চাইছি! কে! কে আমি? অস্তিত্ব নিয়ে যে সংকট দেখা দিয়েছে, তার কোন সীমা-পরিসীমা নেই। ভাষণে বিরোধী দলের নেতারা সরকারের চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করেন; তখন বলেন, দেশে নাকি সংকট আর সংকট। নয়াপল্টনের মুহুর্মুহু করতালি, স্লোগানে-স্লোগানমুখরতা আর বলিষ্ট কন্ঠের গগণবিদারী ভাষণের সীমা ছাড়িয়ে রৌদ্রতপ্ত ঐ আকাশের দিকে এক মূহুর্ত তাকিয়ে আপনমনে বলছিলাম, কেউ কি আছে আমার সংকট নিয়ে কথা বলার.....................
ক'টায় ঘুমাচ্ছি জানিনা, কখন উঠছি জানিনা সে সময়ও। হঠাৎ নিজেকে উদ্ধার করছি, রাজপথে, অফিসে, কাজে... দৌড়াচ্ছি...দ্রুত বেগে দৌড়াচ্ছি আমি.....সময় নেই মোটে....কারো সাথে কথা বলার, কারো সাথে দেখা করার, নিজের একদম দরকারি, নিত্যদিনের কাজগুলো করার, যেমন ধরো, নখ কাটার। আসলে সময় নেই, এত ব্যাস্ত যে সময় পাচ্ছিনা।
জীবন...
জীবনের অর্থ কী? জিজ্ঞেস করেছিলাম অনেককে......বুঝেছিলাম কারো কাছেই পাবোনা এর সঠিক উত্তর....অবশেষে যার কাছে উত্তর পাবো বলে ব্যাকুল হয়ে জানতে চেয়েছিলাম, সে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলেছিলো, জীবন মানে নাকি লাইফ....আর লাইফটা জীবন.... এমনটাই নাকি জীবন। কী অদ্ভূত উত্তর!
এরপর আর কখনো কোনদিন কারো কাছে জানতে চাইনা, জীবনের মানে। জীবনের মাঝে জীবনকে বন্দী করে বেচেঁ থাকা! এটাও তো জীবন। একটা সময় ছিল, আমিই কতজনকে বলেছি জীবনের অর্থ। কত তত্ত্ব-জ্ঞান, কত ভারী-ভারী বাক্য, শক্ত শব্দ দিয়ে বুঝিয়েছি। সেই আমিই কিনা বুঝতে পারিনা জীবনের নিগুঢ় অর্থ কী? এ যেন নিয়তির নির্মম উপহাস!
প্রারম্ভিক...
যার দ্বারা উদ্বুদ্ধ হলাম! ঠিক উদ্বুদ্ধ বলব কি না জানিনা, তাড়িত হলাম....ব্লগে লেখালেখি! কখনো বিষয়টিকে মনযোগের সাথে নেইনি। যাক, যেদিন আমরা বন্ধু ব্লগে যেদিন প্রবেশের অনুমোদন পেলাম, সেদিন তাঁর কোন লেখা ছিলনা, পুরনো গুলোই দেখছিলাম।
সত্যি কথা বলতে, আমি বুঝতে পারছিনা কি লিখব, কি লিখতে হয়। তবে হ্যা, যদি আমার মন-মননের, প্রত্যাহিক ভাবনা জগতের বিষয়গুলো নির্বিঘ্নে প্রকাশ করতে পারি, হয়তো কিছুটা স্বস্তি পাবো। কে আমাকে একটু জায়গা দেবে কথা বলার.............