প্যাট্রিক ইয়োহানসনের গল্প - যা আছে সব খেয়ে ফেলে
ব্যাপারটা শুরু হয়েছিল হট-ডগ খাবার এক স্থানীয় প্রতিযোগিতা থেকে। লু ভারবেইন সেখানে প্রথম হয়ে প্রাদেশিক প্রতিযোগিতার জন্য মনোনীত হয়। প্রাদেশিক প্রতিযোগিতায় সে দ্বিতীয় হলেও প্রথম স্থান অধিকারীর পেট খারাপ হলে লু-কেই জাতীয় প্রতিযোগিতায় পাঠানো হয়। সেখানে এক খ্যাংড়া-কাঠি জাপানী মেয়ে প্রথম হয়, আর লু অনেক পেছনে থেকে তৃতীয়।
এমন ফলাফলে লু মোটেও ঘাবড়ালো না। সে কঠোর ট্রেনিং নেবার সিদ্ধান্ত নিলো। সে শহরের সব হট-ডগ খেয়ে ফেল্লো। এরপর প্রদেশের সব হট-ডগ, এমনকি সে গোটা মহাদেশের মাংস দিয়ে বানানো খাবারের ঘাটতিও সে তৈরি করে ফেল্লো।
লু খেয়েই চল্লো। হ্যামবার্গার, পাই, বিস্কুট - যা কিছু তার পেটে ধরে স-অ-ব। আর সে বেলুনের মতো ফুলতে লাগলো, আগাছার মতো বাড়তে থাকলো। ব্যাপারটা দেখতে স্যুররিয়ালিস্টিক হয়ে গেলো।
যেদিন থেকে সে গাড়ি খাওয়া শুরু করলো সেদিন থেকে তার আর ফেরার পথ রইলোনা। প্রথমে ছোট ডাটসান দিয়ে শুরু তারপর সপ্তাহ না ঘুরতে বিশালাকায় হামার আর লিমো পর্যন্ত! এর মধ্যে কোন একসময় তার পেটে হাইড্রোজেন ফিউশন শুরু হয়ে গেল, কিন্তু সে টের পেলোনা।
গল্পটাকে আর না বাড়িয়ে বলি, লু এখন একটা ব্ল্যাক হোলে পরিণত হয়েছে। তার নাম এখন ভারবেইন এক্স-১, এবং সমগ্র বিশ্বভ্রমাণ্ড এখন আস্তে আস্তে সেই ব্ল্যাক হোলের পেটে ঢুকছে।





পোস্টের ট্যাগ 'গল্প' হইবেক। প্রমাদক্রমে 'গান' হইয়া গিয়াছে। আমি সম্পাদনা করিতে অক্ষম। মডুগণ অনুগ্রহপূর্বক ট্যাগখানা ঠিক করিয়া দিন।
লু ভারবেইন কি ঈশ্বর টাইপ কিছু নাকি?
না, লু ভারবেইন একটা ব্ল্যাক হোল। আর ঈশ্বর ব্ল্যাক হোল বানান। লু শয়তান হলেও হতে পারে।
এই গল্পের কি আর একটা পর্ব আসবে ষষ্ঠদা?
আপনাকে দেখে যারপর নাই আনন্দিত। যে কয়জনকে খুব মিস করতাম তারমধ্যে আপনি একজন। যদিও যোগাযোগ সবসময়ই ছিলো তবুও ......।
স্বাগতম দাদা
প্যাট্রিক ইয়োহান্সনের আরো কয়েকটা গল্প অনুবাদের ইচ্ছে আছে। এই গল্পটা এই টুকুই। ইয়োহানসনের গল্পের বৈশিষ্ট্যই এই রকম। অনেকটা Augusto Monterroso-র মতো।
আমি এবি-তে রেজিষ্ট্রেশন করেছি অনেক আগেই। গতকাল মাত্র অ্যাপ্রুভাল পেলাম। তাই সাথে সাথেই এই গল্পটা আপনাদের জন্য পোস্টালাম।
কী কাহিনী ফাঁদলেন দাদা?
ঈশপের গল্পে শানেনুযুল হইতো এক-দেড় লাইনের। এ গল্পের শানেনুযুল লাগে মহাভারতের থাইক্যাও বড়!
প্রিয় ঔপন্যাসিক, আপনি সব কিছুই বড় ক্যানভাসে দেখতে অভ্যস্ত। আমরা ছোট রেসের ঘোড়া। আমাদের দৌড় এই টুকুই।
চ্রম লেখাটারে কেউ লাইক্করে নাই। এইটা কোনো কথা?
না, না, এর মধ্যেতো কয়েকজন লাইক করেছেন। কিন্তু আপনার কাছ থেকেতো এমন মন্তব্য চাই না। আপনার কাছ থেকে চাই বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা।
পরথম লাইক্টা আমিই দিছিলাম। সময়-সুযোগমতো আলোচনাও দিয়ালামুনে। আপাতত ছয় কেজি ধইন্যাপাতা লন ভাই।
এবিতে স্বাগতম
ধন্যবাদ। আপনার নতুন লেখা পাচ্ছিনা অনেক দিন হয়। শরীর ভালো তো?
গল্পটা পড়ে ঢাকা থিয়েটারের নাটক "মুনতাসির ফ্যান্টাসি"র কথা মনে পড়ে গেলো
এই গল্পটা অবশ্য ফ্যান্টাসী নয়। একটু ভাবলেই বুঝতে পারবেন কোন রাক্ষস স্থানীয় পর্যায় থেকে উঠে এসে আজ গোটা বিশ্বভ্রমাণ্ডকে গ্রাস করতে চাইছে।
মুনতাসীর ফ্যান্টাসিও আসলে কোনো ফ্যান্টাসি না... চরম বাস্তবতারই গল্প
অনুবাদগল্পে একটুখানি লেখক-পরিচিতি দেয়ার অনুরোধ রইলো
লেখা ভালো লেগেছে
এবিতে স্বাগতম
ধন্যবাদ। অনেক অনেক দিন পর কোন ফোরামে আপনাকে পেয়ে ভালো লাগছে। আপনার লেখা খুব মিস করতাম।
প্যাট্রিক ইয়োহানসন কোন বিখ্যাত বা স্বল্পখ্যাত লেখক নন্। তাই তাঁর সম্পর্কে জানানোর বিশেষ কিছু নেই। তাঁর কিছু গল্প পড়ে আমার ভালো লেগেছে। এই ভালো লাগাটা আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।
একটু ওপরে তানবীরাকে যেমন বললেন, সেরকম ছোটখাট ইনফোর কথা বলছিলাম। লেখকের দেশ-কাল-স্টাইল এই আরকি; আনপড়ের উপকার হয়। আপনার মৌলিক লেখাও পড়তে চাই পাশাপাশি।
অফটপিক- সামুব্লগে আপনার অ্যাকাউন্ট ছিলো বা আছে?
আপনি কী বোঝাতে চেয়েছেন সে আমি বুঝেছি। তবে উনার ব্যাপারে জানি কম। গল্প পরে ভালো লেগেছে তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি।
অটঃ সামুতে অনেক আগে আমার এই নিকে একটা অ্যাকাউন্ট খুলেছিলাম বটে কিন্তু কোন পোস্ট দেইনি। কেন, এই নিকের কোন লেখা সেখানে দেখেছেন নাকি? আজকাল এটা নিয়ে বেশ বিব্রত থাকতে হয়।
না দেখিনি। অবশ্য বছরখানেক ধরে সামু তেমন দেখা হয় না; আমরাবন্ধুতে আর চতুর্মাত্রিকে ব্লগাই
আপনাকে এখানে দেখে ভাল লাগছে।
গল্পটাও।
ধন্যবাদ।
গল্পটা ভালো লাগল ।
রূপকথা টাইপ, মজা লাগলো গল্পটা পড়ে।
এই কথাটা একটু ব্যাখ্যা করলে ভাল হইত।
এই ধরণের গল্পের ধারণার সাথে পরিচিত না। কেমন যেন অসম্পূর্ণ মনে হল।
এবি'তে স্বাগতম ভাইয়া।
মন্তব্য করুন