ইউজার লগইন

আমাদের গাজীপুর

গাজীপুর জেলা সাধারণ তথ্য :

ইতিহাস আর ঐতিহ্যের সংশ্লেষে কালোওীর্ণ মহিমায় আর বর্ণিল দীপ্তিতে ভাস্বর অপার সম্ভানায় ভরপুর গাজীপুর জেলা। ইতিহাস খ্যাত ভাওয়াল পরগণার গহীণ বনাঞ্চল আর গৈরিক মৃওিকাকোষের টেকটিলায় দৃষ্টিনন্দন ঐতিহাসিক এ জনপদ ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ গাজীপুর জেলা হিসেবে আত্নপ্রকাশ করে।
প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যময় অপার সৌন্দর্যমন্ডিত, অর্থনৈতিক অতিগুরুত্বপূর্ণ গাজীপুর জেলার আপনাকে
স্বাগতম ।

শিক্ষা:-

শিক্ষা প্রতিবেদন:
গাজীপুর জেলার শিক্ষার হার এবং গুনগতমান অত্যন্ত ভাল । শিক্ষার হার ৫৬.৪০%। এ জেলায় ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়, ২টি সরকারী কলেজসহ ৪৫টি কলেজ, ১৮টি কারিগরী কলেজ, ৫টি সরকারী মাধ্যমিক স্কুল, ২৭৬টি বেসরকারী মাধ্যমিক স্কুল, ১৮১টি মাদ্রাসা এবং ৫৪২টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৪০টি বেসরকারী ও ৫২টি কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পরীক্ষণ বিদ্যালয় সংলঘ্ন একটি বিদ্যালয় ও একটি শিশু কল্যান প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এছাড়াও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কিন্ডারগার্টেন ও ক্যাডেট স্কুল রয়েছে। জেলায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকায় এ জেলাকে শিক্ষা নগরীও বলা হয় ।
গাজীপুর জেলার প্রাথমিক শিক্ষার মান বেশ সন্তোষজনক। চলতি শিক্ষাবর্ষে ভর্তির হার ৯৮%। সরকারের ২০১০ সনের মধ্যে শতভাগ শিশু ভর্তির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের সকল কর্মকর্তা/কর্মচারী ও শিক্ষকগণ নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। এ জেলা ২০০৮ সনের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ঢাকা বিভাগের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে। এ বছর প্রথম সম্পুর্ণ নুতন আঙ্গিকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষাও সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আসন্ন প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ১৭৩০৭ জন বালক ও ১৯৬২৯ জন বালিকা সর্বমোট ৩৬৯৩৬ জন অংশগ্রহণ করছে। জেলার ছাত্র/ছাত্রীরা পরীক্ষায় কাংখিত ফললাভ করবে বলে আশা করা যায় ।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ঢাকা বিভাগে গাজীপুর জেলার অবস্থান দ্বিতীয়

ঢাকা ৭৮.২৮
গাজীপুর ৭৭.৫৭
মানিকগঞ্জ ৭৪.৯৫
জামালপুর ৭২.৬৬
মু্ন্সিগঞ্জ ৭২.১
গোপালগঞ্জ ৭১.৩৮
নারায়নগঞ্জ ৬৮.৩১

এক নজরে গাজীপুর জেলার প্রাথমিক শিক্ষা সংক্রান্ত তথ্য

উপজেলা/থানার সংখ্যা : ০৬ টি
পৌরসভা : ০৪ টি
ইউনিয়ন সংখ্যা : ৪৪ টি
ক্লাস্টারের সংখ্যা : ৩০ টি
সাব-ক্লাস্টারের সংখ্যা : ১৪০ টি

পর্যটন ও ঐতিহ্য :-
দর্শনীয় স্থান

১। জাগ্রত চৌরঙ্গী
চান্দনা চৌরাস্তা, গাজীপুর

২। ছয়দানা দীঘি ও যুদ্ধক্ষেত্র
গাছা, গাজীপুর

৩। ১৯ শে স্মারক ভাস্কর্য
রাজবাড়ী, জয়দেবপুর

৪। আনসার ভিডিপি একাডেমী স্মারক ভাস্কর্য
সফিপুর, কালিয়াকৈর

৫। মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কর্ণার
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর

ঐতিহাসিক পূরাকীর্তি :

১। রাজবাড়ী শ্বশান
জয়দেবপুর

২। শৈলাট (শিশু পালের সময়ে বিখ্যাত নগর)
শ্রীপুর

৩। ইন্দ্রাকপুর (প্রাচীন রাজধানী)
শ্রীপুর

৪। কপালেশ্বর (ধ্বংসপ্রাপ্ত পুরাকীর্তি)
রাজা শিশু পালের রাজধানী

৫। একডালা দুর্গ (প্রাচীন ও ধ্বংস প্রাপ্ত)
একডালা, কাপাসিয়া

৬। মীর জুলমার সেতু (কহরদরিয়া)
টঙ্গী বাজার, টঙ্গী

৭। সাকাশ্বর স্তম্ভ
কালিয়াকৈর

বিখ্যাত ব্যক্তিদের স্মৃতি বিজরিত স্থান:-

১। বঙ্গতাজ তাজউদ্দিনের বাড়ী
দরদরিয়া,কাপাসিয়া

২। বিজ্ঞানী মেঘনাথ সাহার বাড়ী
কালিয়াকৈর

৩। রবীন্দ্র স্মৃতি বিজরিত কাওরাইদ বাংলো
শ্রীপুর

জমিদারবাড়ী :-

১। ভাওয়াল রাজবাড়ী
জয়দেবপুর

২। বলধার জমিদার বাড়ী
বাড়ীয়া

৩। পূবাইল জমিদার বাড়ী
পূবাইল

৪। বলিয়াদী জমিদার বাড়ী
কালিয়াকৈর

৫। কাশিমপুর জমিদার বাড়ী
গাজীপুর সদর

৬। দত্তপাড়া জমিদার বাড়ী
টঙ্গী

দীঘি ও বিল :-

১। হায়দ্রাবাদ দীঘি
হায়দ্রাবাদ পূবাইল

২। ভাওয়াল কলেজ দীঘি
গাজীপুর সদর

৩। রাহাপাড়া দীঘি
গাজীপুর পৌরসভা

৪। টেংরা দীঘি
শ্রীপুর

৫। তেলিহাটী দীঘি
শ্রীপুর

৬। সিঙ্গার দীঘি (পাল রাজাদের রাজধানী নগরী)
শ্রীপুর (মাওনা অদূরে)

৭। সিঙ্গারদীগি কাউছি টিহর
কেওয়া, শ্রীপুর

৮। কর্ণপুর দীঘি
শ্রীপুর

৯। চৌড়াদীঘি
কালীগঞ্জ

১০। মাওনা দীঘি
শ্রীপুর

১১। ঢোল সমুদ্র দীঘি ও পুরাকীর্তি
কালিয়াকৈর

১২। রাজবিলাসী দীঘি
গাজীপুর

১৩। কোটামুনির ডিবি ও পুকুর
ডাকুরাইল

১৪। মনই বিবি-রওশন বিবির দীঘি (চান্দরা)
চন্দ্র (চান্দরা) কালিয়াকৈর

১৫। মকেশ্বর বিল
কালিয়াকৈর

১৬। বিল বেলাই
গাজীপুর সদর

১৭। উষ্ণোৎস
শালদহ নদী

১৮। গঙ্গা (সরোবর) তীর্থক্ষেত্র
শ্রীপুর

ধর্মীয়স্থান ও সমাধিক্ষেত্র :-

১। ভাওয়াল রাজ শ্মশানেশ্বরী
জয়দেবপুর

২। টোক বাদশাহী মসজিদ
কাপাসিয়া

৩। সমাধিক্ষেত্র (কবরস্থান)
চৌড়া, কালীগঞ্জ

৪। সাকেশ্বর আশোকামলের বৌদ্ধ সত্মম্ভ (ধর্মরাজিকা)
কালিয়াকৈর

৫। পানজোড়া গীর্জা
কালীগঞ্জ

৬। ব্রাহ্ম মন্দির
কাওরাইদ

৭। সমাধিক্ষেত্র, গুপ্ত পরিবার
কাওরাইশ, শ্রীপুর

৮। সেন্ট নিকোলাস (চার্চ)
নাগরী, কালীগঞ্জ

৯। বক্তারপুর, ঈশা খাঁর মাজার
কালীগঞ্জ

১০। তিমুলিয়া গীর্জা
কালীগঞ্জ

পিকনিক স্পট :-

১। ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান
গাজীপুর সদর

২। ছাতিয়ানী বটবৃক্ষ
জাঙ্গালিয়া, কালীগঞ্জ

৩। রাথুরার জঙ্গল
শ্রীপুর

৪। চন্দ্রা শালবন
কালিয়াকৈর

৫। কেওয়া বটবৃক্ষ (প্রায় ২০ বৎসরের প্রাচীন)
শ্রীপুর

৬। কৃষি খামার (সর্ববৃহৎ)
কাশিমপুর

৭। বরমী বাজার (বানর বিচরণ ক্ষেত্র ও প্রাচীন বাজার)
শ্রীপুর, গাজীপুর

৮। নুহাস চলচ্চিত্র ও পর্যটন কেন্দ্র
মির্জাপুর

৯। হোতাপাড়া স্যুটিং স্পট
গাজীপুর সদর

১০। জীবন্ত স্বর্গ
শ্রীপুর

১১। আনসার একাডেমী
সফিপুর

১২। পুষ্পদাম
শ্রীপুর

১৩। অনস্তধারা পর্যটন বিনোদন কেন্দ্র
রাজেন্দ্রপুর, গাজীপুর সদর

১৪। খতিব খামার বাড়ী
মির্জাপুর

১৫। উৎসব
মির্জাপুর

১৬। সাফা গার্ডেন
মির্জাপুর

১৭। শ্যামলী
মির্জাপুর

১৮। দীপু সনিক অঙ্গন
পূবাইল

১৯। হাসনাহেনা
পূবাইল

২০। সীগার্ল
শ্রীপুর

২১। অঙ্গন
সুর্য্যনারায়নপুর, কাপাসিয়া

২২। গুলিস্তান
মির্জাপুর

২৩। অনন্তভবন
মির্জাপুর

২৪। নন্দন
কালিয়াকৈর

জেলার ঐতিহ্য

এককালের প্রমত্তা স্রোতাস্বিনী লবলং, ব্রহ্মপুত্র, শীতলক্ষা, বানার, তুরাগ, বালু , মালদহ প্রভৃতির বিপুল জলরাশির কল্যানে গৈরিক মৃত্তিকার কোলে এক সমৃদ্ধ জনপথ গাজীপুর। যার ঐতিহাসিক সভ্যতার প্রমান মেলে আড়াই হাজার হতে তিন হাজার বছর পূর্বের জনপথ সাকেশ্বর, ভাকুরাই ছড়া ও টোক, কপালেশ্বর, দরদরিয়া একঢালা, বজ্রপুর (বর্তমান বক্তারপুর), চিনাসুখানিয়া, শৈলাট, দিঘলীর ছিট প্রভৃতি প্রাচীন প্রত্নস্থলে। কিন্তু নদী মাতৃক সেই শাল অরন্য বেষ্টিত সহস্র বছরের নিদর্শন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পট পরিবর্তনের কারণে পলিমাটির তলায় লুপ্ত হয়েছে।
মধ্যযুগে চৌড়া, ধীরাশ্রম, কাপাসিয়া, কালীগঞ্জ, জয়দেবপুর, কাশিমপুর, টঙ্গী প্রভৃতিস্থানে সমৃদ্ধ নগর কেন্দ্রিক কৃষি ও শিল্প-বাণিজ্য নির্ভর জনপথ গড়ে উঠে যার সমৃদ্ধির শেষ চিহ্ন এখনো ভগ্নদশা ইটের তৈরী প্রাচীরের গাত্রে লুকিয়ে রয়েছে। আবিষ্কারের অপেক্ষায় আছে বিলুপ্ত প্রায় মাটির গর্ভে প্রোথিত সেই জনপথগুলো।

magnat-saha.jpg
মেঘনাথ সাহার বাড়ী

nicalas-churge.jpg
নিকলাস চার্জ

গাজীপুর জেলা শতবর্ষের নানা ঐতিহ্যে লালিত এক সুপ্রাচীন ঐতিহাসিক জনপদ যার রয়েছে এক সমৃদ্ধ অতীত সম্রাট অশোকের আমলের সাকেশ্বর স্তম্ভ, বৌদ্ধ আমলের ভবাক ও ভাকুরাই নামে জনপদীয় শাসন, মৌর্জ শাসনামলে নির্মিত দরদরিয়া দূর্গ, ঢোল সমুদ্রের বৌদ্ধ বিহার জেলার প্রায় আড়াই হাজার বছরের ইতিহাসের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। বাংলা ভাষায় প্রথম অভিধান ও ব্যকরণ ‘‘বাংলা পর্তুগীজ শব্দকোষ’’ ১৭৩৩ সনে ভাওয়াল নগরীতে বসে রচনা করেন পাদ্রী মনো এল দা আসসুম্পাসউঁ। তাছাড়া বাংলা গদ্যেরও সুতিকাগার এই গাজীপুর জেলা। বাংলা সাহিত্য ও ভাষা প্রথম গদ্য মুদ্রিত বই ‘‘ব্রাহ্মন রোমান ক্যাথলিক সংবাদ’’ ১৭৩৩ সালে পাদ্রী দোম অমেত্মানিয় দো রোজারিও রচনা করেন এ জেলাতেই। এছাড়া কাপাসিয়া তিতবাটি গ্রামে তৈরি হতো বাংলার শ্রেষ্ট মসলিন, বরমী বাজারের নিকটে ছিল দেশের সর্ববৃহৎ গ্রামীণ পণ্য বাজার।

কালের যাত্রায় ঐতিহ্যবাহী গাজীপুর জেলা সমৃদ্ধ হয়েছে পর্যটন শিল্পে। রাজধানী ঢাকা নিকটবর্তী হওয়ায় বাংলাদেশ অন্যতম প্রধান বৃহৎ উদ্যান ভাওয়াল জাতীয় ছাড়াও নিবিড় শাল অরণ্যে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন মনোরম পিকনিক স্পট।

raj-sasan.jpg
রাজবাড়ী শ্মশান

srifalaly.jamidar.jpg
শ্রীফলতলী জমিদার বাড়ী

জেলার ঐতিহ্য স্থানসমূহের তালিকা

১। শৈলাট (শিশু পালের সময়ে বিখ্যাত নগর/বর্তমানে বিলুপ্ত)
শ্রীপুর
২। ইন্দ্রাপুর(প্রাচীন পাল আমলের রাজধানী)
শ্রীপুর
৩। কপালেশ্বর (বৌদ্ধ আমলের ধ্বংসপ্রাপ্ত পুরাকীর্তি)
রাজা শিশু পালের রাজধানী
৪। একডালা দুর্গ (বৌদ্ধ, হিন্দু ও মুসলিম আমলের প্রাচীন ও ধ্বংস প্রাপ্ত)
একডালা কাপাসিয়া
৫। মীর জুলমার সেতু (কহরদরিয়া নদীর উপর)
টঙ্গী বাজার, টঙ্গী
৬। ভাওয়াল রাজবাড়ী
জয়দেবপুর, গাজীপুর
৭। বলধার জমিদার বাড়ী
বলধা বাড়ীয়া ইউনিয়ন, গাজীপুর
৮। পূবাইল জমিদার বাড়ী
পূবাইল, গাজীপুর সদর
৯। বলিয়াদী জমিদার বাড়ী
কালিয়াকৈর
১০। কাশিমপুর জমিদার বাড়ী
গাজীপুর সদর
১১। বিশ্ব ইজতেমা
টংগী
১২। ভাওয়াল রাজ শ্মশানেশ্বরী
জয়দেবপুর, গাজীপুর
১৩। টোক বাদশাহী মসজিদ
টোক, কাপাসিয়া
১৪। সমাধিক্ষেত্র (কবরস্থান)
চৌড়া, কালীগঞ্জ
১৫। সাকেশ্বর আশোকামলের বৌদ্ধ স্তম্ভ (ধর্মরাজিকা)
সাকেশ্বর, কালিয়াকৈর
১৬। পানজোড়া গীর্জা
কালীগঞ্জ
১৭। বাক্ষ মন্দির
কাওরাইদ
১৮। সমাধিবেত্র, গুপ্ত পরিবার
কাওরাইদ, শ্রীপুর
১৯। সেন্ট নিকোলাস চার্চ (চার্চ)
নাগরী, কালীগঞ্জ
২০। তিতুমির গীর্জা
কালীগঞ্জ
২১। কৃপাময়ী মন্দির
কালীগঞ্জ
২২। দরদরিয়া দুর্গ
কাপাসিয়া
২৩। ঢোলসমুদ্র দীঘি
কালিয়াকৈর
২৪। কর্ণপুর জোড়া দীঘি
শ্রীপুর
২৫। টেংরা, টেলিহাটি দীঘি
শ্রীপুর
২৬। হায়দারাবাদ দীঘি
পূবাইল

প্রাকৃতিক ঐতিহ্য

ভাওয়াল শাল অরণ্য
গাজীপুর জেলাজুড়ে
ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান
গাজীপুর সদর
বিল বেলাই
গাজীপুর সদর ও কালীগঞ্জ
মকেশ্বর বিল
কালিয়াকৈর
মাটির পাহার
কালিয়াকৈর
কেওয়া বটবৃক্ষ
শ্রীপুর
নাগলিঙ্গম বৃক্ষ
ভাওয়াল রাজবাড়ীর আঙ্গিনা
কাঁঠাল, পেয়ারা, আনারস, বেলীবেল, লিচু, কদবেল, বড়ই, তাল, জাম
জেলার সর্বত্র

ভাওয়াল (রাজপ্রাসাদ) রাজবাড়ী

* সদর উপজেলাধীন জয়দেবপুর মৌজায় অবস্থিত।
* ভাওয়াল রাজবাড়ী নির্মাণ শুরু করেন লোক নারায়ণ রায় আর সমাপ্তি টানেন রাজা কালী নারায়ণ রায়। এটি একটি বিশাল আকারের ও অক্ষত রাজ প্রাসাদ। প্রায় ১৫ একর জমির উপরে এর মূল প্রাসাদ বিদ্যমান। উত্তর দক্ষিণে বিস্তৃত এর দৈর্ঘ্য ৪০০ মিটার এবং ত্রিতল বিশিষ্ট পরিকল্পনায় আকারে নির্মিত। দক্ষিণ দিকে মূল প্রবেশ দ্বার। প্রবেশদ্বারটি বর্গাকার এবং এর ৪ কোণে ৪টি গোলাকার স্তম্ভ স্থাপন করে উপরে ছাদ নির্মাণ করা হয়েছে। প্রবেশ পথের কাঠামোর একদিকের দৈর্ঘ্য ২০ মিটার এবং প্রবেশ দ্বারের পরে একটি প্রশস্ত বারান্দা রয়েছে এর পর হল ঘর। হল ঘরের পূর্ব ও পশ্চিমে ৩টি করে বসার কক্ষ রয়েছে। ঐতিহ্যবাহী শাল কাঠের সিড়ি রয়েছে যা উপরের কক্ষসমুহে যাওয়ার সুব্যবস্থারই অংশ। সম্মুখ ভাগের এই অংশ পরিচিত বড় দালান হিসেবে। এই বড় দালানের পিছনে ছিল ১০০ বর্গ ফুটের একটি খোলা প্রাঙ্গণ। প্রাঙ্গনের তিন দিক পূর্ব পশ্চিম ও দক্ষিণ দিকে ছিল আবাসনের জন্য নির্মিত বারান্দাযুক্ত কক্ষ। বারান্দা ছিল কক্ষসমূহের দিকে উন্মুক্ত এবং বারান্দা গুলিতে করিন্থিয়াস স্ত্তম্ভের উপর অর্ধ বৃত্তাকার খিলান স্থাপন করা হয়েছিল। উপরে ফাকাঁ লম্বাটে নকশা, স্তম্ভে ফুল, লতা ও লম্বা টানা নকশা ছিল। উত্তর প্রাঙ্গণের পুরো অংশজুড়ে ছিল ‘নাট মন্ডপ’ যা উৎসবের কাজে ব্যবহৃত হত। রাজবাড়ীর মধ্যে পশ্চিমাংশের (রাজদিঘীর সংলগ্ন) দ্বিতল ভবনাংশের নাম ‘রাজবিলাস’ নিচে রাজার বিশ্রামের কক্ষ ‘হাওয়া মহল’ নামে পরিচিত ছিল। মধ্যের একটি দক্ষিণ দিক খোলা খিলানযুক্ত উন্মুক্ত কক্ষের নাম ছিল পদ্মনাভি। পশ্চিম মধ্যর দোতলার একটি কক্ষ ছিল রাণী মহল নামে আর সামনের বারান্দাসহ নাম ছিল বড় দালান হিসেবে। ১৮৯৭ সনের ভূমিকম্পের পর রাজবিলাসসহ অন্যান্য ইমারত পুণনির্মিত হয়।
* জিরো পয়েন্ট হতে গাজীপুর গামী বাসে শিববাড়ীতে নেমে রিক্সাযোগে রাজবাড়ী আসা যায়।

সাকাশ্বর বৌদ্ধ স্তম্ভ

* এটি কালিয়াকৈর অবস্থিত।
* এটি মৌর্য শাসন আমলে মহামতি সম্রাট অশোক কর্তৃক নির্মিত ৮৪ হাজার স্তম্ভের একটি। এটি প্রায় আড়াই হাজার বৎসের পূর্বে তৈরি মৌর্য আমলের সূচনা স্তম্ভ।

ভাওয়াল রাজ শ্মশানেশ্বরী
* সদর উপজেলাধীন জয়দেবপুর মৌজায় অবস্থিত।
* বর্তমানে বাংলাদেশের প্রত্নঐতিহ্যের (Bangladesh Heritage) অংশ ভাওয়াল রাজ শ্মশানেশ্বরী। ভাওয়াল
জমিদার পরিবারের সদস্যদের শবদাহ, সৌধ নির্মাণ ও নামফলক স্থান। জায়গাটি চিলাই নদীর দক্ষিণ তীরে জোড়পুকুর হতে প্রায় এক কি মি উত্তরে ভুরম্নলিয়া রাস্তার পাশে অবস্থিত।
* জিরো পয়েন্ট হতে গাজীপুর গামী বাসে শিববাড়ীতে নেমে রিক্সাযোগে আসা যায়।

কপালেশ্বর

* কপালেশ্বর কাপাসিয়া উপজেলাধীন সিংহশ্রী মৌজায় অবস্থিত।
* প্রাচীন ভাওয়ালের সমৃদ্ধ জনপদ ও পাল বংশীয় শাসক শশি পালের রাজধানী বলে কপালেশ্বর বেত। কপালেশ্বর ঢিবির বর্তমান সীমা হলো ৪৫ ফুট x ৫৪ ফুট ঢিবির নিকটে সামান্য খনন করলেই প্রাচীন আমলের পাতলা ইট, ভাঙ্গা মাটির পাত্র, কলস, ভাত খাওয়ার পাত্র, জল পাত্র ইত্যাদি পাওয়া যায়। এখানে ৫০০ বৎসর পূর্বে খননকৃত বিশাল একটি দীঘি রয়েছে।

চুখ রাখুন.............................আসিতেছে আমাদের গাজীপুর ।

পোস্টটি ৯ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

শিউল's picture


কি বেপার মানুষ কি এই সব জায়গা দেখদত চাইনা। যে চাইনা আমাদের গাজীপুর ...................................

শিউল's picture


কি বেপার মানুষ কি এই সব জায়গা দেখতে চায় না।যে চায় না আমাদের গাজীপুর ..............

সালাউদ্দিন আলী's picture


Laughing out loud জায়গাগুলোত নাম শুনে দেখতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু ছবি তো খুবই ছোট। কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। Sad Sad( চোখ টিপি

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

শিউল's picture

নিজের সম্পর্কে

আমি শিউল I আমি ইবাইস উ তে পারা শোনা করি i আমার সাবজেক্ট হলো বি.টি. এস .ম (বাংলাদেশ টুরিজম অন্ড হোটেল মেনেজমেন্ট)
আমি চাই বাংলাদেশের টুরিজম কে উন্নয়ন এর দিকে নিয়ে যেতে.
Please help me.

সাম্প্রতিক মন্তব্য

shiul'র সাম্প্রতিক লেখা