প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিবকে দেশে ফেরত
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব (ডিপিএস) মাহবুবুল হক শাকিলকে নিউইয়র্ক থেকে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, মাতাল অবস্থায় মধ্যরাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মহিলা কর্মকর্তার কক্ষে জোরপূর্বক প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন শাকিল।
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদের মন্তব্য জানতে বারবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তবে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী মুখ্য সচিব মো. আবদুল করিম শাকিলের দেশে ফেরার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। খবর নিউইয়র্ক থেকে নিউজ ওয়ার্ল্ডের।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নিউইয়র্ক সিটির গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে শাহনাজ গাজীর কক্ষে মাতাল অবস্থায় প্রবেশের চেষ্টা করেন শাকিল। তবে, তিনি কক্ষে প্রবেশ করেছিলেন কি না, সে বিষয়ে কেউ মুখ খুলছেন না। শাহনাজ গাজী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিসে পরিচালক হিসেবে কর্মরত।
বিষয়টি নিরাপত্তা বিভাগকে জানানোর পর তারা অবিলম্বে শাকিলকে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের নির্দেশ দেয়। অন্যথায় এ ধরনের ঘটনায় যৌন হয়রানির জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আইনে।
ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে বলে গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন। এ জন্য তাঁরা বাংলাদেশ মিশন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন বলে জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, ঘটনাটি প্রধানমন্ত্রীর কানে গেলে তিনি তাত্ক্ষণিকভাবে শাকিলকে দেশে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পররাষ্ট্রসচিব মিজারুল কায়েসকে ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি এ বিষয়ে নিজের অজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত এ কে আবদুল মোমেন বলেন, ‘আমি এ ধরনের কোনো ঘটনা শুনিনি।’
জাতিসংঘের ৬৫তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে ১৯ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে নিউইয়র্কে আসেন মাহবুবুল হক শাকিল। তিনি একসময় ছাত্রলীগের সহসভাপতি ছিলেন।





ঘটনা সত্যি হলে ডিপিএস সাহেবের এহেন আচরণের কারণ যা হতে পারে-
১. উনি ভাবছিলেন এমন কিছু করলে আম্রিকার জেলহাজতে ঢুকে সেদেশে থেকে যাবার সুযোগ পাওয়া যেতে পারে।
২. কাজকর্মের চাপে অনেকদিন ছুটি পাচ্ছিলেন না। তাই ভাবছিলেন জাবি শিক্ষক ছানোয়ার সাহেবকে অনুসরণ করলে লম্বা মিলতে পারে।
দলীয় আর্মস ক্যাডার থেকে পিএস ক্যাডারে প্রবিষ্ট সবাই কমবেশি এই চিজ।
**লম্বা ছুটি
এটাই তো তার সবচেয়ে বড় যোগ্যতা। আমাদের দেশের সেনার ছেলেরা সোনার বাংলাদেশ গড়বে।এসবই তো তার প্রমাণ।
এই লজ্জা আমাদের। লজ্জায় মাথা নুইয়ে থাকা ছাড়া আর কিছু তো করার নাই।এদরে তো আর লজ্জা হবে না।
পরিচালকের যদি এই অবস্থা হয় তাহলে সাধারন পোষ্টের মেয়েদের কি অবস্থা হয় কে জানে?
ধন্য দেশের ধন্য ছেলেরা আমার। দেশে সুযোগ পায় নাই তাই এট্টু এ্যামেরিকান হতে চেয়েছিলো
আফসোস... প্রকাশ্যে জুতানোর কোন শাস্তির বিধান নেই। নইলে এ ধরনের কেস গুলোতে প্রচলিত বিচারের বাইরে প্রকাশ্য রাস্তায় জুতানোর একটা শাস্তির বিধান থাকা উচিত। চলুন, এই ব্যাটাকে ভার্চুয়াল জুতাপেটা করি। জুতোপেটার ইমো দরকার!
ঘৃনা, ধিক্কার......এসব সোনার ছেলেদের দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দিয়ে দেশকে অপমান করল যারা তাদেরও শাস্তি দাবী করি আমি।
অপরাধের জন্য প্রাপ্য শাস্তির পাশাপাশি শুধু দেশকে অপমান করার জন্য শুয়োরের বাচ্চাটারে বাড়তি ৫০ বছর ডান্ডাবেড়ি লাগাইয়া রাখা হোক।
চুপচাপ পড়ে গেলাম।
বাপের ব্যাটা শাকিল্লা
যে বা যারা এই বীরপুরুষরে নিয়া নিন্দা বাক্য বলছেন তাদের প্রতি তিবরো ধিককার
বাঙালী কারে পুরষ্কার দিতে হয় সময়ে কেন যে ভুইল্যা যায় বুঝিনা-আফসুস! এরে অবশ্যই গলায় ফুলের মালা দিয়া বরণ করা উচিৎ ছিলো। পরে ট্রাকে উঠাইয়া শহরময় প্রদিক্ষণপূবর্ক তার কৃতিত্ব বর্ণনার দরকার ছিলো। তাইলে সবাই বুঝতো, নারী নির্যাতনরে(সাম্প্রতিক কালের "ইভ টিজিং") বাঙালী দেশথে বিদেশে কেমনে টাইন্যা নিতে সক্ষম।আম্রিকা আইস্যা খোললাম খোললা পেয়ারে যে বা যারা বাধাঁ প্রদান করছে তাগের মাথাত ঠাডা পড়ুক---জয় বাবা শাকিল 
বাতিঘর, আপনাকে দেখেই লগ ইন করলাম। দেখি না কেন?আপনার মজার কমেন্ট দেখি না ব্লগে।
এইটা ঠিক না।
এট্টু বিজি ব্যস্ত ছিলাম গো বইন। আপনি আছেন কিরাম কন? আজ ঢাকার আকাশ কী মেঘলা নাকি? আপনার খিচুড়ি খাওয়া হইছিলো নাকি সেদিন?
আমি আছি ভালোই। ঢাকায় আজ কড়কড়া রোদ।খিচুড়ী খাওয়া আর হলো না। আফসুস।
কী কন আফসুস করবেন কেনু? ঐটা শুনেন নাই? " আজ যে ছোট কাল সে বড়, ঐ মিয়ারা সবুর করো।" কবি এইখানে কী বুঝাইতে চাইছেন কনদি? সবুরে মেওয়া ফলে।আপনিও সবুর করেন বইন। আজ হয়নাই কাল হাড়ি হাড়ি খাইবেন। তয় কাড়াকাড়ি কইরেন না গো। মিইলামিশিয়া খাইয়েন। ভালু থাইকেন বইনটি
আইসক্রিম আর আচার ছাড়া কোন কিছু নিয়াই কাড়াকাড়ি করি না।
আপনের কমেন্ট পড়েই মন ভালো হয়ে যায়।
ভুয়া নিউজ।
সব নিউজ প্রথমে ভূয়া থাকে পরে দেখা যায় সত্য!
সব ছবি এডিটিং হয়, সব ভিডিও মেকিং বলা হয়, পরে দেখা যায় মাটির মত খাটি!
(মনে হয় ভুল লিখলাম!)
‘আমি এখন প্রধানমন্ত্রীর দফতরে অফিস করছি’
দিনের শেষে প্রতিবেদক : রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মাহবুবুল হক শাকিলের নিউইয়র্ক থেকে দেশে ফেরত আসা সম্পর্কে দিনের শেষেতে গতকাল প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আমি আজ যথারীতি প্রধানমন্ত্রীর দফতরে অফিস করছি। কাউকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হলে সে তো অফিস করতে পারে না। আমি ঊর্ধ্বতন কর্র্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে বিশেষ কাজে দেশে ফিরেছি। যে ঘটনা উল্লেখ করে আমাকে জড়নো হয়েছে তার কোনো ভিত্তি নেই। সরকারি কর্মকর্তারা সরকারি আদেশ (জিও) ছাড়া দেশের বাইরে যেতে পারে না, নিজের ই”ছায় আসতেও পারে না। তাই আমি সরকারের অনুমতিতেই দেশে এসেছি।’ উল্লেখ্য, জাতিসংঘের ৬৫তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী হিসেবে নিউইয়র্কে যান শাকিল। সেখানে গ্রান্ড হায়াত হোটেলে অন্যদের সঙ্গে তিনিও অবস্থান করছিলেন। গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে একই হোটেলে অবস্থানকারী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক নারী কর্মকর্তার সঙ্গে অপ্রীতিকর ঘটনার জের ধরে তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করে তৎক্ষণাৎ দেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয় বলে নিউইয়র্ক থেকে সাংবাদিক দর্পণ কবীর তার রিপোর্টে জানান। দৈনিক দিনের শেষে পত্রিকায় ওই খবরটিই প্রকাশিত হয়। অভিযোগ খণ্ডন করে শাকিল বলেন, ‘এটা পুরোপুরি মিথ্যা কথা।’ যে নারী কর্মকর্তার কথা বলা হ”েছ তার নিউইয়র্কের মুঠোফোন নম্বর এই প্রতিবেদককে দিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রয়োজনে তার সঙ্গে কথা বলে দেখুন এই ঘটনা কতটা সত্য।’ তবে নিউইয়র্কে ওই নম্বরে ফোন করে উল্লিখিত নারী কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি।
পুনশ্চ : আশা করছি নিউজটা পড়ে আপনারা আনন্দ পেলেন। হা, হা,হা।
http://www.amadershomoy.com/content/2010/09/28/news0876.htm
এরা খাদ্য হিসেবে কি পদার্থ ভক্ষন করেন??? পা চাটা কুকুর শালা
http://www.amadershomoy.com/content/2010/09/28/middle0822.ht
হাসবো না কাঁদবো!!!
উনাকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রি নিয়োগ করা হউক
মন্তব্য করুন