অন্য ভুবন
আমাদের বাড়ির পাশে এক চিলতে জমি, তারপরই বিশাল সবজীর ক্ষেত। তারপর সোজা দেয়ালের মতো উঠে গেছে পাহাড়। বাড়ির উত্তর দিকের আকাশটা আর দেখা যায় না তাই। পাহাড়ের ধাঁপে ধাঁপে ঝোপঝাড় আর ছোট বড় নানা রকম গুহা। সেগুলোকে আমার রাক্ষসের মুখ মনে হয়। মনে হয় এই বুঝি আমাকে গিলে খাবে। আমি আর এই পাড়ার সব ছোট ছেলেমেয়ে ঐ পাহাড়টাকে ভয় পাই। ওখানে নাকি দানব আছে। মানুষ পেলেই নাকি খেয়ে ফেলে।
রাতে ঘুমোতে যাবার সময় আমি প্রায়ই উত্তরের পাহাড় থেকে দানবগুলোর ফিস ফিস কথা বলার শব্দ শুনি। ফিস ফিস করে কি যেন বলে ওরা। আমি তখন মায়ের বুকে মুখ লুকাই। বাবাকে জিজ্ঞেস করি, বাবা ওখানে কি আছে? আমি যে ওদের কথা শুনতে পাচ্ছি। বাবা মুচকি হাসেন।
-বাবা, আমি কি একদিন ঐ পাহাড়ের গুহাটাতে গিয়ে দেখে আসবো, ওখানে কি আছে?
বাবা আঁতকে উঠেন। বারবার করে শপথ করান যেন আমি সেখানে না যাই। কেন বাবার মতো বড় মানুষটাও ভয় পান? তাহলে কি এটাই সত্যি, ওখানে দানব আছে? কিন্তু আমি তো স্কুলের বইতে পড়েছি, দৈত্য দানো বলে কিছু নেই। তাহলে কেন বাবা ভয় পান? আমাকে এখানে যেতে দিতে চান না।
পড়ন্ত বিকেলে আমাদের এই পাড়ার সব ছেলে মেয়ের খেলার বিষয় হয়ে যায় দানো দানো খেলা। কেউ দানো হতে চায় না। তারপরও মুখটা আমসি করে প্রতিদিন রুবাইকে দানো হতে হয়। আমাদের মধ্যে ওই একটু বেশী মোটা কিনা, তাই।
রাতে ঘুমোনোর সময় আমি আবার দানবদের ফিসফিসানি শুনি।কেন যে বাবা মা কেউই সেটা শুনে না? কেবল আমি শুনি।
এভাবে দিন যায়। আমাদের দানো দানো খেলা চলতে থাকে। আর প্রতিরাতেই আমি গুহা থেকে দানবদের ফিসফিসানী শুনে ঘুমোতে যাই। যেন কোন বুদ্ধি আটছে, কবে এসে এই পাড়ার সব ছোট ছেলেমেয়েদের ধরে নিয়ে যাবে।
নাহ্, আর সহ্য হয় না। মানবদের এই ফিসফিসানীর একটা সুরাহা করতে হবে। তাই একরাতে সবাই ঘুমিয়ে পড়লে আমি টর্চলাইট টা হাতে বেরিয়ে পড়ি।পুরো পড়াটা নিস্তব্ধ। দূরে হাবুদের কুকুরটা একটা দু'টো চিৎকার করে থেমে যায়। আমি খুব সাবধানে এগিয়ে যাই পাহাড়ের দিকে। তখনো শুনছি দানবদের ফিসফিস কথা বলার শব্দ। বুকের মাঝে হৃদপিন্ডটা যেন দুম দুম শব্দ করছে। মনে হচ্ছে পাহাড়ের দানবের মতো একটা দানব ঢুকে গেছে বুকের মাঝে। বুকটা ছিড়ে বের হয়ে আসবে।
দানবদের ফিসফিসানী বন্ধ হয় না। আরো যেন বারে। যেন বলছে আয় আয়, তোকে আজ জ্যান্ত চিবিয়ে খাবো। ভয়ে আমার পা চলে না। মনে হয়ে ঝেড়ে দৌড় দেই পেছন দিকে।তারপরও আমাকে যেতে হবে। কৌতুহল আজ মেটাতেই হবে।
আর কিছু দূর গেলেই গুহা। ঐ গুহা থেকেই আসে দানবদের ফিসফিসানীর শব্দ। টর্চ হাতে গুহায় ঢুকি। ছোট্ট একটা গুহা। হিস হিস করে সেখান থেকে শব্দ আসছে। এখন আর সেটাকে ফিসফিসানি মনে হচ্ছে না। একটু সাহস বাড়ে আমার। আরো এগিয়ে যাই। ছোট্ট একটা সুরঙ্গ। অনেক ঝোপঝাড়। ঝোপঝাড় পার হতেই শব্দ থেমে যায়। আমি আবার ঝোপঝাড়ের এপাশে চলে আসি।আবার ফোসফোস শব্দ। স্কুলের বিজ্ঞান বইয়ের শব্দের পরীক্ষার গুলোর কথা মনে পড়ে যায়। ঝোপঝাড়ের ফাঁকে বাতাসের প্রবাহের ফলে এই ফোঁস ফোঁস শব্দ শোনা যায় সেটা বুঝতে আমার আর দেরি হয় না। যেটা দূরে আমাদের পাড়া থেকে দানবের ফিসফিসানি বলে মনে হয়। এতো সহজ একটা সমাধান দেখে নিজের উপরই রাগ হয়। এই বাতাসের খেলা কে কি ভয়ই না পেয়েছি সেই ছোট বেলা থেকে। নিজেকে খুব বোকা মনে হয়।দানবের ফিসফিসানী রহস্যের সমাধান করে ফিরে আসি বিছানায়। কেউ জানতেও পারে না সবার অগোচরে আমি বড় হয়ে উঠছি।
পরের দিন থেকে আর দানবের ফিসফিসানি শুনি না। পাহাড়ের ঐ গুহায় তো কোন দানব নেই। ভালো লাগে না রুবাইদের সাথে দানো দানো খেলা। মুখোশ পড়ে দানো সাজা মুটকো রুবাইকে মনে হয় সার্কাসের সঙ। পাহাড়ের কোলের রহস্যময় দানো আর আমাকে টানে না।
---------------------------------------------------------------------------------
প্রশ্ন শুনে ফুটফুটে ছেলেটার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকি আমি।
-বাবা ঐ পাহাড়ে কি আছে? কেমন ফিসফিস করে কারা যেন কথা বলছে। ওরাই কি দানো?
-কই বাবা, আমি তো কোন শব্দ শুনছি না।
-না বাবা আমি স্পষ্ট শুনছি। দানোগুলো একে অপরের সাথে ফিসফিস করে কথা বলছে।
খুব ইচ্ছে হয় পাহাড়ের গুহার ঐ শব্দ যে দানোর না, ঝোপঝাড়ের ফাকে বাতাসের খেলায় তৈরী শব্দ, তা বলে দিয়ে ছেলেটা ভয় ভঙ্গিয়ে দেই। কিন্তু করি না । দানবে ভরা স্বপ্নের জীবনটা যে আমাকে এখনো টানে।
-তাহলে বাবা আমি একদিন ঐ পাহাড়ে গিয়ে দেখে আসি, সেখানে কি আছে?
আঁতকে উঠি আমি। এই বুঝি বড় হয়ে গেলো আমার ছোট্ট ছেলেটা।'না বাবা, ওখানে যায় না।' কৃত্রিম ভয় ফোটাই নিজের চেহারায়। থাক না ছেলেটা আরো কিছু দিন তার সুন্দর ভুবনটাতে।
*****
কিছু কথা:রহস্যকে কখনো ছুঁতে হয় না।রহস্যের ও একটা সৌন্দর্য আছে। সেটাকে ছুঁতে গেলে তার সৌন্দর্য নষ্ট হয়। আমার খুব প্রিয় একজন লেখক আইজাক অসিমভ। তার একটা উক্তি আমার খুব প্রিয়। অপ্রাসঙ্গিক হলেও এখানে দেয়ার লোভটা সামলাতে পরলাম না।
The most exciting phrase to hear in science, the one that heralds the most discoveries, is not "Eureka!", but "That's funny…"-Isaac Asimov
(পূর্ব প্রকাশিত)





সাইফাইয়ের বাইরে অন্য ভুবনে সিজারকে স্বাগতম
চট্টগ্রামে বাটালি পাহাড়ের একটা শাখা, যেটা আমবাগান-ঝাউতলার দিয়ে এগিয়েছে, সেখানে পাহাড়ের মাথায় অনেক পুরনো দুটো পরিত্যক্ত বাড়ী ছিলো। একটার আবার গোলাটে ঢালু বিটুমিন-দেয়া কালো ছাদ। আমার ছোটবেলার সময়টাতে ওই এলাকার নির্জনতা বর্ণনাতীত; তখন ঐ দুটো বাড়ীর নাম ছিলো ভূতের বাড়ী। দুপুরের পর কেউ আর পাহাড়ে বেড়াতে যেতো না, অনেক কাহিনী চালু ছিলো। একটা সময়ে পাহাড়ের নীচে বস্তি গজালো, পাহাড় কাটা পড়লো, তখন আর ভয় রইলো না, কিন্তু রহস্যময়তা হারিয়ে জায়গাটা তার বৈশিষ্ট্য হারিয়ে যাচ্ছেতাই হয়ে গেলো...
এবার চিন্তা করে দেখেন, আসলে আগেকার দিনের যারাই এইসব গুজব কিংবা আলগা ভয় পয়দা করেছিলেন, তারা একটা উদ্দেশ্য মাথায় রেখেই হয়তো করেছিলেন। তাদের তৈরি করা কুসংস্কারের জন্যই আমরা পাহাড়টা দেখে যেতে পেরেছি।
মানুষ জ্ঞানী হবে, জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হবে...তারপর সেই আলোয় ঝলসে যাবে...এটাই নিয়তি।
আমি এটাই বলতে চেয়েছি, মানুষ বড় হয়ে গেলেও শিশু শুলভ কল্পনা শক্তিটা যেন হারিয়ে না যায়। মানুষ আবিষ্কার করবে না তা না। অবশ্যই করবে। কিন্তু কোন একটা কিছু আবিষ্কার করেও ব্যাপরটাকে কেবল একটা মজা হিসেবে নেয়া, আমি সব জানি বলে কল্পনা-স্বপ্ন এগুলোকে হারিয়ে ফেলাটা যেন না হয়। জানি না ঠিক ভাবে বলতে পেরেছি কিনা। মানুষ বড় হবে, কিন্তু ভেতরের ছোট শিশুটাকে হত্যা না করে।
"মানুষ জ্ঞানী হবে, জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হবে...তারপর সেই আলোয় ঝলসে যাবে...এটাই নিয়তি"
এইটা কি ভাঙ্গা'র নিজস্ব বাণী?
পরীক্ষার আগে আমার প্রিয় বাণী ignorance is bliss
ভাঙ্গা প্রথম থিকাই দার্শনিক। আমার সব গল্পে ছুড়ি না চালাইলে ওর ভালো লাগে না। আমার তো মনে হয় রবীন্দ্রনাথের গীতাঞ্জলী আইনা দিলেও ও একটা ডায়লগ মারবো
কবিতায় ছুরি চালাই না
আমি কবিতা লিখিও না। কারন কোবতে বুঝি না
সমব্যাথী হইলাম। আমিও বুঝি না
আমিও বুঝি না। তবে একটা লিখছিলাম, বিমা আর ড়াশুরে নিয়া, দুই লাইনের-
বৃষ্টি পড়ে ঝুরু ঝুরু
আমরা দুটি দামড়া গরু
এইটা খুবই পাঠকপ্রিয় হইছিলো
আমি কবিতা বুঝি না, কিন্তু পড়তে ভালো লাগে। কিন্তু সমস্যা হলো কেন ভালো লাগে সেটা বুঝি না।
ভালো থেকো তুমি,
চলতি পথে, বাসে কিংবা অন্যকোন খানে,
যখনই দেখি,
বলি, "ভালো থেকো তুমি"।
হয়তো আমি ভালো নেই,
হয়তো পুরোনো দিনগুলো আমাকে লুকিয়ে কাঁদায়,
হয়তো তোমার জন্য লিখতে বসি,
সবাইকে হাসিমুখ দেখিয়ে, ভেতরে ভেঙ্গে পরি শক্ত আমি,
তারপরও বলি, "ভালো থেকো তুমি"।
এখনো আমি কিসের অপেক্ষায় থাকি,
বাজবেনা যেনেও ফোনটার দিকে তাকিয়ে,
দিন যায়, বেলা যায়,সন্ধ্যা ফুরায়,
তারপরও বলি, "ভালো থেকো তুমি"।
আমি জানি,
হয়তো আমার আর ভালো থাকা হবে না,
হয়তো স্মৃতিগুলো বুকে নিয়ে বেঁচে থাকবো,
সময়ের স্রোতে একদিন হারিয়ে যাবো,
তবুও বলি, "ভালো থেকো তুমি"
-ইহা আমার কতৃক রচিত একমাত্র কবিতা।
ভাইয়া... কবিতা আমিও বুঝি না। কিন্তু, ঈমানে কইতাছি আপনার কবিতাটা ভাল্লাগ্ছে।
নিজেরে কুবি কুবি লাগছে।
এইটা আম্রা বিশ্বাস করিনা ,তাড়াতাড়ি চিপা থেইকা কোবতে বের করেন
আমারে চিপা দিলে স্ক্রু ঢিলা মার্কা দুই একটা গল্প বাইর হৈতে পারে, কিন্তু কোবতে ইম্পসিবল
চাপাচাপির নাম কইরা বেবাকতে দেখি চামে চামে নিজেগো কোবতে লিখা শুরু কইরা দিলো
ইউ আর অলসো অয়েল কাম
লাইক দিলাম।
খাইসে!!!
ভাংগা তো ফাটায়া দিল!!!
সেই রকম হইছে
এভাবেই বড় হতে গেলেই রহস্য গুলো হারিয়ে যায়। তখন মানুষ নিজেই রহস্যময় হয়ে যায়। আমি রহস্য ময় হতে চাই না। আর তাই বড়ও হতে চাই না
কিছু রহস্য অমীমাংসিত থাকলেই মনে হয় ভালো লাগে...সবকিছু যন্ত্র হইয়া গেলে ঝামেলা। বড় হইলে আসলে মানুষ মুখোশ পরে। ঐ মুখোশে রহস্য থাকে কীনা জানি না, তয় কপটতা থাকে। এর লেইগা আমারো বয়স বাড়লে ভয় লাগে।
লেখালেখির ঢঙে যা'ই হোক। ব্যক্তিগত জীবনে আমি ইম্যাচিওর্ড থাকতে পছন্দ করি। যদি শৈশবের মতোন থাকতে পারি সেই আশায়...
আর হ্যা আপনের লেখা পড়তে আরাম পাইছি...
আমিও বড় হতে পছন্দ করি না। কিন্তু সমস্যা হলো আশেপাশের সবাই জোর করে বড় করে তোলে
ভাল লেগেছে।
ছোট থাকাই ভাল, বড় হয়ে লাভ কি?
আপনিই আমার মনের কথাটা বুঝলেন:)
ভাইয়া প্যান্স ল্যাবিরিন্থ ম্যুভিটা দেখেছেন ?
আমাদের কল্পনা আর বাস্তবের ফারাকটা কতটা ট্র্যাজিক হতে পারে তা এই ম্যুভি নাদেখলে কখনোই বুঝতে পারতামনা ।
না এটা দেখা হয় নাই। দেখি আজই ডাউনলোড দিবো। কোন টরেন্ট লিংক আছে?
এইটা একটু দেখেন
http://stagevu.com/video/wtuvagzjtnuq
অনেক অনেক ধন্যবাদ।
স্বাগতম। ভালো লাগলো আপনার লেখাটা। কিন্তু এটাও দেখি পুরান লেখা। হইলো কী? সবাই খালি দেখি পুরান লেখা দেয়... নয়া লেখা কেউ দেয় না
নতুন কিছু লেখা হয়ে উঠছিলো না বলেই পুরনো লেখা দেয়া। কিন্তু ব্লগটাকে তো সচল রাখতে হবে। তাই পুরনো কম পঠিত লেখাটি দিলাম। তবে অবশ্যই সবার চেষ্টা করা উচিৎ নতুন লেখা এখানে দেবার। আমিও সেই চেষ্টাই করবো।
ধন্যবাদ জায়েদ। আপনার লেখা ভালো লেগেছে। নতুন লেখা পড়ার অপেক্ষায় রইলাম।
অনেক ধন্যবাদ নজরুল ভাই। আগ্রহ করে পড়ার জন্য, সেই সাথে উৎসাহ দেবার জন্য।
মনের কথা গুলো যখন ঠিক ঠিক কেউ বলে দেয় তখন তাকে আমরা ভালো লেখক বলি।
আর কিছু কৈতে হবে?
এক কথায় এতো সুন্দর মন্তব্য যে করতে পানে সেও যে ভালো লেখক তা কি মনে করাইয়া দিতে হবে??
আইজকালকার পোলাপাইনে জন্ম থিকাই দুইন্যার পাকনা... আর হবেইবা না কেনো। আমরাও তো তাও ছোটোবেলাতে এতটুকু হলেও মাটি, বন, পাহাড় এর ছোঁয়া পেয়েছি, এই বেচারাদের কপালে তো টিভি আর পিসি ছাড়া কিছুই জোটে না....
আমি অহনতর তেইল্লাচুরা দেখলে দশ হাত দূরে গিয়া খাঁড়ায়া থাকি, আর আমার দেড় বছরও হয় নাই এমন ছেলেটা দাঁত কেলায় হুপ হুপ (এইডা হের বকা দেওনের ইসটাইল) করতে করতে সেই তেইল্লাচুরা মারতে দৌড় দেয়... এগোর সামনে আমাগো দিনের দৈত্য দানোর বেইল নাই....
আমি যখন ছুডু আছিলাম, আমার খুব প্রিয় একটা খেলা আছিল টিকটিকি'র লেজে বাড়ি মারা!!
লেজটা হঠাৎ কইরা পইরা কি সুন্দর করে লাফাইতো!! বড়ই মচৎকার!!
এখন বুড়া হইয়া গেছি, এখন আর ভাল্লাগে না।
টিকটিকি নিয়া একটা গল্প মাথায় আছে। শুরুটা আছে খালি। শেষটা এলেই ঝেড়ে ফেলবো।
....চরম লাগলো....
শেষের পাদটীকা না দিলেও পাঠক ঠিকই বুঝতে পারছে বক্তব্যটা, তারপরও ঐটা মনে হয় লেখকের পরিতৃপ্তির জন্য, না?...
খুব ভালো লাগলো.....
অনেক ধর্যবাদ শাওন
লেখাটা দারুন।
ধইন্যা ধইন্যা
মন্তব্য করুন