তানিম হক'এর ব্লগ
বিষাক্ত রূপ
তোমার ঠোটের রং
প্রতিনিয়ত পাল্টে দেয় আমাকে
তোমার চাহনী, হাসি কিংবা...
কিংবা ভেঙ্গচি কাটা
সবই আমাকে নাড়া দেয় ।
তোমার দশটা পাঁচটা ছবি
অথবা টিস্যুর ভাঁজে চুম্বন চিহ্ন
আমাকে প্রায়ই মাতাল করে ।
যে রাতে তোমার হাতের ছোঁয়া
বাড়াতে থাকে হৃদকম্পন
আমি বদলে যাই, বদলে আমাকে যেতে হয়।
তুমি যদি একবার দেখতে
তোমার বিয়ের দিন
তোমাকে কত সুন্দর লাগছিল
যদিও সেটা আমার জন্য নয়।
ভ্রমর এসে মধু খেয়ে যায়
মৌমাছি প্রেমিক মন পালিয়ে বেড়ায় ।
কিছু কিছু রূপ আছে যা মানুষকে অন্ধ করে দিতে পারে । কিছু কিছু চাওয়া আছে যা মানুষকে একমুখী করে তুলে । সকল কিছুই এলোমেল করে দ্যায় ।মাঝে সাঝে কিছু অদ্ভুত লোকদের সাথে আলাপচারিতা হয়, যারা এমন রূপে ঝলসানো । তাদের ঝলসানো জীবনটার একটা রেশ কিন্তু রয়েই যায় শেষ অবদি। এরকম অভিশপ্ত রূপ যেন আর কারো নজরে না আসে, সেই কামনাই করছি । - ধন্যবাদ
একটা ছাতা ঠিকানাবিহিন ( প্রেমের প্রচ্ছদ মন রঙ্গে আঁকা)
আজকাল ভীড় একদম সহ্য হয় না । সহ্য হয় না মাঝ রাতে চাঁদের সৌন্দর্য্য । তাই আজকাল আর রাত জাগি না। রাত মানেই এখন যেন সরল অংকের ফলাফল শুধুই ঘুম । মাঝে মাঝে শুধু একটা গান শুনি তাও আবার খুব হাল্কা ভলিউমে " আজ জোছনা রাতে সবাই গেছে বনে" আগে অবশ্য রাতে বিরহ বেহালা শুনতাম আর অপেক্ষা থাকতাম । অপেক্ষায় থাকতম, অনেক অপেক্ষা করতাম ওর জন্য । মনের ভিতর বাস করা একটা মেয়ের জন্য । অবশ্য আপনরা জানেন না সে কথা, বলতে, বলতে একটু লজ্জা হচ্ছে । তার নামটা হচ্ছে সূর্য্য মুখী সুকণ্যা । আসলেই এস যেন আমার স্বপ্নের কন্যা । সে প্রায়ই আসে, প্রায়ই আসে খুব গোপনে ।
স্বপ্ন মৃত্যু
গত কয়দিন ধরে ঝুম বৃষ্টি পড়ছে । খাওয়ার টেবিলে একফালি সরষে ইলিশ দেখতে মন চাইছিল আবিদ সাহেবের। হায় আফসোস মাসের শেষ প্রান্ত । আধমরা মাছি মারা কেরানির চাকুরী তাও আবার বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে । এখানে শুধু কাজের চাপ, ফাইলপত্র কাগজ কলম লক্ষ কিংবা কোটি টাকা এক মিছেমিছি হিসেব রাখা । এত টাকা প্রতি দিন সর্তকতার সাথে গুনতে হয়, জমা করতে হয় মালিক পক্ষের ব্যাংকে । একটা আহ ! একটা নোট যদি হত তাহলেই হয়ত খাওয়ার টেবিলে একফালি সরর্ষে ইলিশ এর দেখা মিলত। কি আর করা । আবিদ সাহেব ইদানিং প্রেমে পড়েছেন, তাই মাঝে মধ্যে দু'একটান চরুট খেতে ইচ্ছে করে, সেখানেও এক মহা ফ্যাসাদ ৩ টাকার সিগেরেট খেতে হলে সরকারকে দিতে হয় সাথে আরও ৫ টাকা । এ যেন বিষম খাওয়ার মতই । তাই একটা চুরুট কিনে তা নিভেয়ে রেখে আবার জ্বালিয়ে খান উনি, যদিও স্বাদ আর প্রথমবারের মত থাকে না, তবুও তরুর কথা মনে এলেই চুরুটা ফতুয়ার পকেট থেকে বের করে টানেন ।