ভালো কার ? সরকারের না জনগনের ? ৭০ এ এসে কি পেলেন মহাজন(!) ইউনুস ?
লেখায় অদক্ষ আমি তবুও এমন এক সংবাদ পেলাম আজ যে আমাকে একটা পোস্ট দিতে বাধ্য করছে আমার বিবেক।
গ্রামীন ব্যাংকের মতো এতো বড় প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হবার মতো তেমন মানুষ আমাদের হাতে আছে কি না তা জানি না, তবে আমার মনে হয় বাংলাদেশ ব্যাংক হয়ে সরকারের এ সিদ্ধান্ত সামাজিক উন্নয়নের প্রসারে বাধা হয়ে দাঁড়াবে, ঋণ গ্রহীতাদের আস্থা কেড়ে নেবে, বৈদেশিক সাহায্যের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরী হবে, দেশের ভাব মূ্র্তি ক্ষতির মূখে পড়বে।
গ্রামীন ব্যাংকের অপারেশন ম্যানুয়াল ঋণ নির্ভরশীলতা তৈরী করলেও তাতে সামাজিক ভাবে অর্থনৈতিক পরিসীমায় মানুষকে এক ধরনের প্রনোদনা দেয় যা উন্নয়নের ক্ষেত্রে দারুন প্রভাব রাখতে পেরেছে, জিডিপি এর হিসেবে হয়তো অবদান কম কিন্তু জন মানুষের অংশ গ্রহণে সামগ্রীক যে অবকাঠামো দিয়েছে এটা, তা বাংলাদেশকে অনেক এগিয়ে নিয়েছে। দেশের রাজনীতি যখন মানুষের কল্যান বয়ে আনে না তখন সাধারণ মানুষ নিয়মের মাঝে থেকে অর্থনৈতিক কর্ম কান্ডে নিজেকে নিয়োজিত করে একটা সমাধানে যেতে চাইলে গ্রামীণ ব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠান থেকে জন মানুষের বহুমূখি কর্ম পন্থার জন্য অর্থ সরবরাহ অত্যন্ত জরুরী।
নোবেল বিজয়ী ইউনুসের রি-প্লেসের জন্য যোগ্য নেতৃ্ত্ব আমি দেখিনা আর ওখানে সরকারের পছন্দের লোক নিয়োগে প্রতিষ্ঠানটি তার পলিশি বার বার চেঞ্জ করে রাজনৈতিক ও ভোট কেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। কেবল বয়সের কারণ দেখিয়ে ইউনুসের অপসারণ যদি কোন উপকারী উদ্যোগ হতো প্রতিষ্ঠানটির জন্য তবুও মেনে নেয়া যেত কিন্তু যেখানে ৯০ লাখ ঋণ গ্রহীতার আস্থা সংকটে পড়বে সেখানে এমন একগুয়ে সিদ্ধান্ত দেশের জন্য ভালো হলো না। যেখানে পুঁজি বাজারে ৩৪ এর মধ্যে ১১ লক্ষ বিনিয়োগকারীর পুঁজি শূন্যের কোঠায়, চরম সংকটে বাকি ২৩ লক্ষ সেখানে ইউনুসের মতো একজন অভিভাবক কে তার ৯০ লক্ষ গ্রাহক থেকে আলাদা করে আসলে আমরা কোন দিকে এগিয়ে চলেছি তা বুঝা যাচ্ছে না তবে এটা নিশ্চিত যে আমরা খারাপের পথে শক্তি ক্ষয়ে মেতেছি।
প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ব্যবসা আর গরীব শোষনের কথা বলা হচ্ছে কিন্তু এর মাধ্যমে যারা নিজ পায়ে দাঁড়িয়েছে তাদের সংখ্যাও তো কম নয় আর আমি যত টুকু জানি গ্রামীন ব্যাংক কাউকে জোর পূর্বক ঋণ প্রদান করে না এবং অর্থনৈতিক কর্ম কান্ডকে মনিটর করে নিয়মিত। ৩ যুগে যার হাত ধরে এই প্রতিষ্ঠান এ অবস্থান পেয়েছে তাঁর অপসারনের পরে সামনের দিন গুলো কেমন হয় তা দেখার বিষয় হয়তো হবে কিন্তু রাজনৈতিক তান্ডবে প্রতিষ্ঠানটি হয়ে উঠবে অতীব দলীয় আর পশ্চাৎ মুখি।
সরকার বা ইউনুস, জয় পরাজয় কাউকেই তেমন ক্ষতিতে ফেলবে না যত খানি ক্ষতি হবে দেশ ও জনতার। সুদ খোর ইউনুসকে অপসারণ করা হচ্ছে বয়সের কারণে কিন্তু সুদখোরি প্রতিষ্ঠানটি ঠিকই টিকে থাকবে শোষনের দাবানল জ্বেলে তা হলে লাভটা কার হলো !! সুদখোরি উক্তি করে যদি জনগনের সেবা নিশ্চিত করা যায় আর ন্যায় ভিত্তিক সমতার সমাজ গড়া যায় তবে শত ইউনুসের অপসারণে জনতা পুলকিত হবে কিন্তু যদি তা রাজনৈতিক ফাইদার কেন্দ্রে পরিণত হয় তবে ভোটের দিনই জনতা মনে রেখে মত দিবে।
সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক আর নোবেল বিজয়ীকে সংযত হতে অনুরোধ করছি, বিশেষ করে ডঃ ইউনুসের প্রতি অনুরোধ, প্লীজ একবার দেখতে দিন আমাদের, আপনার ঐ প্রতিষ্ঠানটি কি ভাবে পার্টি অফিসে পরিণত হয়ে যায়। আর বিরোধী দলের কাছে নিবেদন আষাঢ়ে গল্প ফেঁদে জনগনকে কষ্ট দেবেন না এই ইস্যু নিয়ে। আদালত,ইউনুস,আমেরিকা,সরকার ভেবে মরুক আর প্রকৃ্ত মরণে ডুবে যাক ৯০ লক্ষ।





ভালো লাগলো
ধন্যবাদ
ক্রমশই দেখছি, ব্যক্তিগত ক্রোধ, চাওয়া-পাওয়া আর প্রতিহিংসাই ছাপিয়ে যায় সবকিছুকে।
নোবেল বিজয়ীর সাথে যা হলো তাতে মনে হচ্ছে আপনার কথা গুলোই আমাদের জাতীয় জীবনের মূল কথা। খুব খারাপ কিছু হলো। শেয়ার বাজারে লুট হলো নিয়মের মধ্যে থেকে আর গ্রামীন ব্যাংক লুট হবে ইউনুস কে কৌশলে সরিয়ে দিয়ে।
ধন্যবাদ আপনাকে।
চোরে চোরে মারামারি, ফলাফল সাধারণ লোকজনের জীবন ধ্বংস।
চোর কে? স্পষ্ট করে জানতে চাই।
হুমম
হুমম বলে চুপচাপ থাকলে তো অন্যায়কে মেনে নেওয়া হলো, নাগরিক হিসাবে একটা প্রতিক্রিয়া থাকতে হবে তা না হলে যা খুশি তাই করবে সরকার, মনে করবে দেশের নাগরিকেরা বোকা আর বেইজ লেশ।
ধন্যবাদ
চুপচাপ পড়ে গেলাম।
(স্বাগতম আপনাকে। আরো লিখুন)
ধন্যবাদ
চুপচাপ থাকলে হবে না , কিছু বলতে হবে।
মন্তব্য করুন