ইউজার লগইন

ভয়

১.
হলিউডের সবচাইতে বেশি বাজে মুভি তৈরি হয়েছে হরর জেনারের--আমার নিজস্ব মতামত। হররের নামে উদ্ভট গেটআপ আর সাউন্ড এফেক্ট, হঠাৎ করে নীলমুখের এক বান্দর মুখের সামনে লাফ দিয়ে উঠবে আর বাজ পড়ার মতো আওয়াজে আপনি চমকে উঠবেন--এটুকুকেই হরর সীন বলা যায় এসব মুভির। বলছি না যে হরর জেনারের সব সিনেমা রদ্দি মাল... কিন্তু যে কয়খানা হরর আমাকে মুগ্ধ করেছে, তা মুভির অসাধারণ গল্প-ট্যুইস্ট-অভিনয় দিয়েই মুগ্ধ করেছে, ভয় দেখিয়ে মুগ্ধ করা তো দূরের কথা, হাতের দু-তিনখানা লোমও দাঁড়া করাতে পারেনি। সিনেমা দেখে এই বয়সে ভয় পাওয়া না হলেও আরেকটু কচি বয়সে "জী হরর" দেখেও ভয় পেতাম। তখনো মেকআপ এর উদ্ভটতা, কাহিনীর অবাস্তবতা কিংবা "ভূত বলে কিছু নাই" টাইপ জ্ঞান ছোট্ট মাথায় খেলতো না। পানির তলা থেকে হাঙ্গর যখন করাতমার্কা দাঁতের সারি বাগিয়ে টিভির পর্দায় লাফ দিত, আমরা তখন তার দ্বিগুণ লাফ দিয়ে সোফার উপর উঠে বসতাম, যেন সোফার নিচেই হাঙ্গর বসে আছে পা টেনে নেবার জন্য।

 

কয়েকদিন আগে এক মুভি নাইটে কাজিনরা মিলে দেখলাম প্যারানরমাল একটিভিটি। নানাপদের ফাজিল এক হলে যা হয়...হরর মুভি কমেডি মুভিতে পরিণত হয়ে গিয়েছিল সে রাতে। তারপরেও অন্যরকম মেকিং এর জন্য প্যারানরমাল একটিভিটি ছবিটা দারুণ লেগেছে, কাহিনী যদিও খুব পুরাতন।

 

 

ভয়ের ছবি দেখে ভয় পাওয়া আর বাস্তবে ভয় পাওয়ায় পার্থক্য আছে, এ কথা জোর গলাতে বলে আমাকে নিরস্ত করতে অনেকেই নিজের বাস্তব জীবনের জ্বীন-ভূতের অভিজ্ঞতা বলতে আসে। খুব স্বাভাবিকভাবেই আমি সেই বাস্তব অভিজ্ঞতাটাও গল্প বলে ধরে নিই। অশরীরী কিছু আমাকে বিশ্বাস করানো আসলে সম্ভব না। এমন না যে আমি খুব যুক্তিবাদী...মিসির আলীর চ্যালা। কিন্তু  বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় এমন কোন কিছুই আমি বিশ্বাস করি না--আফটার অল আমার মতো আলসে মানুষদের জন্য কষ্ট করা অনেক কষ্টের। বরং ভূত বাবা মাঝে মাঝে আমার মাথা চুলকে দিলে এটা বিশ্বাস করতে রাজি আছি যে মাথায় বেশ আরাম পাচ্ছি। আমার উপরের কথাগুলো পড়ে কেউ কেউ  মনে মনে হাসছেন আর বলছেন,"এখনো তো জীবনে কিছুই দেখস নাই রে, ব্যাটা!" তো যারা মুচকি মুচকি হাসছেন, তারা অট্টহাসি দিয়ে নিন, আমি এই ফাঁকে পরের প্যারায় যাই।

 

 

 

 

.

দুইটা জিনিসে আমার খুব ভয়। উচ্চতা আর গতি। উচ্চতাভীতি বা acrophobia টা ঠিক উচ্চতাভীতি বলা যায় না মনে হয়। পাহাড়ে উঠতে আমার ভয় নেই। উঁচু দালানে চড়তেও আমার ভয় নেই। তবে ছাদের রেলিং এর উপর কেউ একটা চায়ের কাপ রাখলেও সেটার দিকে নজর চলে যায়--পড়ে যাবে না তো! টেনশন শুরু হয়ে যায়। হিন্দি ছবির নায়কেরা গানের শুটিং করার জন্য এতো ঘন ঘন খাদের কিনারায় দাঁড়ায় যে তাদের জন্য ঐ চায়ের কাপের সমান টেনশন আর হয় না। বরং ধাক্কা দিতে মন চায় মাঝে মাঝে।

 

যাই হোক, আমার উচ্চতাভীতির একটা মজার উদাহরণ বন্ধুরা দেখেছে বিরিশিরি গিয়ে। পাহাড়ে চড়তে আমার ভয় নাই, নামতেও ভয় পাই না। তবে সমতলে বাঁশের সাঁকো, যার দু ফুট নিচে কাদা, সেটা পার হতে আমার ভীষণ ভয়। খাড়া নিচে কিছু দেখলে আমার ভয় লাগে। জনতা ব্যাংকের চব্বিশ তলার ছাদের কিনারায় দাঁড়া করিয়ে বাবা যখন নিচের রাস্তা দেখিয়েছিল, আমি ভয়ে বাবাকে জাপটে ধরেছিলাম। রেলিং ছাড়া ছাদের কিনারায় আমি কখনো যেতে পারিনি। আমার এ দুর্বলতা পুঁজি করে বোন আর মামাতো বোন ভয়ংকর এক কাণ্ড করেছিল।

 

তখন আমরা ছাদে লুকোচুরি খেলতাম... ট্যাংকির চিপায়, দেয়ালের আড়ালে, সিড়িঘরে। একদিন আমি চোর। যথারীতি কাউন্টডাউন শেষে আমার বোন আর মামাতো বোনকে খুঁজতে বের হলাম। পুরো ছাদে কোথাও পেলাম না। ছাদে খুব বেশি জায়গা নেই, আমি বেশ খানিকটা অবাক হলাম। সবখানেই তো খুঁজলাম...কোথায় গেল সব? অনেকক্ষণ সময় যখন পেরুলো, তখন একটু একটু পরে ভয় পেতে শুরু করলাম, ওদের ডাকতে শুরু করলাম নাম ধরে। খানিক পর ফিচফিচে হাসির আওয়াজ শুনে বুঝতে পারলাম ওরা কোথায় আছে। রেলিং ছাড়া ছাদ, ওরা ছাদের কিনারা থেকে নেমে নিচের জানালার কার্ণিশে গিয়ে বসে ছিল। আমি ছাদের কিনারার এক-দুই ফুট আগেই বসে পা হিচড়ে হিচড়ে প্রায় শুয়ে মাথা বের করে ওদের কাছে গেলাম। দেখলাম ওরা হাসছে তখনো। পুরো ব্যাপারটা লেখা পড়ে কেউ ভিজ্যুয়ালাইজ করতে পারবে কিনা জানি না...তবে ছয়তলার ছাদের কিনারায় গিয়ে দেখছি নিচের কার্ণিশে বসা দু'বোন--অনেকটা দিন আমার দুঃস্বপ্নের দৃশ্য এটাই হয়ে ছিল।

 

 

 

 

.

দুই কি তিনদিন আগের কথা। ধানমন্ডি চার নম্বর থেকে আল-জামী বাসে উঠলাম। গন্তব্য মিরপুর। বাস যাত্রীতে ভরপুর। আমি বসেছিলাম পেছনের চাকার উপরের সীটে, তিন সীটের মাঝের সীটে। বাসটা সংসদের সামনে মানিক মিয়া এভিনিউতে খোলা রাস্তা পেয়ে বেপরোয়া গতিতে চলতে শুরু করলো। গতি সামলানোর জন্য স্পীডব্রেকার বসানো, তবে বাসের ড্রাইভার পাত্তাই দিলো না। প্রথম স্পীডব্রেকারের ঝাঁকুনিতে পেছনের দিকের যাত্রীদের প্রায় উড়ে গিয়ে ছাদে টক্কর খাবার মতো অবস্থা। অশ্রাব্য গালির তুবড়ি ফুটলো যাত্রীদের মুখে। কিছুটা সাবধান হয়েই দ্বিতীয় স্পীডব্রেকার পেরুলো ড্রাইভার। কিন্তু তৃতীয় স্পীডব্রেকারে গতি আরো বাড়িয়ে পার হতে গেলে। তখনই বাধলো গোল।  স্পীডব্রেকারে উঠার আগ মুহূর্তে স্টিয়ারিংও বামে ঘোরানোতে কিছুক্ষণের জন্য নিয়ন্ত্রণ হারালো বাস, সামনে যাত্রীবাহী রিকশা...প্রায় চাপা দিতে দিতে বাস এবার উল্টা মোচড় দিল ডানদিকে। সাথে সাথে বাস ডানে কাত হয়ে গেল। আমি শক্ত করে সামনের সীটে হ্যান্ডেল ধরে বসলাম। প্রায় উল্টাতে উল্টাতে বাস উল্টালো না। তবে বিন্দুমাত্র গতি না কমিয়েই বাস খামারবাড়ির মোড়ে বামে ঘুরলো। কিছুক্ষণের জন্য মনে হয়েছিল ব্রেকফেল না তো?  বিজয় স্বরণীর সিগন্যালে  বাস থামাতে সে সন্দেহও অমূলক হলো। কিছুক্ষণের জন্য স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললাম। তারপরের কাহিনী অল্প...কিছুক্ষণের জন্য ড্রাইভারের ধোলাই চললো, সে ধোলাই প্রাপ্য ছিল। 

 

বাসায় এসে বুঝতে পারলাম, আমি গতিকেও ভয় পাই।

 

 

.

বড় বড় মনীষীদের কেউ না কেউ বলেছিল, আমার তীক্ষ্ণ(!) স্মৃতিশক্তির কল্যাণে মনে পড়ছে না কে বলেছিলেন--"মানুষের চাইতে ভয়ংকর প্রাণি নাই"। দৈনিক পত্রিকার পাতা উল্টালে প্রতিদিনই এ বাণীর সত্যতা মেলে। তারপরেও অদ্ভূতভাবে আমি অনেক হাস্যকর জিনিসে ভয় পাই, শুধু মানুষে ভয় পাই না। পাই না বললে ভুল হবে। পেয়েছিলাম একবার। সেই মানুষে ভয়ের গল্প বলে আমার প্যাঁচাল শেষ করবো।

 

তখন আমি অনেক ছোট, থাকি ধানমন্ডিতে, মামাদের সাথে সাবলেট। মা-বাবা আর ছোট ভাই এক ঘরে। আমি আর বোন আরেক ঘরে। আমরা যেন রাতে ভয় না পাই সেজন্য সাথে কাজের মেয়ে থাকে। মামারাও একইভাবে দু কামরা নিয়ে থাকে। এক রাতে চোর এলো। মায়ের ঘুম অনেক পাতলা। হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে গেল, তখনো চোর আমাদের তিনতলার জানালা ধরে দাঁড়িয়ে। মা আস্তে আস্তে বাবাকে জাগানোর চেষ্টা করলো...বাবা জাগতে জাগতে চোর পগারপার। জানালার ধারে বাবার প্যান্ট নিয়েই পালালো। মা তখন চিৎকার করে উঠলো "চোর! চোর!"  সাথে সাথে পুরো ঘরে শোরগোল শুরু হলো। টর্চ লাইট দিয়ে বাবা দেখতে চেষ্টা করলো জানালা দিয়ে। আমার বোন আর কাজের মেয়ে সূর্যের চাইতে বালি গরম সূত্রমতে মায়ের চাইতেও জোরে চিৎকার করতে লাগলো। নিচে দারোয়ান তার কোরবানির সময়কার রামদা-খানা নিয়ে বের হলো। বড় মামা মায়ের ঘরে এসে পুরো ঘটনা ঠাণ্ডা মাথায় বুঝতে চেষ্টা করতে লাগলেন। আর মামী খুঁজতে লাগলো খাটের নিচে...চোর ব্যাটা লুকিয়ে বসে আছে কিনা!

 

 

পুরো ঘটনায় সবার কথাই বললাম মোটামুটি, আমার ভূমিকা বলা বাকি আছে। সেরাতে আমার কান্ড আরো অনেকবার সবার হাসির খোরাক হয়েছিল।  সবাই চোর চোর বলে চিৎকার চেঁচামেচি করছিল, আর আমি ঘুম থেকে লাফ দিয়ে উঠে বললাম,"সাপ! সাপ!"। ঘটনা আসলে এরকম যে আমি সাপের স্বপ্ন দেখছিলাম, এর মাঝে চোর নিয়ে চেঁচামেচিতে ঘুম ভেঙ্গে যাবার পরে আমার মনে হলো ঘরে সাপ ঢুকেছে আর সবাই বুঝি সাপ নিয়েই চেঁচাচ্ছে। এদিকে আমার চিৎকার শুনে সবাই কিছুটা কনফিউজড হয়ে গেল...সাপ না চোর?

 

আমি কিংবা আমার বোন কেউই চোর দেখিনি। তবু কাজের মেয়ের বানানো গল্প, আর বোনের কাল্পনিক বিবরণে আমার স্মৃতিতে চোর হয়ে রইলো কালো-কুচকুচে-পেটলা-সারা গায়ে তেল মাখা এক ভয়ংকর চরিত্র...অনেকদিন আমরা একলা ঘুমাতে পারিনি তারপর... জানালার ধারে তো ভুলেও না। রাতে খুট করে শব্দ হলেও শিউরে উঠতাম, জানালার দিকে তাকাবার সাহসটুকু হতো না। বাথরুমে যেতে হলেও দরজা খুলে গান গাইতাম...যদিও আমাদের ছিটকিনিতে কোন সমস্যাই ছিল না 

 

 

 

 

.

খোমাখাতায় প্রবাসী এক স্কুলবন্ধুর স্ট্যাটাস(সচল হিমুর লেখা থেকে নেয়া) :

 

ভাবি, প্রবাসে আসলে প্রাপ্তিটা কী? উত্তর পাই ভেতর থেকে, প্রবাসে মানুষ সবচেয়ে ভালোভাবে পায় নিজেকে। আমি যে এমন আমি, কখনো তো দেখতে পাইনি আগে। নিজের ঘর ছেড়ে বহু দূরে অন্যের শূন্য হয়ে যাওয়া ঘরের জন্যে দুঃখ পাবো, এমনই কি মানুষ তবে আমি?বাড়ি ফেরার পথে টের পাই, মাইনাস দশ ডিগ্রী তাপমাত্রায় আসলে পানি জমে বরফ হবেই। সে যতই লোনা হোক...


এখন এটাই সবচাইতে বড় ভয়... ... ...

 

 

পোস্টটি ১৩ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

সাঈদ's picture


সবারই জীবনে ভয় কাজ করে , সে ভূত পেত্নীর হোক আর মানুষের মুখোশের হোক।

ভালো লাগলো লেখা।

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


যতোই বলি ভয় পাই না...সময়ে সময়ে নানা রকম ভয়ের অস্তিত্ব টের পাওয়া যায়!
অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য

কাঁকন's picture


আমি দিনের বেলা ভূত বিশ্বাস করিনা কিন্তু রাত্রে একা থাকলে জীবনে পড়া-শুনা-দেকহা সব ভয়ের গল্প একসাথে মনে পরে।

 

আমি ফাইনাল ডেস্টিনেশন দেকহে খুব ভয় পাইছিলাম মানে যাই করতে যাইতাম ঐ মুভির কোন না কোন সিন ভেসে উঠতো, লিফ্টে উঠলে মনে হইতো একহনি আটকে যাব, সিংক পরিষ্কার করতে ভয় পাইতাম , পিসি তে বসলে মনেঝইতো মনিটর বাস্ট হবে মানে বিচ্ছিরি অবস্থা

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


আপনার মন এখনো আদিম যুগে পড়ে আছে। অন্ধকারই সব ভয়ের উৎস

মন বড়ই বুরবাক চীজ

তানবীরা's picture


আমাদের বাসায় যে গৃহকর্মীরা কাজ করতেন, দুপুরে সবাই ঘুমালে আমাদেরকে তারা ভয়ংকর সব গল্প শুনিয়ে, তাদের সারাদিনের কষ্টের উশুল করতেন। তারমধ্যে চোরের বিবরন ছিল একটা বিষয়।

এই ষ্ট্যাটাসতো আমিও দেখেছিলাম আমার ফেসবুকে। দুজনের একই বন্ধু নাতো আবার!!!!

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


দুজনের একই বন্ধু হতে পারে...আবার হতে পারে আমার বন্ধুর মনের অবস্থাও আপনার বন্ধুর মতো, তাই স্ট্যাটাস দেখে শেয়ার করে দিয়েছে

নুশেরা's picture


১. ভূতের সিনেমা দেখিনা। বিরক্তিকর লাগে। তবে ডেমি মুর, প্যাট্রিক সোয়েজে আর উপি গোল্ডবার্গের অভিনয়ে "গোস্ট" দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম।

বাস্তবে খুব আগ্রহ নিয়ে "ভূতে পাওয়া, জ্বিনে ধরা" লোকজন দেখতে গেছি। "আরব", "বোগদাদ" (কোন বিচিত্র কারণে এরা বাগদাদ বলে না), "কোহক্বাফ" নগর থেকে জ্বিনের বয়ে আনা বলে কথিত মোহর দেখেছি, মিষ্টিজাতীয় বস্তু খেয়েছি। এমন কিছু আহামরি মনে হয়নি।

২. বাঁশের সাঁকোটা খুবই বিপত্তিকর, আমি অলমোস্ট বসে বসে পার হই । এমন আরেকটা সাঁকোমতো জিনিস রেললাইন ধরে হাঁটতে গেলে পাওয়া যায়। রেললাইনের স্লিপারগুলো ফাঁক ফাঁক হয়ে থাকে, নীচে খাল বা চওড়া নালার পানি। স্লিপারগুলোর মধ্যে যথেষ্ট দূরত্ব থাকে, পার হতে আতঙ্ক লাগে। এসব ক্ষেত্রে উচ্চতার চেয়ে বড় ফ্যাক্টর বোধহয় কোথায় গিয়ে পড়বো, সেটা।

৩. গতিভীতিটা বোধহয় আপেক্ষিক। বাজে কন্ডিশনের নিয়মনীতিহীন রাস্তায় এলোপাথাড়ি চালকের কবলে পড়লে আসলেই খবর আছে। বিদেশে ১১০ এর ফ্রিওয়েতেও এই ভয়টা থাকে না। প্লেন টেইক অফ করার একটু পর এটা যে গতিশীল সেটাই আর মনে হয় না!

৪. এক ছিঁচকে চোর আর স্বপ্নে দেখা সাপ পর্যন্ত তোমার ভয়ের অভিজ্ঞতা। করুণা বোধ করলাম । কারণ বলতে গেলে পোস্ট হয়ে যাবে।

৫. এটা মনে হচ্ছে সচলায়তনে প্রকাশিত হিমু'র কোন লেখার অংশ।

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


মন্তব্যের শুরুতে আর শেষে প্রি ট্যাগ দুটা উঠায় দিতে হবে >< এই জিনিস সহ

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


৪. পোস্ট হয়েই যাক

৫. হুমম। হিমুকে অনুমতির ব্যাপারে মেইল করেছি। দেখি কি বলেন।

১০

কাঁকন's picture


আপু ঘোস্ট তো হরর না রোমান্টিক ছবি

১১

নুশেরা's picture


মডুদাদারা, উপরের মন্তব্যটা সাইজ করে দেন। ম্যালা কষ্ট করে লিখছিলাম, সব গেছে 

১২

শিখর দবির's picture


জো হুকুম ম্যাম 
১৩

নুশেরা's picture


ম্যাম খুশ হুয়া 

১৪

টুটুল's picture


ভয় :(
জীবনেও না ;) ... বললাম আর কি ;)

তবে গ্রামে গেলে আমাদের বাড়িতে ঢোকার কিছু আগে একটা বাশ ঝাড় পরতো :( ... কখনো রাতে বাড়িতে আসরে ওইটা এভয়েড করতাম... এখনো গা ছম ছম করে ...

১৫

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


মানুষের আদিম ইন্সটিঙ্কট আর কি...অন্ধকারকে ভয়!

১৬

নড়বড়ে's picture


হরর মুভি কয়েকজন মিলে দেখতে বসলে আসলেই 'হরর' অংশটুকুর ওইখানেই ইতি; বাকিটা খাঁটি 'কমেডি' :D ...

আমার উচ্চতাভীতি আছে কিনা আমি ঠিক নিশ্চিত না; পাঁচ তলার ছাদ থেকে নিচে তাকাইলে ভয় লাগে, কিন্তু জনতা ব্যাংকের চব্বিশতলা ছাদের উপর থেকে চারদিক দেখে ভয় লাগে নাই, উল্টা ব্যাপক মজা পাইসিলাম। এমনকী কেওক্রাডং এর চূড়াতেও ঘুরে আসছি, কোন ভয় লাগে নাই :)

লেখাটা চমৎকার লাগলো।

১৭

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


রেলিং থাকলে আমারও ভয় লাগে না, কিন্তু রেলিং না থাকলে কিংবা এরকম কোনো পড়ে যাবার সম্ভাবনা থাকলেই গেঞ্জাম লেগে যায়!

১৮

টুটুল's picture


ভাঙা পেন্সিল কি পিকনিকে যাপে না? :(

১৯

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


লেখাপড়া বহুত গিয়াঞ্জাম

২০

টুটুল's picture


আশা আছে বলেইতো মানুষ বাঁচে :)
"হাল ছেড়না বন্ধু... কণ্ঠ ছাড় জোড়ে"

২১

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


পিএল এ কোনো আশা নাই

এই সময় আম্রা বুয়েঠিয়ান্রা পাশ করার বিদ্যা অর্জন করি।

২২

টুটুল's picture


উকিজ... কথা হপে কোন আড্ডায় :)

২৩

নীড় সন্ধানী's picture


নিঃশেষে প্রান যে করিবে দান, ভয় নেই তোর ভয় নেই................

২৪

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


কয় কি! ভয় নাই আবার!

২৫

হাসান রায়হান's picture


চমৎকার লেখা। নির্দ্বিধায় লাইক্কর্লাম।

পোস্ট  পড়ে চিন্তা আসল আমি কীসে ভয় পাই?

২৬

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


চিন্তানো শেষ হইলে পোস্টান

২৭

নজরুল ইসলাম's picture


হরর মুভি আমার দেখতে ভালো লাগে না। ভালগার হয়ে যায় বেশিরভাগ সময়। কুশ্রী সব। তবে প্যারানরমাল এক্টিভিটি ভালো লাগছে

২৮

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


দ্যা আদারস দেখতে পারেন। হরর কিন্তু ঠিক হররও না...

২৯

পদ্মলোচন's picture


আল জামী ৩৬ অনেক মিসাই। মনে করানির লাইগ্যা মাইনাচ

৩০

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


৩৬ এখন ১৯/ই

৩১

জমিদার's picture


পৃথিবীতে মানুষ সবচেয়ে বেশি ভয় করে মৃত্যুকে ,
এই মনে হয় শেষ, আপনার বাসের অভিজ্ঞতা এই রকম হবার কথা

৩২

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


সব ভয়ই শেষ পর্যন্ত মৃত্যুতে গিয়ে মিলাবে...অতোটা জেনারেলাইজ না করে বলতে চেয়েছিলাম আর কি!

৩৩

রোবোট's picture


বেশীর ভাগ হরর মুভি যতটা ভীতিকর, তার চেয়ে বীভতস বেশী। বুঝাই্তে পারলাম?

ভয়ানক উচচতা ভীতি আছে। আমি আবার সিভিল ইনজিনিয়ার। তবে স্ট্রাকচারে নাই।

সবচেয়ে বড় ভয়ের স্বপ্ন: ইনটারমিডিয়েট পরীক্ষার আর বুয়েটের পরীক্ষার। প্রায় ১৪ বছর আগে বুয়েট জীবন শেষ হৈসে।

গতির খুব ভয় নাই, তবে উলটা পালটা গাড়ি চালানোর ভয় পাই। ঢাকায় কখনো গাড়ি চালাইনা।

আরো কত ভয় আসে, সব বলে শেষ করা যায় না। বলাটা নিরপদও না। মানসমমানের প্রশ্ন।

 

 

 

 

 

৩৪

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


পরীক্ষা টরীক্ষা ভয় পাই না আমি আপ্নের মতো আঁতেল না

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.