গুনগুন
গত কয়েকদিন ধরে দুইটা গান শুনে যাচ্ছি... সায়ানের এক হারিয়ে যাওয়া বন্ধু আর ব্লিংক-১৮২ এর এডামস সঙ।
এক হারিয়ে যাওয়া বন্ধুশিল্পীঃ সায়ান
এলবামঃ আবার তাকিয়ে দেখ
এক হারিয়ে যাওয়া বন্ধুর সাথে সকাল বিকেল বেলা
কতো পু্রোনো পরিচিত গান গাইতাম খুলে গলা
কতো এলোমেলো পথ হেঁটেছি দুজন, হাত ছিলো না তো হাতে
ছিল যে যার জীবনে দুটো মন, ছিল জড়াজড়ি একসাথেকতো ঝগড়া বিবাদ সুখের স্মৃতিতে ভরে আছে শৈশব
তোকে স্মৃতিতে স্মৃতিতে এখনো তো ভালোবাসছি অসম্ভবকেন বাড়লে বয়স ছোট্টবেলার বন্ধু হারিয়ে যায়?
কেন হারাচ্ছে সব বাড়াচ্ছে ভিড় হারানোর তালিকায়... ...আজ কে যে কোথায় আছি, কোন খবর নেই তো কারো
অথচ তোর ঐ দুঃখগুলোতে অংশ ছিল আমারও
এই চলতি জীবন ঘটনাবহুল, দুয়েক ইঞ্চি ফাঁকে
তুই তো পাবি না আমায়, আর আমিও খুঁজি না তোকে
কতো সুখ পাওয়া হয়ে গেল, তোকে ভুলে গেছি কতোবার
কতো সুখ পাওয়া হয়ে গেল, তোকে ভুলে গেছি কতোবার...
তবু শৈশব থেকে তোর গান যেন ভেসে আসে বারবারআজ চলতে শিখে গেছি, তোকে নেই কিছু প্রয়োজন
তবু ভীষণ অপ্রয়োজনে তোকেই খুঁজেছি আমার মন
তুই হয়তো ভালোই আছিস, আর আমিও মন্দ নেই
তবু অসময়ে এসে স্মৃতিগুলো বুকে আঁকিবুকি কাটবেই
তুই কতো দূরে চলে গেলি, তোকে হারিয়ে ফেলেছি আমি
তুই কতো দূরে চলে গেলি, তোকে হারিয়ে ফেলেছি আমি
এই দুঃখটা হয়ে থাক, এই দুঃখটা বড় দামি।কেন বাড়লে বয়স ছোট্টবেলার বন্ধু হারিয়ে যায়?
কেন হারাচ্ছে সব বাড়াচ্ছে ভিড় হারানোর তালিকায়... ...সেই কোন কথা নেই মুখে, শুধু চুপচাপ বসে থাকা
ছিল যার যার ব্যাথা তার তার বুকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা
আমি ভাবিনি তখন ভুলেও এমন দুজন দুদিকে যাবে
বুঝিনি আমারই হৃদস্পন্দন আমার অচেনা হবে
এই বিভক্ত পৃথিবীতে, বড়ো শক্ত বাঁধন ছিল
এই বিভক্ত পৃথিবীতে, বড়ো শক্ত বাঁধন ছিল
হলো অহংকারের জয়, সেই বন্ধন ছিড়ে গেল।সেই অহংকারের খেলায় দুজনে জিতে গেছি একসাথে
প্রতি ইটের জবাব পাথরে দিয়েছি বিজয়ের মালা হাতে
সেই বিজয় উল্লাস প্রতিধ্বনিত মূর্ত আর্তনাদে
আজ বুকের ভেতরে মিষ্টি একটা শৈশব শুধু কাঁদে
আজ অবেলার অবসরে কেন লাগছে ভীষণ একা
আজ অবেলার অবসরে কেন লাগছে ভীষণ একা
কতো হাজার বছর তোর হাতটাকে হয়নি তো ছুঁয়ে দেখা...কেন বাড়লে বয়স ছোট্টবেলার বন্ধু হারিয়ে যায়?
কেন হারাচ্ছে সব, বাড়াচ্ছে ভিড়, হারানোর তালিকায়... ...আমি কতো কতোবার আঁকি তোর ছবি কল্পনাতে
আজো জ্বলে যাই, আজো পুড়ে যাই তোর দুচোখের অবসাদে
দেখ নীল নীল নীল আকাশের মতো অনন্ত হাহাকার
আজ বুকের ভেতর ভাঙছে ভাঙছে, ভেঙ্গে সব চুরমার
কোন শত্রুরও যেন প্রাণের বন্ধু এমন দূরে না যায়
কোন শত্রুরও যেন প্রাণের বন্ধু এমন দূরে না যায়
শোন বন্ধু কখনো কোন বন্ধুকে বলো না যেন বিদায়... ...কেন বাড়লে বয়স ছোট্টবেলার বন্ধু হারিয়ে যায়?
কেন হারাচ্ছে সব, বাড়াচ্ছে ভিড়, হারানোর তালিকায়... ...
শিল্পীঃ blink-182
এলবামঃ Enema Of The StateI never thought I'd die alone
I laughed the loudest who'd have known?
I trace the cord back to the wall
no wonder it was never plugged in at all
I took my time, I hurried up
the choice was mine I didn't think enough
I'm too depressed to go on
but you'll be sorry when I'm goneI never conquered, rarely came
but 16 just held such better days
days when I still felt alive
we couldn't wait to get outside
the world was wide, too late to try
the tour was over, we'd survived
I couldn't wait till I got home
to pass the time in my room aloneI never thought I'd die alone
another six months I'll be unknown
give all my things to all my friends
you'll never step foot in my room again
you'll close it off, you'll board it up
remember the time that I spilled the cup
of apple juice in the hall
and please tell mom this is not her faultI never conquered, rarely came
but 16 just held such better days
days when I still felt alive
we couldn't wait to get outside
the world was wide, too late to try
the tour was over, we'd survived
I couldn't wait till I got home
to pass the time in my room aloneI never conquered, rarely came
but tomorrow holds such better days
days when I can still feel alive
and I can't wait to get outside
the world is wide, the time goes by
the tour is over, I've survived
I can't wait till I get home
to pass the time in my room alone
এই গানটা ২০০০ সালে আলোড়ন তুলেছিল ভিন্ন এক আঙ্গিকে। কলম্বাইন হাই স্কুল ম্যাসাকার থেকে প্রাণে বেঁচে যাওয়া ১৭ বছরের কিশোর গ্রেগ বার্নস গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে নিজের বাসার গ্যারেজে, আর সে সময় স্টেরিওতে ইনফিনিট লুপে বেজে চলছিল এডামস সং!
আমার সংবার্ডেও টানা বেজে যাচ্ছে এডামস সং...ভাগ্যিস দড়ি কেনার পয়সাটাও পকেটে নাই!
এমনি করেই পেরিয়ে যাচ্ছে দিন... ... ... ...♪♪ 





হুমম
হুমম
হামম
দু'টো প্রশ্ন।
১. স্কেচটা কি ভাঙ্গা পেন্সিলের নিজের করা?
২. গ্রেগ বার্নস কি একমাত্র সারভাইভার ছিলো? (কাহিনীটা পড়ার সাহস হচ্ছে না)
ভাগ্যিস দড়ি কেনার পয়সা নাই!
১. আর কার এসব হাবিজাবি আঁইকা আপ্লোড করার দুঃসাহস আছে!
২. না, ১২ জন মারা গিয়েছিল, ২১ জনের মতো আহত। সতীর্থদের বুলিইং এর শিকার হয়ে উন্মত্ত ছাত্র অস্ত্র হাতে এই কাজ করে। উইকি সূত্রমতে যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঘটে যাওয়া চতুর্থ ভয়াবহ ম্যাসাকার। এই ঘটনার পরে নিহতদের অনেক সতীর্থ মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। এ ঘটনার পরপরই যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্রের অবাধ ব্যবসার বিরুদ্ধে শোরগোল উঠেছিল, যদিও কাজ হয়নি।
স্কেচটা কিন্তু সুন্দর হইসে। আরো দিও।
লাই দিয়া বান্দর মাথায় তুলিবেন না...পরে দেখবেন আমরা বন্ধুর পাতায় পাতায় আমার হেজিপেজি ছবি লটকাইয়া থাকবে

কমেন্টে পুরা আসলো না, পোস্টে দিয়া দেখি
ভাগ্যিস দড়ি কেনার পয়সা নাই , তাইলে আপনার লেখা পাইতাম না।
পয়লা হুমাইলাম
তার্পর নুশেরান্টির লগে সহমত পোষন কর্লাম
উনি তো মত দ্যান নাই...কিছু কুশ্চেন করছিলেন! আপ্নেও কি সহপ্রশ্ন পোষণ করলেন?
সহপ্রশ্ন কথাটা পসন হৈছে
সায়ানের গানের লিঙ্ক দিয়েন.........
দড়ি কেনার ভাবনা,
মোটে ভালো কাজ না,
জীবন যে কতো সুন্দর,
সহজ কথাটা জানে বনের তুচ্ছ বান্দর......
সো ...... গানই গান, দড়ির কথা ভুলে যান
এলবাম কিন্যা শুনেন
ডাউনলোড
গানগুলো নামাইতেছি শ্যায়ারের জন্য থেঙ্ক্যু
আমি ভীতু, দড়ি কিনে রেখে দিছি, গলায় পরার সাহস নাই। স্কেচ ফাটাফাটি।
মন্তব্য করুন