ট্রাভেলগ ১
কলেজ শেষে গেলাম সিলেটে,গেলাম বলতে এক্কেবারে পাঁচ-ছয় বছরের ধাক্কা।নতুন জায়গা,নতুন সব ঘ্রাণ।এখনো আমার কাছে সিলেটের কথা মনে পড়লে মনে হয় -কেমন যেন এক সজীবতা আর সবুজের সমারোহ।সিলেট যাবার পর ই ভালমত ঘুরার ইচ্ছা মনে বাসা বাঁধল,আর আজ মনে হয়,আমি ই মনে হয় আমার বন্ধুদের মাঝে সবচেয়ে ঘরকুনো, আমার বেশীরভাগ ঘুরাঘুরি ই বই পড়ে, কোন জায়গার উপর ভ্রমন এর ভাল কোন বই পড়লে নিজে নিজে ই মনের কুঠুরি তে সে জায়গা র ছবি তৈরি করি।
সিলেটের পাশেই শিলং,পা বাড়ালেই হয়।একবার কত্তদূর গেলাম রাতের শিলং দেখতে।পাহাড়ের গায়ে যেন সারি বেঁধে প্রদীপ ঝুলানো,আহা ।ইচ্ছে হল ছুঁয়ে দেখি।বল্লেই তো হয়না,আছে পাসপোর্ট ভিসার বাড়াবাড়ি।তখন মনে হল কোন উজবুক রা যে ৪৭ এ ভারত,পাকিস্তান ভাগ টা করল।আমার সূর্যসেন কি আর এই ভাগ করা দেশের জন্য জান বাজী রেখেছিল? আবার পরক্ষনেই মনে হয়,জানিনা,হয়ত ভাল ই হয়েছে।সে যাক ।বার বার আমাকে হাতছানি দেয় নানা শহর, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ,ঘুম। নিজে মাঝে মাঝে অনিমেষ হয়ে ঘুরে বেড়াই সিলেটের চা বাগানের মাঝ বরাবর। জাফলং গিয়ে হাঁ করে দেখি ডাউকি যাবার রাস্তা । আমার কাছে সে যেন প্রথম বিদেশ দেখা, ঠিক ই তো , সেটা তো বিদেশ ই ।
সবচেয়ে বেশী আরাধ্য কোথা ? মিশর । আমি জানিনা কেন এই দেশ টা আমায় এত টানে, মাঝে মাঝে মনে হয় এর কারন মুজতবা আলী। তাঁর লেখা পড়ে পড়ে ই কায়রো আমার কাছে শধু এক শহর না, এক মহাকাব্য। নিজেকে তুলে নিয়ে যাই পিরামিডের চূঁড়ায়।এ এক জাদুকরী স্থাপত্য । জানিনা কখনো যেতে পারবো কিনা ।
আমি মাঝে মাঝে বন্ধুদের বলতাম -কপালে তো আর বিদেশ যাওয়া নাই ,যদিও যাওয়া হয় দেখা যাবে যাব ভারতে,কারন হয়ত কোন জটিল রোগে পড়ে যাব-তোরা সবাই টাকা তুলে পাঠিয়ে দিবি ভারতে। সেই ভারতে আজো যাওয়া হলনা- এমন কি একবার ভিসা পেয়ে ও যেতে পারলাম না- সে কাহিনী আরেক দিন হবে।
বার বার যেতে ইচ্ছে করে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে, আহা কি তার মায়া কি তার রুপ।যেন অনন্তকাল থেকে যেতে চায় মন।সেখানে গিয়ে উঠেছিলাম এক রিসোর্টে - তাঁবুতে ছিলাম।পাশাপাশি ১০ ১২ টা তাঁবু- এক্কেবারে দ্বীপের শেষ প্রান্তে। রাতের বেলা সমুদ্রের গর্জন যেন বুকের ভেতরে স্পর্শ করে। (চলবে)





ঝিলি ঝিলি ঝিলিমিলি.
কত কত কতকাল পর তোমার একটা লেখা পড়লাম!
কী ভালো যে আমার লাগছে।
স্যরি, ভুল হয়ে গেল। বান্ধবীকে লেখা চিরকুট মেইলে পেস্ট করার বদলে এখানে প্রকাশ করে দিলাম। মাননীয় মডারেটর, মন্তব্যটা মুছে দিয়ে আমাকে শরমিন্দা অবস্থা থেকে রক্ষা করুন অথবা কাউকে পাঠিয়ে দিন একটা লাঠি হাতে, আমার মাথায় বাড়ি মেরে যাক।
আপনের এই ঘটনাগুলা নিয়ে আমি একটা লেখা রেডী কর্তেসি দাঁড়ান

হ। করেন। ম্যাডামের অবস্থা দেখছেন!
হাহা, আমিও ঘটনা দেখে হয়ে উঠেছি প্রকৃত স্টিভ! তবে এইটা তার লাস্ট চান্স। এর্পরে ভুল কর্লেই...
এর্পরে ভুল কর্লেই কান টেনে দিবো
কান টানার সময় সাবধান। আবার মাথা না চলে আসে হাতে।
লেখা ভালো লাগছে, চলুক...
সেন্ট মার্টিন আমারো খুব ভালো লেগেছে। আপনার কথা শোনার অপেক্ষায় রইলাম
লেখা চলুক।
দেশের মধ্যে অনেক জায়গায়ই গিয়েছি। আর দেশের বাইরে গিয়েছি শুধু ভারতে। ভারতেও অনেক জায়গায় ঘুরেছি তবে তেমন ভালো লাগে নাই। আমাদের বান্দরবনের উপর কিছু নাই। সেন্ট মার্টিন, সুন্দরবনের কাছে বাকী সবাই দুধ-ভাত।
মন্তব্য করুন