নকশা কাব্যে জীবন তোমার
'।
জীবন হল-ঠাস বুননে, বিনি সুতোর নকশী কাঁথা।
রোজ যে তাতে ফোটাই কত, দুঃখ-সুখের কাব্যগাঁথা।
অপরূপ সে, অনবদ্য। হাজার রকম কারূকাজ
অলখে তার লুকিয়ে থাকে, গভীর গোপন ব্যাথার খাঁজ।
বাহারী জীবন-পুরোটা কেমন; ভাসিয়ে দেই, গভীর জলে-
নাওয়ের মত।
ঢেউয়ের ভাঁজে; আড়াল করি, এক জীবনের সবটা ক্ষত।
বাহারী নাও, যায় ভেসে যায়-সুতোয় তোলা নকশী পার।
কোথাও বাঁধন জমাট ভীষন, বাঁধন কোথাও আলগা তার।
তোমার হাতে সুঁই ও সুতো, সুতোর রং গভীর নীল।
জীবন ভরে- দাঁড়িয়ে দেখি,
তোমার আমার অন্তমিল।
চমকে গিয়ে; থমকে দেখি- কাজ থামিয়ে, গল্প গানে
অলস হাতে বুনছ কেবল, নকশা গুলোর নানান মানে।
তোমার হাতে উছলে পড়া-রঙ্গীন সুতোর উছল পথ,
সে পথ ধরে চলছ বুনে, রঙিন সুতোর ভবিষ্যৎ।
বুকের তলায়, কাজ ও সুতোয় নীল কষ্টের শক্ত গিঁট।
তোমার জীবন বড্ড রঙিন, আমার জন্য উল্টো পিঠ। ।





কবিতা খুওবই সুন্দর হৈসে। এরকম অনবদ্য করে লিখতে পারি না বলে কবিতা লিখি না বলা যায়।
শাপলা'পু কিরাম আছেন?
বাচ্চু, ডগ রনিং অবস্থায় আছি। এইটাই চ্রম খবর.।
শুভকামনা।
কবিতার কথাগুলো অসাধারণ । তবে ছন্দ মিলাতে গিয়ে মাত্রায় প্যাচ লেগে গিয়েছে ।
ভাই লিজা, বরাবরই আমার মাত্রা জ্ঞানের খুব অভাব।
(
মাত্রাটা ঠিক রাখতে পারিনা বলেই, সারা জীবন অহেতুক প্যাঁচ লাগিয়ে ফেলি। এ জীবনে আর তাল জ্ঞান বোধ হয় আর হবে না।
কবিতার কথাগুলো অসাধারণ । তবে ছন্দ মিলাতে গিয়ে মাত্রায় প্যাচ লেগে গিয়েছে ।
পড়ে গেলাম।
উদরাজী ভাই একটু মজা করি, দোষ নিয়েন না।
পড়ে গেলে আর কি করবেন,উঠে দাঁড়ান।
গান হলে বেশ হবে।
কেমন আছো শাপলা? আর কতোদিন থাকবে দেশে? চট্টগ্রামের দিকে এলে সাড়াশব্দ চাই
না বন্ধু গান ও নয়, কিছুই না।
আদতে কিছুই লিখতে পারিনা, তবুও অযথাই সবাইকে বিরক্ত করি।
আর দেশ থেকে ফিরেছি, তাও একমাস হয়ে গেল।
তবে দেশে গিয়ে তোমাকে ভীষন দেখার ইচ্ছা ছিল, যদিও জানি, তুমি চিটাগং থাক।
দেশে গিয়ে একটা লেখা দিয়েছিলাম, সবাইকে দেখব বলে। কেউ একজন বললেন, টুটুল ভাইয়ের সাথে কথা বলবার জন্য।
টুটুল ভাইয়ের সাথে কথা হল, বেশ কিছুক্ষণ। টারপর তিনি বোধ হয় সবার সাথে শেয়ার করতে ভুলে গেছেন।
একটু খানি আশা করে ছিলাম। যাই হোক কারো সাথে আর দেখা হয়নি।
আমি যেদিন এমন কিছু লিখতে পারবো সেদিন সবাইকে ডেকে বলবো জানো আমি না লিখালিখি করি, প্রমিজ।
অসাধারণ
বন্ধু তানবীরা, আমি বিনীত।
বহুদিন হল কিছু লিখতে পারছি না। একটা লাইন ও মাথায় আসে না। মাঝে মাঝে ভীষন ব্যস্ততা আর একঘেঁয়েমি থেকে মুক্তি পাবার জন্যও কিছু একটা করতে ইচ্ছা করে। তো সামান্য লেখালেখি ছাড়া আর তো কিছুই পারিনা। লেখা তো যাই হোক ছাইপাশ, লেখার সূত্র ধরে এট্টু আধটু আড্ডা পেটানো যায়।
তো আজকাল লিখতে তো পারছিই না, একটু আয়েশ করে পড়তেও পারিনা ব্যস্ততার জন্য। সেই জন্য আড্ডাটা আর দেয়া হ্য় না। ব্লগের আড্ডা, ব্লগের সবাইকে খুব খুব মিস করি।
টুকটাক যা পড়ি, সবই অফলাইনে।
আমি অবশ্য সব সময়ই অফ লাইনের পাব্লিক, অন লাইনে আর বোধ হয় আসা হবে না।
ভালো থেকো।
আমার এন্টেনায় কবিতা ধরে না।মানে বুঝি না।কিন্তু পড়তে গিয়া ভালো লেগেছে এটা বলতে পারি।
তোমার এন্টেনা বিদেশী তো....!
সেই এন্টেনায় সামান্য একটু ধরা পড়লেই চলবে।
বাহ। নকশা কাব্য অসাধারণ। কেমন আছেন আপু?অকেনদিন ব্লগে দেখি না।
জয়ি, একটু সময় পেলেই অফলাইনে, তোমাদের লেখা, আড্ডা, খুঁনসুটি সব রসিয়ে রসিয়ে উপভোগ করি।
আমি আছি ভালোই, কেবল দম ফেলবার ফুসরত পাই না। জমিয়ে আড্ডা দিতে পারি না। এসব নিয়ে মাঝে মাঝে দুঃখ হয়।
তুমি কেমন আছ ভাই?
অফলাইন থেকে একটু কষ্ট করে অনলাইন হইয়েন আপু। আমাদের ভালো লাগবে।
আমি ভালো আছি। আপনি?
কবিতা পড়ে মুগ্ধ হলাম । মুগ্ধ হয়ে পড়বার মত কবিতা । তবুও লিজার মন্তব্য
"কবিতার কথাগুলো অসাধারণ । তবে ছন্দ মিলাতে গিয়ে মাত্রায় প্যাচ লেগে গিয়েছে" সমর্থন করতে হচ্ছে ।
ধন্যবাদ নাজমুল ভাই।
আমি কিন্তু কোন প্যাঁচ দেখতে পাচ্ছি না।---- একটুও মাত্রা ছাড়া মনে হচ্ছে না নিজেকে।

পাব্লিক কেন প্যাঁচাইতেছে বুঝতাছিনা।
অঃ টঃ দুঃখিত আমার এই স্থূল কৌতুকের জন্য।
আরে, আমরা তো বন্ধু । আর কোন কৌতুকই স্থুল নয়, কৌতুক কৌতুকই । কাজেই দুঃখিত হবার কিছু নাই ।
আপনি মাত্রার মধ্যেই আছেন । ছন্দে ছন্দে তাল-লয়-মাত্রায় কিছুটা বেতাল-বেসুরো মনে হয়েছিল, তাই বলেছিলাম ।
নাজমুল ভাই আবারো আপনাকে বিশেষ ধন্যবাদ,আপনার ধৈর্যের জন্য। উপরের মন্তব্য করার পর মনে হচ্ছিল- কাউকে মানে কারো মনে আবার আঘাত করে ফেললাম না তো!
কিছু মনে করেননি, ভেবে ভালো লাগছে।
হুম, কালকে বাড়ি ফিরতে ফিরতে গাড়িতে ছন্দ গুলো মাথায় এলো, তাই লিখলাম। বেশী ভাবিনি, সময় নেইনি। যাকে বলে ইনস্টান্টলি লেখা।
) "
থাক না কবিতায় কিছু বেসুর-বেতাল। "ওটা ঠিক করার সাধ থাকলেও সাধ্য আমাকে ঈশ্বর আমাকে দেননি। (হা হা কেমন ফিলোসফি আওড়ালাম!!!
একটু বেসুরো-বেতাল হলে ক্ষতি নেই, ক্ষতি কেবল অসুর হলে।
দোয়া করবেন জীবনে যাতে অসুরে না থকি, অসুর না হই।
ভালো থাকুন।
দোয়া করছি জীবনে যাতে অসুরে না থাকেন, অসুর না হন। সক্কলের জন্য । আমার দোয়া কবুল হয়না, নাদান বান্দা আমি।
কে গো আপনি কামান দাগিয়ে কবিতা পড়তে এলেন?
তাও আবার বেছে বেছে জীবনের উল্টো পিঠটাই নিলেন, অনেক সাহস তো আপনার!
অনেক অনেক ভালো থাকুন।
কামান মনে হচ্ছে না, এটা তো ট্যাংক ।
দারুণ কবিতা।
কিন্তু উপরের ছবিটা বরবাদ করে দিল। ওটাকে ঘ্যাচাং করার বিনীত অনুরোধ জানাই। বদলে দিতে পারেন আরেকটু উন্নত resolution এর রঙ্গিন ছবি।
দিয়েছি, দেখুন তো পছন্দ হয় কিনা?
ভালো থাকুন অনেক অনেক।
আপু কেমন আছেন??
কোন সমস্যা হয়নি তো আপনাদের ঐদিকে?
মন্তব্য করুন