রান্নাবান্না


বাসায় দুনিয়া মেহমান, বাইরে যাওয়ার কথা ছিলো, অফিসের কাজ শেষে বের আর হওয়া হইলোনা। মনটা একটু উদাসমার্কা ছিলো, আর আমি সবসময়ে যা করি মনখারাপ হইলে... সেইটাই শুরু করলাম... রান্না-বান্না। কি করি ভাবতে ভাবতে সিনামন রোল বানানোর চিন্তা করলাম। ওর আগে জীবনেও পিজ্জাবেস বাদে রুটি জাতীয় কিছু বানাই নাই। তাই শুরু করার সময়ে বেশ ভয়ে ভয়ে ছিলাম... বানানোর পরে আপাতত ফলাফল হইলো শতকরা আশিভাগ শেষ হইয়া গেছে... খুব কম বানাই নাই যদিও... নিজের গুণপণা জাহির করার সুযোগ পাইলে আমি কি আর কখনো ছাড়ি নাকি... তাই এইখানে দিয়া দিলাম ছবি তুইলা...
... আমি বানাইয়া খুশ...এতোদিন তো খালি ঘ্যানঘ্যানানি শেয়ার করি, আজকে একটু খুশিও শেয়ার করলাম... 





ইয়ামি ইয়ামি ইয়ামি । খেয়ে দেখতে পারলে আরো ভালো লাগতো।
খুশিটা শেয়ারের পাশাপাশি খুশিটা পূরনের তরিকাও(খাবারটা বানানির কান্ড-কাহিনী আর কি...
) বলে দিলে ভালো হতো ...
কেম্নে কেম্নে বানাইলেন জানাইয়েন...
দিমুনে... ওইদিন রাইন্ধাই জীবন শেষ হইসিলো।
এই ব্লগের মডু ডেভু কোন কামের না।মাইনাস দেয়ার সিস্টেম রাখে নাই।
সকালবেলা জিহবায় পানি এসে গেল।
আজ বাইচাঁ গেলেন মাইনাস না থাকার জন্য।থাকলে বুঝতেন!!!!!!!!

তোমারে মাইনাচ
আনিকা, রেসিপি দেন। জলদি দেন। এইরকম খানাদানা বানানোর পর খেতে বসে একা একা লাগলে আমাকে একটা রিং দেবেন, আমি আপনাকে সঙ্গ দেবো। ওকে?
ঠিকাছে... এর পরে যেদিন বানাবো... কল দিবো... কিন্তু নাম্বারটা?
কেউ রান্না কইরা খাওয়াইলে ভালো লাগে।
আমারও... আপসুস... আমারে আর কেউ রাইন্ধা খাওয়ায় না...
ছবিতে চুল নাই কেন?
রাঁধুনীর চুল আগেই খতম.... রান্নায় পড়ার সুযোগ পায় নাই।
বেকিং অতিশয় ভালো হয়েছে। দেখেই খেতে ইচ্ছা করছে
আনিকা, আমাদের রান্না করে খাওয়াবেন কবে?
আমারে একটা রান্নাঘর ধার দেন কেউ... যেকোন শনি-রোব বারে... আমি খাওয়াইতে রাজী... আমাদের বাসা আপাতত রিফিউজি ক্যাম্প না হইলে নিজের বাসাতেই বলতে পারতাম
মন্তব্য করুন