সৌধস্নাণে নিমগ্ন স্ফারিত সংগীত!
নীল প্রজাপতিটা যখন ডানা ঝাঁপটা দিয়ে সামনে দিয়ে উড়ে চলে যায় তখন খুব করে রোমন্থনের ইচ্ছে জাগে.. স্মৃতি বিস্মৃতির দোলাচালে নিজেকে উজাড় করে দেবার নিমিত্তে আবেগ নাড়া দিয়ে যেতে থাকে, প্রথমে একবার, তারপর অনেকবার.. সাগরের নীলাভ্র লোনা জলের মৌন স্নান মাখা জলজ শরীরে কেউ যখন সূর্যের নরম মিষ্টি উষ্ণতা মেখে নেবার নিমন্ত্রণ জানাতো, তখন মনে হতো চিরায়ত পৃথিবীর অফুরান সুখের বৈভব কিশলয়গুলো যেন আমার সামনে এসে তার নির্মল কুসুমকলির পরিস্ফুটনে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েছে..
সুখের আকাশের পুরো নীলিমা জুড়ে একাকি এক বিহঙ্গের মুক্ত ডানা ঝাঁপটানোর অবিরত আওয়াজ আর তার কিন্নরী কন্ঠের কুহুকুহু ডাকের বিলাসী আলোড়নে সুপ্ত ঘুমন্ত মনটাও যেন জাগ্রত হতে চাইতো আর ফুঁসে উঠা সাগরের গর্জে উঠার আত্মা কাঁপানো শিহরিত ছায়াছন্ন শাব্দিক আওয়াজে ডেকে উঠে বারংবার বলতে চাইতো একটি কথাই.. অরূণিমা, তোমাকে অনেক ভালোবাসি!
বিশুদ্ধ বাতাস ফুসফুস ভরে টেনে নিতে গিয়ে আজও পরিশুদ্ধ তোমাকে স্মরণ করতে ভুলে যাই না.. একটা সময় যখন আমার নিঃশ্বাসটুকু ও তোমার অস্তিত্বের কথা জপন করতো, তখন সুখের সুশীতল সুবাসে সুবাসিত স্বীয় সুবোধ সত্তা সকল সশঙ্ককে সাবধানে সরিয়ে, সচেতনে সন্তপ্ত সন্দীপনে সখিতার সনে সংকোচ সংবরণে সদা’ই সংগোপনে সন্নত সড়াম্বর সাজসজ্জার সন্নিবেশ সাধন করতো.. আর সেটাতেই সত্তাসদনের সহবাসীটি সবিস্ময়ে সন্দে’তে সন্নিবৃত্তি সাজিয়ে সফেদি সঙিন স্বপ্নের সমুজ্জ্বল সফরে সহাস্যে সওয়ারি হতে সানন্দে সমাকুল হতো.. সবকিছু সকাতরে সওয়া সত্ত্বেও সুললিত সময়ক্ষণ সহসাই সংবর্তের সংক্রমণে সংক্ষিপ্ত সারানিকে সুরঞ্জিত করে.. সুতরাং সারমর্মে সুন্দর সস্মিত সমারোহের সন্নিপাতের সমূহ সম্ভাবনাকে সত্য সিদ্ধ করে, সেফলে স্বীয় সৌষ্ঠব সুহাসিনীর সর্বসত্ত স্রবণের স্বচ্ছ স্রোতে সৌধস্নাণে স্ফারিত হয়.. বিনিময়ে সারি সারি কষ্টে নিমগ্ন সদগ্ধ সত্তার সুরহীন স্বরহীন সন্নাসিক সংগীতই পরে রয় !
একদিন নীলাকাশে কালচে মেঘেদের আনাগোনা দেখে অনেকটা ভীত ছিলে তুমি.. হঠাৎই বৃষ্টির ঝাঁপটায় যেন আরো অস্থির হয়ে পড়েছিল তোমার অবচেতন মন.. সেদিন সফেন সাগরের মধ্যথেকে জমাট বেঁধে উপরে উঠে যাওয়া নিগূঢ় নিম্বাস বেয়ে নেমে আসা অঝোর বৃষ্টিস্নাণে সিক্ত হয়েছিলাম আমরা প্রথমবারের মতো.. তোমার মনে আছে? সেদিনই প্রথমবারের মত বলেছিলাম ভালোবাসি, তাইতো বৃষ্টি দেখে বারবারই স্মৃতিতে ঝলসে উঠে মিথ্যের এলবেসে মোড়া সেসময়ের উন্মাদ ভালোবাসা!
অরূণিমা!! শুধু একটিবার দেহের সমস্ত আবেগ ঊজার করে দিয়ে বলছি- আমি এখনও প্রতীক্ষা করি তোমার.. সাবলীল সেই ভালোবাসার দিনগুলো কি সাগরের ফেনিল ঢেঊয়ের সাথে ভাসতে ভাসতে পথভোলা পথিকের ছদ্মবেশে আবারও ফিরে আসতে পারে না.. পবিত্র ভালোবাসার আব্রু জড়িয়ে কষ্টিপাথরে ঘষে নিয়ে আবারও নয়তো নিরেট ভালোবাসায় মিলে গিয়ে মুক্ত স্পর্শের আবেশে উমেদার হবো আমরা.. তবুও কি পারে না?
[বিঃদ্রঃ- আসলে যে কি লিখলাম, নিজেও বুঝলাম না। এটা যে আসলে ঠিক কোন ক্যাটাগরিতে পড়বে তা বুঝিনি বিধায় কবিতা'তে দেওয়া হলো। কেউ মানসিকভাবে কষ্ট পাবেন না যেন..
]





দুর্বোধ্য লেখা লিখি বইলা আমার সুনাম আছে
সেই আমারেই আপনি নকআউট পাঞ্চ মাইরা ধরাশায়ী কইরা দিলেন???
সালাম সালাম সহস্র সালাম
আপনার সুনাম !!! আর সেটার জন্য আমার তো দুর্নামে চারিদিকে গন্ধ ছড়ায় সবখানে! কত ব্লগারের যে ভৎর্সনা শুনতে হয়।
তবে সঙ্গী পাইলে মজাই হয়, সব ব্লগেই একজন করে সঙ্গী পেয়ে যাই যে এইরকম দুর্বোধ্য লেখা লিখতে অভ্যস্ত। এইখানে আপনাকে পেয়ে তো ভালোই হলো। তবে এখন অভ্যাস বদলে নিয়ে সরল লেখার দিকেই মনোনিবেশ করতে চাইছি। আর কবিতা লিখে সেটা সম্ভব নয় বিধায় গল্পের দিকে আকর্ষণ বাড়ছে ইদানীং!
ভালো থাকুন। শুভেচ্ছা নিন।
আমাকে কি সিলই মেরে দিলেন নাকি রে ভাই?? হা হা হা !!!
আউলাইয়া গেলাম। পুরাই মাথা খারাপ লেখা। আমি কিন্তু ইতিবাচক অর্থে বলেছি সব। এরম চ্রম লেখা অরো চাই।
আপু এই লেখা লিখতে গিয়ে তো গতকাল আমার নিজের মাথাই আউলাইয়া গিয়েছিলো। কি লিখতে গিয়ে কি লিখি তার ঠিক পাচ্ছিলাম না। হা হা হা!
শেষে যা লিখলাম তা নিয়েই একটা পোস্ট দিয়ে দিলাম।
শুভেচ্ছা নিবেন ।
সত্য করে কন তো, অভিধান নিয়া বসছিলেন কী?
হা হা হা, আমি অভিধান নিয়ে লিখতে পারি না, এটা একটা চরম বাস্তবতা। গতকালও এই লেখাটার ৩য় প্যারার স্বার্থে অভিধান খুলেছিলাম। হা হা হা, বেশি একটা লাভ করতে পারি নাই। এটা সত্য যে ঐ প্যারাটার কিছু শব্দ আমি অভিধান থেকে নিয়েছি কিন্তু আমার অজানা কোন শব্দ আমি ব্যবহার করিনি। আরও মজার ব্যাপার হচ্ছে এই লেখাটা লিখতে গিয়ে নিজেই কিছু শব্দ তৈরি করেছি। ভালো করে পড়লেই বুঝতে পারবেন।
কিন্তু অবশেষে "স" এর জ্বালাতে আউলা-ঝাউলা হয়ে গেলাম, বাসার সবাইকে ডাক দিয়ে দিয়ে "স" দিয়ে কয়েকটা শব্দ বলার জন্য অনুরোধ করছিলাম, দু'এক ফ্রেন্ডকে ফোনও দিয়েছিলাম। বিনিময়ে এমনিতেই "পাগল" খেতাবে ভূষিত এই আমি আবারও পাগলের নিমিত্তে ছুঁড়ে আসা ভৎর্সনা হজম করলাম।
মন-টন খারাপ করে শেষে এই পোস্টটা দিয়েই ফেললাম, লিখতে চেয়েছিলাম একটা গদ্য কবিতা আর কি যে হলো তা নিজেও বুঝলাম না।
[বিঃদ্রঃ যা বলার তা হচ্ছে, আমি কিন্তু অভিধান বেশি একটা ব্যবহার করি না। কখনো দু'য়েকটা শব্দ খোঁজার জন্য অভিধানের প্রয়োজন হলেও অনেক লেখকের মত ব্যাপক হারে অভিধান ব্যবহার করি না কিংবা বলতে পারেন করতে পারি না। যেটা নিজের মনকে আনন্দ দেবার জন্য লিখবো তাতে অন্যের সাহায্য নেওয়াটা যেন কেমন দেখায়।]
ধুর! আমি আসলেই একটা পাগল!!! খালি বকবক করি। কিছু মনে কইরেন না আপু !!
@ লীনা দিলরুবাঃ
আপু , আমি কিন্তু সহজ করেও লিখতে পারি। আমার লেখা মিনি সাইজের একটা কবিতা আপনাকে উৎসর্গ করলাম। হি হি।
নিটোল হাসিতে চেয়ে দেখ ঐ মিষ্টি
রৌদ্দুর করে খেলা..
ছড়িয়ে পেখম নীল ময়ূরের
কেটে যায় সারা বেলা।
অজানা পথিকের স্নিগ্ধ তনুতে
ক্লান্তি করে ভীড়..
শুভ্র মেঘের বিচরণে তাই চাতকের দাবি,
.... একটি ফোঁটা নীর!
নিভৃত মনে নির্জনে জপি
দৃপ্ত আরাধনা...
নেমেছে গোধূলী..দুষ্টু মিতালী
রাঙা জীবনের আল্পনা..!!
লেখার সময় বাড়ির সবার সাহায্য নেয়া, বন্ধুদের ফোন করা, দারুণ লাগলো শুনে। আমার অবস্থা এসব ক্ষেত্রে খুব খারাপ। কোনো শব্দের মানে জানার জন্য মাঝে মাঝে আমার বাংলার শিক্ষক ভাবীকে ফোন করতাম, আগে সে ভালোই সাহায্য করতো এখন এমন ঝাড়ি দেয়! বলে, ডিক্সনারি দেখো, তাহলে একটা শব্দ খুঁজতে গিয়ে দশটা শব্দ চোখে পড়বে, কাজে দেবে।
নিজেই শব্দ বানিয়েছেন শুনে মজা পেলাম। ভালো আইডিয়াও পেলাম
প্রথমে ট্যাগে কবিতা লিখা দেইখা টাসকি খাইছিলাম....যাউগা এই কবিতা পইড়া কিছু না বুঝলেও অনেক গুলান বাংলা শব্দর সমন্বয় সাধন যে ভাবে করছেন ....তার জন্য আপনাকে
জানাইলাম.....এই কবিতা মাথার উপর দিয়া গেলেও , এমন কবিতা আরোও পড়তে আপত্তি নাই।। 
ঠিকাছে ফী আমানিল্লাহ
মন্তব্য করুন