যা দেখছি, যা পড়ছি, যা শুনছি (ভার্সন মে '১০)
যা দেখছি-
অনেক বছর আগে "The Fabulous Destiny of Amelie Poulain" সিনেমাটা দেখে অবাক হয়ে চিন্তায় বসে ভেবেছিলাম, এমন শৈল্পিক ভাবে পর্যায়ক্রমে দৃশ্যপট এনে এত সুন্দর উপস্থাপনা কিভাবে সম্ভব!!!!
সেই দুর্দান্ত অভিনেত্রী Audrey Tautou, সেই দুর্দান্ত পরিচালক Jean-Pierre Jeunet এর আরেক সিনেমা 'A Very Long Engagement' নেট থেকে নামিয়ে দেখা শুরু করেছি।

গল্পটা ফরাসী লেখক Sébastien Japrisot এর লেখা উপন্যাস থেকে নেয়া। পটভূমি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ। (অনেকে যুদ্ধের সিনেমা পছন্দ করেন না, তাদের বলছি এটা কিন্তু একটা প্রেমেরও সিনেমা) ফরাসী রেজিমেন্টর পাঁচ সৈনিকের কোর্ট মার্শাল হচ্ছে কারন তারা নিজেদের হাতের তালুতে নিজেরাই বা দুর্ঘটনাবশত গুলি করেছে, যাতে করে যুদ্ধের ময়দান ছেড়ে তাদের নিজ নিজ বাড়ি ফেরত পাঠিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু কোর্ট মার্শালে তাদের সকলের বাড়ি ফেরার বদলে শাস্তির হুকুম হয়। শাস্তি - মুখোমুখি দুই পক্ষের মাঝখানে নো-ম্যানস ল্যান্ডে তাদের ছেড়ে দেয়া হবে যাতে দুই পক্ষের ক্রসফায়ারে তাদের মৃত্যু হয়।
এই পাঁচ জন দন্ডিত সৈনিকের একজনের নাম 'মানিচ' যার অপেক্ষায় তার প্রেমিকা 'মাথিলদি' দিন গুনছে। মাথিলদি'রা সমুদ্রের ধারে এক ছোট শহরে থাকে। দুরুদুরু বুকে মেয়েটা সবসময় তার মানিচের অপেক্ষায় দিন কাটায়। ছুরি দিয়ে আপেল কাটতে গিয়ে মনে মনে ভাবে - একটানে যদি পুরোটা খোসা ছিলে ফেলতে পারি তবে আমার মানিচ আমার কাছে ফিরে আসবে, একটানে খোসাটা আর ছিলতে পারেনা। রাতে বিছানায় শুয়ে মেয়েটা চিন্তা করে - রাতের খাবার ডাকার আগেই যদি আমার কুকুরটা আমার ঘরে চলে আসে তবে আমার মানিচ আমার কাছে ফিরে আসবে , কুকুরটা আসে না। মেয়েটা সেই পাঁচ সৈনিকের খোঁজ নেয়ার জন্য উঠে-পড়ে লেগে যায় শুধু মাত্র তার প্রেমিকের বেঁচে থাকার খবরটা জানার জন্য। ছেলেটাকে সে পাগলের মত ভালবাসে। মেয়েটার সাথে তার একেবারেই ছোট বেলার থেকে পরিচয়। মেয়েটার একটা পা খোঁড়া তাই ছেলেটা তাকে ছোটবেলায় একবার বলেছিলো,
- তুমি কি দুরের ঐ বাতিঘরটায় উঠে সমুদ্র দেখতে চাও? চিন্তা করো না,আমি তোমাকে বয়ে নিয়ে যাবো সেই বাতিঘরের চুড়ায়।
এমনকি ছেলেটা যেদিন যুদ্ধে যাবার জন্য গাড়ি চেপে রওনা দিলো সেদিনও মেয়েটা গাড়ি ছেড়ে যাবার পর দৌড়ে মেঠো বাঁকের দিকে যেতে যেতে ভাবছিলো - যদি গাড়িটা পৌছাবার আগেই আমি বাঁকে যেতে পারি তবে আমার মানিচ আমার কাছে ফিরে আসবে , কিন্তু ঝোপঝাড় পেড়িয়ে হাপাতে হাপাতে বাঁকে গিয়ে মেয়েটা গাড়ির দেখা পায় না।
মেয়েটার অপেক্ষার শেষ সম্ভবত সিনেমার শেষাংশে দেয়া আছে... সেটুকু এখনো জানা যায় নি।
যা পড়ছি -

সতের বছর আগে ক্লাস এইটে থাকতে বইটা প্রথম পড়েছিলাম। এরপর আরো একবার পড়েছিলাম, দু'সপ্তাহ হলো আবার শুরু করেছি।
সুনীলের 'সেই সময়'। এইটা আমার জীবনের প্রথম বৃহৎ উপন্যাস, হয়তো তাই এটার প্রতি আকর্ষন এবং আবেগ বরাবরই অন্যরকম। প্রথমবার পড়া শেষ করে প্রায় ত্রিশ মিনিট থম মেরে বসেছিলাম , মনে হচ্ছিলো আমার বয়স অনেকখানি বেড়ে গেছে। এখন অবশ্য সেই অনুভূতিটুকুর ক্ষুদ্রঅংশও পাই না। তবুও , রহস্যময় নবীনকুমার , ধুরন্ধর রাইমোহন আর গঙ্গানারায়ণ-বিন্দুবানিসী'র প্রেম । এর মাঝে হঠাৎ হঠাৎ মাইকেল মধূসুদন দত্ত, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, দ্বারকানাথ ঠাকুর, দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এর উপস্থিতী তো আছেই । উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাঙালির নবজাগরন। 'সেই সময়'কার গল্প 'সেই সময়'কার সমাজ 'সেই সময়'কার শিক্ষা ব্যবস্থা 'সেই সময়'কার নষ্টামি সবকিছুই কেমন যেন রুপকথার মত মনে হয়।
যা শুনছি -

দ্যা ওয়ান এন্ড অনলি 'Pink Floyd' শুনছি। এই ব্যান্ডটার গান যতই শুনি প্রান আর ভরে না। দু'দিন ধরে লাগাতার 'The Final Cut' এ্যলবামটি শুনছি। Psychedelic Rock এর আদর্শ উদাহারন এই এ্যলবামটি । কেমন যেন একটা ঘোরের জগতে নিয়ে যায়। অসাধারন এর গানের কথা অসাধারন এর সুর অসাধারন এর কম্পোজিশন।





এই, এই শিরোনাম আমার কপিরাইট করা। আমি কপি রাইটের মামলা করতাছি খারাও। কাগুর পরামর্শ নেই আগে।
খাইছে আমারে !!
দাড়ান, শেখর কাপুর রে ফুন দিতাছি। সেই ভদ্রলোকের সিনেমার নাম চুরি কইরা নিজের নাম রাখছেন 'মাসুম' ... কপিরাইটের মামলা আমরাও দিতে পারি।
ারি, আমি মনে হয় শিখে গেছি !!!!!!!!!!!!!!!
আরে !!!!!!!!!!!!!!!! তাইতো !!!!!!!!!!!
অনেকদিন পর বিমা খুব ভালো লাগার মতো পোষ্ট দিলা। মুভিটা দেখতে মন্চাইতাছে।বইটা অনেক আগে পড়ছি।আবার পড়ব ভাবছি।
মুভিটা লাগলে বইলো
আর কেমনে বলব? বললাম তো দেখতে ইচ্ছা করতাছে।তোমার জন্য রাত জাগলাম আর তুমি কিনা........ঠিকাছে। যাইগা।
খিক খিক ... মানে কি !
মুরাদ, ওনেক সোউণদরহজ , লাইক করলাম
হি হি হি ....... বাচ্চারা যখন প্রথম হামাগুড়ি থেকে দাড়িয়ে পরে হঠাৎ , তারপর সবাইকে অবাক করে দিয়ে গুটগুট করে হাঁটা শুরু করে তখন আশে পাশের সবাই অনেক মজা পায় কিন্তু সবাই টের পায় না বাচ্চাটার কি রকম আনন্দ হচ্ছে। প্রথম বাংলা লেখার পর আমার সেই বাচ্চাটার মত আনন্দ হয়েছিলো, আপনার কেমন অনুভূতি হচ্ছে কে জানে!!!
পুস্ট রিফুর্ঠেঢ!!
সিনেমার ডাউনলোড লিংক নাই!!!
কাহিনীটা পইড়া হিটনোটাইড হইয়া গ্যালাম।
এই প্যারাটা পইড়া।
তাই রিফুর্ঠ করার চিন্তা বাদ দিয়া আবার লাইক বাটনে টিপি দিছি।
এবার সিনেমাটা নামায়া দেইখা ফালাও
ছবিগুলা দেখার দৃঢ় আশা ব্যক্ত করলাম ......
ঠিকাছে
আহারে! ভাল পুলাডা আঁতেল হইয়া গেল
হে রমজান , তারপরেও তোমার মত আঁতেল হইতে এখনো যোজন যোজন দুর
সিনেমাটা দেখছি। দ্যা ভিন্চি কোডের নায়িকাটা না? নায়িকাটারে পছন্দ হুয়া।
নায়ক সাহেবের আরেকটা ২য় বিশ্বযুদ্ধ সংক্রান্ত ছবি দেখছিলাম। সেখানে ২য় বিশ্বযুদ্ধে তার পরিবারের সবাইকে হারানো, এতে তার মানসিক বিকৃতি ও পরবর্তীতে প্রতিশোধ নেয়া দেখানো হয়।
দেখি নাই মনে হয়
১। নায়িকার নাম অড্রে টাউটো।
এই নায়িকার আরো কয়েকটা মুভি নিয়ে একটা পোস্ট আছে... এইটা পড়তে পারেন..
http://www.somewhereinblog.net/blog/Prasunblog/28941412
২। সেই সময় বইটা আমি ২বার কিনছি। দুই বারই পড়া শুরু করছি, দুই বারই সিনিয়র ভাইরা এসে দেখে বলে, "আমি এইটা নিয়ে যাই, পড়ে তোমাকে ফেরত দিয়ে দিবো, ২-৩ দিনের বেশি লাগবে না।" সেই ২-৩ দিন আর কখনো শেষ হয়না।

আমারও এই বইটার শেষ পড়া হয় নাই এখনো।
এই বইয়ের সিকুয়্যেল হিসেবেই তো "পূর্ব-পশ্চিম"-এর আগমন। তাই না?
এইটার সিকুয়্যাল মনে হয় 'প্রথম আলো'
অনেক দিন ফিলিম দেখিনা। অফিসে পোলাপাইন থিয়েটার বানাইছে লেপটপের সাথে প্রোজেকটর দিয়া।
সেইসময় আমার মতে সুনীলের সেরা কাজ।
প্রোরজেক্টরের লগে হোম থিয়েটার না হইলে তো জমবো না
মুভি টা দেখা দরকার, আমার আবার মুভি দেখতে চরম আলসেমী
এত বড় শইল নিয়া আলসেমি করলে উপায় আছে !!
খাড়ান, আবার পইড়া লই।
এমিলে আগে দেখছিলাম। এইটা নামাইতে দিলাম টরেন্ট ভাইয়ের কাছে।
বইখান পড়ছিলাম সেই ছুটুবেলায়। আবার পড়তে হবে।
আর পিঙ্ক ফ্লয়েড নিয়া ঝামেলায় ফেললেন... এখন তো এই ব্যাটা মাথা থেকে নামবে না...
পিঙ্ক ফ্লয়েড নিয়া আসলেই যন্ত্রনায় আছি।
বিমা ছবিটা আমার কাছে নাই, দেখিও নাই। এর চেয়ে বেশি কি আর বলবো? ললিতার কথা খালি স্মরণ করাইয়া দিলাম।
সেই সময় আমার ২ বার পড়া। আমিও এরকম প্রথম বার পড়ার পর ১০/১২ বছর পর পড়ছিলাম। সেরকমই ভাল লেগেছিল। আমার সুনীলের একা এবং কয়েকজনটাও থুব ভাল লাগে।
পিঙ্ক ফ্লয়েডের মহাভক্ত আমার ছোট ভাই। তার কাছে মনে হয় সবগুলো অ্যালবাম আছে এবং অরিজিনাল।
দুলাভাই ... সিনেমা লাগলে ট্যাকা ঢালেন
মুভিটা দেখেছি কয়দিন আগে
চাচা খালি দেখলেই তো হইবো না । আমাগোরে কিছু গল্প সল্প শুনাইয়েন
'সেই সময়' নামটা দেখলে সেই সময়ের কথা মনে পড়ে। মুখ গুঁজে রাতের পর রাত জেগে এটি পড়েছিলাম। ঘোর আর ভাললাগার অন্ত ছিলনা। কেউ আমাকে সেসব দিন ফিরিয়ে দেবেনা
আহারে সোনালী দিনগুলি রে
আপাতত চুটায়া সিরিয়াল দেখতাসি ,ডেক্সটার,বেশ জমাট কাহিনী,ফাঁকতালে ম্যুভিও দেখতাসি ।
এখন পড়তাসি আমরা বন্ধু ,একটু আগে জীবন আমার বোন শেষ করলাম ,মাহমুদুল হকের ।
আর বাইরে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি ,এখন কি শুনতাসি তা আর না কইলেও চলব
ডেক্সটারের নাম অনেক শুনছি , দেখা দরকার।
ভাই খুবই জ্ঞানী লুক
সমস্ত সময় জ্ঞান আহরনের কাজে ব্যয় করেন, কীপ ইট আপ
পোস্ট পছন্দ হইসে। মুভিটা দেখতে মুঞ্চাইতেছে, নামাইতে দিলাম। ধইন্যা ভাই বিমা
সিনেমাটা দেখা হয়নি বিমা। আপনার এখানে পটভুমি পড়ে দেখার আগ্রহ বেড়ে গেলো
শহীদ জিন্দেগানী মুবারক!!!!!!

মন্তব্য করুন