একান্ত ব্যক্তিগত ঘটনা - প্রাপ্তমনস্কদের জন্য
ব্রাজিলের সুপারস্টার রোলানদোর ফর্ম যখন তুঙ্গে, সেই বিশ্বকাপের সময় সাংবাদিকরা জানতে চেয়েছিলো রোনালদোর এই অফুরন্ত প্রাণশক্তির রহস্য কি ?
রোলানদো ইংগিতপূর্ণ হাসি দিয়ে বলেছিলো -
- প্রতি ম্যাচের আগে আমি আমার বান্ধবীর সাথে বিছানায় রাত কাটাই।
বিষয়টা কিন্তু ভেবে দেখার মত।
আজ বিকেলে আমি এক 'জায়গায়' গিয়েছিলাম, এমন না যে জায়গাটা নিষিদ্ধ, ভদ্রঘরের ছেলেরা সেখানে যায় না। জায়গাটার সুনাম-দূর্নাম দুটোই আছে। তবে একটা কথা বেশ দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি এই 'জায়গাটা' আছে বলেই এই শহরের মানুষেরা তাদের শরীরিক ক্ষুদা অনেকাংশে মেটাতে পারছে।
আমি গিয়েছিলাম আজ বিকেলে সেখানে, আজকের ঝলসানো বিকেলে। আমার শরীর মন দুটোই চাইছিলো। কিন্তু 'জায়গা' মত গিয়ে কিছুটা সংকোচে ভুগছিলাম, কার কাছে যাবো ঠিক মনস্থির করতে পারছিলাম না। আমি চিরটাকালই এমন। তবে আজ বিকেলে আমার স্থানে যে কেউ একই সমস্যায় ভুগতো বাজি রেখে বলতে পারি। চারপাশেই সব ডাগর ডাগর চোখ ধাঁধাঁনো 'তাহারা'। মনে মনে ভাবছি কার কাছে যাবো.. এমন সময় পরিচিত কণ্ঠ আমার ব্লগিয় নাম ধরে ডাক দিলো। আমি কিছুটা চমকে উঠলাম, কিছুটা সংকোচ নিয়ে ঘাড় ঘুরিয়ে ফিরলাম,
আরে এ যে দুলাভাই!! আপনি এখানে !!
দুলাভাই রুমাল দিয়ে গাল মুছতে মুছতে বললেন,
- একটু পরেই বাজেট শুরু হবে, ঘন্টাখানেকের জন্য দমফেলার সুজোগ পাবো না, তাই ...
আমার রোনালদোর কথা মনে পড়ে গেলো। দুলাভাইয়েরও তো সাধ থাকতেই পারে। সত্যি বলতে কি, দুলাভাইকে দেখে আমিও মনে মনে একটু জোড় পেলাম, আজ তাহলে হবেই, কোন সন্দেহ নেই।
দুলাভাই ইংগিতপূর্ন সুরে জানতে চাইলেন,
- কি বিমা ! তোমার কোনটা পছন্দ? কচি চাও নাকি একটু তুলতুলা চাও?
উনি খুব আপত্তিকর ভাবে তাদের শরীরের উঁচু হয়ে ফুলে ওঠা অংশে তর্জনি দিয়ে দেখাচ্ছিলেন।
আমি লাজুক স্বরে বললাম,
- কচি চাই।
দুলাভাই এর আচরন দেখে মনে হচ্ছিলো তিনি এই জায়গায় নিয়মিত খদ্দের। 'তাহাদের' মালিকের সাথে আলাপ না করেই আমাকে কচি গছিয়ে দিয়ে নিজের জন্য একটু বয়স্ক নিলেন তিনি।
আধুনিক নিয়মে না গিয়ে, মানে কোন প্রকার প্লাস্টিক জাতীয় বস্তুর সাহায্য না নিয়েই একেবারে আদিম পদ্ধতিতে আমরা শুরু করে দিলাম। যদিও আমিই আগে শুরু করলাম, কিন্তু দুলাভাই আমার আগেই শেষ করে ফেল্লো। উনার অনেক অভিজ্ঞতা, বেশি সময় লাগে না দেখলাম।
শুধু শেষ করেই দুলাভাইয়ের সাধ মেটে না, উনি শেষ স্বাদটাও মিস করতে চান না। সবটুকু তুলতুলে স্বাদ তার চাই।
আমার তখনো শেষ হয়নি।
এদিকে দুলাভাই আমাকে পরামর্শ দিচ্ছেন , - সবটুকুর স্বাদ নাও কোন অংশই ছেড়ে দিও না কিন্তু !
আমি বাধ্য ছেলের মত দুলাভাইয়ের দেখিয়ে দেয়া রাস্তায় গেলাম।
,
,
,
,
,
,
শেষ করে পরিপূর্ন তৃপ্তির ঢেকুর তুলে আমি আর দুলাভাই নিজেদের গন্তব্যে রওনা দিলাম।
,
,
,
,
,
,
,
আমাদের পেছনে সদ্য ফেলে দেয়া ডাবের খোসা দুটো রাস্তায় দ্বিখন্ডিত অবস্থায় পরে রইলো। 





না বিমা দা এই পোস্ট দেখে লগইন হতেই হলো। শেষের লাইনটা লিখে দুলাভাইয়ের মান ইজ্জত বাঁচাইছেন।না হলে বেচারা আজ গেছিলো.।


যে বর্ণনা দিলেন ! তা আমি ব্লগে এইরকম লেখা খুব কম ই পড়েছি ! শারীরিক চাহিদা প্রতিটি জীবমাত্রের ই থাকে , মানুষ তো বটেই । যৌনতা স্বাভাবিক । সেটা বিয়ে , বিয়ে ছাড়া কিংবা অন্য যেভাবেই হোক মানুষকে তাড়িত করে । সেটা পর্দা করে রাখঢাক করার কিছু ই নাই , তেমনি এইরকম ঢোল পিটানোরও কিছু নাই ! অবাক হলাম লেখাটা পড়ে তাও এবি'তে !!!
আমিতো ফ্লপ খাইয়া গেলাম।
পাব্লিক এখন আমার লেখার মজার চাইতে আপনের কমেন্টের মজা নিবো বেশি
মনির হোসাইনের মন্তব্য বুঝি নাই, বুঝায়া দিয়েন কোনো ভাইবেরাদার
এরেই কয় এক ইঞ্চি বেশি বুঝা
!
'আমাদের পেছনে সদ্য ফেলে দেয়া ডাবের খোসা দুটো রাস্তায় দ্বিখন্ডিত অবস্থায় পরে রইলো '
মরতে যে ক্যান এই লাইন চোখে পরলোনা
! আমারে ক্ষ্যামা দ্যান ভাই
! ভুল হই গ্যাছে
। রাসেল ভাই ঐ প্রসঙ্গটা বাদ দেওন যায় না
?
লেখক বিমা'র জন্যে . . .
আমি তো ফ্লপ খায়া গেলাম এবার ...........
পাব্লিক এখন আমার লেখার চাইতে আপনার কমেন্টের মজা নিবো বেশি
হুমম, পুলাপান বড় হইছে বোঝা গেল
ক্যান !!! আমি তো ছুটোবেলায়ও অনেক খাইছি এমনে
আমাদের দাওয়াত ক্যানসেল করে শালা-দুলাভাইয়ে কই কই কি কি কইরা বেড়াও!! ছিঃ ছিঃ
তবে যতই আকর্ষনীয় করে লেখার চেষ্টা করছিলা সব ফিকা হয়ে গেছে মনির হোসাইনের একটা দুর্দান্ত মন্তব্যে!
আমি কমেন্টে ভুটামু!!!
আরে আপনি?? কেমন জানি চেনা চেনা লাগে।

মডু কই?? বিলাই ব্লগে ঢুকলো কেমনে?? জবাব চাই দেতে হবে দিতে হবে।
এহেম ...
তানবীরাপু , আমারে কিছু না কইলেই হলো
!
জেবীনাপু , এতো কইরা কওনের পরও আপ্নেরা আমারেই খালি খালি দোষতাছেন !
কই দোষ ধরছে??
যার মনে যা
ফাল দিয়ে উঠে তা।
আপনার তো কিছু করার নাই।সব মুনের দোষ।


শালা-দুলাভাই মিলে কুথায় কি ঘটায়া ফেললা সেই কাহিনী ভেবে পড়তে পড়তে শেষে ডাবের খোসায় উষ্ঠা খেলাম!
আবার আইনো বিমা। আবার হবে। এবার না হয় বদলা বদলি করে নোবোনে।
খাইছে বিমা রক্স !

আমিও শালা দুলাভাইয়ের ঘটনার শেষে ডাবের খোসায় উষ্ঠা খাইলাম
আম্রার মনির ভাইয়ের জন্য সহানুভূতি
লেখা উমদা হইছে
ধন্যবাদ।
লেখার চেয়ে কমেন্টেই মজা বেশী পাইলাম
মন্তব্য করুন