সত্য মিথ্যা
একটা সময় । যখন সবকিছু শূণ্যের দিকে ধাবমান । আসলে কিছু ছিলোওনা , না ছিলো কোন আলোও । শুধু একটা ঘর পড়ে ছিলো নির্জনতার আবেশে নীরব । ঘরটাতে সত্যিই ছিলোনা আলো , না ছিলো আঁধারও। ঘরটা ছিলো বেবাগী, আরেক ঘরের ছত্রছায়ায় । সে ঘরটা ছিল অন্য আরেক ঘরের গর্ভে । হঠাত্ ঘরগুলোয় ক্রমান্বয়ে আন্দোলন । ভিতর বাহির সর্বত্র তোলপাড় । দেয়ালে দেয়াল তোলা তুমুল ঝড়ের মেঘ । মেঘে মেঘে গর্জন । তবু সে গর্জনে ভীত হবার মত কেউই ছিলনা কোন ঘরে । তাই কোন ঘরেই ছিলনা কোন আয়না , কিংবা আয়নায় কাঁপা কাঁপা অস্ফুট কারো হাসিমুখ । কেউ ছিলোনা যে গভীর নিরীক্ষণের পর বলবে , আসলে আয়নাও মিথ্যে বলে । সুতরাং এরপর এক স্বয়ম্ভু মিথ্যের স্বপ্রজনন । তার অব্যাহত বংশ বিস্তার । জনুতে জনুতে স্বয়ংসম্পূর্ণ মিথ্যেরই বীজ । যদিবা তা সত্যেরও হতে পারতো আর তাহলে কোন এক কালেতো সেই প্রচ্ছন্ন সত্যটাও দেখা দিতো ! কিন্তু সেটাতো দৈবের ব্যর্থতা । আসলে ব্যর্থ কারা ? ব্যর্থ তারাই ,যারা প্রকৃত মানুষ । আর সফলেরা শয়তান । কী জানি শয়তানের বীজে সত্য জিনিসটা প্রকট না প্রচ্ছন্ন ! কি জানি শয়তানের আলাদা জীনতত্ত্ব আছে কিনা ! তবে শয়তানরা সফল হোক আর ভালো সব ব্যর্থ হোক । এই শপথে যেকজন সংশয়ী , তাদের ভাবগতি ঠিক ঠাহর করা দায় । তাদের ঐসব ঘরের কোনোটাতেই ঠাঁই পাওয়ার কথা নয় । আসলে সত্যি বলতে যা কিছু তার সবই আজ ঐ সংশয়ীদের পেটে !





এটা গভীর রাতে পড়ার মতো দারুণ একটা লেখা হয়েছে!
কি লিখলেন!
সংশয়ীদের কথা আরো কিছু বলুন।
মীর বলেছেন
এখন একবার পড়লাম। আবার রাতে পড়বনে।
যদিবা তা সত্যেরও হতে পারতো আর তাহলে কোন এক কালেতো সেই প্রচ্ছন্ন সত্যটাও দেখা দিতো ! কিন্তু সেটাতো দৈবের ব্যর্থতা । আসলে ব্যর্থ কারা ? ব্যর্থ তারাই ,যারা প্রকৃত মানুষ ।
আজ প্রথমবারের মতো ব্যর্থ হিসেবে প্রাউড ফিল করছি!!
ও হ্যাঁ! লেখাটা ভালো লেগেছে
ভাল লাগল।
শুধু ভাল না-----খুব ভাল।
অসাম...
সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ । আর হ্যা । সংশয়ীদের পেটে যা কিছু সত্য জমাকৃত থাকে , তা বদহজমেও যদি কখনো গলবিল হয়ে মুখে চলে আসে , বিপত্তি শুরু হয় ঠিক সেই সময় থেকেই । সংশয়ীরা বিপত্তি ভালোবাসে তার কারন কেবল এই নয় যে তারা সংস্কারপন্থি , তারা একইসাথে কূপমন্ডুক এবং দুঃসপ্নাচারীও বটে । যার ফলে তারা প্রাণপণ লড়ে কিছু পায় এবং পর মুহূর্তেই ভুলে বসে তারা আসলে কি চেয়েছিল ।
মন্তব্য করুন