এক পয়সার কাঠি

১
ঘুট ঘুটে অন্ধকারে মৃত্যুকে ডাকছে সবাই
ঠিক সে সময় কে যেন
এক পয়সার
একটি কাঠি জ্বেলে দিল,
মরে আর যেতে পারেনি মুমুর্ষু বৃদ্ধটি
আধপোড়া মোমবাতি খুঁজে পেয়ে
প্রসব কান্নার ঘরে
বাতি হাতে হেটে গিয়েছিল সে,
লাঠিতে ভর করে
কন্যার কপালে সস্নেহে হাত রাখতেই
একটি পবিত্র শিশু কেঁদে উঠলো
কাঁপা কাঁপা আলোয়
২
তখন যুদ্ধ চলছে একাত্তরে,
ব্ল্যাক আউট চলছে
শিশুদের জন্য বাসযোগ্য কাঁথা নেই
মায়েদের সম্ভ্রম রক্ষা করার জন্য
কোন চাদর নেই,
জলপাই ট্যাঙ্কের সামনে
মাথা পেতে আছে কমবেশী সবাই
ঠিক তখনই একটি হাত
হানাদারদের দিকে ছুঁড়ে দেয় হাতে বানানো বোমা
মেশিনগান পালিয়েছিল সেই শব্দ-ভয়ে
শিশুটিরও আর মরে যাওয়া হয়নি
৩
আজ আবারও অন্ধকার চারদিক
শিশুটি বড় হয়েছে, তবুও অন্ধকার
এতগুলো হাত আছে
অন্তত: একটি করে দেশলাই জ্বললেও
আমাদের বেঁচে থাকা হবে





অন্তত: একটা করে দেশলাই জ্বললেও
আমাদের বেঁচে থাকা হবে
দেশলাই জ্বলুক
অনেক ধন্যবাদ তানবীরা
বাধ্য হলাম বলে অতিথি হয়েই আসতে হলো। (রাগ দেখানোর ইমোটিকন)
"ঠিক তখন হানাদারদের কেউ ছুঁড়েছিল"
আপনি বোঝাতে চাচ্ছেন যে, হানাদারদের দিকে কেউ ছুঁড়ে দিয়েছিলো...
কিন্তু এ লাইনে ভাব প্রকাশ হচ্ছে যে, হানাদারদের কোনো সদস্য কাজটি করেছে।
হ্যা, প্রথম পড়ার সময় বুঝতে পারিনি। এটা ঠিক করে দেই। অতিথি হয়ে যে বলেছেন, তার জন্য ধন্যবাদ ( আমি আবার ইমোব্লাইন্ড
)
বলতে চান পবিত্র শিশুটি বাংলাদেশ? ভালো লাগলো কবিতাটা।
দুর্দান্ত ব্রাদার!! রিয়েলি লাইকিট।
কবিতার ব্যাখ্যাটা পাঠকের হাতেই রাখি। আর আপনার ভাল লাগায় খুব অনুপ্রাণিত হলাম। কৃতজ্ঞতা
মন ছুঁয়ে গেল কবিতার কথা ও সুর।
রোমেল চৌধুরী
ধন্যবাদ
দেশ বিষয়ক অনন্য কবিতা।দিশলাই কাঠি নিয়ে কেউ এগিয়ে আসুক,আগুন ধরিয়ে দিক পুরোনো জন্জালে...
চলুক!
অন্তত: একটা করে দেশলাই জ্বললেও
আমাদের বেঁচে থাকা হবে
দেশলাই জ্বলুক
মন্তব্য করুন