একটি জ্যাকেট, একজন বুড়ো আর একটি ব্লগের কাহিনী
অন্ধকারের রং কালো। আমাবস্যার অন্ধকার এর রং নিকষ কালো। ভয় ধরানো। আমার জীবনে এখন ঠিক সেই ভয় ধরানো অন্ধকারের রাজত্ব। অদক্ষ খেলোয়াড়দের পরিনতি যা হয়, আমার বেলাতেও তাই হতে চলেছে বোধ করি। দলথেকে বাদ পড়া। আমি পৃথিবী থেকেই বাদ পড়ে যাবো সম্ভবত।
ব্লগে লিখিনা বহুদিন। পোস্ট ড্রাফট করে নিয়েছি। বলেছিলাম আর লিখবোনা। বলা উচিত লিখতে পারবোনা। সামু ব্লগের ভীড়ে নিজেকে ভীষন বেমানান মনে হচ্ছিলো। তাই গুটিয়ে নেয়ার চেষ্টা। বিমা সহ আরো অনেক বন্ধুদের খুঁজতাম এখানে সেখানে। এমনি করেই পেয়ে গেলাম আমরা বন্ধু ডট কমের খোঁজ। অফলাইনে মাঝে মাঝে ঢুকতাম, পড়তাম লেখাগুলো। কিন্তু সামু ব্লগের অসাধারন ফরম্যাট অন্যকোনো ব্লগের সাথে তুলনা করতে পারতাম না বলে রেজি করিনি।
জীবন সঙগ্রামে যখন ব্যাকফুটে তখনই রেজি করলাম আমরা বন্ধুতে। একসেস পেয়ে গেলাম পরদিনই। একটা লেখা দিলাম। ভেবেছিলাম, এবিতে সেটাই হবে আমার প্রথম আমার শেষ লেখা। যাবো, কমেন্ট করবো। লেখার হাত তো অথর্ব হয়ে গেছে অনেক আগেই।
এখন ব্লগটিতে সদস্য সংখ্যা কতো জানিনা। কিন্তু তারা লগইড হন কদাচিৎ। আমি ওটার ডেভলপিং নিয়ে কথা বলতে চাইনা। হয়তো মনে করবেন দালালি করছি।
আজ যখন ব্লগে ঢুকলাম, একটা লেখা চোখে পড়লো, একশটার মতো মন্তব্য এসছে ওখানে। পোস্টে ঢুকেই মন্ত্রমুগ্ধের মতো পড়ে গেলাম। একটি সাদামাটা প্রেমকাহিনী। কিন্তু চুম্বকের মতো টানলো আমাকে।
গল্পের নায়কের মাথায় চুল কম। সোজা ভাষায় যাকে বলে টাকলু। আর এ কারনে নায়িকা তাকে সম্বোধন করলেন বুড়ো বলে!
গল্পের প্রধান নিয়ামক একটি জ্যাকেট। শুরুটাও ওই জ্যাকেট দিয়ে। নায়িকা ঠান্ডায় কষ্ট পাচ্ছিলেন বলে বুড়ো নায়ক তাকে ঠান্ডা থেকে বাঁচাতে নিজের জ্যাকেট এগিয়ে দেন। সেই থেকেই শুরু।
মেসেঞ্জারে কথা হতে লাগলো। আড্ডায় দেখাও হতে লাগলো। সৃষ্টি হলো অনুরাগ, আর অনুরাগের গর্ভেই ভালোবাসার জন্ম। নায়িকা কনফিউজড ছিলেন বলেই নায়ককে বলে বসলেন, আমি তোমাকে নিয়ে আলাদা কিছু ভাবছিনা।
তখনই নায়কের সরল উচ্চারন- আমি তো তোমার কাছে কিছু চাইনি!! আমরা বন্ধু, তাই না?
এ কথার পর পুরুষরাও তো প্রেমে পড়ে যাবে ওই লোকের! আর নায়িকার জেন্ডার কি সেটা তো বলার অপেক্ষা রাখেনা।
নায়িকা বুঝতে পারলো (সেই সাথে আমিও) এ লোক বুড়ো হলেও ভালো মানুষ। এই লোক আসলেই ভালো মানুষ। নায়িকা এও বুঝতে পারলো, শি ইজ ফলেন লাভ উইথ দ্যা ওল্ড ম্যান!!
তারপরের কাহিনী গতানুগতিক। পরিবারের সম্মতিতে তাদের বিবাহ এবং অতপর তাহারা সুখে শান্তিতে বসবাস করিতে লাগিলো।
এখানে আমাকে যে বিষয়টা টেনেছে, তা হলো- প্রথমেই বুড়ো সম্বোধন করায় নায়িকা সম্পর্কে বীতশ্রদ্ধ ধারনা জন্মেছিলো। ভেবেছিলাম, হুমায়ুন আর শাওনের কাহিনী নয়তো? পরে গভীরে ঢুকতেই বুঝতে পারলাম। যাকে বুড়ো বলা হচ্ছে, সে গড়পড়তার হিসেবে দারুন হ্যান্ডসাম এক লোক। আর মানুষ হিসেবে অসাধারন। সেটা তার জনপ্রিয়তাকেই নির্দেশ করে।
আর একটা ব্যাপার,ভালোলাগা যখন জন্ম নিলো, সেখানে বাহুল্যবর্জিত এক ভালোবাসায় পরিনত হতে খুব বেশি সময় লাগলোনা। এই জিনিসটাই সবচে বেশি টেনেছে। নায়িকা যখনই বুঝতে পারলেন, ভালো মানুষের সন্ধান পেয়ে গেছেন, তখন আর দেরি করেন নি। ব্রাভো!!
ভালো থাকুন নায়ক-নায়িকা। ভালোবেসে যান এভাবেই। আর পৌষ-পার্বনে হলেও নিজেদের সুখস্মৃতি গুলোকে ব্লগে তুলে এন সত্যিকারের ভালোবাসা পিয়াসীদের দিকনির্দেশনা দেখান। আজকাল ডিজুস ভালোবাসার ভীড়ে সত্যিকারের ভালোবাসার সংজ্ঞাটা পাল্টে যেতে বসেছে।
আর কোনদিন যদি জ্যাকেটটা নিলামে উঠে, আপনাদের মৃত্যুর পর অবশ্যই, সেটা কিনতে চাইবে অনেকেই। কিন্তু ন্যায্য মূল্য পরিশোধের ক্ষমতা কজনেরই বা থাকবে????
উৎসর্গ-- নাজ আপা ও টুটুল ভাই।
পাদটীকা-- টুটুল ভাই আমার ফ্রেন্ডলিস্টে আছেন অনেক দিন ধরে। বায়বীয় বন্ধুত্বের দাম আমার কাছে কখনোই ছিলোনা। কিন্তু নিজের অজান্তে এতো ভালো একজন মানুষ এতোদিন আমার বন্ধু হিসেবে আছেন, ভাবতেই ভালো লাগছে।
মুল পোস্ট-- blgo





লেখাটি সামু ও আমুতে দিয়েছিলাম, নীতিমালা ভুলে। মুছে ফেলেছি। ডাক্তার আইজুকে ধন্যবাদ।
আমার সামান্য এই লেখাটি যে মানুষকে এত টানবে, ভাবতেও পারিনি।
আপনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে ছোট করবো না।
তবে, কিছু বলার ভাষা খুজে পাচ্ছি না।
শুধু ভালো লাগাটুকু রেখে গেলাম!
আপনার ওই সামান্য লেখাটা আমার প্যারালাইজড হাতটাকেও জীবন দিলো। ঠিক কয়মাস জানিনা, কিন্তু এটা বলতে পারি, অনেকদিন পর মন থেকে কিছু লিখেছি।
:#)
নাজ ভাবির লেখাটা সামান্য না । অসামান্য । আমি তো প্রিয়তে নিতে বাধ্য হইছি ।
এই লেখাটাও ভালো লাগল
ধন্যবাদ।
অতি অবশ্যই একটা ভালো লেখা ছিলো নাজ'র টা। তারউপর টুটুল ভাই ভালো লোক...
আপনার উপলব্ধি আর লেখাটাও খুব সুন্দর------
আরো লিখতে থাকুন এবিতে।
নাজপুর মতো এমন নাড়া দেওয়া লেখা আর কেউ লিখলে হয়তো আবার রিভিউ লিখতে বসে যাবো। সেই দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করেন...
ভেবেছিলাম একটা জ্যাকেট কিনবো.।।।কিন্তু এখন আর সাহস হচ্ছে না.।।।
কেন?
জ্যাকেট ফ্যাক্টর না। ফ্যাক্টর হচ্ছে জ্যাকেট যে পড়বে সেই লোকটা। কি বলেন?
সেই জন্য পরিকল্পনা বাদ.।.।জ্যাকেট পড়া ভদ্রলোক হওয়ার আগে টুটুল ভাই এর কাছ থেকে একগ্লাস পড়া পানি খাইতে হবে.।.।.।।
সেইটা ঠিক আছে। খ্যাক।
আমারেও এক গ্লাস দিয়েন
খুবি চমৎকার প্রকাশ
এই আমরা এখনো ভাল আছি আপনাদের ভালবাসায়
আমরা ভাল থাকব ... আপনাদের ভালবাসায়
মানুষের ভালবাসার চাইতে জীবনে আর কিছু পাওয়ার নাই
কি বলবো বুঝতেছি না
ভাল থাইকেন
কিছু বলতে হবেনা। ভালো থাকেন।
হাজার বছর ধরে আমি পথ হাটিতেছি
একঠো কালো জ্যাকেটের স্বপনের পানে।
জোটে যদি দৈবাত মোটে একঠো জ্যাকেট
খুজিও আশে পাশে থাকে যদি কোন শীতার্ত
নিজেরে বরফে সেদ্ধ করেও উপহার দিও
সেই জ্যাকেটখানা, আখেরে মিলতেও পারে কোন বর্ত!
চমৎকার!
হাজার বছর ধরে আমি পথ হাটিতেছি
একঠো কালো জ্যাকেটের স্বপনের পানে।
জোটে যদি দৈবাত মোটে একঠো জ্যাকেট
খুজিও আশে পাশে থাকে যদি কোন শীতার্ত
নিজেরে বরফে সেদ্ধ করেও উপহার দিও
সেই জ্যাকেটখানা, আখেরে মিলতেও পারে কোন বর্ত!
আম্রাবন্ধুর আম্রা প্রেমকাহিনী খুব ভালু পাই :love:
তাই তো দেখছি।
পোস্টের মূল বক্তব্য ভালো লাগলো। বেশ ভালো। আপনাকে ধন্যবাদ।
কিন্তু আমি কথা বলতে চাই অন্য দুটো বিষয়ে।
১।
http://www.amrabondhu.com/sumon/1108#new
এখানে আপনার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে আমার একটা প্রশ্ন ছিলো, সেটার জবাবের জন্য অপেক্ষায় ছিলাম। যদি একটু কষ্ট করে দিতেন, তাহলে কৃতজ্ঞ থাকতাম।
২।
আপনার এ পর্যন্ত দুটো পোস্ট পড়লাম। দুটোতেই সামু ব্লগ ছেড়ে আসার কান্না... "এবি কেন সামুর মতো না"? এসবে ভর্তি।
ব্যাপারটা আমার কাছে ভালো লাগেনি। এখানে আমরা যারা আছি, তারা প্রত্যেকেই অন্য কোনো না কোনো ব্লগেই প্রথম শুরু করেছি। আমাদের নিজস্ব প্রিয়তা থাকবেই। কিন্তু এবিতে এসে এটাকে এবি হিসেবেই আমরা দেখতে পারি না?
নতুন গার্লফ্রেন্ডের সঙ্গে ডেট করতে এসে "আমার আগের গার্লফ্রেন্ড এইরকম ছিলো, ওরকম ছিলো, তুমি কেন এরকম না? তুমি কেন সেরকম না?" এগুলো বললে চলবে?
বুঝতে পারছি, আপনি আমার উপর ক্ষেপে আছেন।
যাহোক, আপনার এক নম্বর প্রশ্নের উত্তর ওই পোস্টে দিয়ে এসেছি।
দুই নম্বরটার ব্যাপারে বলি- যদি আমার দুটো পোস্টই পড়ে থাকেন, তাহলে হয়তো দেখেছেন আমি এবিতে ঘুরছি অনেক আগে থেকেই। সেক্ষেত্রে এবিকে গার্লফ্রেন্ড না হলেও চেনা একজন হিসেবে বলতেই পারি।
সামু ব্লগের সাথে তিন বছরের সম্পর্ক। সামু ছেড়ে দেওয়ার কারনেই এবিতে এসছি, এটা ভাবলে ভুল করবেন। সামু ব্লগের বেশ কয়েকজন বন্ধু ব্লগার এবিতে আছেন। তাদের মিস করি বলেই এবিতে এসছি। আর কান্নাকাটির কি দেখলেন? ব্লগের কোথাও তো উল্লেখই করিনি, সামুর জন্য আমার পরান কাঁদছে?
এবি কেন সামুর মতো না, এসবে ভর্তি আমার পোস্ট? কৈ, আমার তো সেরকম মনে হচ্ছেনা। প্রথম পোস্টে উল্লেখ করেছিলাম, ডেভলপিং নিয়ে। ব্যস ওই পর্যন্তই। একজন শুভাকাংখী হিসেবে তো এরকম অনুযোগ করাই যায়, নাকি যায়না?
এবি সাফল্য পাক। এটাই চাই।
আরে ধুর, ক্ষেপবো কেন রে ভাই?
এখানে আমরা সবাই বন্ধু, ক্ষেপাতো ভাই বোইন নাই এইখানে
আপনার দুটো পোস্ট পড়ে আমার যা মনে হয়েছে তাই বলেছি। কোনো লুকোছাপা ছাড়া। আমার কাছে মনে হয়েছে সামুর সঙ্গে বার বার এবির তুলনা দেওয়া হচ্ছে। বা এরকম একটা কিছু। হয়তো আমারই বুঝার ভুল।
অথবা প্রকাশ করতে পারিনি ঠিকভাবে।
ভালো থাকবেন...
ভাইডি আপনার হাত সচল হইছে দেখে খুবই ভালো লাগলো ! আন্তরিক অভিনন্দন(পুষ্ট চমৎকার হইছে) !!! নাজ আপুরও ধন্যবাদ পাওনা এর জন্য । ধুমাইয়া লেখতে থাকেন । আপনার ভেতরে আলো আছে রে ভাইডি, তার ঝলক থেকে আমাদের বঞ্চিত(বানান ঠিক তো?) করলে আপনের কিন্তু পাপ হবে , হুউম! .......যদিও জানি, 'অ্যাল ই্জ ওয়েল' কইলেই সব কিছু রাতারাতি ঠিক হয়ে যায় না । আমাদের জীবনটাই তো এমন রে ভাই, এই দেখি আলোর ঝলক, আবার দেখি নাই ।অন্ধকারে হতাশা এসে জাপটে ধরে । তাই বলে হাল ছেড়ে দিলে চলেনি ভাইডি! তাই কই.... 'আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহ দহণও লাগে,
তবুও শান্তি, তবুও আনন্দ, তবুও আনন্দ জাগে
আছে দুঃখ, আছে মৃত্যূ...'
সময়ে সব ঠিক হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ ! এখন মন খারাপ বাদ দিয়া আরেকটা লেখা দেনদি
: আপনার কিছু টাইপো আছে,(আমার বানানেও প্রচুর ভুল থাকে, সেগুলো ধরিয়ে দিলে কৃতজ্ঞ থাকবো ) সেগুলো ঠিক করেন আর আমারে গালি দেন ঠিকাছে? হিহিহিহি...ভালো থাকবেন । শুভেচ্ছা নিরন্তর !
আমাবস্যা = অমাবস্যা
পরিনতি = পরিণতি
পোস্ট = পোষ্ট
অসাধারন= অসাধারণ
পরিনত = পরিণত
সঙগ্রাম = সংগ্রাম
উচ্চারন = উচ্চারণ
এন =এনে
আপনার আন্তরিকতায় মুগ্ধ হলাম।
সেই ছোটবেলা থেকেই বানান রোগে ভূগছি। আমাকে শুধরানোর চেষ্টা করলে নিজেই বিগড়ে যাবেন। আগে যাও এক আধটু চেক দিতাম, এখন একেবারেই কেয়ারলেস।
লিখতে ইচ্ছে হচ্ছে। এবিতে লেখার পরিবেশ আছে। যদি সময়টা এরকম বদমায়েশি না করতো, লিখতাম, সত্যি। তবুও কথা দিচ্ছি, লিখবো। ভালো থাকেন।
ভালো লাগলো। প্রেম কাহিনীর কারণে আরো লেখা আসছে, দেখতেই ভালো লাগছে।
এবার এটা নিয়ে এক্টা রম্য লিখলে কেমন হয়?
হিট প্রেম কাহিনী। নাজ আর টুটুল তো সুপার ডুপার হিট খাইছে। এই উপলক্ষে একটা পার্টি দরকার নাইলে ব্যাপার্টা খারাপ দেখায়।
যাই হোক। প্রেম কাহিনী খুব ভালো লাগলো। লিখতে থাকেন নতুন নতুন লেখা, পড়ে মন জুড়াই।
আপনাদের দেখেই আমার মন জুড়াচ্ছে। আমাকে লিখে মন জুড়াতে হবে কেন?
ধুমায়াই লিখতে থাকেন।
মাসুম ভাই, দেখি পরের লেখাটাতে ধুমান যায় কিনা।
আমি তো প্রথমে বুঝতেই পারিনাই, বুইড়াডা আমাগো জুয়ান ভাই, কি পরিমান খারাপ কথা!! পরে দেখি আপন লোকেরে আদর কৈরা বুইড়া ডাকে...এই দুনিয়ায় প্রেম ভালোবাসার আদরের ডাকের কত বৈচিত্র-----:)
বিলাইয়ের এক্টা বিবাহ দর্কার
কমিটি বানান মাসুম্ভাইরে সভাপতি কইরা
মাসুম্ভাইতো ববিতারে লৈয়া বিজি
তাইলে আপনেই সভাপতি হইয়া যান; মাসুম্ভাইরে উকিল বাপ বানায় দিয়েন পরে
আমারে মাফ কৈরা দেন
এক্টা ম্যানেজ করতেই জান বাইর হৈয়া যাওয়ার যোগার
দিন বদলাইছে ... আপ্নে এইবার দায়িত্ব লন কারন "মেয়েরাও মানুষ"
গরীবের লাইগা কেউ নাই???
ঘটকালী শুরু করেন টুটুল ভাই.।.।আমি ও একটা সিভি দিমুনে।
ভালোবাসায় কেউ কাউরে আদর কইরা বুইড়া ডাকতে পারে, এটাও দেখলাম!!!!!!!
ভালোবাসায় কেউ কাউরে আদর কইরা বুইড়া ডাকতে পারে, এটাও দেখলাম!!!!!!!
ভালোবাসায় কেউ কাউরে আদর কইরা বুইড়া ডাকতে পারে, এটাও দেখলাম!!!!!!!
হ , আমাগো টাকলু বুইড়া রুমান্টিক ভাই হিট।
পুরা হিট, লাইফেও. ব্লগেও।
এবির বাগ???????????
শাওনের কমেন্ট এর জবাব দিতে পারছিনা। তিনবার ট্রাই মারলাম। ভুল জায়গায় প্লেস হলো।
মন্তব্য করুন