হানাহানি আর নৈতিক দৈন্যতার পৃথিবীতে প্রভুযিশুর জন্মদিন শুভ বড়দিন

শুভ বড়দিন!
ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে যিনি ঈসা (আঃ) বিশ্বের তাবৎ খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের কাছে তিনিই যিশু; মানবজাতির পথপদর্শক। মানবজাতির ত্রাতা বা উদ্ধারকর্তা হিসেবে পৃথিবীতে আবির্ভাব হয়েছিল প্রভুযিশুর। হিংসা, বিদ্বেষ, পঙ্কিলতাপূর্ণ সেসময়কার পৃথিবীর মানুষকে সুপথে আনার জন্যই তার আবির্ভাব হয়েছিল।
প্রভুযিশুর জন্ম হয়েছিল কোন এক গোশালায়, অত্যন্ত দীনবেশে। আজীবন দীনবেশে জীবনাচরন করে দারিদ্রকে ধন্য করেছেন তিনি। তিনি বলেছিলেন, দীনহীন যারা তারাই সুখি কারণ স্বর্গরাজ্য তাদেরই । তিনি শিশুদের নম্রতার প্রতীক বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন তোমাদের মন যদি পরিবর্তন না হয় আর তোমরা যদি শিশুদের মত না হয়ে ওঠো তবে স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে না। আর তাই যুগে যুগে বড়দিনের আহবান হচ্ছে শিশুদের মত হয়ে ওঠার আহবান। যে শিশুর প্রতীকই হচ্ছেন গোশালার যবপাত্রে শায়িত সেই শিশুটি যা ছিলেন স্বয়ং যিশু।
অমানুষিক নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছিলেন খ্রিষ্টধর্মের প্রবক্তা প্রভুযিশু আর মুসলমানদের হযরত ঈসা (আঃ)। কিন্তু কোনো নির্যাতন বা নিপীড়ন তাঁকে সত্যের পথ থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। যিশু ছিলেন সংযম, সহিষ্ণুতা ও ভালোবাসার প্রতীক।
আজ পৃথিবীজুড়ে মানুষের নৈতিক দৈন্যেতার কারণে হিংসা, হানাহানি ও অশান্তি বেড়েই চলেছে। বড়দিন এই দৈন্যতা ও সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে ওঠার শিক্ষাই দেয়। পৃথিবীজুড়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামা, যুদ্ধবিগ্রহ, হানাহানি ও হিংসা-বিদ্বেষের এই যুগে যিশুর শিক্ষা অনুসরণীয়।
বড়দিন পালিত হচ্ছে দেশে দেশে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। এদিনটি যেন শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে শেষ না হয়ে যায় সে দিকে লক্ষ্য রাখা জরুরী।
সবাইকে বড়দিনের আন্তরিক শুভেচ্ছা।





সবাইকে বড়দিনের আন্তরিক শুভেচ্ছা।
উৎসবের আনন্দ পৌঁছে যাক সব ধর্মের মানুষের মনে।
আপনাকেও বড়দিনের শুভেচ্ছা।
সবাইকে বড়দিনের শুভেচ্ছা্্
শুভ বড়দিন।
সবাইকে বড়দিনের আন্তরিক শুভেচ্ছা
মন্তব্য করুন