তাহার সনে হইল না মোর বন্ধুতা
তাহার নিকট আমি অস্পৃশ্য। তাহার বাড়িতে আমার প্রবেশ নিষিদ্ধ। তাহার পরেও ঘুরিয়া ফিরিয়া আমি তাহার দুয়ারে যাই। নীরবে নৈবদ্য নিবেদন করিয়া বেড়াই। সে কি বুঝে এই ব্যাকুল হৃদয়ের হাহাকার? সে কি সাড়া দিত অস্পৃশ্যের আহ্বানে? সে প্রশ্নের উত্তর অজানা থাকিয়া যাইবে। নিজভূমে আজিকে সে পরবাসী। 





তুমিতো লুলরেও হার মানাইবা।
হে হে হে সবই আপনাদের দোয়া
আহারে। তুমার দুক্ষে চোক্ষে পানি আসছে।
তুমার এত নিবেদন বৃথা যাবে না। বুকে পাথ্থর বাইন্ধা অপেক্ষায় থাকো।
আর কত পাথর বাইন্ধা রাখিব
কি আর করবা মানু? তুমার কপালে ছিলো এই! তাহার দুয়ারে তুমি মাথা ঠুকবা। পাষাণী দুয়ার আটকে বসে থাকবে।
খালি আমার দুয়ার আটকালে কথা ছিল না। গোটা বাংলাদেশ ব্লক কইরা দিল।
মানু তুমার ফাঁসি হওন দরকার।তুমি এমন প্যাঁচ লাগাইলা?
হাসান রায়হান | মে ৩০, ২০১০ - ১০:১৭ পূর্বাহ্ন

তুমিতো লুলরেও হার মানাইবা।
কী হৈছে মানু ?
ব্লগে ব্লক কইরা দেওয়ার পর ফেসবুকে বন্ধুত্বের হাত বাড়াইয়া দিছিলাম। সেই হতা ধরার আগেই সে হারাইয়া গেল
বুঝলাম মানু'র বন্ধুত্বতা হবে, কিন্তু ভাঙ্গার চারিচক্ষুতে (ভাঙ্গা মনে হয় চশ্মাধারী) তারাবাত্তি ছুটছে কেন??
আমি কিন্তুক চশমাধারী না
সে হাত ধরে নাই দেখে কি তুমিও হাত গুটিয়ে এরকম উপসংহার মার্কা পোষ্ট লিখলা নাকি?
তাহার বাড়ির দরজাতো আর ভাংতে পারবেন না । এই জন্য নিজের কম্পুটাই ভেঙ্গে ফেলেন । এরপর সে যদি আপনার ব্যাকুল হৃদয়ের হাহাকার বুঝে

মন্তব্য করুন