বদনগ্রন্থ ইস্যু - একটি ব্যক্তিগত ক্ষমা প্রার্থনা
পয়লা খুব রাগ হইতেছিল। পাকি'রা যখন বদনগ্রন্থ ব্যান কইরা দিল, খুব এক চোট হাসি দিছিলাম। কিন্তু আমার মুখের হাসি মুখ হইতে মিলাইয়া যাবার আগেই দেখি আমার নিজের দেশের বুদ্ধিমান সরকারও একই কাম করছে। বেজায় অপমান বোধ হইতেছিল। শেখ হাসিনার বাপ শেখ মুজিব না হইলে হয়ত উনার চৌদ্দ গুষ্টি নিয়া গালাগালিও দিতাম, খালি শেখ মুজিবের জন্য পুরা বংশ রক্ষা পাইল। আহা কত রঙীন রঙীন বালিকার কত রাঙানো ফটুক, কত রঞ্জিত বাক্যালাপ সব বিলোপ, বিলুপ্ত হইয়া গেল। দুঃখে কলিজা ফাইট্টা যাইতেছিল।
তারপর দেখি কিয়ের কি! একে একে সব্বাই অনলাইন হইতেছে খোমাখাতার পাতায় পাতায়। আমিতো অবাক, নিরেট মাথার আমলাগো এত তাড়াতাড়ি বোধদয় হইতে দেইখা! পরে দেখি না, ঘটনা ভিন্ন সকলে নানান মতলব ব্যবহার কইরা লগইন করতেছে। যেই আংকেল দুই তর্জনি দিয়া স্ট্যাটাস আপডেট করেন তিনিও প্রক্সি সার্ভারের হদিস বাইর কইরা ফালাইছেন।
আমার বুকটা গর্বে ফুইলা উঠলো। না আমার মতলববাজ খোমাপুস্তক বন্ধুগো বুদ্ধিমত্তা দেইখা না বরং আমার দেশের সরকারের দূরদর্শিতা দেইখা। এক রাইত ফেসবুক ব্লক কইরা তিনারা কিভাবে গোটা বাঙালী জাতিরে প্রক্সি সার্ভারের ব্যবহার শিখাইয়া দিল। এমন কি আমার মাতৃদেবী জিনি কি না পিসি ইস্টার্ট দিতে জানেন না তিনিও আইজ ফোন কইরা আমারে তার জন্য একখানা বদনগ্রন্থ খুলতে বলছেন। ব্রাভো! মাননীয় সরকার, আপনাগো গালিগালাজ করার জন্য আমি ক্ষমা প্রার্থী। আমার গালি গালাজ গুলান চপল মনের শিশু সুলভ আচরণ হিসাবে ধইরা নিয়া ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন বলিয়া আশা রাখি।
শুনতেছি নাকি খোমাখাতা পুনরায় উন্মুক্ত হইবে কিছু কিছু ক্ষেত্র বাদে। আমি শিউর এইটা সরকারের পরবর্তি পদক্ষেপ আমাদের আইটি জ্ঞান বাড়াইনার। এই ব্যপারে আমার আর বিন্দুমাত্র সন্দেহ নাই।
আমার মাথায় এখন শুধু একখান প্রশ্নই ঘুরতেছে, এত বুদ্ধি নিয়া সরকার ঘুমায় কেমনে?





এই জন্যই বারবার খোদাতালারে বিশ্বাস করতে ইচ্ছা হয়।
না ঘুমাইলে ডিজিটাল বাংলার স্বপ্ন দেখবে ক্যাঠা?
সরকার মাথার নীচে বালিশ দেয়।
কথা হইলো আমি কিন্তু আইজ একবারও খোমাখাতায় লগইন করি নাই।কাইল এনশাল্লাহ আমিও করব।
সুবহানআল্লাহ
আমার মাথায় এখন শুধু একখান প্রশ্নই ঘুরতেছে, এত বুদ্ধি নিয়া সরকার ঘুমায় কেমনে?
--আমারও সেই প্রশ্ন!
হ
তোমার জন্যইতো এত্ত ঝামেলা...
তুমি নাকি কোন নারীকে তোমার লগে যুগ্দানের রিকুশ কর্ছো... আর সেই রিকুশ ঠিকমত হয় নাই দেইখা ফেসবুক ঝড়ে আক্রান্তু হৈয়া হসপিটালাইজড?
যত দোষ মানু ঘোষ! সে তো বুঝে নাই হাউ মেনি রাইসে হাউ মেনি পেডী, হাত বাড়ানি'র আগে বুঝে নাই সে ছিলো কোন বেডি!... বামুন হইয়া পাকড়াইতে চাইছে চন্দ্র, ফলস্বরুপ আমাদের জন্যে এফবি বন্ধ! ... এরে কি করা যায় ক্ষমা? ওর কোমড়ে বাইন্ধা দেয়া হোক মরিচ বোমা...
মানু এখনো বোঝে নাই?
মনে হয় নাই যে বুঝছে... এখনো কল্পনার ফানুস উড়াইতেছে, সে নাকি প্রিয়তমেষু সম্বোধন করছিলো তখন রিকুষের টাইমে, এখন ভাবতেছে ডাকটা মনে হয় আন্তরিক হয় নাই, মাবুদ জানে এফবি খুলে দিলে কি যে সম্বোধন করবো!!... ওইপক্ষ যদি একবার জানতে পারে, বেটা আছে রানী'র দেশে... তাইলে রানীরও এফবি বন্দ হইয়া যাবে নিশ্চিত! ...
যুদি ভুল করি তোমাকে ছাই, বল আমার কি দুষ? যুদি মন বালবাসে তুমায়, বলি আমিও মানুষ - আইয়ুব বাচ্চু
আইয়ূব বাচ্চু, তোমার এই হালের কথা অনুধাবন করে আগেই গান বানায়া রাখছে দেখি!!!
ভাল বলেছেন!
থেংকু
হাহাহা, সরকার এমন হওয়ার পরেও দেশটা চলতেছে, সৃষ্টিকর্তার প্রতি এই জন্যই বিশ্বাসটা উঠে না।
হক কথা
মানুর দোষ - ১০০% খাঁটি কথা।
হ, মানুরই দোষ।
রাব্বানা ধরলাম না ছুঁইলাম না খাইলাম না তবু দোষ হইল আমার
হক থকা!
জেবীনরে একটা ঝাঝা।
এইটা তাইলে মানুর দোষ?
হ, সবই আমাদের টেকি জ্ঞান বাড়ানোর জন্য।
আবার জিগস
যতো পোষ্ট পড়লাম ফেসবুক সংক্রান্ত এটাই সেরা
থেংকু। তবু একজন কেউ কমপ্লিমেন্ট দিল।
উনারা ঘুমান দাঁড়ায়া।
ঘুড়া রোগে আক্রান্ত নাকি?
ফেসবুকে কোনোকিছু নিয়া রিপোর্ট করতে যে রিপোর্ট এ্যবিউজ বাটনে টিপ দিতে হয়, এইটা আবিষ্কার করার জন্য সরকারের ২৬ সদস্য বিশিষ্ট আইটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করতে হইছে। বুঝেন এইবার কাহিনী।
মন্তব্য করুন