ডাবল রুফ না কি ভুলে যাবার উসিলা?
চার মাস অনেকের কাছে কোন সময় নয়। আমার কাছে ১২০ দিন, কলমের বৈধব্য, কাগজ জমে যাওয়া, কী-বোর্ডের শীত কাতরতা...মনের শুষ্কতা। এটা কি রাইটার্স ব্লকেজ না কি প্রতিদিনের শিকড় উপড়ানো ব্যস্ততার কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ!!
আমি এতকিছু জানি না, আমের সাথে জাম মিলিয়ে ও যদি একটা লিখা আসে আমি এখন খুশি হব আমার অবস্থা এমনই...
জীবনটা যেন ডাবল রুফে রাখা কোন জিনিসের মতো
প্রতিদিন ভাবি নামাব কিন্তু নানা টানাপোড়েনে আর হয়ে ওঠে না;
বেহুল জোস্নায় চরাচর ভেসে যায়, আমি চাদেঁর নীচে বসি কই!
বাউলা বাতাসে ঘূর্ণি নাচন,
মাথার ভেতর পাক্ দিয়ে ওঠে, বসন্ত তবু বলে আমি তার নই।
হরিণের জিহ্বায় বড়শি গেঁথে দূর বহুদূর-
আলো নেই, বেতাল বিংশতির (অ) সুর,
ডাবল রুফের শেষটা দেখা হয় না; বন্যাবাতি অনিত্য হয়ে
সব নগ্ন করে ধরিয়ে দেয় না চোখের আয়নায়,
আয়ু ক্ষয় হতে থাকে-
ঘষটে চলা পথের সীমানায়...





এই আশায় বেঁচে থাকি...
অসাধারণ!! মেঘ, অসাধারণ লিখেছো।
আপু সত্যি কথা!
আনন্দিত মনে ঘুমাতে যাই...
চরম কবিতা।
ভাই চরম কি রাগ করে বললেন? না কি জোশ টাইপ কিছু??
অতি জোস্
আপনার সবডি কবিতা এইরাম কডিন !!! পড়তে পড়তে মাথা ভেঙ্গে যায়
মাথার ভেতর পাক্ দিয়ে ওঠে, বসন্ত তবু বলে আমি তার নই।
ওই বাঊলা তুই কেমন আছিস?
টেলিফোনে বলবানে...চলে যাচ্ছে কোনমতে এই আর কি...
দারুণ। নিয়মিত দেখি না যে!
ভাইয়া, কি আর বলব দুষ্কের কথা...সকাল ৭.৩০ তে অফিস যাওয়া শুরু করি, বাসায় ফিরি রাত ৯.৩০ তে। আর কখন নিয়মিত হব! স্বাস্থ্যগত এবং বতর্মান পরিস্থিতিতে আপাতত বাসায় আছি, তাই নেটে আসার একটু সুযোগ পেলাম। আপনি কেমন আছেন?
মন্তব্য করুন