মানানসই বেমানান
যদি বলি কোন শব্দগুলো শুনতে ভালো লাগে? উত্তর খুঁজে বের করে আনা টাফ নয়। গান, বাজনা, পাখির ডাক, মায়ের ডাক, বৃষ্টি, সাগরের ঢেউ, নদীর পানির ছলাৎ ছলাৎ, শিশুর অস্ফুট বাক্য, বাশির সুর, ঘুম পাড়ানির গান এরকম হাজারটা খুঁজে পাওয়া যাবে।
যদি বলি শুনতে বিরক্তিকর শব্দগুলো কি? এখানেও এমনি। যেমন বাসের হর্ন, বাপের বকুনি, বন্দুকের শব্দ, বেসুরো গান, নাক ডাকা, সজোরে দরজা লাগানো, ইট ভাঙ্গা, ড্রিলিং, কানের কাছে ভ্যান ভ্যান, মশা-মাছির প্যান প্যান ইত্যাদি ইত্যাদি...
কিন্তু এমন কিছু শব্দ আছে যে গুলোকে কোন ভাবেই শ্রেনীভুক্ত করা যায়না, দেখুন-
ঝমাঝম রেলগাড়ীর শব্দ, কনসার্ট, মাঝরাতে শিয়ালের ডাক, সাইকেলের ক্রিং ক্রিং, বাচ্চার কান্না, মায়ের বকুনি, বজ্রপাত, আঙ্গুল ফোটানো, ভোর বেলা মোরগের ডাক ইত্যাদি।
কত সহজেই এগুলোর সাথে আমরা অভ্যস্থ হয়ে গেছি। হরেক রং মাঝে মাঝে শুধুই সাদাকালো মনে হয়। আমাদের নিজেদের জীবনের ভাল, মন্দ আর সাধারণ অভ্যাসগুলোকে হয়ত আমরা একদিন এভাবেই আলাদা করতে পারব...





:হুক্কা:
যদি বলি শুনতে বিরক্তিকর শব্দগুলো কি? এখানেও এমনি। যেমন বাসের হর্ন, বাপের বকুনি, বন্দুকের শব্দ, বেসুরো গান, নাক ডাকা, সজোরে দরজা লাগানো, ইট ভাঙ্গা, ড্রিলিং, কানের কাছে ভ্যান ভ্যান, মশা-মাছির প্যান প্যান ইত্যাদি ইত্যাদি...
আসলেই বিরক্তিকর এই আওয়াজ গুলো...
বাহ, এভাবে তো ভেবে দেখা হয়নি। ভাবতে ভালো লাগছে।
বাবা আর মা'কে ক্যটেগরাইজ করে ফেলসেন। এ যৎসামান্য অসঙ্গতিটুকু ছাড়া আপনার প্রথম পাতার তিনটা পোস্টই দারুণ! আরো লিখুন। লিখতে লিখতে চারদিকে একটা হই চই লাগিয়ে দেন। শুভকামনা।
জানতাম প্রশ্নটা উঠতে পারে।
কিন্তু ঐ ছোট্ট বেলায় ফিরে যান একবার! একটু ভেবে দেখুন-
বাবার বকুনিতে চোখের জল এসেছিল তখন। বাবার বকুনি খাবার ভয় কার না ছিল, কখনো কি তা' আড়াল করার সূযোগ ছিল আমাদের সেই ছোট্ট বেলায়? বাবাদের ভালোবাসার ধরন আলাদা।
আর মায়ের বকুনি? সবাই খেয়েছি কিন্তু বকুনি খেয়ে আবার দৌড়ে পালিয়েছেন সেই বাইরের আঙ্গিনায়। আবার মিশে গ্যাছেন হয়তো ইচিং-বিছিং অথবা ডাঙ্গুলিতে। বকুনি খাবার ভয় তো কখনোই থাকেনা মায়ের কাছে। এটা নিউট্রাল।
বাবার বকুনি হলো শাসন, আর মায়ের বকুনি কখনো তা' চোখে চোখে রাখা আবার কখনো সেটা ভালবাসা। এটাই তফাৎ।
আপনার মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।
মন্তব্য করুন