অপচেষ্টায় ব্লান্ট
একদিন সাব-ওয়েতে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ডাউনটাউনের ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছি। অফিস যেতে হবে, অসংখ্য ফাইল জমে আছে, সেগুলোকে কুপোকাৎ করতে হবে। বাড়িতে ফোন করি না অনেকদিন। কবে যে এ বন্দিদশা থেকে মুক্তি পাবো জানি না। মাথার ভেতর ঘুরছে হাজারটা চিন্তা।
হঠাৎ চোখের সামনে আকাশ থেকে নেমে আসা অ্যঞ্জেল দেখতে পেলাম এবং স্তম্ভিত হলাম। ওর ঠোঁটের কোণার সত্যিকারের মিষ্টি হাসিটুকু প্রায় মাথা খারাপ করে দিলো। কিন্তু খুবই দুঃখের কথা, শী ওয়াজ উইদ আনাদার ম্যন। মেয়েটি যে সত্যিই প্রাণে মেরে রেখে গেছে তার প্রমাণ পেলাম, যখন দেখলাম সারারাত আর আমার চোখে ঘুম আসলো না। খুবই কষ্টের একটা রাত ছিলো সেটা। ট্রেনের কাঁচের ওপাশ থেকে সে আমার দিকে যে হ্যলো-হাসিটা দিয়েছিলো, সেটা ভুলতে পারছিলাম না।
ভীড়ের মধ্যে কাউকে দেখে প্রেমে পড়ে গেলে কি করা যায়? শুধু এক ঝলকের একটু দেখার প্রেম নয়। চৌহদ্দি পেরিয়ে মিলিয়ে যাওয়ার প্রেমও নয়। শেষ পর্যন্ত একটা বিপর্যয়ের স্বীকার হতে হয় যে জন্য, সেই প্রেম। বিপর্যয় যখন সম্ভাবনার মৃত্যূ ঘটানোর আগ পর্যন্ত নিষ্ক্রান্ত হয় না, সেই প্রেম।
এক সহব্লগারের কাছে সেদিন জানতে চেয়েছিলাম, জেমস্ ব্লান্ট কেমন লাগে? কিছু বলে নি। আমার এই ভদ্রলোককে বেশি মাত্রায় ভালো লাগে। তার গানগুলো, যেকোন সময় যেকোন অবস্থায় একবার শুনলেই মুগ্ধ হই।
ইউ আর বিউটিফুল
আবার; যদি ভাবি একটা অতৃপ্ত প্রেমের কথা, যেখানে শেষ পর্যন্ত সরে যাওয়া ছাড়া আর পাওয়া যায় যন্ত্রণাময় টনটনে অনুভূতি। আরো পাওয়া যায় একটা থেকে থেকে মুচড়ে ওঠা ভেতর, যাকে বাহির থেকে যত চেপে রাখার চেষ্টা করি তত ওটা নিজেকে বিবশ করে তোলে; নীল হতে থাকে ব্যথায়।
একটা মানুষ যে আমার আত্মাটা ছুঁয়েছে, হৃৎপিন্ডটা দেখেছে, আমাকে গড়েছে; আমি যাকে ঘুমিয়ে থাকতে দেখেছি, যার শরীরের গন্ধ এক লক্ষ গন্ধ থেকে আলাদা করে চিনে নিতে আমার কোনো সমস্যা হয় না, যার ভয়গুলোকে আমি জানি; সেই একজনের সঙ্গে বিচ্ছেদের সময়টা কেমন হতে পারে? 'ইউ হ্যাভ বীন দ্য ওয়ান ফর মী' হারিয়ে গেলে নিজেকে কি মনে হয়? প্রেত?
গুডবাই মাই লাভার।
সম্পর্কের মধ্যে মার-পিট থাকবে না, বিশেষতঃ হৃদয়ঘটিত সম্পর্কের মধ্যে; এটা আমার কাছে কেমন জানি কম স্বাভাবিক মনে হয়। যে কারণে সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমি নাদুস-নুদুস কাউন্টারপার্ট বেছে নেয়ার পক্ষপাতী। সাধারণত মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে কিছুটা কম শক্তিধর হয়, সেটা পুষিয়ে নেয়ার ব্যপারও আছে।
মানুষ মাত্রই ভুল-চুকপ্রিয় প্রাণী। এটা জানার কারণেই তার আবার ভুল হয় বেশি। যেটা ভুল হওয়ার না, সেটাও ভুল করে দেখা যায় মানুষ দাঁত কেলিয়ে হাসছে। কেননা, টু এর্র ইজ হিউম্যন। সঠিক লাইনটা কি এটাই? নিশ্চিত না। কারণ মানুষ বলে ভিন্ন কথা।
দাম্পত্য জীবনে ভুল-ত্রুটি খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তা নিয়ে রাগারাগি এবং স্থান ছেড়ে চলে যাওয়ার ঘটনাও খুব স্বাভাবিক। মার-পিট হওয়াও স্বাভাবিক। এমনকি একে অপরের কাছে ক্ষমাপ্রার্থনাও ঘটনাও দুর্লভ নয়।
সেদিন এক ক্যচাল, চলে-টলে যাওয়া শেষে দেখলাম ছেলেটা বলছে, দ্বিতীয় সুযোগ চাই না। আবারও আমি কাজটা করবো। কারণ আমি তোমাকে ভালবাসি।
এইটাকে কি বলা যায়?
সেম মিসটেক
যুদ্ধটা সম্পর্কে বলো, যেটা আমরা লড়ছি। তোমার হাসির পেছনে লুকাচ্ছ কি বলো, সেটা আমরা খুঁজছি। হারিয়ে যাওয়া আমাদের কথা বলো, যেখানে পথ দেখানোর কোনো বাতিঘর নেই।
তোমাকে এক অপরিচিত শরীরের পাশে দেখে তাই আমি টুকরোয় টুকরোয় ভেঙ্গে পড়ি। প্রতিটি স্পন্দন আমার হৃদয়ের গতিকে আরো কমিয়ে দেয়। বন্ধু তোমার ভালো থাকাই শেষ কথা। তাই সবগুলো অভিযোগ মেনে নিয়ে আজ আমি অনেকদূরে।
সো ফার গন
গানগুলো যখনই শুনি, ইচ্ছে হয় এগুলো নিয়ে কিছু একটা লিখে ফেলি। কিন্তু কোনো এক বিচিত্র কারণে আজ পর্যন্ত কিছুই লিখতে পারলাম না। দিন বয়ে গেল আপনমনে।
---





মীর কি ঘন ঘন প্রেমে পড়েন । শুনছি কবি লেখকরা নাকি এইরকমি হয় । যখন তখন প্রেমে পড়ে
।
শুধু প্রেম না, সেটা আবার ঘনপ্রেম। একেকবার পড়লে উইঠাখাড়াইতে বড়ইকষ্ঠ

আইজ-কাল মানুষ লেখাও পড়েনা, লিংকুতেও ক্লিকায় না; কি কথা!
আমারে খোঁচা দিলেন ?
লিংকে ক্লিকাই নাই কে কইছে ? দোষ তো আপনারই । এমনে লেখেন যে মনে হয় নিজের কথাই বলতেছেন । তাই চটজলদি একটা কমেণ্ট কইরা ফেলছি । আমারো তো ইচ্ছা করে , কমেন্ট প্রতিযোগিতায় পরথম হইতে 
গান নিয়ে এমন লেখা হতে পারে! ভাবনাটা বিশেষ অন্যরকম কারণ সম্ভবত নিজে এর ভেতর ঢুকে গেলেন বলে।
ঢুকে আছি অনেক দিন ধরেই, এরকম আরো অনেক গানের ভেতর। তবে জুতমতো পরিবেশ ছাড়া গান শুনে মজা পাই কম। যেমন: রাত তিনটা-সাড়ে তিনটার দিকে, নির্জনতার চূড়ান্ত অবস্থায়, যখন এমনকি ব্লগেও কেউ থাকে না; তখন বিশেষ কিছু গান/ইন্সট্রুমেন্টাল ভালো লাগে। চোখ বন্ধ করে একটা চক্রের মধ্যে ঢুকে যাই। সুরের সঙ্গে উঠা-নামা করি। অদ্ভুত অনুভূতি। অনুভব করা ছাড়া আর কোনোভাবে বোঝার উপায় নেই।
লীনা'পু, আপনার জন্য আরেকটা গান,
স্কালা এন' কলাক্নি ব্রাদার্স পার্ফর্মিং উইথ অর উইদাউট ইউ (U2)
জুত মতো পরিবেশ কই আর পাই। যেটুকু পাই তাতে গান মেলে তো কান মেলে না, এই করে যাচ্ছে দিন।
গানটা শুনলাম এতক্ষণ। অদ্ভুত সুর আর মন হরণ করা কথা।
তুমি সহ অথবা তোমাকে ছাড়াই
তুমি সহ অথবা তোমাকে ছাড়াই
আমি বাঁচতে পারিনা তুমি সহ অথবা তোমাকে ছাড়া
তুমি সহ অথবা তোমাকে ছাড়াই ।।
কি বিপত্তি
দারুণ বলেছেন, 'যেটুকু পাই তাতে গান মেলে তো কান মেলে না।' সব্বারই একই অবস্থা। এবং আমার মনে হয়, এটা একটা ভালো ব্যবস্থা। এ কারণেই হয়তো সবকিছুর প্রতি একটা আকর্ষণ কাজ করে। একঘেয়েমি পুরোপুরি পেয়ে বসার সুযোগ পায় না।
গান ভাল্লাগসে শুনে খুশি। অর্জিনাল ভার্সনটাতেও একটা ক্লিক দেন।
এরকম ভাবনাগুলো কিরকম বয়সে আসে সেইটা ভাবতে বসলাম আপাততঃ
জেমস ব্লান্ট একটু টাইপড, কিন্তু ভালো লাগে। একটা লাইভ কনসার্ট দেখেছি, কান্নাবিষয়ক গানটা হাসিমুখে গেয়ে ইউ আর বিউটিফুল গাইতে গাইতে কেঁদে দিয়েছে
মীরের জন্য বিষে বিষক্ষয় প্রেসক্রিপশন- রোন্যান কিটিংয়ের ইফ টুমরো নেভার কামস শোনেন
ইন্জিরি গান শুনি কম
একটা বড় কমেন্ট লিখেছিলাম। নিজের ভুলে কাটা গেল। আফসোস। সব কথা এখন আবার কি করে মনে করি!
ভাল্লাগে
তাই না? ধইন্যবাদ।

ইয়ো'র বিউটিফুল গানটাতে একজায়গায় থাকে, 'she could see from my face that i was fucking high'...আমার এইটা মজা লাগত, খুব 'প্রেঈম' 'প্রেঈম' মার্কা একটা গানে ঠাস কইরা এইরকম একটা শব্দ...এই লাইনটার জন্যই বার বার শুনতাম গানটা। এইটার একটা ভদ্র ভার্সন বের করছিল, সেইখানে 'fucking' শব্দটা 'flying' দিয়া রিপ্লেইস করছে। মানেএএএ, কই 'fucking high' আর কই 'flying high'!
একবার টিউবে যাইতেছিলাম কই যেন, আমি দরজার পাশে দাড়ানো। আরেক প্রান্তে একটা ছেলে দাঁড়ায় ছিল...ছেলেটা আমার জীবনে দেখা সবথেইকা সুন্দর ছেলে। জন লেনন আর জন কিউস্যাক দুইজনের চেহারা মিলাইলে সবথেকে সুন্দর কম্বিনেশন যা হবে, ঐটা ছিল ঐ ছেলেটা। সাথে ছিল জাপানী মা আর ব্রিটিশ বাপ। আহারে পোলাটার কথা এখনো মনে পড়ে
আমি প্রথম থেকেই ফ্লাইং শুনসি। আপনার কাছ থেকে শোনার পর ইউটিউবেও দেখলাম ফাকেন' হাই কথাটার উল্লেখ আছে। আসলেই এই শব্দটা লাইনটারে বিশেষ পূর্ণতা দেয়, যা ফ্লাইংএ আসে না।
যাউক্গা, নতুন লেখা পাই না ক্যান? আমি তো ভাবছি আপ্নে মুনয় ওইখানে ক্যমেরা নিয়া কান্না-কাটি করতেছেন এখনো।
আর, ছেলেটা কি জেমস্ ব্লান্ট হৈতে পারে? ইতিহাসে কিন্তুক মিল পাইতেসি।
কোনখানে ক্যামরা নিয়া কান্নাকাটি করতেছি!
জেইমস ব্লান্ট হওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই, জেইমস ব্লান্ট দেখতে খুবি সাধারন। কোন ইতিহাসে মিল পাইলেন?
নতুন লেখার মুড নাই তাই লেখাও নাই।
একটা অ্যলবামে একজনের ছবি দেখছিলাম। মোবাইলে কথা কয় না কি করে বুঝা যায় না। তয় ভাবখান জব্বর হৈসিলো।
কারে কারে দেইখা যে আপনে মনে করেন ঐটা আমি আপনেই ভাল জানেন
লিজার কথায় কেমন যেনো সইত্য সইত্য উঁকি দিচ্ছে
মীরের জন্য স্পেশাল
আপ্নের গানটার জন্য কুটি-খানেক ধইন্যাপাতা।
লিঙ্কে ক্লিকানোর সাহস হলো না।
চুল ছিড়াঁর কি হলো??
নেটের যা স্পীড আর ইংলিশ গান এইজীবনে খুব কম শুনেছি।(আমি ইমো দিতে পারছি না ক্যান। )
আপ্নে ব্লগে নাই, এইজন্য।
নতুন পোষ্ট কই?
নতুন পোষ্ট দেন জলদি আমাদের প্রিয় লেখক।
ভয় পাইসি আপ্নারে দেইখা। আছেন কেমন? মিস্ ইউ।
ভয় কেনু?কেনু?কেনু?
মিসিং ইউ। পোষ্ট দেন প্লিজ।
আজ বইমেলায় গিয়েছিলাম। ঘুরলাম, বন্যার গান শুনলাম।
সোমবার আবার যাবো এনশাল্লাহ। আপনাকে একটা ছড়ার বই কিনে দিতে চেয়েছিলাম।তার কি হবে?
ইয়েস্ আমার বইএর কি হপে?
বলেছিলেন ছড়ার বই এর ষ্টলের সামনেই পাবো কিন্তু কোন্ ষ্টল তা তো বলেন নি। কোন ঠিকানাও জানা নাই যে পাঠাবো।
নতুন পোষ্ট দেন। দুদিন পোষ্ট দেন না। অন্যায়।
এখানেই দেবো?
যেখানেই দেন,আপনার কাছে পৌঁছলেই হলো।
আরে নতুন পোস্টের কথা বলসি
মন্তব্য করুন