কিন্তু প্রথম বাণীটাতেই আটকে গেলাম
বিশ্ব ভালবাসা দিবসের অনুষ্ঠান ইদানীং বেশ খোলাখুলিভাবেই টিভিতে দেখানো হচ্ছে। স্কুলের বেঞ্চে ইউনিফর্ম পড়া ছেলে-মেয়ের বসে গল্প করা দেখে ভাবি, আমি যখন স্কুলে পড়তাম তখন এটা অচিন্ত্যণীয় ছিলো যে; প্রেমিকার সঙ্গে নিরিবিলিতে একটু বসলাম আর টিভি ক্যমেরা সেখানে হাজির হয়ে গেল, আর আমরাও সে দৃশ্য নির্দ্বিধায় সেলুলয়েডের ফিতায় বন্দী হতে দিলাম।
যাক সে কথা, মতিঝিল আমার খুবই প্রিয় একটি এলাকা। ওর সঙ্গে আমার হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক। একটা ব্যপার প্রায়ই ঘটে, যে জিনিসগুলোর সঙ্গে আমি স্যূট করি সেগুলো চমৎকারভাবে জীবনে মানিয়ে যায়। যেগুলোর সঙ্গে স্যূট করতে পারি না সেগুলোকে খাপ খাওয়ানো সাধারণত সহজ হয় না।
কাওরান বাজার একটা দারুণ এলাকা, কিন্তু এলাকা হিসেবে জিনিসটা আমাকে স্যূট করে না। জন্মের পর বছরখানেক তেঁজগাও থাকার পর মাস দু'য়েকের জন্য সেখানে গিয়েছিলাম। কিন্তু বিধি বাম। সেখান থেকে চলে আসতে হলো মতিঝিলে। এখানে টানা তিনটি বছর পার করে আবার দু'মাসের জন্য কাওরান বাজার গিয়েছিলাম। সোমবার স্বেচ্ছায় এলাকাটি ছেড়ে এসেছি। ফিরে এসেছি প্রিয় মতিঝিলে। মনে একটা দারুণ শান্তি কাজ করছে। তবে যেকোন বিদায়ই কষ্ট দেয়, সামান্য হলেও।
ব্লগ সম্পর্কে কিছু লিখতে ইচ্ছে করছে। সেদিন সারারাত ব্লগার নাম নাইএর সঙ্গে বসে বসে গান শুনলাম। ভদ্রমহিলার কালেকশন চমৎকার।
ক'দিন ধরে নিজেরই পুরোনো একটা কথা বারবার মনে হচ্ছে, এবি হচ্ছে একটা এ্যডভান্স লেভেলের ব্লগ। চাইলেই চট করে এখানে যে পরিবেশটা আছে, সেটার সঙ্গে খাপ খেয়ে নেয়া যায় না। এখানে একটু ধৈর্য্য না ধরলেই নয়, সহব্লগারকে বোঝার চেষ্টা না করলেই নয় এবং ভন্ডামিটুকু ঝেড়ে না ফেললেই নয়। যারা সত্যি সত্যি চান এবি পরিবারের একজন গর্বিত সদস্য হতে কথাগুলো তাদের উদ্দেশ্যে বলা।
চারিদিকে ক্রিকেট ক্রিকেট একটা জোয়ার এসেছে। মানুষের আবেগ খুব নাড়া দেয়। বিশেষতঃ গণমানুষের কমন ইন্টারেস্ট দেখলে নিজেকে সামলানো আসলেই মুশকিল হয়ে যায়। তো সেই হিসেবে মুশকিলেই আছি। সাকিব-তামিমরা ভালো খেলুক। ওদের টেম্পারমেন্টএ চিড় না ধরুক। আমি ছেলেদের ঘাড়ে প্রত্যাশার চাপকে বোঝা বানিয়ে চড়িয়ে দিতে চাই না। ওদের প্রতি সবসময় সমর্থন থাকবে।
মন খারাপ লাগে যখন বিবিসি অফিসের সামনের সড়কদ্বীপে ইসলামী ব্যংকের বিজ্ঞাপনের বহর দেখি। বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে, মানুষের আবেগকে সুদে খাটিয়ে যে বাণিজ্য ওরা ফেঁদেছে তা আপত্তিকর। এ আপত্তি কোথায় রিপোর্ট করতে হবে জানলে করে দিতাম। ব্যটারা ডামি রিকশা-টিকশা সাজিয়ে একেবারে খাস বাঙালি সংস্কৃতি পৃষ্ঠফোষকের ভড়ং ধরেছে।
রাসেল ভাই বিদেশ চলে যাচ্ছেন। পছন্দের এ মানুষটির জন্য শুভকামনা থাকলো। ফুলকলিতে ভরে উঠুক তার জীবন।
সবশেষে একটা মজার কথা বলি। সেদিন পছন্দের একজন মানুষকে দেখলাম ই-মেইলের নিচে একটি সুন্দর বাণী জুড়ে দিয়েছেন। দেখে আমারো খুব ইচ্ছে হলো সেভাবে একটা সিস্টেম দাঁড় করানোর। তবে চেষ্টা করতে গিয়ে বুঝলাম কাজটা সহজ নয়। আমি একেকদিন একেকটা বাণী উদ্ধৃত করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু প্রথম বাণীতেই আটকে গেলাম। yesterday is a history, tomorrow is a mystery; today is a gift, that's why it is called present.
---





বিশাল ব্লগকে চাইপা চাইপা ছুটু করা হৈছে
বস্ কি কন?
আছেন কেমন?
ইসলামী ব্যাংক না হইয়া অন্য ব্যাংক হইলে আপনের মনে কি একই প্রশ্নের উদয় হইতো?
এতখানি ঘৃণার উদ্রেক হইতো না। জামায়াতী সম্পৃক্ততাই এর একমাত্র কারণ।
এইটাই জানতে চাইছিলাম। জামায়াতের কাছ থেইকা যেই আওয়ামিরা টাকা নিয়া ঢাকা সাজানের কন্ট্রাক্ট দিলো ইসলামী ব্যাংকরে তার লেইগাও ঘৃণা বর্ষণটা জায়েজ হইয়া উঠে কিন্তু এই প্রক্রিয়ায়...
ভাস্করদা' বলেন কি? সারা শহর সাজানোর কন্ট্রাক্ট দেয়া হয়েছে ইসলামী ব্যংক-কে? তাহলে তো ভয়ংকরভাবে খোঁজ লাগাতে হয়।
ঘৃণাবর্ষণ নয়, সেক্ষেত্রে এটার প্রতিবাদ করতে হবে।
দশ কোটি টাকা নিয়া খালি এই বার না বিসিবি সভাপতি আশা করছে ইসলামী ব্যাংক তাগো নিয়মিতই এমন টাকা দিবো...
ব্যাপারটা একটু খুলে বললে আমার জন্য সুবিধা হত। আমি ঠিক বুঝতে পারছি না। ইসলামি ব্যাঙ্ক কি অফিসিয়ালি বিশ্বকাপের স্পন্সর?
ইসলামী ব্যাংক অফিসিয়াল ঢাকা সাজানের স্পন্সর...
খাইছে ! ভাস্করদা ভালো প্রশ্ন তুলছেন !
মীর, কেনো জানি ব্লগটা খুবই পছন্দ হইলো আজকে
একবারই লাইক দিলাম।
বাণীটা বছর দুয়েক আগে পুতলার (শিরোনামহীন) মেইলের তলায় দেখতাম, অনেকদিন ধরে ঝুলে ছিলো। অবশ্য সে কিছুদিন পরপর বাণী বদল করে। তানবীরাও বোধহয় রেখেছিলো।
রহস্য বুঝলাম গো মিয়াভাই, কেন আপনি ব্লগে আমারে দেখলেই যানগিয়া

"এবি হচ্ছে একটা এ্যডভান্স লেভেলের ব্লগ" ....... এইটা তো খেয়াল করি নাই কখনো? তাইলে তো আরো সাবধানে ব্লগাইতাম।

হুম, সহ ব্লগার'দের বোঝার আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
এখনো অনেক ব্লগ পড়বো ভেবে পেন্ডিং রেখে দিয়েছি। বিষেশ করে সিরিজ গুলো। কিন্তু, সময় করে উঠতে পারছি না
রাসেল ভাই এর জন্য অনেক শুভ কামনা। ভালো কাটুক।
অনেকদিন পর মীরের লেখা পড়লাম।
মীরের গল্পের সাথে সাথে আশপাশের টুকটাক সবকিছু নিয়ে এই যে লেখাগুলা দারুন লাগে... বালো লাগছে লেখাটা...
আমার অফিসের বস এইকাজটা করতো, উনি উইক্লি পাল্টাইতো বানী... :) আপ্নে দেয়া এই লাইন্টার ছড়া জানতাম পিচ্চিকালে, ছন্দেছন্দে মিলানো আরকি... স্মৃতি গেছে গা... মনে করতে পারলাম না, লাইনগুলা...
মীরের লেখা পড়লেই নতুন কিছু লেখার একটা তাগিদ ভিতর থেকে আসে।
রহস্য বুঝলাম গো মিয়াভাই, কেন আপনি ব্লগে আমারে দেখলেই যানগিয়া
পরশু যাবো মতিঝিলে। দাওয়াত দিবেন নাকি?
বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে, মানুষের আবেগকে সুদে খাটিয়ে যে বাণিজ্য ওরা ফেঁদেছে তা আপত্তিকর। ।।
পুরাই সহমত। ।
মতিঝিল গেলেতো আমার মাথা আউলায় যায়
এই লেখাটা মহা লাইক কর্লাম। নানান কারণে
আমি দশ নাম্বারে লাইক দিলাম।কেন দিলাম???
কই ছিলেন আজ?আমি, লীনাপা, মাসুম ভাই, টুটুল ,নাজ...পুরা মতিঝিল আপনাকে খুঁজছি দুপুরে খাওয়ার আগে।
মন্তব্য করুন