সেই রঙিলাজনের জন্য
১.
সেদিন ক্যাপ্টেন ববি আর মেজর অনন্তের ঝগড়া হয়ে গেছে। সামনা-সামনি ক্রসফায়ারে দু'জনেই গুরুতর আহত হয়েছেন। অবশ্য যৎসামান্য ঘটনা থেকে এ গুলিকাণ্ডের উৎপত্তি। ছুটির দিন দুপুরে ক্যাপ্টেন বড় বড় গলদা চিংড়ির দোপেয়াজা রেধেঁছেন। ঝাল ঝাল করে। তাই খেতে খেতে মেজর বললেন, এরপরে ইয়েমেন।
সঙ্গে সঙ্গে প্রবল দ্বিমত আসলো ক্যাপ্টেনের দিক থেকে। মোটেও না, এরপরে সুদান। মেজর বললেন, আলী আব্দুল্লাহ সালেহ্ ৩২ বছর ধরে দেশটায় একনায়ক হয়ে আছেন। ক্যাপ্টেন প্রতিবাদ করলেন, তাতে কি? ওমর হাসান আল বশিরও ২১ বছর ধরে দেশটায় দুঃশাসন চালিয়ে যাচ্ছেন।
এমনিতে গলদা চিংড়ি মুখে ফেললেই মেজর সাহেবের বেড়ে যায় প্রেশার। তাও প্রিয় খাদ্যবস্তুটি টেবিলে ওঠানো হলে নিজেকে সামলাতে পারেন না। আর ক্যাপ্টেনও রাঁধেন এত চমৎকার করে যে, সামলানো সহজ না। একইসাথে রক্তে কোলেস্টেরল বাড়ানো চিংড়ি, এবং হরমোন নিঃসৃত উত্তেজনা। ফলাফল, লাঞ্চ টেবিলেই গুলি বিনিময়, চৌকস দুই অফিসারের মধ্যে।
সন্ধ্যেয় যখন ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট আ লিটল বিট কোয়াইট, তখন কিভাবে কিভাবে জানি মেজরের সঙ্গে দেখা হয়ে গেল এই অধমের। তিনি মন খারাপ করে নির্জনে বসে আছেন। বসে শুনছেন ম্যাচবক্স টোয়েন্টি'র আনওয়েল প্যানেল। জানতে চাইলাম, আপনি না বলে লালন আর ফোক ছাড়া অন্যকিছু প্রায় শোনেনই না?
-হ, কিন্তু দিলে দাগা পাইসি। তাই এখন এইটা শুনতেসি। খ্রাপ না। তুমার কি খবর?
আছি কুনুরকম। মিলায়-ঝিলায়ে।
এরপরে আমরা দুইজন বসে অনেকক্ষণ আলাপ-আলু-চনা-বুট চাবালাম। একসময় মেজর ঠান্ডা হলেন। তাকে বাড়ি পৌছে দিয়ে আসলাম।
২.
উনারা দুই ভাই। দু'জনেই সামান্য লুল প্রকৃতির। তাদের এক টুকটুকে ভাতিজার আম্মু বলে থাকেন, চাচারা সবাই লুল, তাই ভাতিজাও ফেলে লুল। বাংলা ব্লগের এক মালকিনের সঙ্গে দু'জনের ছবি দেখে ভাতিজার আম্মুর কথা সত্য মনে হলো। প্রসঙ্গতঃ আমি নিজেও লুল কম না। তাদের দু'জনের জন্য, এই নশ্বর জীবনের মানে শুধু তোমাকেই চাওয়া।
৩.
বুকটুশ-বুকটুশি মারপিট লাগসে। তারা এই মারপিট করে তো, এই আবার সব ঠিক-ঠাক। আবার শুরু হাসা-হাসি, হৈ হৈ। জানতে চেয়েছিলাম, আপনারা খালি মারপিট করেন কেন? বুকটুশি বলে, নাইলে ঠিক জুৎ পাই না। আরেকজন বলে, সে না পাইলে আমিও পাই না। বাহ্ দুই বন্ধুর মধ্যে কত্তো মিল!
দুইজনকে নিয়ে শাহবাগে বসে বসে একদিন চানাচুর মাখা খাচ্ছি। মাখাটা জিভে জল আসা টাইপ ভালো হয়েছে। দ্বিতীয় রাউন্ডের অর্ডার করার মুখে মুখেই নান্নু পাগলা হাজির। আমাকে দেখেই; ঐ চানাচুর খাওয়া। আমি চানাচুরওয়ালাকে বললাম, ওরে চানাচুর দেও। দেয়ার আগে ভালোমতো ওর দাবি-দাওয়া শুইনা নাও। যদিও লাভ নাই। যত ভালোই মাখো না ক্যান, সরকট্ একটা ঠিকই বাজাবে।
সঙ্গের দুইজনের কাছে আগে নান্নুর পাগলামির গল্প করসি। তাই ওরা দুইজন দেখার জন্য ওয়েট করতেসে, শেষ পর্যন্ত পাগলটা কি করে। আশ্চর্যের বিষয়, চানাচুর মাখার মতো মোক্ষম একটা পাগলামির উপাদান হাতে নিয়ে নান্নু কোনো খেলই দেখালো না। নিরসবদনে জিনিসটা শেষ করে হাত পাতলো, টাকা দে।
নান্নুকে কখনো বেশি টাকা দিতে নেই। তাহলে সে মহাযন্ত্রণা শুরু করে। সেদিন এ কথাটা ভুলে যাওয়ার কারণে বিশ টাকার একটা নোট যেই না ওর দিকে বাড়িয়ে দিয়েছি সঙ্গে সঙ্গে; বন্ধুদেরকে দেখায় দেখায় ফুটানি করস, অ্যাঁ? আমি জানি না, তোর পকেট থিকা কোনোদিন দুই টাকার বেশি বাইরয় না। আজকে বিশ টাকা দেখাস আমারে, নিলাম না তোর টাকা যা।
বলে টাকাটা মুচড়ে আমার হাতে গুঁজে দিয়ে হনহন করে হেঁটে চলে গেল। পেছন থেকে ওর শাপ-শাপান্ত বেশ টের পেলাম। মাঝে মাঝে চিন্তা করি, সাধে কি আর মানুষ ওকে পাগল বলে?
রাত ১০ টা পেরোনোর সঙ্গে সঙ্গে বুকটুশি বাসায় যাওয়ার জন্য খুনখুন শুরু করলো। অগত্যা কি আর করা, ওদরেকে ছেড়ে দিতে হলো। যদিও ইচ্ছে হচ্ছিলো আরো অনেকক্ষণ বসে বসে গল্প করার। সেদিনের আড্ডার কথা মনে থাকবে অনেকদিন। দু'জনকেই সেই ভুলে ভরা গল্প, মনে করিয়ে দিলাম আরেকবার।
৪.
আমরা তিনজন বোজম ফ্রেন্ড। দুইজন চেইন স্মোকার, একজন চেইন টলারেটর। সঙ্গে এমন অমায়িক টলারেটর থাকার জন্যই মনে হয় একসাথে থাকাকালীন সময়গুলোয় স্মোক করতে ভালো লাগে বেশি। আমি গোল্ড লীফ আর আরেকজন বেনসন, সমানে টানতে থাকি দুইপাশ থেকে।
সেদিন তিনজনে গেলাম নন্দনে। আমরা দুই আবিয়াইত্যা উদাস মুখে বসে আছি। এক্সট্রা কাপড় নাই। পানিতে নামলে বিপদ। আরেকজন যে বিবাহিতা এবং ফুটফুটে একটি কন্যা আছে, ধুম-ধাম পুলে নেমে, আমাদের দিকে পানি-টানি ছিটিয়ে একাকার করা শুরু করলো। এইটা দেখে সঙ্গের জন, ধুরো কি আছে দুনিয়ায় -বলে বসা অবস্থা থেকে পুলে লাফ দিলো। এরপরে আমি আর বসে থাকি কেমনে?
ফেরার সময় অবশ্য ইচ্ছে করে সাইকেল জোরে জোরে টেনেছিলাম, যাতে ঠান্ডা টের পেতে কারো কোনো সমস্যা না হয়। শকুনের মুখে ছাই দিয়ে তারা উভয়েই চুল উড়াতে উড়াতে ফিরে আসলেন। আমি ঠান্ডায় কাবু হয়ে পড়লাম।
মাঝে মাঝে ভাবি, রং বেশি থাকার কথা আমাদের দুইজনের মনে। কারণ হিসেব অনুযায়ী আমরা দুইজন এখনো জীবিত। কিন্তু বাস্তব এরকম উল্টো কেন? যাক্, উল্টো বলেই; যে যেটা বোঝে না, তাকে সেটাই আরেকবার, কিভাবে বলি কেন তোমাকে চাই।
আর সবশেষে যে কথাটি না বললেই নয়; আমরা তিনজন যে সুযোগ পেলেই দিক-বিদিকে ছুট দিই, সেটা মোটেও খারাপ লাগে না কিন্তু। প্রিয় সেই রঙিলাজনের জন্য, খুবই প্রিয় একটি গান, আমারে ছাড়িয়া রে বন্ধু...
---





দারুণ সব কুটকুট গল্প। গল্পের লুকজনরে চিনপরিচিত লাগে।
পছন্দের সব গান দিলেন। তোমাকেই বলে দিবো শুনতেছি। আহা।আপনাকে ৫ কেজি ধইন্যা। মন্টা ফুরফুরা হয়ে গেলো।
কুটকুট শব্দটা চমৎকার হইসে।
মিস্ কুটকুট, ভিডিওটায় বস্ নিজে আছেন।
এগেইন ধইন্যাপাতা।
গান শুনে মন উদাস।
গল্প কইলেন আপনি কুটকুট করে। নাম দিলেন আমার! ভালু।
কি কোড দিয়া গল্প লিখো বুঝি না কিছু আরেকজন দাতঁ কেলায়তেছে।
ঙ্খ্রামি আর ভালো লাগে না।এই জন্য দিলাম

আজ মাজেন নাই?এইজন্য দাঁত কেলান না?নাহ্ এই চুং বুং এর দেশে থেকে আপনার যে কি হবে!
রাসেল ভাইরে তো সবসময়
ছি ছি। এসব কি?নাউজুবিল্লাহ মিন................
আস্তাগফিরুল্লাহ ইমো ক্যান এখানে??

আপনেরেই তো দিছে।

নিজের মাথায় নিজেই বাড়ি দিতাছেন কেন?আজব তো!
ওইটা লজ্জা পাইসে তাই
@ জয়িতা'পু
আগে গান টা শুনি তারপর এই পোস্ট এ সোয়াশো কমেন্ট করুম। কি- কেন- কিভাবে
আমারে ছাড়িয়া বন্ধু কই রইলারে।
গান মনে পড়ছে। এখন আর মন বসবে না ব্লগে।
গানটা রিমিক্স। শচীনকর্তার অরিজিনাল ভার্সনটা পাচ্ছি না।
সৈয়দ মুজতবা আলীর বই আছে দেশে-বিদেশে, পড়সেন?
দেশে-বিদেশে আছে আমার কাছে। পড়ছি তো।

এই ব্লগে একজন বুকটুসরে আমি চিনি। আপনি কি তার কথা কইছেন।?থাক জিগামু না আপনেরে । তাইলে আবার কইবো নখ্রামি।
পড়ছি। খুব প্রিয় বই।
গানগুলাতো জটিল দিছেন মীর। আপ্নে আগামী কয়েকটা পোস্ট শুধু গান নিয়া দিবেন। আপনার গানের চয়েস ইর্ষাজাগানিয়া ভালো্। 'তু জানে না' গানটা মাথাটা পরিস্কার করে দিচ্ছে
: )
আমরা বাংলাদেশের পরের ম্যাচের রাতে রাতভর ঘুরবো পরিকল্পনা করতাছি
উত্তম। ঘুরাঘুরি মনের জন্য খুবই ভালু।
কৈলাশ খের সবসময় রক্স।
ওই, আমিও ঘুরতে চাই রাতভর! আমারে নিও!
"নিলাম নিলাম নিলাম, আমি তোমার বুকের ভেতর চমকে উঠেছিলাম!"
'নিলাম' লিখতে গিয়ে লাইনটা মনে পড়ে গেল।
তুমিও যাইতেছ তাইলে
অতিথি কমেন্ট কালকা আসবে
ধইন্যা পছন্দ হৈছে। তেঁতুল নাই, খালিই খাইয়া নিলাম (চমকে উঠেছিলাম
)
তোমার চমকাবার কথা শুইনা তো আমি চমকাইয়া গেলাম! চমকাইছো ক্যান!
আরে 'নিলাম' শব্দটা লিখলেই 'চমকে উঠেছিলাম' লিখতে ইচ্ছা করতেছে। নিলাম এর ছন্দোবদ্ধ রূপ।
ওহোহোহো, ছরি!
দিলেন তো আমারেও মনে করায়ে... আহা, দারুণ কবিতা-
দুপুর বেলায় নিলাম
নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
অকস্মাৎ কে চেঁচিয়ে উঠল রক্তে ঝাঁকি দিয়ে
"নিলাম নিলাম নিলাম!"
আমি তোমার বুকের মধ্যে উঁকি মারতে গিয়ে
চমকে উঠেছিলাম।
অথচ কেউ কোথায় নেই তো, খাঁ খাঁ করছে বাড়ি।
পিছন দিকে ঘুরে
দেখেছিলাম, রেলিং থেকে ঝাঁপ দিয়েছে শাড়ি
এক গলা রোদ্দুরে।
বারান্দাটা পিছন দিকে, ডাইনে বাঁয়ে ঘর,
সামনে গাছের সারি।
দৃশ্যটা খুব পরিচিত, এখনো পর-পর
সাজিয়ে নিতে পারি।
এবং স্পষ্ট বুঝতে পারি, বুকের মধ্যে কার
বুকের শব্দ বাজে
হায়, তবু সেই দ্বিপ্রাহরিক নিলাম ঘোষণার
অর্থ বুঝি না যে।
"নিলাম নিলাম!" কিসের নিলাম? দুপুরে দুঃসহ
সকাল বেলার ভুলের?
এক বেণীতে ক্ষুদ্ধ নারীর বুকের গন্ধবহ
বাসী বকুল ফুলের?
"নিলাম নিলাম!" ঘন্টা বাজে বুকের মধ্যে, আর
ঘন্টা বাজে দুরে।
"নিলাম নিলাম!" ঘন্টা বাজে সমস্ত সংসার
সারা জীবন জুড়ে।
অকস্মাৎ কে চেঁচিয়ে উঠল রক্তে ঝাঁকি দিয়ে
"নিলাম নিলাম নিলাম!"
আমি তোমার বুকের মধ্যে উঁকি মারতে গিয়ে
চমকে উঠেছিলাম।
উফ! মাথা খারাপ করে দেয়া লাইন
নজরুল ভাই আপনার বইর লিস্টি দেন। কি কি বই কিনলেন, কেন বইটা কিনলেন সেই গল্প বলেন। আপনার উমদা লেখাগুলা মিস করি। নিয়মিত হোন ব্রাদার।
আমি তোমার বুকের মধ্যে উঁকি মারতে গিয়ে
চমকে উঠেছিলাম।
নাউজুবিল্লাহ। কি নাফরমানি কথা!
এই লুকটার কোনো ভয়-ডর নাই নাকি?
কার!
কার আবার? আপনার
ভয়ের কি হইল!
ওহ্ আপনে একটা জিনিস

একটা উপকার করলাম, আর আপনে কি সব ভয়ডরের প্যাচাল শুরু করলেন। যত্তসব।
অবশ্য সেইটা ঠিক
ধইন্যাপাতা আপ্নারে। 
আমিতো একবারেই পাইয়া গেলাম। মাইরটা এই কারনে দেয়া হইছে।
আয় হায়। আপনার সঙ্গে এক বন্ধুর তীব্র মিল পেলুম। অত্যধিক বিস্মিত হবার ইমো হবে। প্লীজ হ্যাভ আ কোকা-কোলা ম্যা'ম।
কোন বন্ধু! কি মিল! আর ডেভু আমাদের কোকের নাম দিয়া বিয়ার খাওয়ানোর ষড়যন্ত্র করতেছে অনেকদিন ধইরা...এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমাদের রুখে দাঁড়ানো দরকার।
আরে না বিয়ার না, বড়জোর সেভেনাপ হবে। তবে ইমোটা জটিল। সেকেন্ডটার কীর্তি-কলাপ দেখলে হাসি আটকানো মুশকিল। আর ডেভু এত বোকা না যে, দুইশ-আড়াইশ' টাকার জিনিস বিশ টাকায় দিয়ে দেবে।
সেই বন্ধুর নাম নাই। কেমনে যে আপনেরে চিনাই।
সেভেনাপ খাইয়া সেকেন্ডের এই হাল?
শেষের দুই লাইন কি ছড়া লেখছেন?
সেদিন কে জানি কৈসিলো, সিগারেটেই নাকি হাই হয়ে যায়
কে কইছিল? হ, সিগারেটের একটা ছোট হাই তো আছেই। ছোট একটা কিক, আমার ভাল্লাগে ঐটা।
ঐটা ভালো লাগাই ভালো।
হাহা, স্মোকিং বিরোধী আন্দোলনকারীরা পিটাইব আপনেরে এই কথা শুনলে।
মীর ভাই, কত্তার ভার্সনটা এখানে পাবেন -
http://www.youtube.com/watch?v=oxAFTPqA-2M
মীর, আন্তরিকভাবে দুঃখিত ভাইটি!!! একটু মজাই করতে চেয়েছিলাম শুধু...আপনার অনুভূতিতে আঘাত করবার কোনো ইচ্ছাই আমার ছিলোনা ভাই! নীড়ুদা'কে আমি অনুরোধ করেছি ঐ পোষ্টে করা আমার মন্তব্যটা ডিলিট করতে, কিন্তু এখানে মনে হয় ডিলিটের অপশনটা নেই রে! যাইহোক, আমি আবারও ক্ষমা চাইছি আপনার অনুভূতিতে আঘাত করবার জন্য.....একজন সাধারণ সদস্য আর বন্ধুর মধ্যে যে ফারাক থাকে সেটা আমি খুব মনে রাখবো ভবিষ্যতে......আপনার মঙ্গলময় ভবিষ্যৎ কামনা করছি। শুভেচ্ছা নিরন্তর...........
রিলাক্স ব্রাদার। আমরা আমরাই তো। যে কারণে ভালো-মন্দ অসংকোচে জানাই। টেক ইট ইজি।
আপনার জন্য
গানগুলো অসাধারণ। কোন গল্পের কাউরে চিনলাম না আফসুস
(
আমিও তো কাউকে চিনি না। মানুষ খালি সবাইকে চিনে ফেলে।

গল্পগুলা ভালো লাগলো, গানগুলা শুনি নাই
গানগুলো অসাধারণ।
উপরে মন্তব্য করেছি - লগ আউট হয়ে গেলাম
যাই হোক শচীন কত্তার ভার্সনটা পাবেন এইখানে
http://www.youtube.com/watch?v=oxAFTPqA-2M
শুনলাম।আবারো শুনি।
ভাল লাগল। ইউটিউবের গান শুনতে ও দেখতে পারি না। আফসোস। অফিসে সাইট টা বন্ধ আছে!
ভাল লাগল। ইউটিউবের গান শুনতে ও দেখতে পারি না। আফসোস। অফিসে সাইট টা বন্ধ আছে!
সব কিছু ধরদে পারি নাই। ভোতা হইয়া গেছিলাম আগেই, এইবার কনফার্ম হইলাম।
আমারেও কিছু কইছেন নাকি মীর?
কোডফোড ধরতে পারিনি। শুধু গদ্যগল্প হিসেবে পড়তেও ভালো লাগলো।
লুল লুল
আপনারে কৈলাম কিন্তুক
চমৎকার তো!
আপ্নে আবার এমুন পোস্ট দেওন উচিৎ!
মন্তব্য করুন